বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

যে কোন ফাইল লক করুন, সফটওয়ার ছাড়া


আমারা আমাদের অনেক পারসোনাল file বিভিন্ন সফটওয়ারের মাধ্যমে লক করে রাখি। কিন্তু যদি কোন রকমের সফটওয়্রার ছাড়া যদি ফাইল লক করা যায় তাহলে কেমন হয়? চলুন দেখি কিভাবে আপনি আপনার ফাইল সফটওয়ার ছাড়া লক করে রাখবেন?
প্রথমে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন, নিউ থেকে একটি কমপ্রেসিভ জিভ ফোল্ডার তৈরি করুন। এবার আপনি যে ফাইল গুলো লক করবেন সেগুলো কাট অথবা কপি করে জিভ ফোল্ডারে পেস্ট করুন। জিভ ফোল্ডারটি ওপেন করুন, মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে এড পাসওয়ার্ড-এ ক্লিক করুন। তারপর আপনার পাসওয়ার্ড দিয়ে ওক করুন। ব্যাস আপনার কাজ হয়ে গেছে। এখন ঐ জিভ ফোল্ডারে রাখা ফাইল গুলো খুলতে গেলেই পাসওয়ার্ড লাগবে।

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

আপনার কম্পিউটার অটো shutdown হবে, time ফিক্সড করে দিয়ে আরামছে ঘুমিয়ে পড়ুন।

স্টার্ট মেনু থেকে run অপশন ওপেন করুন, তারপর নিচের লিখাগুলো কপি করে পেস্ট করুন...........
shutdown.exe -s -t120
লক্ষ করুন এখানে সময়টা নির্ধারণ করা হয়েছে সেকেন্ড হিসেবে, মানে আপনি সময় যাই ফিক্সড করেন ওটা করতে হবে সেকেন্ড হিসেবে। এখানে t এর পরে যা দেখতেছেন তাহাই হল সময়,
আমি আমার কম্পিউটার ২ মিনিট পরে বন্ধ করতে চাচ্ছি তাই আমি ১২০ সেকেন্ড দিলাম।
ব্যাস আপনার কাজ শেষ, এবার আরামছে ঘুমিয়ে পড়ুন।

!! কম্পিউটার ম্যাজিক ট্রিক্স না দেখলে মিস করবেন !!

আপনার PC থাকলে এই মজার ট্রিক্স গুলো করে দেখুন! :lol:
ম্যাজিক নং ১
==> চেষ্টা করে দেখুন তো আপনার কম্পিউটারে “CON” নামে কোনো ফোল্ডার বানাতে পারেন কিনা! :P
==> এই শব্ধ গুলো দিয়েও চেষ্টা করুন :
AUX, PRN, CLOCK$, COM, LPT1, LPT2, LPT3, COM2, COM3, COM4, nul *lol*
ম্যাজিক নং ২   
i) নোট প্যাড খুলুন
ii) টাইপ করুন
Bush hid the facts
iii) সেভ করুন
iv) Close করুন এবং পুনরায় ওপেন করে দেখুন!
ম্যাজিক নং ৩
i)মাইক্রোসফট ওয়ার্ড খুলুন
ii) এটি লিখুন :
=rand (200, 99)
iii) এন্টার চাপুন!

আসুন দেখি আপনার কম্পিউটার ছেলে নাকি মেয়ে

এটি একটি মজাদার ট্রিক।  আর মাধ্যমে আওনি জানতে পারবেন আপনার কম্পিউটার পুরুষ নাকি মহিলা।
মোটামুটি সব উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে এটি  কাজ করে। তাই শুরু করা যাক ।
১. নোটপ্যাড খুলুন  এবং নিম্নলিখিত কোড পেস্ট করুন
 CreateObject("SAPI.SpVoice").Speak"i love you"
২. ফাইলটি “gender.vbs”  নামে সেভ  করুন ।
৩.  এখন, ফাইলটি ওপেন করুন
৪. আপনি পুরুষ ভয়েস শুনতে পান, তাহলে আপনার কম্পিউটারে পুরুষ এবং আপনি মহিলা ভয়েস শুনতে পান তাহলে আপনার কম্পিউটার মহিলা ।
আমার কম্পিউটার হইল women।

বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

Bookmark Backup of Your Browser

Bookmarks Backup ডাউনলোড:

সমস্যা হলে ভিডিও টিউটোরিয়েল দেয়া আছে : # এখানে #

আপনার শত্রুর পিসির ইউজার পাসওয়ার্ড পাল্টে দিন তার পূর্বের পাসওয়ার্ড না জানা সত্ত্বেও। ( গোপন টিপস )

প্রথমে আপনি my computer এর উপর মাউজের রাইট বাটন ক্লিক করেmanage এ ক্লিক করুন,manage ক্লিক করার পরে নিচের মত দেখবেন.................................

এবার আপনি local users and groups এ ক্লিক করুন, নিচের মত দেখবেন...........................

এবার আপনি users এ ক্লিক করুন, নিচের মত দেখবেন........................

এবার আপনি ইউজার নেমের ( আমার ইউজার নেম fokhrul ) উপর রাইট ক্লিক করে set password.. এ ক্লিক করুন, নিচের মত দেখবেন......

এবার আপনি proceed এ ক্লিক করুন, নিচের মত দেখবেন...........................

এবার আপনি new password এবং confirm password এ নিজের পছন্দ মত একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে ok করুন, ব্যাস কাজ শেষ।
এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করে দেখুন পাসওয়ার্ড চেঞ্জ হয়ে গেছে।

এখনি নিয়ে নিন বাংলাদেশের একটি ডিজিটাল মানচিত্র তাও আবার পোর্টেবল। (মাত্র ৯ মেগাবাইট)

Click Here & install it,,its really awesome to see

শনিবার, ২৫ মে, ২০১৩

কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম(VIRUS,WORM) এর ইতিবিত্ত ।

কম্পিউটার ব্যবহার করি কিন্তু ক্ষতিকর প্রোগ্রাম VIRUS,WORM এর নাম জানি না বা VIRUS,WERM এর যন্ত্রণা ভোগ করি নাই এমন মানুষ কম আছে। আবার কিছু কিছু মানুষ আছে যারা VIRUS এর নাম শুনলে এতো ভয় পায় যে কম্পিউটারকে গান শুনা,ছবি দেখা, ও ছোট-খাটো কাজ ব্যতীত অন্য কাজই করে না। কিন্তু বেশীর ভাগ মানুষই এই VIRUS সম্পর্কে তেমন কিছু জানে না। আসা করি এই লেখাটি পড়লে VRIUS সম্পর্কে অনেক ধারনা পাবেন। VIRUS এর Full Meaning হলো- Vital Information Resources Under Seize . Dr. Cohen (Professor of University of Southern California) Says “A program that can ‘infect’ other programs by modifying them to include a version of itself”. VIRUS অন্যান্য Software এর মতই কিছু কোড এর সমন্বয়ে তৈরি হয়ে থাকে। কিন্তু এই কোড গুলো  কম্পিউটার ব্যবহারকারির ক্ষতি সাধন করে। বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি সাধন এর মধ্যে রয়েছে – কম্পিউটার গতি ধীর করা, File মুছে ফেলা, তথ্য চুরি করা, কম্পিউটার Restart করা আরও অনেক কিছু। VIRUS এর ইতিহাস এক এক জায়গায় এক এক রকম। তার মধ্য থেকে সব চেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করছি যদি কোন ভুল থাকে জানাবেন সংশোধন করে নিবো। সর্বপ্রথম VIRUS এর ধারনা করে John von Neumann ১৯৪৯ সালে। তার “Theory and Organization of Complicated Automata” তে বলেন – একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম হতে পারে যার আত্ম-প্রতিলিপি নির্মাণ এর ক্ষমতা থাকবে। মানে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যে নিজে নিজে কাজ করতে পারবে। আমরা অনেকেই ভাইরাসকে (VIRUS) কম্পিউটার ওয়ার্ম(WORM) ও ট্রোজান হর্স(TROJAN HORSE) এর সাথে মিলিয়ে ফেলি। আসলে ভাইরাস (VIRUS) ও কম্পিউটার ওয়ার্ম(WORM) ও ট্রোজান হর্স(TROJAN HORSE) সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। ভাইরাস আক্রমণের ক্ষেত্রে Host Application বা বাহকের প্রয়োজন পড়ে যেমন Boot-Sector Virus ও Macro Virus কিন্তু ওয়ার্মের (WORM) ক্ষেত্রে তেমনটি নয়। ওয়ার্ম(WORM)  খুব সহজেই নিজেদের একাধিক কপি তৈরি করতে পারে (reproduce) ও বিস্তারের ক্ষেত্রে দুটি কম্পিউটারের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বাহন হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। এর ট্রোজান হর্স(TROJAN HORSE)  হল একটি ফাইল যা এক্সিকিউটেড বা Open হবার আগ পর্যন্ত কোন ক্ষতি করে না।তবে Open করলেই শুরু করে দিবে তার কাজ।

