বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

অপরাধী শনাক্তকরণে ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব

দেশের অপরাধ জগত এবং অপরাধী নির্মূল করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সকলের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে এই হয়৷ বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে৷ এছাড়া সহযোগী মন্ত্রণালয় হিসেবে আছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়৷ ড্যানিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এসিস্টেন্স বা সংক্ষেপে DANIDA -র আর্থিক সহায়তায় এই ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে৷ ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ল্যাবটি মূলত Multi sectoral Program Violence Against Woman Project -এর জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
ক্যারি মিডলিস ১৯৮০ সালে ডিএনএ প্রোফাইল টেকনোলজির আবিষ্কার করেন৷ এরপর নানা পরীক্ষা-নিরিক্ষার পর ডিএনএ প্রোফাইল সর্বপ্রথম ১৯৮৭ সালে যুক্তরাজ্যে বিচারকার্যে ব্যবহৃত হয়৷ এরপর ১৯৮৮ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে FBI অপরাধ তদন্তের কাজে ডিএনএ প্রোফাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে৷ এভাবে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ডিএনএ প্রোফাইল টেকনোলজি অপরাধ তদন্তে ব্যবহার হয়ে আসছে৷ দেরিতে হলেও ডেনিশ সরকারের সাহায্যে ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবের মতো অত্যন্ত ব্যয়বহুল ল্যাব প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এদেশে আশংকাজনক হারে ক্রমবর্ধমান নারী ও শিশু নির্যাতন কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়৷ কেননা এর মাধ্যমে আসল অপরাধীকে শনাক্ত করে আদালতের সামনে দাড় করানো যাবে৷
ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে প্রতিষ্ঠিত এই ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবের প্রধান হিসাবে  তখন নিযুক্ত দেয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শরীফ আখতারুজ্জামানকে এবং তার অধীনে ছয়জন সায়েন্টিফিক অফিসার, দুইজন ল্যাব টেকনিশিয়ান, একজন কম্পিউটার অপারেটর ও একজন ক্লিনার৷ এই ডিএনএ প্রোফাইল ল্যাবে এক একটি ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করতে খরচ পড়বে প্রায় তিন থেকে ৪ হাজার টাকার মতো৷ ব্যয়বহুল এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে DANIDA -র অবদান মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ এক মাইলফলক হয়ে থাকবে৷ প্রতিষ্ঠিত এই ডিএনএ ল্যাবটি তিনটি অংশে বিভক্ত -
  • ১. স্ক্রিনিং ল্যাব- এই ল্যাবে ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন আলামতের গায়ে লেগে থাকা দাগ বা চিহ্ন থেকে অপরাধীর ডিএনএ পাওয়া সম্ভব কিনা অথবা আলামত জৈবিক নমুনা কিনা তা পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষন করা হবে৷
  • ২. এক্সট্রাকশন ল্যাব- এই ল্যাবে স্ক্রিনিং ল্যাব থেকে প্রাপ্ত ফলাফল পাঠানো হবে৷ ফলাফল পজিটিভ হলে আলামতের নমুনা থেকে ডিএনএ পৃথক করা হবে৷
  • ৩. এনালাইটিক্যাল ল্যাব- এক্সট্রাকশন ল্যাবে পৃথককৃত আলামতের ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করার পর খুব অল্প পরিমান ডিএনএ পাওয়া যাবে৷ এই ল্যাবে ঐ নমুনাকে PCR করার মাধ্যমে নমুনায় ডিএনএ-র পরিমাণ বাড়ানো হবে৷ শেষে নমুনা এবং জেনেটিক এনালাইজারের সাহায্য নিয়ে অপরাধীর ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি করা হবে৷
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা অনুযায়ী কোনো অপরাধীর বিচার নিশ্চিত করতে হলে প্রথমে ঐ অপরাধীকে শনাক্ত করতে হয়৷ কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই আসল অপরাধীকে শনাক্ত করতে না পারার কারণে বিচার কাজ একটা স্থানে এসে থেমে যায়৷ অপরাধ করার সময় ভিক্টিমের জামা-কাপড়ে অপরাধীর রক্ত, ভিক্টিমের হাত বা নখের নিচে অপরাধীর চুল বা ত্বকের কোষ লেগে থাকতে পারে৷ সেগুলোর ডিএনএ এনালাইসিস-এর মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীকে সহজেই শনাক্ত করা যায়৷ এছাড়া অনেক অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধী শনাক্ত করা গেলেও সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে অপরাধী ছাড়া পেয়ে যায়৷ কেননা সনাতন ডাক্তারি পরীক্ষা অপরাধী সম্পর্কে তেমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে ব্যর্থ৷ কিন্তু আধুনিক এই ডিএনএ এনালাইসিস অপরাধী শনাক্তকরণের পাশাপাশি অপরাধ সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রমাণ নিশ্চিত করে৷
ডিএনএ এনালাইসিস-এর মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব ও মাতৃত্ব নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করা যায়৷ কেননা সন্তানের ডিএনএ অর্ধেক আসে পিতার কাছ থেকে এবং বাকি অর্ধেক আসে মায়ের কাছ থেকে৷ তাই পিতা-মাতা এবং সন্তান, এই তিনজনের জৈবিক নমুনার ডিএনএ এনালাইসিস করলে নিশ্চিতভাবে সন্তানের প্রকৃত পিতা-মাতা নির্ধারণ করা যায়৷ এর মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব নির্ণয়ের মাধ্যমে কুমারী মাতাকে স্ত্রীর মর্যাদা প্রদানসহ অবৈধ সন্তানের পিতা-মাতা এবং বৈধ-অবৈধ সন্তানের উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায়৷ আর এতে নারী ও শিশুর সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী নির্ণয়ে সকল প্রকার জটিলতার অবসান ঘটবে৷
