বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

কাহের এফ-৩১৩ যুদ্ধবিমান এবং ইরানের সামরিক অগ্রযাত্রা


Qaher F-313 ইসলামিক রিপাবলিক ইরান নির্মিত একটি অত্যাধুনিক স্টিলথ যুদ্ধবিমান।রাডারের চোখকে ফাকি দিয়ে অত্যন্ত নিচু দিয়ে উড়ে যেতে সক্ষম  এই বিমানটিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট ডঃ মাহমুদ আহমাদিনেজাদ Qaher F-313 বিমান নির্মাণ সম্পর্কে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন "এই বিমানের নির্মাণ ইরানের  বৈজ্ঞানিক অগ্রযাত্রাকে শীর্ষচূড়ায় নিয়ে গেছে।" এফ-৩১৩ বিমানটি ২০০৭ সালে ডিজাইন করা অনেকগুলো অত্যাধুনিক ডিজাইনের একটি যা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সংবলিত।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আহমেদ ভাহিদি বলেছেন " কাহের এফ-৩১৩ সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমান যা ইরানের শ্রেষ্ঠ বিমান প্রযুক্তিবিদদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং নিরলস পরিশ্রমের ফল। রাডারকে ফাকি দিতে সক্ষম এই বিমানটি অত্যন্ত নিচু দিয়ে উড়ে যেতে সক্ষম। এটি বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধাস্ত্র ও বোমা বহন এবং শত্রু বিমানের সাথে আকাশ যুদ্ধে সমান পারদর্শী। অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত রানওয়ে থেকে এটি উড়তে পারে।
ইরানের ইংরেজি ভাষার চ্যানেল প্রেস টিভির বরাত দিয়ে জানা যায় এটি যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত এফ-১৮ হরনেট বিমানের সমকক্ষ যা আকাশযুদ্ধে শত্রু বিমানকে পরাজিত করা এবং শত্রু দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ধ্বংসে  অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
আশির দশকের পর থেকে ইরানের উপর পশ্চিমা বিশ্বের চাপিয়ে দেয়া অর্থনৈতিক এবং সামরিক নিষেধাজ্ঞার কারনে ইরান সামরিক প্রযুক্তি আমদানি করতে পারত না। এরপর ইরান নিজস্ব সামরিক শিল্প গড়ে তোলে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান নিজস্ব প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান, ট্যাঙ্ক, যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন, ক্ষেপণাস্ত্র, টর্পেডো, রাইফেল, পাইলট বিহীন বিমান এবং অন্যান্য যুদ্ধ সরঞ্জাম নির্মাণ করছে। এর ফলে দেশটি সামরিক ক্ষেত্রে প্রায় সয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২রা ফেব্রুয়ারী ২০১৩ তারিখে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা (IRNA) এবং ইংরেজি টিভি চ্যানেল প্রেসটিভিতে এফ-৩১৩ যুদ্ধবিমান নির্মাণের সংবাদ প্রচার করা হয়। প্রেসিডেন্ট আহমাদিনেজাদ বলেন, " উন্নতি নির্ভর করে আমাদের ইচ্ছার উপর, যদি আমাদের সেই ইচ্ছা না থাকত তবে কেউ আমাদের এখানে পৌঁছে দিতনা। একসময় আমরা গাড়ি আমদানি করে আমাদের দেশে সংযোজন করতাম। আর এখন আমরা সম্পূর্ণ নিজেদের তৈরি বিমান আকাশে ওড়াই।"
ইতিপূর্বে ইরান ২০০৭ সালে আজরাখশ এবং ২০১০ সালে সায়েক নামক দুটি অত্যাধুনিক জঙ্গিবিমান নির্মাণ করেছিল। নবনির্মিত কাহের এফ-৩১৩ জঙ্গিবিমান ইরানের সামরিক ক্ষমতাকে এক ভিন্ন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারনা করছেন।
রেফারেন্স :
1. wikipedia
2. http://www.thestar.com
3. press tv

তৈরি করুন পছন্দ মত লোগো। হয়ে যান লোগো ডিজাইনার!!

