শুক্রবার, ৩১ আগস্ট, ২০১২

Password break করে যে কোন কম্পিউটার এ admin হিসেবে প্রবেশ করুন ……

এই কাজের জন্য আমাদের যা যা লাগবে
একটা pen drive .
windows password bypass.rar
এবং একটি comruter . (যদি নিজের কম্পিউটার এর password recover করতে হয় , সেক্ষেত্রে অন্যের computer use করতে হবে ।)
প্রথমে windows password bypass.rar এ ক্লিক করে সফটওয়্যারটি download করে নিন । মাত্র ১ এমবি এর সফটওয়্যার ।
এখন YUMI-0.0.1.3.exe open করুন।
click on I Agree. ছবির মত ।এখন আপনি আপনার pen drive এর letter সিলেক্ট করুন।
Format এর পাশের box এ টিক দিন । password crack করার জন্য আপনার pendrive পুরো Format করতে হবে ।
এখন step 2 হতে select a distribution from the following box to put on your usb এ kon-boot Floppy Image সিলেক্ট করুন এবং create button এ click করুন ।
কোন message আসলে yes করুন । আপনার অর্ধেক কাজ শেষ ।
এখন যে কম্পিউটার এর password ছাড়া খুলতে চান ,সে computer এর usb 2.0 port এ pen drive টি লাগান এবং computer চালু করুন ।এখন computer চালু হওয়ার সাথেসাথে bios setup এ যান । Bios setup থাকে advanced BIOS features থাকে First boot device এ removable সিলেক্ট করুন এবং save করে বের হন ।
এখন Computer restart হবে।এখন computer start হলে windows এর logo না এসে YUMI multiboot আসবে।এখন YUMI multiboot usb থাকে other operating systems and tools সিলেক্ট করুন।( default এর নিচে )
Kon boot সিলেক্ট করুন।
এরপর এখন Boot kon boot সিলেক্ট করুন।
এখন দেখবেন password ছাড়াই computer open হয়ে গেছে…

ইউটিউব’এ পরিচয় গোপনের নতুন ফিচার

ইউটিউব সম্প্রতি একটি নতুন ফিচার প্রকাশ করেছে, যেটি ব্যবহার করে ভিডিও’তে প্রদর্শিত মানুষের চেহারা ঘোলা করে দেওয়া যাবে৷ নতুন এই ফিচার অ্যাক্টিভিস্টদেরকে নিপীড়ন থেকে দূরে রাখতে পারে৷

টিউনিশিয়া, মিশর কিংবা হালের সিরিয়া – পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এসব দেশের আন্দোলনের খবর মূলত পাচ্ছে বিভিন্ন অনলাইন সূত্র থেকে৷ উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে, অপেশাদার বিভিন্ন ভিডিও’র কথা যেগুলো ধারণ করছে নাগরিকরা৷ এরপর সেগুলো তুলে দিচ্ছে ইউটিউব’এ৷ বিভিন্ন দেশে পুলিশ এবং সামরিক বাহিনীর নিপীড়নের খবর জানা যায় এসব ভিডিও থেকে৷
কিন্তু এসব ভিডিও’র একটি মন্দ দিকও আছে৷ যাদেরকে এসব ভিডিও থেকে শনাক্ত করা সম্ভব, দেখা যায় পরবর্তীতে তাদেরকে নির্যাতন করে নিরাপত্তা বাহিনী৷ ফলে ভিডিও আপলোডকারী নাগরিক সাংবাদিক কিংবা আন্দোলনকারীদের পরিচয় গোপনের বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ৷
সম্প্রতি গুগল তার ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবের জন্য একটি নতুন টুল তৈরি করেছে, যা ব্যবহার করে ভিডিও’তে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তির চেহারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘোলা করে দেওয়া যাবে৷
আনুষ্ঠানিক ব্লগ সাইটে ইউটিউব জানিয়েছে, ‘‘যেহেতু সাধারণ নাগরিকরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খবর এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ক ভিডিও সরবরাহের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, তাই ইউটিউব আরো ভালো টুল তৈরির মাধ্যমে তাদেরকে সহায়তায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ৷”
ইউটিউব’এর দাবি, সংস্থাটি সর্বপ্রথম চেহারো গোপন রাখার নতুন এই ফিচার প্রকাশ করেছে৷ ইউটিউব’এর ‘ভিডিও ম্যানেজার’ অপশনে এই ফিচারটি পাওয়া যাবে৷ সেখানে আপলোডকৃত ভিডিওর ডানপাশে ‘এডিট’ বাটন রয়েছে৷ এই বাটনে ক্লিকের পর ‘এনহেন্সমেন্টস’ নির্বাচন করতে হবে৷ সবশেষে ‘এডিশনাল ফিচারস’-এ পাওয়া যাবে ‘ব্লার অল ফেসেস’ ফিচারটি৷
এই ফিচার ‘এপ্লাই’ করার পর দ্রুত ইউটিউব আপলোডকৃত ভিডিও’র দুটি সংস্করণ পাশাপাশি প্রদর্শন করবে৷ একটি হচ্ছে আসল ভিডিও, অন্যটি চেহারা ঘোলা করা ভিডিও৷ ব্যবহারকারী চাইলে, এখান থেকে আসল ভিডিও’টি মুছে দিয়ে শুধু সম্পাদিত ভিডিওটি প্রদর্শনের জন্য উম্মুক্ত করতে পারবে৷
বলাবাহুল্য, ইউটিউব’এর এই ফিচার নিয়ে ইতিমধ্যে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে৷ কারণ এটি এখনো আশানুরূপ পর্যায়ে ফলাফল প্রদর্শন করছে না৷ বিশেষ করে চেহারার কৌণিক অবস্থান, আলোর ধরন, প্রতিবন্ধকতা এবং সর্বোপরি ভিডিও’র মানের কারণে ‘ব্লার’ ফাংশনের কার্যকারিতায় ব্যাপক তারতম্য ঘটছে৷ ইউটিউব অবশ্য এই অভিযোগ স্বীকার করে জানিয়েছে, তারা এটির উন্নয়নে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে৷

টাইম মেশিন: সম্ভাবনা আর আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান!

