বুধবার, ১৩ জুন, ২০১২

যে মিথ্যা নারীর প্রিয়

কাউকে আঘাত না করা, কোনো পরিস্থিতিতে ঝামেলা-বাগবিতণ্ডা এড়ানো বা কাছের পুরুষ বন্ধুটির সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখার জন্য মেয়েরা প্রায়ই কিছু মিথ্যা কথা বলে থাকে। পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার স্বার্থে মেয়েদের বলা এমন কিছু সাধারণ মিথ্যা কথার খবর দিয়েছে টিএনএন।
১. আমি তোমার ডাকের জন্য অপেক্ষা করছিলাম না।
২. আমি সত্যিই তোমাকে পছন্দ করি, কিন্তু আমি জানি না যে কখন এটা প্রেমে রূপ নেবে।
৩. এ মুহূর্তে যদি আমি কারও সঙ্গে ঘুমাতে চাই, তাহলে সেটা একমাত্র তুমি।
৪. আমার মনে হয়, আমাদের বিলটা ভাগাভাগি করে নেওয়া দরকার। সব সময় তোমারই এটা দেওয়ার দরকার নেই।
৫. আমি সত্যিই কখনো অনুধাবন করিনি যে আমি এটা এত পছন্দ করি।
৬. শারীরিক সম্পর্কটা সত্যিই খুব মজার।
৭. যদি ছেলেটার টাক থাকে, দেখতে অতটা সুন্দর না-ও হয়, তাও ঠিক আছে, অন্ততপক্ষে সে ধনী তো! আমরা একটা নিরাপদ জীবন কাটাতে পারব।
৮. আমি কখনোই আধিপত্যপ্রবণ হতে চাই না। আর আমি তোমার সঙ্গে কখনোই খ্যাঁচ খ্যাঁচ করব না।
৯. তুমিই সেই একমাত্র মানুষ, যাকে আমি সব সময় চেয়েছি।Suvro

ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের ধোঁয়া ক্যানসারের জন্য দায়ী

ডিজেলচালিত ইঞ্জিন থেকে নির্গত ধোঁয়া ক্যানসার ছড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পক্ষে উচ্চমাত্রায় স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের ওপর গবেষণা চালিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
গবেষণাটি পরিচালনা করেছে ডব্লিউএইচওর অঙ্গ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যানসার (আইএআরসি)। প্যানেলটির গবেষণায় বলা হয়, ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের ধোঁয়া নিশ্চিতভাবেই ফুসফুস ক্যানসারের জন্য দায়ী। এটির কারণে মূত্রথলিতে টিউমারও হতে পারে। গবেষক দলটি খনিশ্রমিক, রেলশ্রমিক এবং ট্রাকচালকদের ওপর গবেষণা চালিয়ে এসব তথ্য পেয়েছে। তবে ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের ধোঁয়া এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে প্রত্যেককেই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আইএআরসি অনেক আগেই বলেছিল, ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের ধোঁয়া সম্ভবত মানবদেহে ক্যানসারের জন্য দায়ী পদার্থগুলোর একটি। তবে এখন তারা ঘোষণা দিল, এটা নিশ্চিতভাবেই ক্যানসার সৃষ্টি করে। অবশ্য ক্যানসারের জন্য দায়ী পদার্থগুলোর কোনটার ঝুঁকি কেমন, সে বিষয়ে তুলনামূলক পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি। কাঠের টুকরো থেকে শুরু করে প্লুটোনিয়ামের মতো পদার্থের পাশাপাশি এখন থেকে ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের ধোঁয়াও ক্যানসারের জন্য দায়ী পদার্থ হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিশেষজ্ঞ প্যানেলটির প্রধান ক্রিস্টোফার পোর্টিয়ার বলেন, এই বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত বেশ সুস্পষ্ট এবং বিষয়টি নিয়ে কাজ করা দলের সবাই একমত হয়েছে যে ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের ধোঁয়া ফুসফুসে ক্যানসারের জন্য দায়ী।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ বলেছে, তারা এই প্রতিবেদন সতর্কভাবে বিবেচনা করবে। আর কর্মস্থলে নিয়োগকর্তা ও কর্মী উভয়েরই ডিজেলের ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসা কমাতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছে ক্যানসার রিসার্চ ইউকে। বিবিসি।Suvro

অচল অঙ্গ সচল হলো ইঁদুরের!