আমি এখন যে সফটওয়্যারটি নিয়ে টিউন করছি এই সফট নিয়ে আগেও টিউন হয়েছে কিন্তু ঐখানে ডাউনলোড লিংক সহ আরো কিছু সমস্যা আছে তাই আমি নতুন ভাবে টিউনটি করছি। আমরা অনেক সময় আমাদের বিভিন্ন কোম্পানী বা নিজস্ব ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য লোগো বানিয়ে থাকি। লোগো যদি আমরা ফটোশপ বা ইলাস্ট্রেটর দিয়ে বানাতে যায় তাহলে ডিজাইনের কাজ জানতে হবে। এখানে আমি দেখাব কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইনার না হয়েও লোগো বানাবেন।
সফটওয়্যারটির নাম হচ্ছে AAA LOGO আমরা হয়ত এর নাম অনেকে শুনেছি বা এটা দিয়ে কাজও করছি। কিন্তু বিভিন্ন জনের কাছে আছে হয়ত ট্রিয়াল ভার্সন। আজকে আমি আপনাদেরকে Full Version এর লিংক দিব।
সফটওয়্যারটির কিছু ছবি বা পরিচিতি:
যখন আপনি সফটওয়্যারটি সেটাপ দেওয়ার পর রান করবেন তখন আপনার কাছে এ রকম পেজ আসবে, তার মধ্যে অনেক লোগো এর ডিজাইন আছে। যা সফটওয়্যারটিতে দেওয়া থাকে। আপনি চাইলে সে গুলো এডিট করেও লোগো বানাতে পারেন বা নিজ থেকে বিভিন্ন ছবি বা ক্লিপ আর্ট ব্যবহার করে লোগো বানাতে পারবেন।
আরো অনেক ছবি দেওয়ার ইচ্ছা ছিল কিন্তু ছবি আপলোড করতে সমস্যা হওয়ায় দিতে পারছিনা।

সফটওয়্যারটি মিডিয়াফায়ারে আপলোড করা। ১৫ এমবি। ডাউনলোড

Cheat করুন Banglalion Wimax এর Fair Use Policy

আজ আমি আপনাদের সাথে একটি Software শেয়ার করব এটি দিয়ে Fair Use Policy বন্দ করতে পারবেন।কারন banglaion এ আপনি যদি 512kpbs এ যদি রাত ১০ টা থেকে ভোর ৪ টা পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিটে ৭৮ mb  ব্যবহার করেন তবে রাত ১০ টা থেকে ভোর ৬ তা পর্যন্ত আপনার  নেট Fair Use Policy ৩৪-৩৭ kpbs  তে রুপান্তর হবে এতে আপনার নেট আবার আগের মত speed পেতে নেট disconnect করে Connect করতে হবে। এখন যদি আপনি IDM এ Download এবং আপনার নেট Fair Use Policy হয়ে যায় তবে আপনাকে কস্ট করতে হবে । তাই এই software টি ব্যবহার করুন Fair Use Policy থেকে বাচুন। সুদু Idm না সব ক্ষেত্রে এতি প্রযয্য।
প্রথমে এইখান থেকে Download করে নেই
http://www.netlimiter.com/download/nl3setup.exe । তারপর setup দিই এবং নিচে অনুসরন করুন।
1. Taskbar থেকে setup দেয়া Netlimiter software ক্লিক করি।
2. এখন IDM ক্লিক করে Add Rule ক্লিক করি।
3.Genaral limt 40.00 kb দিবেন এতে আপনার Idm Download 40-44 kbps এ থাকবে এবং প্রতি ৩০ মিনিটে আপনার ডাউনলোড 77mb থাকবে ।
4.এখন Start  ও End time add করুন
5. Start Time 22/10pm
6. End Time 4am
7. সবশেস The Rule is Scheduled এতে ক্লিক করে Save করুন ।
এতে আপনার  Fair Use Policy হবে না এবং Automatic ভোর ৪ টার পর আবার আপনি আপনার আগের speed ফিরে পাবেন । তাহলে আসা করছি এটা আপনাদের কাজে লাগবে। ও আর একটি কথা এই Software টি  Registration করতে Netlimit software open করে Help/Register এ গিয়ে Registration করুন
Registration name: Peter Raheli
Registration code: C99A2-QSSUD-2CSBG-TSRPN-A2BEB

Registration name: Patrice Hirtzlin
Registration code:? QLJ3V-C3U85-9V3Z8-QXDW3-A2BEB