স্বার্থপর বলে একটা শব্দ আছে বাংলায়, আমার এক খুব কাছের মানুষ অবশ্য এ শব্দটাকে বলতো ‘স্বার্থনিজ’। অবশ্য সে যখন মুখে একটা মিস্টি হাসি দিয়ে এ কথাটা বলতো তখন মনে হতো সে যা বলেছে তাই ঠিক। আসলে ইদানিং একটা কথা শুধু কথার কথা এজন্য শোনা,’সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশী’। কিন্তু আমি বলবো,’জীবনের চেয়ে সময়ের মূল্য অনেক বেশী’। অবশ্য ব্লগে আমি যেভাবে সহজ ভাবে বলছি, বাইরে বললে আমাকে পাগল ঠাওরাবে। কিন্তু আমি যদি বলি: টাইম ট্রাভেল করা সত্যিকার ভাবে সম্ভব, তখন হয়তো মফস্বলে গেলে পাগলা গারদ দেখালেও বুয়েট-বিআইটিতে আসলে কিছুটা রক্ষে পাওয়া যাবে।তাহলে আজকে আমরা সবাই ভবিষ্যত বা অতীতের শখ পূরন করার জন্য যে ধাপ গুলো পার করা গেছে সেগুলো জানি এবং কালকে থেকে আমার পিঠ বাচানোর রাস্তা করি!Cool Imageএইচ জি ওয়েলস 1895 সালে একটা গল্পের বই লেখেন The Time Machine.তখন কল্পকাহিনী হিসেবে এটাকে সবাই ধরে নিয়েছিলো, এবং অনেকেরই হাপিত্যেস ছিলো ‘যদি এটা হতো’, যেখানে আমরা তখন ব্রিটিশদের ডলা খেতেই ব্যাস্ত ছিলাম। তার কিছু দিন পর আইনস্টাইন নামের এক কেরানী ফিজিক্সে কিছুটা পরিবর্তন এনে এ যুগের পদার্থবিজ্ঞানের বাপ হয়ে গেলেন।তবে সে এটা দেখিয়ে ছিলেন আমাদের পক্ষে আলোর গতিতে চলা অসম্ভব।গবেষনা কিন্তু থেমে থাকেনি। টাইম মেশিন গবেষনার ক্ষেত্রে যেটা মূল বিষয় বস্তু সেটা হলো ঘটনা এবং তার প্রতিক্রিয়া। যদি আমরা প্রকৃতির ইউনিফাইড থিওরেমের দিকে ঝুকতে যাই এই টাইম ট্রাভেল কনসেপ্ট সেখানে আঘাত হানে, যেমন শক্তির নিত্যতা সূত্র। অবশ্য এখানে আরেকটা কথা মার খেয়ে যায়, বহু পুরোনো কথা:” প্রকৃতি শূণ্যতা পছন্দ করে না”।
টাইম মেশিন বানানো কি সোজা কথা?
এসব ভদ্র কথা কিছু কাজে মেলে না। উদাহরন দেই, টাইম ডাইলেশনের সাথে আমরা হয়তো অনেকেই পরিচিত হয়ে থাকবো। দু জমজ ভাই রাম আর সাম। সাম দেখা গেলো নাসায় চাকরি পেলো এবং কিছুদিনের মধ্যে ওকে একটা ফাটাফাটি স্পেসশীপে উঠিয়ে দিয়ে পাঠিয়ে দেয়া হলো কাছাকাছি কোনো নক্ষত্রে। তার স্পেসশীপ কল্পনাতীত গতিতে চলা শুরু করলো মাধ্যাকর্ষন বলের অভাবের সুযোগে, একটা ঘুরনি দিলো তারাটাকে তারপর পৃথিবীতে ফিরে আসলো যেখানে রাম বাসায় পরে পরে পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করছিলো। সামের জন্য ধরা যাক তার মোট পরিভ্রমন করতে লেগে গেছে 1 বছর কিন্তু পৃথিবীতে ইতিমধ্যে 10 বছর কেটে গেছে। সেক্ষেত্রে রাম ভাইজান তার থেকে 9 বছরের বড় ভাই হয়ে গেছে। আসলে সাম 1 বছর পর পৃথিবীতে এসে 9 বছর পরের পৃথিবী দেখছে, তারমানে সে অলরেডী ছোটখাটো একটা টাইম ট্রাভেল করে এসেছে।
কিছু বাস্তব উদাহরন: আমাদের অনুভবের বাইরে- একটু JET LEG
তবে বাস্তবে আমরা কিন্তু অহরহই এরকম পরিস্হিতির স্বীকার হচ্ছি।যদি আমরা এ্যায়ারক্রাফটের গতিতে চলি তাহলে ব্যাপারটা এত ভালোভাবে ধরতে পারি না এ জন্য যে তখন টাইম ডাইলেশনের পরিমান থাকে কয়েক ন্যানসেকেন্ডের মতো। কিন্তু এটা যদি এ্যাটোমিক ঘড়ির দ্বারা আরো নির্ভুল ভাবে মাপতে যাই তখন দেখা যাবে সময়কে গতি দ্বারা একটু টেনে ধরা হয়েছে বা সময়টা টান খেয়ে লম্বা হয়েছে একটু! তাহলে এঘটনা থেকে বোঝা যায় নিকট ভবিষ্যতে আমরা অহরহই টাইম ট্রাভেল করছি যেটা আমাদের অনুভূতির বাইরে। ইন্টারনেট ঘাটলে এরকম হাজারো পরীক্ষার কথা জানা যাবে।