আমাদের দেশে ডিএনএ ল্যাব প্রতিষ্ঠার ফলে ধর্ষকের পরিচয় নির্ণয়, সন্তানের পিতৃত্ব নির্ধারণ এবং অপরাধী শনাক্তকরণে দেশের বিচার ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের বিড়ম্বনা, অচলাবস্থা ও হয়রানির অবসান ঘটানো যাবে অনেকাংশে৷ এধরনের ঘৃণ্য অপরাধীরা ধর্ষণ কিংবা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে নিজের সন্তানকে আর কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারবে না৷ নারী ও শিশুর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
আমাদের দেশের ফরেনসিক ল্যাবগুলোতে আধুনিক কোনো সরঞ্জাম এবং দক্ষ জনবল না থাকায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রদানে বাধাঁর সৃষ্টি হয়৷ এজন্য এই বিভাগের বিশেষজ্ঞদের অপেক্ষা করতে হয় পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টের ওপর৷  পুলিশের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই ফরেনসিক ল্যাব তাদের রিপোর্ট প্রদান করে থাকে৷ দীর্ঘদিন থেকে চলে আসা গতানুগতিক নিয়মে ফরেনসিক বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত রিপোর্ট আদালতের তেমন কোনো কাজে আসে না৷ ফলে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ রিপোর্টের অভাব এবং রিপোর্ট প্রদানে বিলম্বের কারণে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ অপরাধীরা সুষ্ঠু বিচারের অভাবে খালাস পেয়ে যায়৷
অপরাধী শনাক্তকরণে ফিঙ্গারপ্রিন্ট একটি আধুনিক ব্যবস্থা৷ কিন্তু এখন অপরাধীরা অপরাধের প্রমাণ এবং আলামত নষ্ট করতে নানাধরণের কৌশল অবলম্বন করে থাকে৷ ফলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতিও বর্তমানে অনেকটা অকার্যকর হয়ে পড়েছে৷ কেননা অপরাধীরা অপরাধ করার সময় হাতে গ্লাবস কিংবা মোজা বা অন্য কোনো আবরণ পড়ে নেয়৷ আবার রুমাল দিয়ে মুছে দেয়৷ এছাড়াও প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে আজকাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট সহজেই পরিবর্তন করা যায়৷ ফলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি বলা যায় অনেকাংশেই ব্যর্থ৷ কিন্তু এখনো পর্যন্ত প্রতিটি মানুষের স্বতন্ত্র ডিএনএ প্রোফাইল পরিবর্তনের কোনো প্রযুক্তি আবিষ্কার হয় নি৷ তাই ডিএনএ প্রোফাইল পরিবর্তন করে অপরাধীর পার পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাও নেই৷
আমাদের দেশে অপরাধের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে৷ যেখানে সারা পৃথিবীতে ইতিমধ্যেই ডিএনএ প্রোফাইল প্রযুক্তি সন্ত্রাস, অপরাধ তদন্ত, বিচার কার্যক্রমসহ সন্ত্রাসী চিহ্নিতকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিডিয়া হিসেবে আত্নপ্রকাশ করেছে৷ তাই ডিএনএ প্রোফাইলিং প্রযুক্তির যথাযথভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে আমরাও অপরাধের মাত্রা ও হার হ্রাস করতে পারি৷ প্রতিষ্ঠা করতে পারি ন্যায়বিচার ও সুশাসনভিত্তিক সমাজ৷ উন্নত বিশ্বে সঠিকভাবে আলামত সংগ্রহ করা হয়, ফলে ডিএনএ প্রোফাইলিং পদ্ধতিতে সঠিক রিপোর্ট নিশ্চিত করা যায়৷ আশা করা যায়, ডিএনএ প্রোফাইল ল্যাব প্রতিষ্ঠার ফলে আমাদের দেশের অপরাধীদের শনাক্তকরণে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে৷ এক্ষেত্রে পুলিশসহ নিরপত্তা বিভাগকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে৷ কেননা ঘটনাস্থল থেকে অপরাধের আলামত, ক্লু সঠিকভাবে সংগ্রহসহ সুষ্ঠুভাবে সংরক্ষণ না করলে, ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাব কোনো কাজ কাজে আসবে না৷ এজন্য পুলিশ বিভাগে আলাদা একটি তদন্ত ইউনিট গঠন করা যেতে পারে৷ এই ইউনিটের শুধু কাজ হবে অপরাধ সংঘটনের সাথে সাথে ঘটনাস্থলে দ্রুত গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা এবং পরে তা ডিএনএ প্রোফাইল ল্যাবের কাছে পৌছে দেয়া৷
অবশ্য আমাদের দেশে পুলিশ বিভাগে একটি আলাদা তদন্ত ইউনিট গঠন করার কথা শোনা গেলেও বাস্তবে তাদের কোনো কার্যক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে না৷ তাই সরকারের উচিত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এখুনি এই ইউনিটকে পুরোপুরি কার্যকর করে তোলা৷ পাশাপাশি ডিএনএ রিপোর্টকে কাজে লাগানোর জন্য বিচার প্রক্রিয়ায় সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন পেশাজীবী যেমন- চিকিত্‍সক, আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী, বিচারক এবং পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা৷ আর এটা হলে ডিএনএ প্রোফাইল ল্যাব প্রতিষ্ঠার আসল গুরুত্ব ফুটে উঠবে৷ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন শুধুই যেন স্বপ্ন হয়ে না থাকে৷ অচিরেই তা যেন বাস্তব রূপ লাভ করে, সে আশাই করি।

কিভাবে কোন user-এর জন্য Hard Disk এর জায়গা বরাদ্ধ দেয়া যায় ?