আপনার কম্পিউটার গান গাইবে ।

গান গাইবে আপনার কম্পিউটার
টাস্ক শিডিউলারে গান সংযুক্ত করলে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়য়ে গান শোনাবে কম্পিউটার আপনার কম্পিউটার । টাস্ক শিডিউলারে গান সংযুক্ত করার জন্য আপনি
Start > Menu > All programmes > Accessories > System Tools > Schedule Task
নির্বাচন করতে হবে । এবার Add Schedule Task আইকনে ডাবল ক্লিক করুন । Next browse বাটনে ক্লিক করে আপনার পছন্দের অডিও গান টি [ mp3, wma ফরম্যাট ] নির্বাচন করুন । Daily নির্বাচন করে ক্লিক করতে হবে । Start Time -এ ঠিক করে দিতে হবে আপনার পছন্দের গান শোনার সময় । পরে Next তে ক্লিক করতে হবে । লগইন – পাসওয়ার্ড লিখে আবার Next তে ক্লিক করলেই কাজ শেষ ।

এমন দুটি সংখ্যা বলুন যাদের যোগ করলে যা হয় গুন করলে তাই হয় (২+২=২*২ ও ০+০=০*০ ছাড়া)

2+2=2*2 এটা ছোটোবেলা থেকেই আমরা সবাই জানি। ব্যাপারটা যথেষ্ট মজার। দুটি সংখ্যা যাদের যোগ করলে যা হয় গুণ করলে তাই হয়। এরকম আরও কিছু উদাহরণ দিতে পারবেন?
সবাই হয়তো বলবেন ০+০=০*০
যদি বলি আরও কয়েকটা দিন।
দেখা যাক

২ টেরাবাইট হার্ড ড্রাইভ না দেখলেই নয়!!

নামকরা হার্ড ডিস্ক নির্মাতা ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ২ টেরাবাইট হার্ড ড্রাইভ বের করেছে। এতে চারটি ডিস্ক আছে, প্রতিটি ৫০০ গিগাবাইট তথ্য ধারন করে। বর্তমানে এর চেয়ে বড় কোন সিঙ্গেল হার্ড ড্রাইভ নেই। জোড়া দিয়ে রেইড সেটাপ করে যদিও কয়েকটি হার্ড ড্রাইভ যোগ করে একটি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কিন্তু সে ধরনের ঝামেলা ছাড়াই এই ড্রাইভ ব্যবহার করা অনেক সহজ হবে। এর সাইজ সাড়ে তিন ইঞ্চি, ৩২ মেগাবাইট ক্যশ।
wd20eads-2tb-hd-fro
দাম পড়বে - ৩০০ মার্কিন ডলার (৳ ২১,০০০)

বিদায় হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ, স্বাগতম সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ

টেবলেট কম্পি্উটার আর মোবাইলের ব্যবহার বাড়ার সাথে সাথে ডেস্কটপ কম্পিউটারের উপরে নির্ভরশিলতা কমেছে। আর সেই সাথে কমছে ডেস্কটপ কম্পিউটারের চাহিদা। একই সাথে কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের যায়গাটি দখল করে নিয়েছে সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ। বর্তমানে নোটবুক, ল্যাপটপ এমন কি ডেস্কটপ এবং সারভারেও সলিড স্ট্যাট ড্রাইভের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষনের ব্যবস্থা চালু হয়ে গেছে। কম ওজনের বহনযোগ্য যে কোন কম্পিউটারের জন্যই সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ (SSD) গ্রহণ যোগ্য।

iSuppli তথ্যমতে বিগত বছরের তুলনায় এ বছর ১১ ভাগ কম আয় হয়েছে হার্ড ড্রাইভ বিক্রি থেকে। এবং উল্লেখযোগ্য পরিমানে ডেস্কটপ কম্পিউটার বিক্রি কমেছে। ধারণা করা হয়েছে এর পরের বছরেও কমতে থাকবে।

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ (এসএসডি) কি?