সময়ের এই চ্যাপ্টা খাওয়া গন্ডগোলটা আরেকটু যদি অবজার্ভ করতে যাই তাহলে সাবএ্যাটমিক লেভেলে চিন্তা করা যেতে পারে যেগুলো ঘুরতে থাকে আলোর খুব কাছাকাছি গতিতেই (এখানে লার্জ হেড্রন কোলাইডারের ব্যাপারে কিছু বলা যেতে পারেATLAS in LHC)। এসব কণাগুলোর মধ্যে একটা কণা হচ্ছে মিউন। বেশ স্বাতন্ত্র প্রকৃতির কণা কারন এটা মূলত বিল্ট ইন ঘড়ির মতো কাজ করে কারন এর ক্ষয়টা হয় নির্দিস্ট হাফ লাইফে (1.52 মাইক্রোসেকেন্ডস এবং এটার ক্ষয় হবার পর muon = electron + electron antineutrino + muon neutrino)।তা এই মিউন আবার কোলাইডারের ভিতর প্রচন্ড গতিপ্রাপ্ত হয় তখন আইনস্টাইনের সূত্রানূসারে এর ক্ষয় হবার হার কমে যায়। কিছু কসমিক রে এর ক্ষেত্রে সময়ের এই অসমন্জ্ঞস্যতা দেখা যায়। এই রে এর পার্টিক্যাল গুলো আলোর গতির কাছাকাছি চলে বিধায়, তাদের দৃস্টিকোণ থেকে তারা একটা গ্যালাক্সীকে কয়েক মিনিটে পার করলো, যদিও পৃথিবীর সাপেক্ষে মনে হলো যে তারা কিছু 10 হাজারেরও বেশী সময় ধরে পার করলো (এইটাও আইনস্টাইনের আর লরেন্জের কন্ট্রাকশনের সূত্রানূসারে)। যদি টাইম ডাইলেশন না থাকতো তাহলে এইসব পার্টিক্যাল কখনোই পৃথিবী ছুতে পারতো না।
আইনস্টাইনের কিছু কথা
আইনস্টাইনের রিলেটিভিটি নিয়ে আবারো একটু কথা বলি: এই সূত্রানুসারে আইনস্টাইন নামের কেরানী বলেছিলেন গ্রাভীটি সময়কে ধীর করে ফেলে।অর্থাৎ ঘড়িটা 10 তলায় একটু দ্রূত চলে গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে (?) যেটা পৃথিবীর কেন্দ্রের একটু কাছাকাছি বলে গ্রাভীট্যাশনাল শক্তির আরেকটু কাছাকাছি। তবে এটা আপনে আমি কখনোই অনুভব করতে পারবো না, পারবে কোনো এ্যাটমিক বা সিসমিক ঘড়ি (দুঃখের বিষয় হলো আমি কখনোই এসব ঘড়ি দেখি নাই, ইদানিং মোবাইলের কারনে আমি ঘড়িও পড়ি না)। তবে একটা জিনিস আমরা বুঝতে পারি যারা জিপিএস অহরহ ব্যাবহার করেন। যদি তাই বা না হতো নাবিকেরা, ক্রুজ মিসাইল আরো কয়েক মাইল দূরে গিয়ে পৌছুতো নির্দিস্ট জায়গা থেকে।
আরেকটা জটিল উদাহরন দেই: নিউট্রন তারা ঘনত্ব সম্পর্কে ধরা যঅ সবারই আইডিয়া আছে এবং এর গ্রাভীটি সম্পর্কেও সেক্ষেত্রে জানার কথা(এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো যাবে অন্য কোনো পোস্টে যদি বা কোনো কৌতুহল থাকে)। হিসাবে দেখা যায়, সময় ওখানে 30% শতাংশ ধীর পৃথিবীর সময় থেকে। যদি ঐ তারা থেকে কেউ যদি টেলিস্কোপ দিয়ে পৃথিবীতে উকি মারে তাহলে দেখা যাবে সবাই ভিডিও ক্যাসেটের ফাস্ট ফরওয়ার্ডের মতো দৌড়াচ্ছে। ব্লাক হোলও সেরকম একটা জিনিস যদি সিঙ্গুলারিটিতে কেউ পড়তে পারে তাহলে তার জন্য একটা আদর্শ টাইম ডাইলেশন সম্পর্কে ক্লীয়ার ধারনা পেতে পারে।
অন্যান্যদের মনের কথা: অতীত যাওয়াও সম্ভব!
1948 সালে কার্ট গোডেল আইনস্টাইনের গ্রাভিটেশনাল ইকোয়েশন সমাধান করে দেখালেন যে আসলে এটা একটা ঘুর্নায়মান মহাবিশ্বকে রিপ্রেজেন্ট করছে (যদিও এটা সে কিভাবে বোঝালো সেটা আমার পক্ষে বের করা সম্ভব হয়নি, তবে এটা নির্ভুল হলে একটা দারুন খোজ ছিল)। এই তত্ব অনুসারে একজন নভোচারী পরিভ্রমন করে তার অতীতে ফিরে যেতে পারবে। এটা এজন্য যে গ্রাভীটি যেভাবে আলোর গতিকে প্রভাবিত করবে।তবে এই সলিউশনের অনেক ভেজাল ছিলো, প্রথমত এই তত্ব অনুসারে তাহলেতো বিগ ব্যাং আর সিঙ্গুলারিটি মার খেয়ে যায়।