আমরা কম বেশি সবাই Hard Disk -এর জায়গা ব্যবহার নিয়ে অনেক সমস্যায়  পড়ি। আর এটি তখন হয় যখন আমাদের কম্পিউটার একাধিক ব্যাক্তি ব্যবহার করে থাকে। যে যার মত করে Hard disk-এর ব্যবহার করে HARD DISK এর জায়গা শেষ করে ফেলে, যার কারণে আমাদের Disk Space সমস্যায় পড়তে হয়। এখন আপনি ইচ্ছে করলে কোন USER কি পরিমাণ Hard disk space ব্যবহার করবে তা ঠিক করে দিতে পারবেন।
এবার আসুন তাহলে দেখিয়ে দিই কিভাবে ?
আমি এই কাজটি করার জন্য প্রথমে দুটি USER তৈরি করলাম emdad এবং emdadblog. emdad ব্যবহারকারি হল Administrator group-এর এবং emdadblog হল Non-Administrator group-এর। এখন আমি এই emdadblog user কে আমার কম্পিউটারের C: ড্রাইবের জন্য জায়গা ঠিক করে দিব, সে কি পরিমাণ জায়গা ব্যবহার করতে পারবে।
আমি Emdad user নামে আমার কম্পিউটারে লগিন করলাম। নিচের ছবিটি দেখুন
emdadblog.blogspot.com
এরপর আমি আমার কম্পিউটারে গিয়ে C: ড্রাইভের উপর রাইট মাউস ক্লিক করে তার প্রোপ্রাটিজ থেকে Quota অপশনে গিয়েছি। নিচের ছবিটি দেখুন।
emdadblog.blogspot.com
এবার এইখানে "Enable quota management" অপশনটির উপর ঠিক চিহ্ন দিয়ে "Quota Entries" -এ ক্লিক করেছি। একটি নতুন উইন্ডো আসবে। এই নতুন উইন্ডো থেকে "Quota -> New Quota Entry" আসবে। নিচের ছবিটি দেখুন
emdadblog.blogspot.com
এখন এই নতুন উইন্ডোতে আমি যার উপর Quota প্রয়োগ করতে চায় তার নাম দিয়েছি (emdadblog হল user name). এখন এইখানে নাম লিখে OK করুন। এরপর আপনাকে জায়গা বরাদ্ধ করে দেয়ার জন্য নতুন একটি অপশন আসবে। নিচের ছবিটি দেখুন
emdadblog.blogspot.com
এখন এইখান থেকে আপনি আপনার ঐ ব্যবহারকারির জন্য জায়গা ঠিক করে দিন। আপনি এইখানে KB থেকে EB ঠিক করে দিতে পারবেন। আপনার ইচ্ছে হলে আপনি একটি Warning message দিতে পারবেন ঐ ব্যবহারকারিকে একটি level-এ। এর জন্য আপনাকে "Set warning level" -এ ঠিক করে দিতে হবে।
আপনার কাজ শেষ হয়ে গেলে একে বন্ধ করে দিন এবং Apply করে বের হয়ে যান।
এখন দেখে নিই আমার Disk Quota কাজ করছে কি না?
আমি এখন emdadblog user নামে আমার কম্পিউটারে লগিন করেছি। নিচের ছবিটি দেখুন
emdadblog.blogspot.com
এখন আমি আমার ঐ ডিস্ক ড্রাইভের প্রোপ্রাটিজ চেক করে দেখি আমার Disk quota কাজ করেছে কিনা। নিচের ছবিটি দেখুন
emdadblog.blogspot.com
দেখুন আমার Disk quota প্রয়োগ হয়ে গেল emdadblog ব্যবহারকারির জন্য। আপনারা এই পদ্ধতির সাহায্যে নিজেদের কম্পিউটারে Disk quota ব্যবহার করতে পারবেন।

মঙ্গলবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

ব্লাক লিস্ট কি এবং কেন?