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকেরা সম্প্রতি পক্ষাঘাতগ্রস্ত একটি ইঁদুরকে সুস্থ করে তোলার কথা দাবি করেছেন। রাসায়নিক ও বৈদু্যতিক শক থেরাপির মাধ্যমে তাঁরা ইঁদুরটির শরীরের অচল অংশ সচল করতে পেরেছেন বলে জানান। গবেষকদের বরাত দিয়ে বিবিসি অনলাইনে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়, এ গবেষণার ফল মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া মানুষের চিকিত্সায় কাজে লাগবে।
`সায়েন্স' সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণা-বিষয়ক নিবন্ধে জানানো হয়, মেরুদণ্ডে আঘাত স্নায়ুজনিত সমস্যার কারণে মস্তিষ্ক থেকে দেহের অন্যান্য অংশের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়। এতে দেহের ওই অংশ কার্যত অকেজো হয়ে পড়ে, যা পক্ষাঘাত বলে পরিচিত। সুইস ফেডারেল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকেরা মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়া একটি ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে সফল হয়েছে। ইঁদুরটির মেরুদণ্ডের নিষ্ক্রিয় স্নায়ুকে উদ্দীপিত করতে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ প্রবেশ করানোর পর বৈদু্যতিক শক দিয়েছিলেন তাঁরা। গবেষকদের দাবি, গবেষণায় তাঁরা আশানুরূপ ফল পেয়েছেন। তাঁদের এ গবেষণায় প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত ইঁদুর আবারও হাঁটতে পারছে।
গবেষকেরা জানান, তাঁদের উদ্ভাবিত এ পদ্ধতিতে স্নায়ুতন্ত্র নতুন করে সচল হতে দেখেছেন, যা আশাব্যঞ্জক। ভবিষ্যতে এ পদ্ধতিতে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত মানুষের চিকিত্সা করা সম্ভব হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।
গবেষকেরা বলেন, এ পদ্ধতিতে পক্ষাঘাতের সমস্যা হয়তো পুরোপুরি দূর হবে না, তবে হেঁটে বেড়ানো,সিঁড়ি বেয়ে ওপরে ওঠার মতো কাজগুলো করা সম্ভব হবে।Suvro

আসছে ‘বায়োনিক চোখ’

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা বায়োনিক চোখ বা ‘রেটিনাল ইমপ্ল্যান্ট’ উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁরা দাবি করেছেন, এটি আলোর সাহায্যে কাজ করবে। এখন এই বায়োনিক চোখ একটি ব্যাটারি থেকে শক্তি অর্জন করবে। যন্ত্রটির জন্য ক্যামেরা লাগানো একটি বিশেষ ধরনের চশমা ব্যবহার করতে হবে। ক্যামেরাটি ছবি তুলে পাঠিয়ে দেবে মাইক্রোচিপে। চিপ থেকে সেই আলোর সংকেত চলে যাবে অপটিক স্নায়ুতে। রেটিনার অসুখে যাঁরা দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন তাঁদের বায়োনিক চোখ ব্যবহারে ইতিমধ্যেই সাফল্যের মুখ দেখেছেন বিজ্ঞানীরা।
ডিভাইসটি রোগীর রেটিনার নিচে বসিয়ে দেওয়া হয়। তারপর কানের পেছনে লাগানো ব্যাটারির সঙ্গে তার দিয়ে জুড়ে দেওয়া হয় সেটিকে। রোগীর অবস্থা ভালো হলে চোখের ডাক্তারের চার্টে লেখা একেবারে ওপরের সারির বর্ণগুলো তিনি দেখতে সক্ষম হন। গবেষকেরা দাবি করেছেন, বায়োনিক চোখের এই নতুন সংস্করণে রেটিনার নিচে বসানো মাইক্রোচিপটি সাধারণ আলোর সাহায্যেই কর্মক্ষম হয়ে উঠবে। ফলে দরকার পড়বে না কানের পেছনে বসানো পরিবাহী তারের সঙ্গে সংযোগকারী ব্যাটারির। এখন পর্যন্ত মানবদেহে অত্যাধুনিক এই বায়োনিক চোখের পরীক্ষা করা হয়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে এর সফলতা পাওয়া গেছে।
—বিবিসি নিউজ ও টপ নিউজ অবলম্বনে Suvro