আরেকটা সিনারিও পাওয়া যায় যেটা 1974 সালে তুলান ইউনিভার্সিটির ফ্রান্ক টিপলার অন্ক কষে বের করেন যে একটা ঢাউস সাইজের অসীম দৈর্ঘের সিলিন্ডার আলোর গতিতে ঘুরছে তার নিজস্ব অক্ষে এবং সে ক্ষেত্রে একজন নভোচারী তার অতীতে ফিরে যেতে পারে এর মাধ্যমে কারন সেই একই ঘটনা: এখানে আলোকে টেনে পেচিয়ে একটা বদ্ধ লুপের মধ্যে এনে ফেলেছে। আবারো 1991 সালে রিচার্ড গট নামের একজন ভবিষ্যৎবানী করেন যে কসমিক স্ট্রিং একই ফলাফলের জন্ম দিতে পারে (কসমোলজিস্টরা সন্দেহ করেন যে এটার গঠিত হয়েছিলো বিগ ব্যাংর এর প্রাথমিক পর্যায়ে)।কিন্তু আশির দশকের মাঝামাঝি ওয়ার্মহোলের কনসেপ্ট নতুন মাত্রা আনে।Time travel concept through wormhole
ওয়ার্মহোল একটা হাইপো যার আরেক নাম স্টারগেট এবং এটা হচ্ছে দীর্ঘতম দূরত্বে অবস্হিত দুইটা বিন্দুর মধ্যবর্তি একটা শটকাট রাস্তা। কেউ যদি ওয়ার্মহোল দিয়ে একটা লাফ দেয় তাহলে সে হয়তো নিজেকে মহাবিশ্বের অন্য প্রান্তে খুজে পেতে পারে। ওয়ার্মহোল জেনারেল থিওরী অফ রিলেটিভিটিতে খাপ খায় যেখানে গ্রাভীটি শুধু সময়কে নয় স্হান কেও লন্ডভন্ড বা মুচড়ে ফেলতে পারে।এই থিওরী একটা অল্টারনেটিভ রাস্তা এবং টানেলের ধারনা দেয় যেটা মূলত স্হানের ঐ দুই বিন্দুর সংযোগ হিসেবে কাজ করে। একটা ওয়ার্মহোল হতে পারে আসল রাস্তার চেয়ে কম দূরত্বের হতে পারে!
Wormhole
এখন ধরে নেয়া যাক ওয়ার্মহোলের ভিতর দিয়ে পরিভ্রমন করা যায় (এখানে একটা মেইন ব্যাপার হলো যদি আমি ঘুরতে যাই, হয়তো আমি টেনে এমন লম্বা হবো যে আমার 5.8 ফুটি দেহ 30 ফুটি হয়ে যাব আর আমার প্রাণ বায়ুর যে কি হবে সেটা বুঝতে পারছি না কারন ঐ সময় আমার কোনো গ্রোথ বা অনুভূতিও থাকবে না), এর মধ্যে অবশ্য থর্নের ইক্সোটিক ম্যাটারের অস্তিত্ব থাকতে থাকবে।কোয়ান্টাম ম্যাকানিক্স অনুসারে এ্যাক্সোটিক ম্যাটার নেগেটিভ ভর সম্পন্ন এবং গ্রাভীটিতে এটা আকর্ষনের পরিবর্তে বিকর্ষিত হয়। আর একটা ওয়ার্মহোলের স্ট্যাবিলিটির জন্য এটার উপস্হিতি প্রয়োজন কেননা এটার মাধ্যমে একটা এ্যান্টিগ্রাভীটি ফোর্স কাজ করবে এবং বিস্ফোরন রোধ করবে যেটা তখন একে ব্লাক হোলে পরিণত করবে। এই এ্যাক্সোটিক ম্যাটার আমাদের চেনা জানা ফিজিক্সের দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না (এজন্যই এটা হাইপো!) তবে এই নেগেটিভ এ্যানর্জি স্টেটের অস্তিত্ব কিছু নির্দিস্ট কোয়ান্টাম সিস্টেমেই থাকে তবে এটা এখনো অপরিস্কার যে কি পরিমান এ্যান্টিগ্রাভিটি কণার প্রয়োজন একটা ওয়ার্মহোলকে স্ট্যাবিলাইজ করতে!
তবে থর্ন আর তার কলিগরা পরে বুঝতে পারেন যে যদি একটা স্ট্যাবল ওয়ার্মহোল যদি তৈরী করা যায়, তাহলে এটা একটা টাইম মেশিন হিসেবে কাজ করতে পারে।
স্ট্যাবিলাইজড ওয়ার্মহোল: টাইম মেশিনের দ্বারপ্রান্তে
তাহলে একটা ওয়ার্মহোল যদি আমরা পেতে চাই, তাহলে এর একটা মুখ একটা নিউট্রন তারার দিকে টানা থাকবে এবং অবস্হানটা থাকবে এর সারফেস এর দিকে। তারা মাধ্যাকর্ষন ঐ স্হানের সময়কে ধীর করে ফেলবে যাতে করে ওয়ার্মহোলের দু মুখের মধ্যে একটা সময়ের ব্যাবধান আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। যদি দুটো মুখই জায়গা মতো রাখা হয়, এই সময়ের ব্যাবধানটাই ওখানে আটকে থাকবে!Wormhole path