ব্লাক লিস্ট বা কলো তালিকা কথাটি বাস্তব জীবনে অনেকে শুনে থাকি। তথ্য প্রযুক্তি বিশেষ করে ওয়েবে ব্লাক লিস্ট হলো – কোন ইউজার বা ওয়েবসাইট বা আইপির প্রবেশ অনধিকার তালিকা।
কোন ওয়েবসাইট বা আইপি ব্লাক লিস্ট অর্থ হলো আইপি টি বিভিন্ন সিস্টেমএ প্রবেশ করতে পারবে না। আপনার আইপি ব্লাক লিস্টেড হলে সেই আপপি থেকে ইমেইল পাঠালে যাদের ব্লাক লিস্ট তালিকায় আপনার আইপি তাদের মেইল সারভার মেইল গ্রহণ করবে না অনেক ক্ষেত্রে মেইলগুলো স্প্যাম বক্সে জমা হবে। আবার বিভিন্ন ব্রাউজারও ক্ষতিকর আইপি এবং ওয়েবসাইটের ব্লাকলিস্ট থাকে সেক্ষেত্রে সেই সব ব্রাউজারের কালো তালিকায় আপনার ওয়েবসাইটটি থাকলে উক্ত ব্রাউজার ব্যবহারকারীরা তাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে গেলে এক ধরনে নোটিস দেখবে। মজিলা ও ক্রোম ব্রাউজারে নিচের মতো দেখাবে।
আপনার আইপি বা ওয়েবস্ইট কি ব্লাকলিস্টেড? অনেক অনলাইন টুলের মধ্যে জনপ্রিয় একটি টুল হলো এমএক্সটুলবক্স্ এই টুলের মাধ্যমে সহজেই জেনে নিন কোন কোন প্রতিষ্ঠান আপনাকে ব্লাক লিস্টেড করেছে। নিচে একটি ব্লাক লিস্টেড আইপির স্ক্রিনসট দিলাম।
বিভিন্ন কারনে এই তালিকায় আপনার আইপির নাম উঠে যেতে পারে-
১. আপনার আ্ইপি/ওয়েবসাইট থেকে ই-মেইল মর্কেটিং এর উদ্দেশ্যে সয়ংক্রিয়ভাবে মেইল পাঠালে মেইল সারভার এবং জনপ্রিয় মেইল সার্ভিসগুলো খুব সহজেই আইপিগুলোকে বাছাই করতে পারে। স্প্যাম ডিটেক্ট করার বেশ কিছুসফটওয়্যার তাদের হতে আছে। খুব সহজেই আপনার আইপিটি কালো তালিকায় দেখতে পাবেন।
২. আপনার ওয়েবসাইটে ভাইরাস বা ট্রোজান আপলোড করলে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রোমনের চেস্টাটিও সহজে ধরা পরতে পারে। অনেক ব্যবহারকারীই এন্টভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং আপনার সাইটথেকে যে আক্রমন হচ্ছে তা ডিটেক্ট করে তাদের ডাটাবেজে সংরক্ষণ করে। ফলে আপনার ওয়েবসাইটটি কালো তালিকায় যেতে পারে খুব সহজে।
৩. আপনার ওয়বসাইট থেকে ফিশিং করে থাকলে বা হ্যাকিং স্ক্রিপ্ট চালালেও আপনার আইপি সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের রিপোর্টের মাধ্যমে ব্লাক লিস্টেড হতে পারে।
ফিশিং এর উপরে ডিজে আরিফের বিস্তারিত লেখাটি পড়ে নিতে পারেন-
অনেকে ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করে থাকে আবার অনেকের ওয়েবসাইট অনিচ্ছাকৃত কালো তালিকাভূক্ত হয়ে যেতে পারে। অনেকে বিভিন্ন টেমপ্লেট, থিম এবং ওয়েব স্ক্রিপ্ট ফ্রিতে পেয়ে সারভারে আপলোড করে এবং এর ভিতরে সিকিউরিটি সমস্যা থাকতে পারে- যেমন ফিশিং স্ক্রিপ্ট থাকলে আপনার ওয়েবসাইট দিয়ে অন্যে ফিশিং করে যাবে। অথবা ইমেইল স্ক্রিপ্ট থাকলে অন্যে হয়তো ইমেইল মার্কেটিং করে যাবে মহা আনন্দে। কিন্তু আপনার ওয়েবসাইটটি নিজের অজান্তেই কালো তালিকায় চলে যাবে। এজন্য যে কোন জায়গা থেকেই স্ক্রিপ্ট এনে সারভারে আপলোড করা থেকে বিরত খাকা জরুরী এবং সাইটের সিকিউরিটি গ্যাপগুলো চেক করে নেওয়া জরুরী।

IDM Backup Manager না দেখলে পচতাইবেন

আপনার পিসির windows দেওয়ার আগে আই,ডি,এম এ যদি কোনও আন কম্পিলিট ফইল
থাকে . তাহলে  IDM Backup Manager আপনি  ব্যাকআপ  নিয়ে পুনরায়
রিউসমি ডাউনলোড় করতে পারবেন
ডাউনলোড়  করতে এখানে কিল্ক করুন


Windows 8 এর বুটেবল ISO ফাইল তৈরি করার টিউটোরিয়াল

আজকে আমরা দেখে নিব কিভাবে উইন্ডোজ ৮ এর আইএসও ফাইল তৈরি করবেন। আইএসও ফাইল আপনি ডিভিডি তে রাইট করতে পারবেন এবং এটি বুটেবল হবে যার ফলে নিজে তৈরি করা আইএসও ফাইল আপনি ডিভিডি তে রাইট করে সেটি দিয়ে উইন্ডোজ ৮ সেটআপ দিতে পারবেন খুব সহজে। তাহলে আসুন দেখি টিউটোরিয়ালটি।
win8
1. প্রথমে ESD-TO-ISO.zip ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন।
download
2. এবার সেভ করে extract করুন। 3. এবার Unblock করে নিন ESD-TO-ISO.EXE ফাইলটি এবং ESD-TO-ISO.EXE ফাইল টি ওপেন করুন রাইট ক্লিক করে Run as administrator দিয়ে।
4. এবার Yes দিন (Windows 7/8) অথবা Continue (Vista)
5. এবার GO
Name:  ESD-1.jpg<br />
Views: 6656<br />
Size:  18.3 KB
6. ক্লিক Yes
Name:  ESD-2.jpg<br />
Views: 6650<br />
Size:  12.6 KB
7. এটি একটি ISO ফাইল তৈরি করবে ।
Click image for larger version
8. যদি create (burn) a bootable DVD দেন তাহলে এটি বুটেবল হবে অন্যথায় কেন্সাল করে দিন।
Name:  ESD-4.jpg<br />
Views: 6622<br />
Size:  26.7 KB
9. কাজ শেষ আমাদের তৈরি হয়ে গেছে উইন্ডোজ ৮ এর বূটেবল আইএসও ফাইল। Windows 8 এর Upgrade ISO ফাইলটি আছে C: ড্রাইভে যেমনঃ C:\WIN8x64.iso Click image for larger version