আসছে নিনটেনডোর ‘উয়ি ইউ’

গেম-নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিনটেনডো নতুন একটি কনসোল বাজারে আনছে। ২০০৬ সালে উয়ি নামের গেমিং কনসোলটি আনার পাঁচ বছর পর নতুন এই গেম কনসোলটি আনার ঘোষণা দিল নিনটেনডো। চলতি মাসের ৫ থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠেয় ইলেকট্রনিক এন্টারটেইনমেন্ট এক্সপো (ই৩) মেলায় এ গেম কনসোলটির ওপর থেকে পর্দা সরাতে পারে নিনটেনডো। এক খবরে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
‘উয়ি ইউ’ নামের এই গেমিং কনসোলটি বিষয়ে নিনটেনডো জানিয়েছে, এটি হবে পরবর্তী প্রজন্মের গেমিং কনসোল। উয়ি ইউ কনসোলটি ব্যবহার করে হাই-ডেফিনেশন ভিডিও দেখা, ওয়েব ব্রাউজসহ ভিডিও কলও করা যাবে। অনেক দিন ধরেই প্রযুক্তি বিশ্বে নিনটেনডোর উয়ি সংস্করণের আসন্ন একটি কনসোল বিষয়ে গুঞ্জন ছিল।
উয়ি ইউ কনসোলটিতে থাকবে ৬.২ ইঞ্চির টাচ স্ক্রিন এবং ক্যামেরা-সুবিধা। এ ছাড়া এ কনসোলটি মাইক্রোসফটের এক্সবক্স ৩৬০ এবং প্লেস্টেশন ৩ কনসোলের মতোই গ্রাফিকস-সুবিধা দেবে। এইচডি সুবিধার এই গেমিং কনসোলটির দামও হবে তুলনামূলকভাবে কম।
বাজারে থাকা অন্যান্য গেমিং কনসোলগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে নতুন কনসোলের দাম মাত্রই ১৫০ ডলার রাখতে পারে জাপানি এ গেম-নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা ধারণা করছেন, গেম কনসোলটির নাম নিয়ে সংশয়ে রয়েছে নিনটেনডো। শেষ নাগাদ হয়তো ‘উয়ি ইউ’ নামটি পরিবর্তন করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।
বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, গেমিং কনসোলের বাজারে নিনটেনডোকে মাইক্রোসফট, সনি ও অ্যাপলের সঙ্গে লড়তে হবে।Suvro

ফেসবুকে বাংলাদেশ ৫৫তম

বর্তমানে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৪ লাখ ৬৯ হাজার ৭৬০ জন। ফেসবুক ব্যবহারকারীর হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৫৫তম। লন্ডনভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের তথ্য বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান সোশ্যালবেকার্স এক জরিপে এ তথ্য জানিয়েছে।
সোশ্যালবেকার্সের তথ্য অনুসারে, গত ছয় মাসে বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহার ৪ শতাংশ হারে বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা। এই বয়সী ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাংলাদেশে দ্রুত বাড়ছে। মোট ফেসবুক ব্যবহারকারীর অর্ধেক অংশই এই বয়সী। এ ছাড়া বাংলাদেশে ২৫ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ফেসবুক ব্যবহারকারী ৩০ শতাংশ এবং দেশে মোট ফেসবুক ব্যবহারকারীর ৭৭ শতাংশ পুরুষ ও ২৩ শতাংশ নারী।
উল্লেখ্য, বিশ্বে সবচেয়ে সবচেয়ে বেশি নারী ফেসবুক ব্যবহারকারীর দেশ বুলগেরিয়া। দেশটির ফেসবুক ব্যবহারকারীর ৫২ শতাংশই নারী।
১৫ কোটিরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীর দেশ হিসেবে প্রথম অবস্থানটি যুক্তরাষ্ট্রের। এর পরের অবস্থানেই রয়েছে ব্রাজিল ও ভারত। এদিকে সোশ্যালবেকার্সের তথ্য অনুসারে ফেসবুক ব্যবহারের শীর্ষে ছুঁতে দ্রুত ছুটছে ভারত। ২০১৫ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক ব্যবহারকারীর হিসেবে শীর্ষস্থানে চলে যাবে দেশটি। ভারতে রয়েছে ফেসবুকের চার কোটি ৬৩ লাখ ব্যবহারকারী।Suvro

২০২৩ থেকে মঙ্গলে স্থায়ী বসত!