ধরা যাক ঐ সময়ের ব্যাবধান 10 বছর। একজন নভোচারী ঐ ওয়ার্মহোলের মধ্য দিয়ে এক দিকে লাফ দিলো যেটা মূলত 10 বছর পরের ভবিষ্যত আবার আরেক নভোচারী যদি আরেক দিক দিয়ে লাফ দেয় তাহলে পৌছে যাবে 10 বছর পিছনে।তাহলে দেখা যাচ্ছে স্হানাংকের একটা ক্লোজ লুপ একই ভাবে একটা সময়াংকের লুপে পরিণত হতে পারে। শুধু একটা রেস্ট্রিকশন তখন থাকবে যখন ওয়ার্মহোল প্রথম তৈরী করা হয়েছিলো সে সময়ে ঐ নভোচারী কখনোই ফিরত পারবেনা।
অন্যভাবে বলা যায়, ওয়ার্মহোল প্রাকৃতিক ভাবে তৈরী হতে পারে খুবই ক্ষুদ্র স্কেলে, যেমন প্লান্ক লেন্হে যার তুলনা হতে পারে একটা আনবিক নিউক্লিয়াসের। তত্ব অনুসারে, এরকম এক মিনিটের ওয়ার্মহোল এ্যানর্জি পালসের দ্বারা স্ট্যাবল হয় অতঃপর কোনোভাবে সাধারন মাত্রায় বিরাজ করে!
প্যারাডক্স
এখন কিছু প্যারাডক্সের কথা বলা যাক, যেটা মূলত সবচেয়ে বর প্রশ্ন এইসব টাইম মেশিন থিওরেটিস্টদের কাছে!ধরা যাক এসব ইন্জ্ঞনিয়ারিং প্রবলেম মেটানোর পর আমরা একটা টাইম মেশিন বানাতে সক্ষম হলাম, তাহলে দেখা গেলো এক বদ লোক অতীতে গিয়ে তার মেয়েকে ছোটবেলাতেই খুন করলো, সেক্ষেত্রে কি হবে?
এরকম অনেক ধাধা বা প্রশ্ন সামনে আসবে যখন কেউ হয়তো অতীত পরিবর্তন করতে চাইবে তবে হ্যা এটা যদি এমন হয় একজন অতীতে গিয়ে একটা মেয়েকে বাচালো আর ভবিষ্যতে সে তার মা হলো তখন এটা একটা কারনঘটিত পজিটিভ লুপ হবে যেটার সামন্জ্ঞস্যতা বিদ্যমান। হয়তো কোনো টাইম ট্রাভেলারের আচরনগত ক্ষমতাকে রেস্ট্রিক্ট করা যেটে পারে এসব কারনগত সামন্জ্ঞস্য দিয়ে, কিন্তু এটা আসলেই সম্ভব হবেনা টাইম ট্রাভেলারের ফ্রিকোয়েন্সি কন্ট্রোক করা।
আবার এমনও হতে পারে যে ধরা যাক, একজন টাইম ট্রাভেলার এক বছর আগে গিয়ে কোনো ফাটাফাটি থিওরেম IEEE থেকে ডিটেলসে পড়ে আবার অতীতে গিয়ে সেটা সে তার ছাত্রদের ভালো পড়িয়ে ফেললো যেটা পড়ে আবারো IEEE তে লেখা হলো। তাহলে দুটো লেখা দু সময়ে।
এই সব টাইম ট্রাভেলের অদ্ভুত ঘটনা এখনো একে সম্ভাবনার খাতায় ফেলে রেখেছে। তবে স্টিফেন হকিং “ক্রোনোলজি প্রোটেকশন কনজেকচার” এর ধারনা দেন যেটা এই কারনগত লুপ গুলোকে বাদ দিয়ে ফেলে। অবশ্য পেনরোজের এরকম একটা কনজেকচার আছে।যাই হোউক রেলিটেভিটির ল কারনগত লুপকে সমর্থন করে, এবং এই ক্রোনোলজি কনজেকচারের মাধ্যমে কিছু ফেক্টরের প্রয়োজন পরে যেগুলো টাইম ট্রাভেলারের অতীত ভ্রমনের বিষয়টি নিয়ে কাজ করতে পারে। তাহলে এই ফ্যাক্টরগুলো কি? একটা সাজেশন হলো কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া সেক্ষেত্রে এগিয়ে আসবে।টাইম মেশিনের অস্তিত্ব কনাগুলোকে তাদের লুপ থেকে অতীতে ভ্রমন করার পারমিশন দেবে। কিছু ক্যালকুলেশনে অবশ্য এমন ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে আগের ঘটে যাওয়া অঘটনসমূহ নিজে থেকেই জোরেশোরে উঠে এসে শক্তির বিশাল এক সার্জের সৃস্টি করে ওয়ার্মহোলকে ভেঙ্গে ফেলবে!
এই ক্রোনোলজিক্যাল প্রোটেকশন এখনো ধারনাগত পর্যায়ে, তাই টাইম ট্রাভেল নিয়ে এখনো আশার আলো আছে। হয়তো অপেক্ষা করতে হবে সেই ক্ষনের জন্য যখন কোয়ান্টাম ম্যাকানিক্স সক্ষম হবে গ্রাভিটেশনাল হাইপোথিসিস গুলোর সাথে হয়তোবা এমন একটা থিওরীর মাধ্যমে যার মাধ্যমে সমন্বয় ঘটবে স্ট্রিং থিওরি বা তার এক্সটেনশনের জন্য, তৈরি করবে তথাকথিত M-থিওরী। এটা এমনও হতে নেক্সট জেনারশনের কোলাইডারগুলো এরকম ছোটখাটো সাব এ্যাটোমিক ওয়ার্মহোলের সৃস্টি করতে পারবে যেটা হয়তো এইচজি ওয়েলসের টাইম মেশিনের কাছে শিশু মাত্র!। কিন্তু এটা অবশ্যই পদার্থবিদ্যায় এক অনবদ্য পরিবর্তন আনবে!