নিরাপদ থাকুন ভাইরাস থেকে একটিভ করুন ফায়ারয়াল ইন উইন্ডোজ ৮

উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল একটি মহান নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ফিচার। ভাইরাস দূষিত সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটার থেকে রক্ষা করার জন্য এটি সাহায্য করে, এবং এটি আপনার পিসি এক্সেস অননুমোদিত হওয়া থেকে হ্যাকারদের বাধা দেয়। সুতরাং এটা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি ফিচার। বিশেষ পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে আপনার উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল চালু করা উচিত। শুধু নীচের সহজ ধাপ উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল অন করুন আপনার উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমে।
Step 1 - প্রথমে Search Box থেকে Control Panel ওপেন করুন। 

search box How to Enable Windows Firewall In Windows 8
Step 2 - এবার System And Security
system and security How to Enable Windows Firewall In Windows 8
Step 3 – ক্লিক করুন Windows Firewall এ
windows 8 firewall How to Enable Windows Firewall In Windows 8
Step 4 – এবার বাম পাশের মেনু থেকে Turn Windows Firewall On Or Off এ ক্লিক করুন।
turn-on-windows-firewall1
Step 5 - এবার Turn On Windows Firewall Private Network Settings অথবা Public Network settings থেকে বেছে নিন
turn-on-windows-8-firewall
Step 6 – এবার ক্লিক করুন Ok. এবং কাজ শেষ আপনি বের হয়ে আসুন।

কোন ধরণের কম্পিউটার হার্ডওয়্যার আছে জানা আছে? আসুন পরিচিত হই

একটি কম্পিউটারকে সাধারনত দুটি ভাগে ভাগ করা যায় যথা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার। হার্ডওয়্যার হল সেই সব অংশ যা দৃশ্যত এবং ছোঁয়া যায়, যার কাঠামো আছে। কম্পিউটার হার্ডওয়্যার হল কম্পিউটারের সেইসকল অংশ যেগুলো ছোঁয়া যায়, দেখা যায় যেমন মনিটর, মাউস, কেসিং, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের বিভিন্ন প্রকার যন্ত্রাশ দিয়ে একটি পারসোনাল কম্পিউটার তৈরি হয়। এরপর এতে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করা হয় এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটল করা হয়।
hardware

হার্ডওয়্যারের শ্রেণী করণ


শ্রেণী বিভাগ অনেক ভাবেই করা যায় যেমন মাদারবোর্ড যন্ত্রাংশ ধরে, সেন্ট্রাল প্রসেসিং অংশ ধরে, প্রক্রিয়াকরণের ধাপ ধরে অথবা প্রত্যেকটি যন্ত্রাংশকে আলাদা আলাদা করে বনর্ণা দেয়া যায়। এখানে প্রক্রিয়াকরণের ধাপ অনুসরণ করে শ্রেণীকরণ করা হলঃ
  • ইনপুট যন্ত্রাংশ – যেসকল যন্ত্রাংশ দ্বারা কম্পিউটারকে নির্দেশ প্রদান করা হয় তাকে ইনপুট বলে। যেমন মাউস দ্বারা কম্পিউটারকে নির্দেশ দেয়া হয়। তাই মাউস একটি ইনপুট যন্ত্র।
  • প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রাংশ – যেসকল যন্ত্রাংশ দ্বারা কম্পিউটার প্রদত্ত নির্দেশ প্রসেস বা প্রক্রিয়া করে তাকে প্রসেসিং যন্ত্রাংশ বলে। যেমন মাউস দ্বারা যে নির্দেশ দেয়া হয় তা মাউস পোর্টের মাধ্যমে মাদারবোর্ডে পৌছে, এবং প্রসেস হয়। তাই মাদারবোর্ড একটি প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র।
  • আউটপুট যন্ত্রাংশ – যেসকল যন্ত্রাংশ দ্বারা কম্পিউটারকে প্রদত্ত নির্দেশের ফলাফল দেখা যায় তাকে আউটপুট বলে। যেমন মাউস দ্বারা কোন নির্দেশ দিলে তার ফলাফল কি হল তা মনিটরে দেখা যায়। তাই মনিটর একটি আউটপুট যন্ত্র।
  • সংরক্ষন যন্ত্রাংশগুলি – যে সকল যন্ত্রাংশ দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত তথ্য বা ফলাফল সংরক্ষন করা হয় তাকে স্টোরেজ বা সংরক্ষন অংশ বা যন্ত্রাংশ বলে। যেমন সিডি রম। প্রক্রিয়াকৃত তথ্য সিডিরম দ্বারা খালি সিডিতে সংরক্ষন করা যায়

ইনপুট যন্ত্রাংশগুলো

সাধারণ নির্দেশ দেয়ার যন্ত্রগুলি

  • মাউস
  • অপটিক্যাল মাউস
  • ট্র্যাকবল
  • টাচস্ক্রীন
  • লাইট পেন
  • টাচপ্যাড

কিবোর্ড

  • ডিজাইনের ভিত্তিতে
    • কিউট্রি
    • এজাট্রি
    • ল্যাপটপ আকারের
    • থাম্ব আকারের
    • এরোগনমিক
    • ভাঁজ করা যায় এমন কিবোর্ড
  • সংযোগ এর ভিত্তিতে
    • পিএস/২
    • ইউএসবি
    • ব্লুটুথ
    • ইনফ্রারেড
    • রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
  • বিশেষ কিবোর্ড
    • ইন্টারনেট
    • মাল্টিমিডিয়া ও গেমস
    • ভার্চুয়াল