মঙ্গলে ২০২৩ সাল নাগাদ নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে নেদারল্যান্ডের বেসরকারি একটি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এক খবরে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল এ তথ্য জানিয়েছে।
বিষয়টি যেন ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের হোসেন মিয়ার সেই ময়না দ্বীপে বসতি স্থাপনের মতো। যেখানে অল্প অল্প মানুষ থেকে বড় কিছুর পরিকল্পনা করেন হোসেন মিয়া। আবার কিছুটা যেন ‘রবিনসন ক্রুসো’ উপন্যাসের কাহিনির মতোও। রবিনসন ক্রুসো যেভাবে নির্জন দ্বীপে জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছিলেন, এবারে রবিনসন ক্রুসোর মতো কয়েকজন নভোচারীও সে জীবন কাটতে যাচ্ছেন অবশ্য তাঁদের গন্তব্য মঙ্গল গ্রহ।
নেদারল্যান্ডসের গবেষকেরা ২০২৩ সালে নাগাদ মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপনের জন্য নভোচারীদের পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে দেবেন, কিন্তু নভোচারীদের জন্য পৃথিবীতে ফেরার পথ রুদ্ধ থাকবে। অর্থাত্, মঙ্গলে স্থায়ী বসতি গড়ার লক্ষ্যেই সেখানে যাবেন তাঁরা। আর তাঁদেরকে মানিয়ে নিতে হবে মঙ্গলের বৈরী পরিবেশ।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) রসদ সরবরাহের নয় দিনের সফল অভিযান শেষে পৃথিবীতে ফিরেছে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি নভোযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের ড্রাগন ক্যাপসুল। ড্রাগনের এই সফল অভিযান নিয়ে স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী এলন মাস্ক যথেষ্ট আনন্দিত হলেও মঙ্গল অভিযানে তিনি এখন পর্যন্ত কোনো পরিকল্পনা করেননি। পরিকল্পনা নেই নাসার হাতেও। কিন্তু মঙ্গলে বসতি স্থাপনের সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছে নেদারল্যান্ডের ‘মার্স ওয়ান’ নামের একটি বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। পরিকল্পনার সঙ্গে কবে নাগাদ নভোচারীরা মঙ্গলের উদ্দেশে যাত্রা করবেন সেই তারিখটাও ঠিক করে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ম্যাশেবল জানিয়েছে, ২০২৩ সাল নাগাদ চারজন নভোচারীকে কেবল মঙ্গলে পৌঁছে দেবে মার্স ওয়ান। মার্স ওয়ান নিয়ে কাজ করছেন ডাচ উদ্যোক্তা ও গবেষক ব্যাস ল্যান্ডসড্রপ।
ল্যান্ডসড্রপের পরিকল্পনা অনুসারে, মঙ্গল গ্রহের মিশন সফল করতে ২০১৬ সাল নাগাদ যোগাযোগের জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাবে মার্স ওয়ান। ২০১৮ সালে রোবট পাঠিয়ে বসতি স্থাপনের জন্য উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণ করবে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২০ সালে মঙ্গলে নভোচারীদের টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার কাজ করার কথা জানিয়েছেন ব্যাস। প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর মধ্যে থাকবে সৌর প্যানেল স্থাপন ও মঙ্গলের পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে পানি ও অক্সিজেন তৈরির বিষয়টি। ২০২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর চারজন নভোচারী মঙ্গলের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। প্রায় ১০ মাস সময় ধরে মঙ্গলের পথ পাড়ি দেওয়ার পর তারা বসতিতে পৌঁছাবেন। এরপর তাঁদের শুরু হবে রবিনসন ক্রুসোর মতো জীবন। কারণ, নভোচারীদের ফিরিয়ে আনার কোনো পরিকল্পনা রাখছেন না মার্স ওয়ানের উদ্যোক্তা ও বিজ্ঞানী ব্যাস ল্যান্ডসড্রপ।
প্রতি দুই বছর অন্তর আরও দুজন করে মানুষ এই স্থাপনা বসতি গড়ার জন্য পাঠাবেন গবেষক ল্যান্ডসড্রপ। তবে, যারা নভোচারী হবেন তাঁরা আর কেউই পৃথিবীতে ফিরতে পারবেন না এমনটাই শর্ত থাকবে তাঁর।Suvro