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ কে অনেক সময় সলিড স্ট্যাট ডিস্ক বা ইলেক্ট্রিক্যাল ডিস্কও বলা হয়ে থাকে। তবে এটিতে হার্ডড্রাইভের মতো কোন ডিস্ক থাকে না বা কোন ম্যাকানিক্যাল যন্ত্রও থাকে না। এটিতে অনেক সংখ্যক ইলেক্ট্রিকেল সারকিট (IC) একত্রিতভাবে চীপ আকারে থাকে যাতে তথ্যগুলো সঞ্চয় করা হয়।

হার্ড ড্রাইভ বা ফ্লপি ড্রাইভে মূলতঃ একটি ম্যাগনেটিক ডিস্ক ঘোরে এবং ম্যকানিক্যাল হেড-এর মাধ্যমে ডিস্কে তথ্য সঞ্চয় হয়। আর তাই এসএসডি হার্ডড্রাইভের চেয়ে দ্রুত তথ্য প্রদানে সক্ষম। এসএসডির দামও হার্ডড্রাইভের প্রায় দশগুণ বেশি।

টেকনোলজীঃ

এসএসডি তৈরীর প্রথম দিকে ডিরেম দিয়ে বানানো হতো এবং এটিতে আলাদাভাবে বিদ্যুত সরবরাহের ব্যবস্থা ছিল। বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন হলে তথ্যগুলো ফ্লাস মেমরীতে সংরক্ষিত হতো।
বর্তমানে বেশিভাগ প্রতিষ্ঠানই NAND ফ্লাস চীপ দিয়ে SSD তৈরী করা হয়। এই ফ্লাস চীপগুলো এসএসডিতে প্যারালাল সংযোযিত থাকে।

হার্ড ডিস্ক ও সলিড স্ট্যাট ডিস্কের মধ্যে পার্থক্যঃ

১. চালু হওয়া

সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ মিলি সেকেন্ডে চালু হয়ে কাজের উপযোগি হয়ে যায়। সলিড স্ট্যাট ড্রাইভের ইলেক্ট্রিক চীপে পাওয়ার পাওয়া মাত্র সচল হয়। হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে বিদ্যুৎ সংযোগ দিলে এর ডিস্কগুলো ঘোরা শুরু করে, হেডটি নির্দিষ্ট স্থানে যায় ইত্যাদি কারনে কয়েক সেকেন্ড সময় লেগে যায়।
২. রেনডম একসেস টাইমঃ
যে কোন তথ্য সলিড স্ট্যাট ড্রাইভ থেকে সরাসরি পাওয়া যায়। এবং এতে কয়েক মাইক্র সেকেন্ড সময় লাগে। হার্ডডিস্কের তথ্যগুলো ডিস্কের নির্দিষ্ট স্থান থেকে নেওয়া এবং তা র‌্যাম এ পাঠানোতে ৩ থেকে ১২ মিলি সেকেন্ড সময় লেগে যায়।

৩. ডাটা ট্রান্সফার রেটঃ

এসএসডিতে একটা প্রতি সেকেন্ডে (এসএসডির ধরন অনুসারে) ১০০ থেকে ৬০০ মেগাবাইট প্রর্যন্ত ডাটা ট্রান্সফার করা যায়। এটিতে একটি নির্দিষ্ট ডাটা ট্রান্সফার সময় থাকে যা পরিবর্তন হয় না। হার্ড ড্রাইভে গড়ে ১৪০ মেগাবাইট/সেকেন্ড গতিতে ডাটা ট্রান্সফার হয়। আর এই গতি বিভিন্ন কারনে পরিবর্তিত হতে পারে। আপনার তথ্যগুলো ডিস্কের বিভিন্ন অংশে ছড়ানো (Fragmented) থাকলে বেশি সময় নিবে আবার একসাথে থাকলে কম সময় নিবে। এছাড়াও হার্ডডিস্কের ঘুর্ণন গতির উপরে ডাটা ট্রান্সফার রেট নিভর্র করে। ৪২০০ থেকে ১৫০০০ rpm (ঘুর্নণ প্রতি মিনিট) এর বিভিন্ন হার্ড ড্রাইভ পাওয়া যায়।

৪. শব্দঃ

SSD তে শব্দ হয় না কারন এটিতে কোন ম্যাকানিক্যাল যন্ত্র নাই। HDD তে হেড, একচুয়েটর, মটর ইত্যাদি ঘোরায় শব্দ বা ভাইব্রেশন হয়।