খেলার যন্ত্রাংশ

  • জয়স্টিক
  • গেম প্যাড
  • গেম কন্ট্রোলার

ছবি এবং চলচিত্র’র যন্ত্রাংশ

  • ডিজিটাল ক্যামেরা
  • ওয়েবক্যাম
  • স্ক্যানার
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার
  • বারকোড রিডার
  • থ্রীডি স্ক্যানার
  • লেজার রেন্জফাইন্ডার
  • আলট্রাসনোগ্রাফি

অডিও ইনপুট যন্ত্র

  • মাইক্রোফোন
  • মিডি কিবোর্ড

অন্যান্য যন্ত্রগুলি

  • ডিজিটাইজার পেন
  • ট্যাবলেট

প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রাংশগুলো

  • প্রসেসর
    • ইন্টেল প্রসেসর
      • পেন্টিয়াম ১
      • পেন্টিয়াম ২
      • পেন্টিয়াম ৩
      • পেন্টিয়াম ৪
      • পেন্টিয়াম ৪ ইক্সট্রিম
      • পেন্টিয়াম ডি
      • পেন্টিয়াম ইক্সট্রিম এডিশন
      • সেলেরন
      • পেন্টিয়াম ডুয়াল কোর (Dual Core)
      • কোর ডুয়ো
      • কোর ২ ডুয়ো
      • কোর ২ কোয়াড
      • কোর ২ ইক্সট্রিম
      • আই কোর
        • কোর আই ৩ (Core i3)
        • কোর আই ৫ (Core i5)
        • কোর আই ৭ (Core i7)
        • কোর আই ৯ (Core i9)
      • এটম (Atom)
      • সেনট্রিনো (Centrino)
      • সেনট্রিনো ২ (Centrino 2)
      • সেনট্রিনো ডুয়ো/সলো (Centrino Duo/Solo)
    • এএমডি (এডভান্স মাইক্রো প্রসেসর) প্রসেসর
      • ফেনম (Phenom)
        • ফেনম ২ এক্স৬ (Phenom II X6)
        • ফেনম ২ এক্স৪ (Phenom II X4)
        • ফেনম ২ এক্স৩ (Phenom II X3)
        • ফেনম ২ এক্স২ (Phenom II X2)
        • ফেনম ১ এক্স৩ (Phenom I X3)
        • ফেনম ১ এক্স৪ (Phenom I X4)
      • টারিয়ন (Turion)
        • টারিয়ন ২ আল্ট্রা (Turion II Ultra)
        • টারিয়ন ২ (Turion II)
      • এথলন (Athlon)
        • এথলন ২ এক্স২ (Athlon II X2)
        • এথলন নিও এক্স২ (Athlon Neo X2)
        • এথলন নিও (Athlon Neo)
      • সেমপ্রন (Sempron)
  • র‍্যাম (র‍্যানডম একসেস মেমোরি)
    • স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM)
    • ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)
    • ফার্স্ট পেজ মোড ডাইনামিক র‍্যাম (FPM DRAM)
    • ইক্সটেনডেড ডেটা-আউট ডাইনামিক র‍্যাম (EDO DRAM)
    • সিঙ্ক্রনাইস ডাইনামিক র‍্যাম (SDRAM)
    • ডাবল ডেটা রেট সিঙ্ক্রনাইস ডাইনামিক র‍্যাম (DDR SDRAM)
    • র‍্যামবাস ডাইনামিক র‍্যাম (RDRAM)
    • ক্রেডিট কার্ড মেমোরি (Credit Card Memory)
    • পিসিএমসিআইএ মেমোরি কার্ড (PCMCIA Memory Card)
    • সিএমওএস র‍্যাম (CMOS RAM)
    • ভির‍্যাম (VRAM)
    • এসজি র‍্যাম (SGRAM)[১৬][১৭]
  • রম (রিড ওনলি মেমোরি)
    • ইপিরম (EPROM)
    • ইইপিরম (EEPROM)
      • ইএরম
      • ফ্ল্যাসরম
  • ভিডিও কার্ড
    • পিসিআই ইক্সপ্রেস (PCI Express)
    • এজিপি (AGP)
    • পিসিআই (PCI)
  • নেটওয়ার্ক যন্ত্রাংশ
    • মডেম
    • নেটওয়ার্ক কার্ড

আউটপুট যন্ত্রাংশগুলো

  • প্রিন্টার
    • লাইন প্রিন্টার(Line Printer)
    • ডেইজি হুইল (Daisy Wheel)
    • ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার (Dot Matrix Printers)
    • ইন্কজেট প্রিন্টার (Inkjet Printers)
    • লেজার প্রিন্টার (Laser Printers)
    • স্ন্যাপশট প্রিন্টার (Snapshot Printer)
    • থার্মাল ওয়েক্স (Thermal Wax Printer)
  • স্পিকার
    • হেডফোন
  • মনিটর
    • এলসিডি (Liquid Crystal Display)
    • সিআরটি (Cathode Ray Tube)
    • টিটিএল (TTL monitor)
    • এইচডি
    • প্লাজমা (Plasma)
    • টাচস্ক্রিন
    • এলইডি (light-emitting diode)
    • ওএলইডি (Organic Light-Emitting Diode)
  • প্রোজেক্টর
  • সংরক্ষন উপযোগী সিডি/ ডিভিডি
  • আই/ও স্ট্রাকচার
    • এক্সপানশন বাস কার্ড এবং স্লট
    • পোর্ট
      • সিরিয়াল
      • প্যারালাল
      • এসসিএসআই
      • মিডি