পতঙ্গ আকৃতির ড্রোন

আমেরিকা অতি ক্ষুদ্র ড্রোন তৈরির গবেষণায় ব্যাপক অর্থ বিনিয়োগ করেছে। এসব ড্রোন আকারে মশা-মাছির চেয়ে বড় না হলেও এতে বসানো থাকবে ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন। এ ছাড়া, প্রয়োজনে এসব মশা-মাছি আকৃতির ড্রোন দিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তির দেহ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা থেকে শুরু করে শক্রকে বিষ পর্যন্ত প্রয়োগ করা যাবে।

ইন্টারনেটে প্রকাশিত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে জানা গেছে, এ ধরনের ড্রোন তৈরির গবেষণা করছে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দল। এ দলকে সহযোগিতা করছে ভার্জিনিয়ার আলিংটনে অবস্থিত রাইট-প্যাটারসন বিমান ঘাঁটির ‘ইউএস অফিস অব দ্যা সায়েনটেফিক রিসার্চ’। এ গবেষকরা ‘মাইক্রো অ্যারিয়েল ভেহিকেল’ বা এমএভি নামের কীট পতঙ্গ আকারের ড্রোন তৈরির কাজ করছে। এ ধরনের ড্রোন ব্যবহার করে অনায়াসে নানা গোয়েন্দা অভিযান চালানো যাবে।
এসব কৃত্রিম পতঙ্গের দল বা ড্রোন অনায়াসে যে কোন শহর বা নগরে ঢুকে পড়তে পারবে। শহর বা নগরে দালান-কোঠা ও মানুষের ভিড় রয়েছে। সেইসঙ্গে বাতাসের গতিও কখন কি রকম হবে তা আগে ভাগে সব সময় অনুমান করা যায় না। ফলে প্রচলিত ড্রোন দিয়ে এসব এলাকায় গোয়েন্দা ততপরতা চালিয়ে সব সময় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না।
কিন্তু চলতি গবেষণার ক্ষেত্রে এ রকম কীট-পতঙ্গ আকারের ড্রোন দিয়ে অনেক কাজ করা যাবে। বলা যায়, বিজ্ঞান-কল্পতে যেসব কথা বলা হয় তার অনেকাংশ সফল হবে এসব ড্রোনের মাধ্যমে। এসব ড্রোন দূর নিয়ন্ত্রিত হবে। মশা বা মাছির মতো অনায়াসে এসব ড্রোন সন্দেহভাজন ব্যক্তির দেহে এসে বসতে পারবে। তারপর অতিসূক্ষ্ম সুঁই ফুটিয়ে ব্যক্তিটির দেহ থেকে ডিএনএ নমূনা সংগ্রহ করে দ্রুত বেগে উড়ে সরে পড়বে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিটি এক্ষেত্রে মশার কামড়ের চেয়ে বেশি ব্যথা পাবে না। তবে মশায় কামড়ালে যে রকম জ্বালা হয় তা অবশ্য হবে না। কিন্তু জায়গাটা ফুলে উঠবে।
এসব ড্রোন কেবল ডিএনএ নমুনাই সংগ্রহ করবেনা সেইসঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তির দেহে অতিক্ষুদ্র আকারের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেনটিফিকেশন বা আরএফআইডি বসিয়ে দিয়ে আসবে। ফলে দূর থেকে সন্দেহভাজন ব্যক্তির চলাফেরার ওপর নজর রাখা যাবে। কিংবা এ ড্রোন দিয়ে বিষও প্রয়োগ করা যাবে শত্রুপক্ষের লোকজনকে।
অবশ্য শুধু আমেরিকাই নয় সেইসঙ্গে ইসরাইল,ফ্রান্স ও নেদারল্যাণ্ড একই ধরনের ড্রোন তৈরি করছে। এ কাজে অনেক এগিয়ে গেছে ইসরাইল। প্রজাপতি আকারের ড্রোন তৈরি করেছে অবৈধ এ দেশটি। এক বিশেষ ধরনের হেলমেট পরে এ ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে এবং এ হেলমেট মাথায় দিলে প্রজাপতি-ড্রোন যা দেখবে তার সবই দেখতে পাবেন হেলমেটধারী ব্যক্তি

পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম কম্পিউটার!

হয়ত বলবেন পৃথিবীর বর্তমানে সবচেয়ে বড় কম্পিউটারের কথা জানি। কিন্তু বর্তমানে পৃথিবীর সবথেকে ক্ষুদ্রতম কম্পিউটারের সাথে পরিচয় আছে কি?
সম্প্রতি নরওয়ের গবেষকরা মাত্র ২১ গ্রাম ওজনের একটি কম্পিউটার তৈরী করেছেন। USB আকারের এ কম্পিউটারটির নাম দেয়া হয়েছে ‘কটন ক্যান্ডি’, খবর Gigmag-এর।
নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের দাবী, ইউএসবি ‘কটন ক্যান্ডি’ হচ্ছে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম কম্পিউটারগুলোর অন্যতম। এ ইউএসবি ডিভাইসটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন কম্পিউটিং সুবিধা যোগ করতে পারে। টার্মিনাল সংযোগ হিসেবে বিভিন্ন ডিভাইসে ইউএসবি’র অপারেটিং সিস্টেম, ক্লাউড সার্ভিস এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনও চালু করবে। এ ছাড়াও এটি টেলিভিশন, সেট টপ বক্স এবং গেম কনসোল হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। ‘কটন ক্যান্ডি’ ডিভাইসটি তৈরী করেছে নরওয়ের FXI টেকনোলজিস।
FXI টেকনোলজিস-এর সিইও বোর্গার লোসল্যান্ড জানিয়েছেন, ‘আমরা বিশাল প্রযুক্তিকে ক্ষুদ্র ডিভাইসে নামিয়ে এনেছে।’ Koton Candy ফিচার হিসেবে রয়েছে, গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম, ১.২ গিগাহার্টজ কোয়াড কোর এরআএম মালি গ্রাফিক্স সেট, ওয়াই-ফাই,Blue tooth এবং HDMI output হাই ডেফিনিশেন ভিডিও দেখা যাবে এ কম্পিউটারে।
আগামী বছরের মাঝামাঝি এ ডিভাইসটি বাজারে চলে আসবে বলে সবার ধারনা। এটির দাম পড়বে প্রায় $২০০ এর মত। সূত্রঃ ইন্টারনেট।

পিসি খবরদারী বা নজরদারি–১ কিলোবাইটও আপনার চোখ এড়াতে পারবে না

আমরা অনেক Utility সফটওয়্যার ব্যবহার করেছি । Utility সফট সবই উপকারী । তবে সব গুলো কার্যকারী নয় । কিন্তু আমি এখন যে সফট টি শেয়ার করব এটা খুব…… কার্যকারী ।
এই সফট টি আপনার পিসি কে সত্যিকার ভাবেই clean রাখবে । আপনার Junk ফাইল গুলো খুজে বের করবে আর Fight করবে । সাথে রয়েছে Powerful Privacy Cleaner. এতে রয়েছে Quick care নামের একটি অপশন । যা আপনার পিসি ডাক্তার হিসেবেই কাজ করতে সক্ষম । এছাড়াও রয়েছে system booster যা আপনার পিসি এর গতি বাড়াবে ।
এত সময় যা যা আলোচনা করলাম, এগুলো আসলে আমার আলোচনার বিষয় নয় । তাহলে মূল কথায় আসি ।
এই সফটটার সাথে রয়েছে অসাধারণ একটি Traffic Monitor । অর্থাৎ এটি আপনার Internet এর সম্পূর্ণ এবং পাই টু পাই খবর রাখবে । আপনি কতটুকু নেট খরচ করেছেন শুধু তাই নয় । কোন সফট কতটুকু নেট ব্যবহার করেছে, করছে তাও আপনি জানতে পারবেন ।
আপনি ইচ্ছা করলে যে কোন সফট এর নেট ব্যবহার FIXED করেও দিতে পারেন । ইন্টারনেট এখন থাকবে আপনার হাতের মুঠ এ । ১ কেবি ও আপনাকে ফাঁকি দিতে পারবে না । আপলোড – ডাউনলোড সব ই আপনি দেকতে পারবেন ।
আমি আগে নেট ব্যবহার নিয়ন্ত্রন এ রাখার জন্য অন্য সফট ব্যবহার করেছি, কিন্তু এটার চাইতে Powerful সফট আমি দেখি নাই । তাসারা অন্য সফট গুলোতে Registration এর ঝামেলা থাকে । কিন্তু এটি ১০০% Freeware ।
এটি সবসময় আপনার নেট স্পীড আর পিসি Performance স্ক্রীন এ দেখাবে ।
লিমিটেড কিংবা আন-লিমিটেড ইউজার, সবার জন্যই এই Traffic Monitor টি খুব ই উপকারী হবে বলে আশা করি ।
মূল সফট টা ডাউনলোড করে Traffic Monitor এ ক্লিক করে Traffic Monitor ইন্সটল করে নিবেন ।
pc-towfiq.jpgpc-towfiq.jpgpc-towfiq.jpg
মাত্র ৫ মেগা এর সফট টা এখান থেকে ডাউনলোড করুন- http://www.mediafire.com/?955k6z9rdnebg7r