বিয়ে দীর্ঘমেয়াদে সুখী করে

বিবাহিত জীবনে অনেককেই খুব বিষণ্ন ও অসুখী অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। বিয়ে নামক সামাজিক বন্ধনটার সঙ্গে জড়ানোর জন্য আফসোস করেন তাঁরা। কেউ কেউ হয়তো মনে মনে হিংসাও করেন অবিবাহিতদের। তবে দীর্ঘমেয়াদে অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিতরা অনেক সুখী জীবনযাপন করেন বলে জানা গেছে নতুন এক গবেষণার মাধ্যমে। মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা সম্প্রতি এই তথ্য দিয়েছেন।
বিবাহের পরে মানুষ আগের তুলনায় অনেক বেশি সুখী হয়ে ওঠে, এমন দাবি না করলেও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষেরা দীর্ঘমেয়াদে অবিবাহিতদের তুলনায় সুখী জীবনযাপন করেন বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। মনোবিজ্ঞানী স্টিভ সি ওয়াই ইয়াপ বলেছেন, ‘আমাদের গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, সাধারণত মানুষ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর দীর্ঘমেয়াদে সুখী জীবনযাপন করেন অবিবাহিতদের তুলনায়।’
মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক স্টিভ সি ওয়াই ইয়াপ, ইভানা আনুসিক ও রিচার্ড লুকাস দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত এই গবেষণার ওপর ভিত্তি করে এমন তথ্য দিয়েছেন। তাঁরা খুঁজে দেখার চেষ্টা করছিলেন, বিয়েসহ জীবনের অন্যান্য বড় ঘটনাগুলোর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কতটা প্রভাব ফেলে। দেখা গেছে, এই দুইয়ের সম্পর্ক খুবই কম। ইয়াপ বলেছেন, ‘এর আগের গবেষণাগুলোর মাধ্যমে জানা গিয়েছিল, একজন মানুষ তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো ঘটার সময় কি রকম আচরণ করবে, তার সঙ্গে ব্যক্তিত্বের সম্পর্ক আছে, কিন্তু আমরা এখন দেখছি যে ব্যক্তিত্বের সঙ্গে জীবনের বড় ঘটনাগুলোর খাপ খাইয়ে নেওয়ার তেমন কোনো রীতিমাফিক সম্পর্ক নেই।’
এই গবেষণার মাধ্যমে দেখা গেছে, অবিবাহিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রতি বছরই সুখসূচক মাত্রাটা কমতে থাকে। অন্যদিকে বিবাহিতদের ক্ষেত্রে এই মাত্রাটা খুব একটা না বাড়লেও অন্ততপক্ষে স্থির থাকে।—টাইমস নিউজ নেটওয়ার্ক।Suvro