স্টোরেজ যন্ত্রাংশগুলো

  • প্রাথমিক মেমোরি
    • রম
  • সহায়ক মেমোরি
    • অপটিকাল/ সিডি/ ডিভিডি/ বিডি রম
      • সিডি/ ডিভিডি
      • রিরাইটেবল সিডি/ ডিভিডি
      • ব্লু-রে
      • রাইটেবল ব্লু-রে
      • এইচডি ডিভিডি
    • ফ্লপি ডিস্ক
    • ইউএসবি ফ্লাস ড্রাইভ
      • পেন ড্রাইভ
      • এক্সটারনাল হার্ডড্রাইভ
    • টেপ ড্রাইভ
    • হার্ড ডিস্ক
    • র‍্যাম
    • সিমোস
    • পেপার টেপ
    • ম্যাগনেটিক টেপ
    • পাঞ্চ কার্ড
ব্লুটুথ (Bluetooth) ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রোটোকল। এটি ১-১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। ব্লুটুথ-এর কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ব্লুটুথ ২.৪৫ গিগাহার্টজ-এ কাজ করে। ৯০০ খ্রীস্টাব্দের পরবর্তী সময়ের ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে। ব্লুটুথ ১.০-এর তথ্য আদান-প্রদান-এর সর্বোচ্চ গতি ছিল সেকেন্ডে ১ মেগাবিট। বর্তমানে ব্লুটুথ ২.০-এর সর্বোচ্চ গতি হল সেকেন্ডে ৩ মেগাবিট।
bluetooth_services_big
ব্লুটুথ প্রোটোকল বাস্তবায়নকারী যন্ত্রাংশ বা ডিভাইসগুলি দ্বিমুখী সংযোগ স্থাপন করে কাজ করে। বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। এই প্রযুক্তিতে খুব কম বিদ্যুৎ খরচ হয়। এটি ক্ষুদ্র পাল্লার বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।

কিভাবে কাজ করে


ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে কম ক্ষমতা বিশিষ্ট বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে তথ্য পাঠানো হয়। এই যোগাযোগ ব্যাবস্থায় ২.৪৫ গিগাহার্ট্‌জ (প্রকৃতপক্ষে ২.৪০২ থেকে ২.৪৮০ গিগাহার্ট্‌জ-এর মধ্যে)-এর কম্পাংক ব্যাবহৃত হয়। শিল্প, বিজ্ঞান এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাবহৃত যন্ত্রের জন্য উপরিউক্ত কম্পাংকের সীমাটি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল যে ব্লুটুথ অন্যান্য তরঙ্গ নির্ভর যন্ত্রের কার্যক্রমে বাধার সৃষ্টি করে কিনা? উত্তর হল “না”। কারণ ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা থাকে মাত্র ১ মিলিওয়াট, যেখানে সেল ফোন ৩ ওয়াট পর্যন্ত সিগন্যাল প্রেরণ করে। অর্থাৎ ব্লুটুথের নিম্ন ক্ষমতার সিগন্যাল উচ্চ ক্ষমতার সিগন্যালে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে না।
ব্লুটুথ একসাথে ৮টি যন্ত্রের মধ্যে যোগাযোগ সাধন করতে পারে।তবে প্রত্যেকটি যন্ত্রকে ১০ মিটার ব্যাসার্ধের একই বৃত্তের মধ্যে অবস্থিত হতে হয়, কারণ ব্লুটুথ প্রযুক্তি চারিদিকে সর্বোচ্চ ১০ মিটার পর্যন্ত ক্রিয়াশীল থাকে।এখন প্রশ্ন যে, A যন্ত্রের সাথে B যন্ত্রের যোগাযোগের সময় কাছাকাছি অবস্থিত অপর দুটি যন্ত্র C ও D-এর মধ্যের ব্লুটুথ যোগাযোগ ব্যাবস্থা বাধাগ্রস্থ হয় কিনা?(কেননা দুই যন্ত্রযুগলই একই কম্পাঙ্কের ব্লুটুথ প্রযুক্তি ব্যাবহার করছে)উত্তর হল “না”। কারণ এই সমস্যা সমাধানের জন্য ব্লুটুথ একটি পদ্ধতি ব্যাবহার করে যা কিনা “spread-spectrum frequency hopping” নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে একই সময়ে একাধিক যন্ত্রযুগল একই কম্পাঙ্ক ব্যাবহার করে না।ফলে একে অপরের যোগাযোগ ব্যাবস্থাতে বাধার সৃষ্টি করে না। এ পদ্ধতিতে কোন একটা যন্ত্র নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে অবস্থিত কম্পাঙ্ক হতে ৭৯ টি পৃথক পৃথক কম্পাঙ্ক এলোমেলোভাবে গ্রহণ করে ও একের পর এক পরিবর্তন করে। ব্লুটুথের ক্ষেত্রে, ট্রান্সমিটার প্রতি সেকেন্ডে ১৬০০ বার কম্পাঙ্ক পরিবর্তন করে।ফলে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন যন্ত্রযুগলের মধ্যে একই সময়ে একই কম্পাঙ্ক-এর তথ্য প্রেরণ অসম্ভব বললেই চলে।
Bluetooth Profile
Class সর্বোচ্চ অনুমোদিত হ্মমতা সীমা
(আনুমানিক)
মিলিওয়াট (mW) ডেসিবেল (dBm)
প্রথম শ্রেণী ১০০ mW ২০ dBm ~১০০ মিটার
দ্বিতীয় শ্রেণী ২.৫ mW ৪ dBm ~১০ মিটার
তৃতীয় শ্রেণী ১ mW ০ dBm ~১ মিটার
বেশির ভাগ হ্মেত্রে দ্বিতীয় শ্রেণীর ডিভাইসের কার্যকরী সীমা সর্বাপেক্ষা ঘটনেতে প্রসারিত করা হয় যদি তারা প্রথম শ্রেণীর transceiver তে সংযোগ করে, একটি নিখাদ দ্বিতীয় শ্রেণীর নেটওয়ার্কে তুলনা করেছে। এইটি উচ্চতর সুবেদিতার দ্বারা সম্পন্ন করা হয় এবং প্রথম শ্রেণীর ডিভাইসের প্রেরণ অধিকারী।