সর্বোচ্চ প্রযুক্তির বাহাদুরি, এবার মস্তিস্ক থেকে তথ্য চুরি !!! (তথ্য চুরি করতে মানব ব্রেইন হ্যাকিং

ইন্টারনেট এ বিভিন্ন সাইট থেকে তথ্য চুরির ঘটনা আমরা অনেক শুনেছি, কিন্তু মস্তিস্ক থেকে তথ্য চুরির ঘটনা বিশ্বে এবারই প্রথম।  সার্ভার এর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, সাইট এর কন্টেন্ট, বেঙ্ক এর গোপন তথ্য, পিন নাম্বার, একাউন্ট আইডি ইত্যাদি সুরক্ষিত রাখার জন্য  নিরাপত্তা জাল তৈরির কমতি থাকেনা কোনোক্ষেত্রেই । তবুও হেকিং এর ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছেই ।  তথ্য সুরক্ষিত রাখার জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বেবস্থা  জোরদার করার পরও যদি তথ্য চুরি হয়, তবে বিষয়টি অবাক হবার মতই ।  কিন্তু না,  অবিশ্বাস্য মনে হলে বিষয়টি সত্যি ।   এখন মানব মস্তিষ্কও  হ্যাক করা সম্ভব !  শুধু তাই নয়, যে কোনো ব্যক্তির ব্রেইন হ্যাক করে  তার ব্যক্তিগত গোপন সব তথ্য চুরি করা সম্ভব ।  মানুষের মস্তিষ্ক হ্যাক করে গোপন তথ্য চুরি করা যে সম্ভব, সম্প্রতি তার প্রমাণ দিয়েছে ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ড এবং ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার বিজ্ঞানী ও গবেষকরা । আর এ কাজে  বিজ্ঞানী ও গবেষকরা ব্যবহার করেছেন স্বল্পমূল্যের ইমোটিভ ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেস বা ইমোটিভ বিসিআই।

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় সহযোগিতা করেন একাধিক স্বেচ্ছাসেবক এবং ওই স্বেচ্ছাসেবকদের কয়েকজনকে ইমোটিভ বিসিআই হেডসেট পরিয়ে কম্পিউটারের সামনে বসিয়ে দেন বিজ্ঞানীরা।  এরপর মস্তিষ্কের পি৩০০ সিগন্যাল অনুসরণ করে সংগ্রহ করেন স্বেচ্ছাসেবকদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত গোপন সকল  তথ্য ।
ইমোটিভ বিসিআই ব্যবহার করে স্বেচ্ছাসেবকদের মস্তিষ্ক থেকে সংগ্রহ করা ডেটা থেকে খুব সহজেই তাদের ঠিকানা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং কার্ড পিন নম্বর খুঁজে বের করে ফেলেন  বিজ্ঞানী ও গবেষকরা।
বিজ্ঞানী ও গবেষকরা  আশংকা করছেন এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগামীতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ওপর হ্যাকিং চালাতে পারে নানা অশুভ শক্তি ।  সর্বোচ্চ প্রযুক্তির  মাধ্যমে  মস্তিষ্ক থেকে তথ্য চুরির এ অসাধারণ কাজটি এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা এবং নজিরবিহীন মাইলফলক ।

মঙ্গলবার, ৭ আগস্ট, ২০১২

ইন্টারনেট ব্রাউজ করুন নিরাপদে

আমরা অনেকেই ইন্টারনেট এ নানা জিনিস ব্রাউজ করি।নানা জিনিস Download করি।কিন্তু সবগুলো Download Link কি নিরাপদ?তাই,আপ্নাদের জন্য নিয়ে এলাম দারুন একটি Software……নাম হচ্ছে WOT(Web Of Trust).এটি Install করার পরে আপনার Browser এর ডান দিকে কোণায় আপনি Green,Yellow বা Red রঙের একটি বৃত্ত দেখবেন।Green Circle এর অর্থ সাইট টি পুরোপুরি নিরাপদ।Yellow Circle এর অর্থ হচ্ছে সাইট টি মোটামোটি নিরাপদ এবং,Red Circle এর অর্থ  সাইট টি একটুও নিরাপদ নয়।নিচে বিভিন্ন Browser এর জন্য Softwareটির Download Link দেয়া হল…
সবগুলো Browser এর জন্য W.O.T পাবেন এই সাইট এ :http://www.mywot.com/en/download       :)4856340737 a24d66a547 z ইন্টারনেট ব্রাউজ করুন নিরাপদে