পুরুষের শহর লন্ডন-মুম্বাই

ঘোরাঘুরি বা বেড়ানোটা অনেকেরই পছন্দ। কেউ বেরিয়ে পড়েন প্রকৃতি দেখতে, কেউ বা ঘুরে দেখতে পছন্দ করেন বিভিন্ন স্থাপত্য নিদর্শন, আবার অনেকের পছন্দ বিভিন্ন দেশের শহর ঘুরে দেখা।
তবে বেড়াতে পছন্দ করেন এমন পুরুষের পছন্দের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে লন্ডন। এরপরই ভারতের মুম্বাই শহর। পুরুষের পছন্দের অন্য শহরগুলোর মধ্যে তৃতীয় স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি, এরপরেই ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো এবং চীনের সাংহাই রয়েছে পঞ্চম স্থানে। সাংহাইয়ের পরে নিউইয়র্ক, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা, হংকং, ফ্রান্সের মার্সেই এবং ১০ নম্বরে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন।
হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, এ তালিকা করা হয়েছে জরিপের মাধ্যমে। পুরুষের ওয়েবসাইট অ্যাকস ডটকম এবং হোটেল রেনেসাঁ এ জরিপ চালায়। জরিপেই বেরিয়ে এসেছে ছেলেদের বেড়ানো বা ঘুরতে যাওয়ার জন্য প্রথম পছন্দের শহর লন্ডন। মোট ২৯টি শহর থেকে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীরা এ ১০টি শহরকে বেছে নেয়।
অ্যাকস ডটকমের সম্পাদক বলেন, এ বছর লন্ডনে বসবে অলিম্পিকের আসর। এ ছাড়া একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন হওয়ার কারণে পুরো বিশ্বের ‘আলোচনা বা কেন্দ্রে থাকবে এ শহর’।
মুম্বাইয়ের দ্বিতীয় স্থানে থাকার কারণ রোমাঞ্চ বা অ্যাডভেঞ্চার। ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের মতে মুম্বাইয়ের পরিবহন ব্যবস্থার দ্রুত উন্নয়ন, মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের কারণে মুম্বাই শহরের প্রতি পর্যটকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।
আন্তর্জাতিক ক্রীড়ার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো আছে পছন্দের তৃতীয়তে। কারণ, ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর বসবে ব্রাজিলে। এ ছাড়া ২০১৬-এর অলিম্পিকও হবে এখানেই।
ওয়াশিংটনের চতুর্থ স্থানে থাকার কারণ হলো হিসেবে বলা হয়েছে—মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কারণে গরম হাওয়া বইবে এ শহরে। বিশ্বের সুপার পাওয়ারদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু এবং অনিন্দ্য সুন্দর শহর হংকং রয়েছে পঞ্চম স্থানে।
আসছে ৮ জুন ইউরো ফুটবলের আসর বসছে ইউক্রেন ও পোল্যান্ডে। কিন্তু এ দুই দেশের কোনো শহর ছেলেদের পছন্দের তালিকায় নেই।Suvro

বিশ্বের বৃহত্তম হাইব্রিড ট্যাব!

তাইওয়ানের তাইপে শহরে অনুষ্ঠিত ‘কম্পিউটেক্স ২০১২’ উপলক্ষে উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমচালিত ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটের হাইব্রিড পণ্য বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে আসুস। এক খবরে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে। আসুসের দাবি, ‘ট্রান্সফরমার বুক’ নামের যে পণ্যটিই হবে বিশ্বের বৃহত্তম হাইব্রিড ট্যাব।
আসুসের চেয়ারম্যান জনি শিহ জানিয়েছেন, ‘ট্রান্সফরমার বুক’ নামের হাইব্রিড ট্যাবলেটটি সাধারণ ল্যাপটপের মতোই ব্যবহার করা যায়। তবে প্রয়োজন পড়লে ল্যাপটপটির স্ক্রিনটি আলাদা করে ফেলা যায় এবং আলাদা স্ক্রিনটি ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। আসুসের চেয়ারম্যান জনি শিহ দাবি করেছেন, স্ক্রিনটি আলাদা করে নিলে যে ট্যাবলেটটি দাঁড়ায়, সেটিও বিশ্বের বৃহত্তম ট্যাবলেট। আসুসের এই ট্রান্সফরমার বুক ট্যাবলেটটি ডুয়াল বুট পদ্ধতির। অর্থাত্ একই কম্পিউটারে উইন্ডোজ ৮ ও অ্যান্ড্রয়েড চালানো যাবে।
কম্পিউটেক্সে ‘ট্রান্সফরমার বুক’ ছাড়াও ‘টাইচি’ নামের আরেকটি পণ্য বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে আসুস। টাইচি নামের এ ল্যাপটপটির দুটি ডিসপ্লে। যখন একটি ডিসপ্লে হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন এটি ট্যাবলেট কম্পিউটার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। যখন দুটি ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়, তখন হাই ডেফিনেশন স্ক্রিন হিসেবে দুজন ব্যবহারকারী দুই দিক থেকে এটি ব্যবহার করতে পারেন।
চলতি বছরের শেষ নাগাদ আসুসের উইন্ডোজ ৮ নির্ভর ট্রান্সফরমার বুক ও টাইচি বাজারে আসবে। এই পণ্য দুটির দামের বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য জানায়নি আসুস।Suvro