সংষ্করণ তথ্য হার
সংষ্করণ ১.২ ১ Mbit/s
সংষ্করণ ২.০ + EDR ৩ Mbit/s
তথ্য সংগ্রহঃ ওয়িকিপেডিয়া এবং গুগল

নিজস্ব কক্ষপথেই উড়তে যাচ্ছে ‘বঙ্গবন্ধু-১

Dhakatimes24 satelliteদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ নিজস্ব কক্ষপথেই উড়তে যাচ্ছে । বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহের জন্য অরবিটাল স্লট (কক্ষপথে উপযুক্ত স্থান) পেতে রাশিয়ার সহযোগিতায় মিলেছে সম্মতি। অরবিটাল স্লট ভাড়া পেতে রাশিয়াভিত্তিক মহাকাশ যোগাযোগবিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারস্পুটনিকের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার প্রস্তুতি চলছে। চলতি বছরের জুলাই নাগাদ শুরু হতে পারে ‘বঙ্গবন্ধু-১’ স্যাটেলাইট প্রকল্প।
জানা গেছে, ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রফর্মা) চূড়ান্ত করার পর তা একনেকে পাঠানো হবে।
সূত্রমতে, ইন্টারস্পুটনিকের সঙ্গে আপাতত দুই মাসের জন্য ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একটি ননবাইন্ডিং চুক্তি হতে যাচ্ছে। এটা না হলে বিকল্প অরবিটাল স্লটটিও হাতছাড়া হতে পারে। প্রাথমিক এ চুক্তির পর পূর্ণাঙ্গ চুক্তি করা হবে।
এর আগে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) থেকে নিজস্ব কক্ষপথে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে রাশিয়ার কাছে আবেদন করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে এ-সংক্রান্ত প্রকল্পে প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা পেতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
এ বিষয়ে এডিবি’র কাছ থেকেও কিছুটা নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু বকর সিদ্দিক। তবে এ-সংক্রান্ত মূল প্রকল্প শুরু হতে এখনো ছয় মাস লাগতে পারে বলে তিনি জানান।
প্রসঙ্গত, তিন বছরের মধ্যে মহাকাশে দেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু-১’ উৎক্ষেপণের লক্ষে গত ২৯ মার্চ বিটিআরসি এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনালের (এসপিআই) মধ্যে চুক্তি সই হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য বাজার পর্যবেক্ষণ, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, আইটিইউয়ের সঙ্গে তরঙ্গ সমন্বয়, স্যাটেলাইট সার্ভিস ডিজাইন, স্যাটেলাইট আর্কিটেকচারাল ডিজাইন, সিস্টেম ডিজাইন, দরপতত্র প্রস্তুত, ম্যানুফ্যাকচারিং ও সুষ্ঠুভাবে উৎক্ষেপণ পর্যবেক্ষণ এবং জনবল তৈরিতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেবে।
চুক্তি সই করে এসপিআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রুস ক্রাসলসকি বলেছিলেন, যোগাযোগ উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করার পর বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫০ মিলিয়ন $ আয় করতে পারবে।
আর বিটিআরসি’র হিসাবে, প্রতিটি টিভি চ্যানেল স্যাটেলাইটের ভাড়া বাবদ বছরে প্রায় দুই লাখ $ দিয়ে থাকে। বর্তমানে ১৯টি টিভি চ্যানেল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান প্রায় ৪০ লাখ $ বিদেশী স্যাটেলাইট ভাড়া দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করলে ভাড়া বাবদ খরচ হওয়া এই অর্থ সাশ্রয় হবে।

এক নিমিশেই মুছে ফেলুন অজানা সব FaceBook এর Adult/Dirty পোষ্ট

facewash
ইন্টারনেট ব্যবহার করি অথচ FACEBOOK.COM চিনিনা এর সংখ্যা যেমন কম নয়, ঠিক তেমনি এখানে ADULT/DIRTY ছবি/পোষ্ট TAG/UPLOAD এর সংখ্যাও নেহাত কম নয় । আপনি চান বা না চান কিন্তু আপনার অজান্তে আপনাকে হয়ত TAG করা হয়েছে যা আপনি নিজে বা আপনার পরিচত কেউ দেখুক সেটা আপনি অবশ্যই চাননা । কিন্তু যেটা আপনার অজান্তে হয়েছে সেটা অবশ্যই আপনাকে আপনার পরিচতদের কাছে আপত্তিকর ।
আর তাই আমি আপনার কাছে এমন এক যাদু উপস্থাপন করব যা আপনার জান্তে অজান্তে যত কিছু থাক সব আপনা আপনি মুছে যাবে । তো আসুন দেখি কি করে করব এই যাদু ।
১/ Go This Link- facewa.Sh
২/ Like This Apps + Allow Post Ur Wall & Scan Ur Facebook