৫. ম্যাগনেটিক ফিল্ডঃ

HDD তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক আছে তাই ম্যাগনেটিক ফিল্ডের কারনে তথ্য হারানো ও ডিস্ক নষ্ট হওয়ার ভয় আছে। SSD তে এরকম সমস্যা নাই।

৬. লাইফ টাইমঃ

হার্ড ডিস্ক SSD এর চেয়ে কম লাইভ টাইম। অনেক সময় ডিস্কে ব্যাড সেক্টর পরতে পারে, মটর জ্বলে যেতে পারে। এসএসডির চীপ নষ্ট হলে এটি নষ্ট হয়ে যায়।

৭. সাইজ ও ওজনঃ

বিভিন্ন ধরনের এবং সাইজের এসএসডি রয়েছে। পণ্যের ধরন অনুসারে ১.৮ থেকে ৩.৫ ইঞ্চি পর্যন্ত আছে। সেমিকন্ডাক্টর চীপ হওয়ায় ওজন অনেক কম। এইচডিডি ৩.৫ ইঞ্চি ডিস্কই দেখা যায়। আর ওজন ২০০ থেকে ৭০০গ্রাম পর্যন্ত হয়।

৮. দামঃ

সম পরিমান মেমরীর এসএসডির দাম হার্ডড্রাইভের দামের প্রায় দশগুন।

সহজ এবং ছোট একটা সফটওয়্যার দিয়ে স্ক্রিন রেকর্ড করার জন্য

অনেক সময় টিউটোরিয়াল বানানোর জন্য আপনার ডেস্কটপ এর রেকর্ড করা প্রয়োজন হয় । অথবা অন্য কাজের জন্যও স্ক্রিন ক্যাপচার করার প্রয়োজন হয় । যেমন একটু আগে আমার এই SSD নিয়ে করা টিউনটায়  স্ক্রিন রেকর্ড করার প্রয়োজন হয়েছিল । তখন খুজে পেলাম ছোট্ট কিন্তু কাজের একটা সফটওয়্যার । Kaspersky দিয়ে স্ক্যান করে তারপর মিডিয়াফায়ার এ আপলোড করেছি । সুতরাং নিশ্চিন্তে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন ।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন । সাথে দেয়া টেক্সট ফাইল এ সিরিয়াল নাম্বার দেয়া আছে যাতে আপনারা ফুল ভার্সন ব্যবহার করতে পারেন ।
সফটওয়্যারতির ফিচারসমুহ  ঃ
স্ক্রিন রেকর্ড করতে পারবেন । বিভিন্ন ফরম্যাট এ ভিডিও সেভ করতে পারবেন । স্ক্রিন এর যেকোনো নির্দিষ্ট জায়গাও রেকর্ডিং করতে পারবেন ।  এছাড়াও ডেস্কটপ এর স্টিল ছবিও নিতে পারবেন । একই সাথে মাইক্রোফোন এর মাধ্যমে অডিও রেকর্ডিং ও করতে পারবেন । ইন্টারনাল টিভি কার্ড থেকে ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারবেন । সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে , এই ছোট সফটওয়্যারটি ব্যবহার অনেক সহজ । আপনারা ইন্সটল করলেই বুঝতে পারবেন ।
এই সফটওয়্যারতির আগে আমি আরেকটি সফটওয়্যার ব্যবহার করেছিলাম স্ক্রিন রেকর্ডিং করার জন্য । http://www.techsmith.com/jing.html  কিন্তু এই সফটওয়্যারটি আমার কাছে ভালো লাগেনাই

পাওয়ালা এনট্রাক্টিক রিসার্চ ল্যাব হেটে জায়গা পরিবর্তন করে

এনট্রাক্টিক রিসার্চ ল্যাব বা স্টেশন ১৯৫৭ সাল থেকেই কাজ করে আসছে। সম্প্রতি(এই সপ্তাহে) হ্যালি VI এনট্রাক্টিক রিসার্চ ল্যাব খুলেছে যেটা খারাপ অবস্থার মধ্যে স্থান পরিবর্তন করে নিতে পারবে পায়ের সাহায্যে। এই স্ট্যাশনটি ব্রিটিশ এনট্রাক্টিক সার্ভে পরিচালনা করছেন যেখানে ৫০ জন বিজ্ঞানী কাজ করে যাচ্ছেন।
Hugh Broughton Architects প্রতিযোগীতায় বিজয়ী ডিজাইন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল এই জলবাহী উঁচু স্কি-বেসড মডিউলটি। যা বরফের স্তুপের স্তরের সাথে সাড়া দিতে এবং প্রয়োজনে জায়গা পরিবর্তন করে নিতে পারবে যদি বরফের স্তুপ পরস্পর থেকে আলাদা হয়ে যায়।