ষ্টিভ জবসের ১০টি অবাক সত্য

১. তিনি এলএসডি ড্রাগ নিয়েছিলেন: তিনি বার বার নিশ্চিত করে বলেন যে, আমি জীবনে যে দুই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস করেছি, এটা হলো তাদের একটি। তিনি এলএসডি (LSD – lysergic acid diethylamide) ড্রাগটি নিয়েছিলেন। এটা একটি সাংঘাতিক ড্রাগ যার মাধ্যমে আপনার মুড পরিবর্তন হতে পারে। এটা নেয়ার পর, একজনের মুড খুব তাড়াতাড়ি বিভিন্ন স্তরে চলে যেতে পারে। এবং এটা পুরোটাই আন-প্রেডিকট্যাবল – কেউ বলতে পারবে না এই ড্রাগ নিলে ঠিক কী ঘটবে। তার ইমোশন এক স্তর থেকে ভিন্ন স্তরে উঠানামা করবে। এবং এটা দিয়ে হেলুসিনেশন হতে পারে।
২. তিনি জোয়ান বায়েসের সাথে ডেট করেন: ষ্টিভ তার বয়সের দ্বিতীয় দশকে ফোক গায়িকা জোয়ান বায়েসের সাথে ডেট করেন।
৩. তিনি ভেজিটেরিয়ান ছিলেন: ষ্টিভ জবস পশু শিকারে বিশ্বাস করতেন না; এবং তাই তিনি ভেজিটেরিয়ান খাবার গ্রহন করতেন।
৪. তিনি পিক্সার ষ্টুডিওকে বাঁচিয়েছিলেন: পিক্সার ষ্টুডিও প্রায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। ষ্টিভ ১৯৮৬ সালে জর্জ লুকাসের কাছ থেকে ৫ মিলিয়ন ডলার দিয়ে পিক্সার কিনে নেন। এবং পিক্সার থেকে “টয় ষ্টোরি” নামের বিখ্যাত এনিমেটেড সিনেমা বানিয়ে চরম সফলতা নিয়ে আসেন।
৫. তিনি ডিজনীর সবচে বড় শেয়ার হোল্ডার ছিলেন: ২০০৬ সালে ডিজনী যখন পিক্সারকে কিনে নেয়, তখন ষ্টিভ ডিজনীর বোর্ডে চলে আসেন। এবং তিনিই ছিলেন এককভাবে সবচে বড় শেয়ারের মালিক।
৬. অস্টম শ্রণীতে পড়ার সময় এইচ.পি-তে তিনি ইন্টার্ণ করার অফার পান: ষ্টিভ অষ্টম শ্রেণীতে পড়ার সময় তিনি একটি ফ্রিকোয়েন্সি কাউন্টার এসেম্বলী করছিলেন। এটা তাকে করতে দিয়েছিল বিখ্যাত কমপিউটার কম্পানী এইচ.পি। ষ্টিভ জবস একদিন এইচ-পি’র কো-ফাউন্ডার উইলিয়াম হিউলেটকে টেলিফোন করে বলেন যে, ওখানে একটা পার্টসের অভাব রয়েছে। হিউলেট তার সাথে ২০ মিনিট কথা বলেন। এবং পরের দিন এক ব্যাগ ভর্তি পার্টস পাঠিয়ে দেন। আর জবসকে পরের গ্রীষ্মে ইন্টার্ণ করার অফার দেন।
৭. তিনি এবং ষ্টিভ ওজনিয়াক প্রথমে “ব্লু বক্স” বিক্রি করা শুরু করেন: দুই বন্ধু মিলে প্রথমে যে জিনিসটি তৈরী করেন সেটা হলো একটা ব্লু বক্স। এই ব্লু বক্সেটির কাজ ছিল টেলিফোনকে বোকা বানিয়ে বিনা মূল্য পৃথিবীর যেকোন স্থানে কথা বলা যেত। এটা যদিও আইনসিদ্ধ ছিল না, কিন্তু মানুষ এটা পছন্দ করেছিল। এটা করে তারা ৬ হাজার ডলারের মতো যোগাঢ় করেছিল।
৮. তিনি উদ্বাস্তু ছিলেন: ২০০৫ সালে ষ্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের বলেছিলেন, আমার ডর্ম ছিল না। তাই আমি বন্ধুদের রুমের সামনে বারান্দায় ঘুমাতাম। আমি কোকের বোতল যোগাঢ় করতাম যা ফেরত দিলে ৫ সেন্টস করে পাওয়া যেতো, যা দিয়ে আমি খাবার কিনতাম। আর সপ্তাহে একবার ভালো খাবারের জন্য প্রতি রবিবার আমি সাত মাইল হেটে শহরের আরেক প্রান্তে হরে কৃষ্ণ মন্দিরে যেতাম।
৯. তিনি অ্যাপল ষ্টোরের ভতের কাঁচের সিড়িটি প্যাটেন্ট করেন: ‌অ্যাপলের কয়েক হাজার প্যাটেন্ট রয়েছে। তার ভেতর ৩১৭টিতে তার নাম রয়েছে। এমন কি তিনি অ্যাপল ষ্টোরের ভেতর যে কাঁচের সিড়িটা রয়েছে, সেটার ডিজাইনও প্যাটেন্ট করে রাখেন।
১০. তিনি দীর্ঘদিন লাইসেন্স প্লেট ছাড়া গাড়ি চালান: ষ্টিভ জবের ২০০৭ সাল মডেলের মার্সিডিস বেঞ্চ এসএল-৫৫ গাড়ি ছিল। তিনি সেই গাড়িটি কয়েক বছর কোনও রকম লাইসেন্স প্লেট ছাড়াই চালান।

blogging-contest রিপেয়ার করে নিন সব ধরনের উইন্ডোজ !

►►► Fix Registry Errors
►►► Fix file permissions
►►► Repair WMI
►►► Repair Windows Firewall
►►►Repair Internet Explorer
►►► Repair MDAC and MS Jet
►►► Hosts File Repair
►►► Removal of restrictions established by the virus
►►► Repairing icon
►►► Repair Winsock and DNS Cache
►►► Delete temporary files
►►► Fix My Settings Proxy
►►►Fix Windows Updates
and much more

উইন্ডোজ নিম্নলিখিতগুলো  মেরামত করতে পারে:-

Reset Registry Permissions
Reset File Permissions
Register System Files
Repair WMI
Repair Windows Firewall
Repair Internet Explorer
Repair MDAC & MS Jet
Repair Hosts File
Remove Policies Set By Infections
Repair Icons
Repair Winsock & DNS Cache
Remove Temp Files
Repair Proxy Settings
Unhide Non System Files
Repair Windows Updates
and more …

তাহলে নিচের দেয়া লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন উইন্ডোজ রিপেয়ার সিস্টেমটি।

মিডিয়াফায়ার থেকে ডাউনলোড করে নিন এখানে ক্লিক করে।

অথবা

জাম্বু থেকে ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।