Engadget এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বাভাবিক অবস্থায় এদের পাগুলো ভিত্তি হিসেবে কাজ করে,এবং এগুলো লিফট হিসেবে ব্যবহার করে উপরে যেতে পারে আবার এগুলো ব্যবহার করে প্রয়োজনে নতুন জায়গায় যাওয়া যায়।
হ্যালি VI এর আটটি কনেক্টেট মডিউল রয়েছে , যেখানে ল্যাব তৈরি করা হয়েছে এবং থাকার জায়গা রাখা হয়েছে।
এদের আবার একটি কেন্দ্রীয় মডিউল রয়েছে লাল রঙের যা অন্য সকল মডিউলের প্রাণ হিসেবে কাজ করবে, এই বড় লাল মডিউল ফিচারে বেয়ে উঠার জন্য একটি দেয়াল রয়েছে , একটি সবজি বাগান , একটি বাতি রাখা হয়েছে যেটা দিনের আলোর মত আলো দিবে সুর্যের আলোকে ধারণ করে।এছাড়াও এখানে বিশেষ ভাবে তৈরিকৃত ডিজাইন শেড রয়েছে।

অপরাধী শনাক্তকরণে ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব

দেশের অপরাধ জগত এবং অপরাধী নির্মূল করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে এই হয়৷ বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে৷ এছাড়া সহযোগী মন্ত্রণালয় হিসেবে আছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়৷ ড্যানিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এসিস্টেন্স বা সংক্ষেপে DANIDA -র আর্থিক সহায়তায় এই ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে৷ ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ল্যাবটি মূলত Multi sectoral Program Violence Against Woman Project -এর জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
ক্যারি মিডলিস ১৯৮০ সালে ডিএনএ প্রোফাইল টেকনোলজির আবিষ্কার করেন৷ এরপর নানা পরীক্ষা-নিরিক্ষার পর ডিএনএ প্রোফাইল সর্বপ্রথম ১৯৮৭ সালে যুক্তরাজ্যে বিচারকার্যে ব্যবহৃত হয়৷ এরপর ১৯৮৮ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে FBI অপরাধ তদন্তের কাজে ডিএনএ প্রোফাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে৷ এভাবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ডিএনএ প্রোফাইল টেকনোলজি অপরাধ তদন্তে ব্যবহার হয়ে আসছে৷ দেরিতে হলেও ডেনিশ সরকারের সাহায্যে ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবের মতো অত্যন্ত ব্যয়বহুল ল্যাব প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এদেশে আশংকাজনক হারে ক্রমবর্ধমান নারী ও শিশু নির্যাতন কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়৷ কেননা এর মাধ্যমে আসল অপরাধীকে শনাক্ত করে আদালতের সামনে দাড় করানো যাবে৷
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে প্রতিষ্ঠিত এই ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবের প্রধান হিসাবে  তখন নিযুক্ত দেয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামানকে এবং তার অধীনে ছয়জন সায়েন্টিফিক অফিসার, দুইজন ল্যাব টেকনিশিয়ান, একজন কম্পিউটার অপারেটর ও একজন ক্লিনার৷ এই ডিএনএ প্রোফাইল ল্যাবে এক একটি ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করতে খরচ পড়বে প্রায় তিন থেকে ৪ হাজার টাকার মতো৷ ব্যয়বহুল এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে DANIDA -র অবদান মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এক মাইলফলক হয়ে থাকবে৷ প্রতিষ্ঠিত এই ডিএনএ ল্যাবটি তিনটি অংশে বিভক্ত -
  • ১. স্ক্রিনিং ল্যাব- এই ল্যাবে ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন আলামতের গায়ে লেগে থাকা দাগ বা চিহ্ন থেকে অপরাধীর ডিএনএ পাওয়া সম্ভব কিনা অথবা আলামত জৈবিক নমুনা কিনা তা পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষন করা হবে৷
  • ২. এক্সট্রাকশন ল্যাব- এই ল্যাবে স্ক্রিনিং ল্যাব থেকে প্রাপ্ত ফলাফল পাঠানো হবে৷ ফলাফল পজিটিভ হলে আলামতের নমুনা থেকে ডিএনএ পৃথক করা হবে৷
  • ৩. এনালাইটিক্যাল ল্যাব- এক্সট্রাকশন ল্যাবে পৃথককৃত আলামতের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করার পর খুব অল্প পরিমান ডিএনএ পাওয়া যাবে৷ এই ল্যাবে ঐ নমুনাকে PCR করার মাধ্যমে নমুনায় ডিএনএ-র পরিমাণ বাড়ানো হবে৷ শেষে নমুনা এবং জেনেটিক এনালাইজারের সাহায্য নিয়ে অপরাধীর ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করা হবে৷
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা অনুযায়ী কোনো অপরাধীর বিচার নিশ্চিত করতে হলে প্রথমে ঐ অপরাধীকে শনাক্ত করতে হয়৷ কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই আসল অপরাধীকে শনাক্ত করতে না পারার কারণে বিচার কাজ একটা স্থানে এসে থেমে যায়৷ অপরাধ করার সময় ভিক্টিমের জামা-কাপড়ে অপরাধীর রক্ত, ভিক্টিমের হাত বা নখের নিচে অপরাধীর চুল বা ত্বকের কোষ লেগে থাকতে পারে৷ সেগুলোর ডিএনএ এনালাইসিস-এর মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে সহজেই শনাক্ত করা যায়৷ এছাড়া অনেক অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী শনাক্ত করা গেলেও সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে অপরাধী ছাড়া পেয়ে যায়৷ কেননা সনাতন ডাক্তারি পরীক্ষা অপরাধী সম্পর্কে তেমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে ব্যর্থ৷ কিন্তু আধুনিক এই ডিএনএ এনালাইসিস অপরাধী শনাক্তকরণের পাশাপাশি অপরাধ সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রমাণ নিশ্চিত করে৷
ডিএনএ এনালাইসিস-এর মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব ও মাতৃত্ব নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করা যায়৷ কেননা সন্তানের ডিএনএ অর্ধেক আসে পিতার কাছ থেকে এবং বাকি অর্ধেক আসে মায়ের কাছ থেকে৷ তাই পিতা-মাতা এবং সন্তান, এই তিনজনের জৈবিক নমুনার ডিএনএ এনালাইসিস করলে নিশ্চিতভাবে সন্তানের প্রকৃত পিতা-মাতা নির্ধারণ করা যায়৷ এর মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব নির্ণয়ের মাধ্যমে কুমারী মাতাকে স্ত্রীর মর্যাদা প্রদানসহ অবৈধ সন্তানের পিতা-মাতা এবং বৈধ-অবৈধ সন্তানের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায়৷ আর এতে নারী ও শিশুর সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী নির্ণয়ে সকল প্রকার জটিলতার অবসান ঘটবে৷
আমাদের দেশে ডিএনএ ল্যাব প্রতিষ্ঠার ফলে ধর্ষকের পরিচয় নির্ণয়, সন্তানের পিতৃত্ব নির্ধারণ এবং অপরাধী শনাক্তকরণে দেশের বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের বিড়ম্বনা, অচলাবস্থা ও হয়রানির অবসান ঘটানো যাবে অনেকাংশে৷ এধরনের ঘৃণ্য অপরাধীরা ধর্ষণ কিংবা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে নিজের সন্তানকে আর কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারবে না৷ নারী ও শিশুর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আমাদের দেশের ফরেনসিক ল্যাবগুলোতে আধুনিক কোনো সরঞ্জাম এবং দক্ষ জনবল না থাকায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রদানে বাধাঁর সৃষ্টি হয়৷ এজন্য এই বিভাগের বিশেষজ্ঞদের অপেক্ষা করতে হয় পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টের ওপর৷  পুলিশের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই ফরেনসিক ল্যাব তাদের রিপোর্ট প্রদান করে থাকে৷ দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা গতানুগতিক নিয়মে ফরেনসিক বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রিপোর্ট আদালতের তেমন কোনো কাজে আসে না৷ ফলে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্টের অভাব এবং রিপোর্ট প্রদানে বিলম্বের কারণে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ অপরাধীরা সুষ্ঠু বিচারের অভাবে খালাস পেয়ে যায়৷
অপরাধী শনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট একটি আধুনিক ব্যবস্থা৷ কিন্তু এখন অপরাধীরা অপরাধের প্রমাণ এবং আলামত নষ্ট করতে নানাধরণের কৌশল অবলম্বন করে থাকে৷ ফলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতিও বর্তমানে অনেকটা অকার্যকর হয়ে পড়েছে৷ কেননা অপরাধীরা অপরাধ করার সময় হাতে গ্লাবস কিংবা মোজা বা অন্য কোনো আবরণ পড়ে নেয়৷ আবার রুমাল দিয়ে মুছে দেয়৷ এছাড়াও প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে আজকাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট সহজেই পরিবর্তন করা যায়৷ ফলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি বলা যায় অনেকাংশেই ব্যর্থ৷ কিন্তু এখনো পর্যন্ত প্রতিটি মানুষের স্বতন্ত্র ডিএনএ প্রোফাইল পরিবর্তনের কোনো প্রযুক্তি আবিষ্কার হয় নি৷ তাই ডিএনএ প্রোফাইল পরিবর্তন করে অপরাধীর পার পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাও নেই৷
আমাদের দেশে অপরাধের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে৷ যেখানে সারা পৃথিবীতে ইতিমধ্যেই ডিএনএ প্রোফাইল প্রযুক্তি সন্ত্রাস, অপরাধ তদন্ত, বিচার কার্যক্রমসহ সন্ত্রাসী চিহ্নিতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিডিয়া হিসেবে আত্নপ্রকাশ করেছে৷ তাই ডিএনএ প্রোফাইলিং প্রযুক্তির যথাযথভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে আমরাও অপরাধের মাত্রা ও হার হ্রাস করতে পারি৷ প্রতিষ্ঠা করতে পারি ন্যায়বিচার ও সুশাসনভিত্তিক সমাজ৷ উন্নত বিশ্বে সঠিকভাবে আলামত সংগ্রহ করা হয়, ফলে ডিএনএ প্রোফাইলিং পদ্ধতিতে সঠিক রিপোর্ট নিশ্চিত করা যায়৷ আশা করা যায়, ডিএনএ প্রোফাইল ল্যাব প্রতিষ্ঠার ফলে আমাদের দেশের অপরাধীদের শনাক্তকরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে৷ এক্ষেত্রে পুলিশসহ নিরপত্তা বিভাগকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে৷ কেননা ঘটনাস্থল থেকে অপরাধের আলামত, ক্লু সঠিকভাবে সংগ্রহসহ সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণ না করলে, ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব কোনো কাজ কাজে আসবে না৷ এজন্য পুলিশ বিভাগে আলাদা একটি তদন্ত ইউনিট গঠন করা যেতে পারে৷ এই ইউনিটের শুধু কাজ হবে অপরাধ সংঘটনের সাথে সাথে ঘটনাস্থলে দ্রুত গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা এবং পরে তা ডিএনএ প্রোফাইল ল্যাবের কাছে পৌছে দেয়া৷
অবশ্য আমাদের দেশে পুলিশ বিভাগে একটি আলাদা তদন্ত ইউনিট গঠন করার কথা শোনা গেলেও বাস্তবে তাদের কোনো কার্যক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে না৷ তাই সরকারের উচিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এখুনি এই ইউনিটকে পুরোপুরি কার্যকর করে তোলা৷ পাশাপাশি ডিএনএ রিপোর্টকে কাজে লাগানোর জন্য বিচার প্রক্রিয়ায় সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন পেশাজীবী যেমন- চিকিত্‍সক, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, বিচারক এবং পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা৷ আর এটা হলে ডিএনএ প্রোফাইল ল্যাব প্রতিষ্ঠার আসল গুরুত্ব ফুটে উঠবে৷ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন শুধুই যেন স্বপ্ন হয়ে না থাকে৷ অচিরেই তা যেন বাস্তব রূপ লাভ করে, সে আশাই করি।