 কম্পিউটারের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য কিছু VIRUS ও WORM এর কথা-


  • পৃথিবীর সর্বপ্রথম VIRUS আবিস্কার হয় ১৯৮১ সালে যাকে বলা হয় “in the wild” এটা সর্বপ্রথম Apple II তে floppy disk মাধ্যমে ছড়ায় Elk Cloner নামে। তবে এটা কোন ক্ষতি করতো না শুধু মাত্র ছোট্ট একটা কবিতা Display করতো মনিটরে। কবিতাটা ছিল-
1It will get on all your disks
2 
3It will infiltrate your chips
4 
5Yes it’s Cloner!
6 
7It will stick to you like glue
8 
9It will modify ram too
10 
11Send in the Cloner!
  • ১৯৮৬ সালে তৈরি হয় প্রথম Documented file VIRUS। যা MS-DOS অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত কম্পিউটারে আক্রমন করে। সেই বছরই প্রথম Trojan horse VIRUS মুক্তি পায় তখনকার জনপ্রিয় PC Write নামক shareware প্রোগ্রামে।
  • ১৯৮৭ সালের নভেম্বরে Lehigh University,U.S.A  তে আবিস্কার হয় Lehigh নামক VIRUS । এটাই হল প্রথম VIRUS যা কম্পিউটারের মেমরিতে কাজ সম্পাদান করতো। এটা তখনই কজ করতে পারত যখন এই VIRUS File টা Open করা হতো। এই Lehigh VIRUS টি “COMMAND.COM” নামে একটি File এর মাধ্যমে আক্রমন করতো।
  • ১৯৯২ সালে সম্পূর্ণ পৃথিবীতে সর্বপ্রথম সব চেয়ে বড় আঘাত আনে Michelangelo নামক VIRUS।এটা তুলনামূলক কম ক্ষতিকর ছিল।
  • ১৯৯৬ সালে সম্পূর্ণ পৃথিবীতে প্রথম Macro Virus ছড়িয়ে পড়ে। যা মূলত অপারেটিং সিস্টেম Windows 95 এর ক্ষতি করতো। পরবর্তীতে অবশ্য Linux অপারেটিং সিস্টেমেও ক্ষতি করতো।
  • ১৯৯৯ সালে Melissa নামক VIRUS এর উৎপত্তি ঘটে। এটা Macro Virus এবং WORM এর সমন্বয় ছিল।এটা Microsoft Outlook and Outlook Express এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর  E-mail প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তো। তখন এই Melissa নামক VIRUS বিশ্ব অনেক গুলো Company ও সাধারন ব্যবহারকারীর ক্ষতি করে।
  • ২০০০ সালে LoveLetter WORM এর উৎপত্তি ঘটে। যা “Love Bug” নামেও পরিচিত। এটা E-mail এর মাধ্যমে ছড়াত। ব্যবহারকারি যখন ঐ E-mail টি Open করার সাথে সাথে ঐ ব্যবহারকারীর তো ক্ষতি হতই সাথে সাথে তার Address Book এ যত E-mail ID থাকতো সেগুলতেও ছড়িয়ে পড়তো। তখন এই Love Bug প্রায় ১০ হাজার Corporate e-mail Systems বন্ধ করে দেয়।
  • ২০০৩ সালের জানুয়ারীতে “Slammer” নামক WORM প্রায় ১০০০০০০ টি  কম্পিউটার আক্রমন করে মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে। এতে ব্যবসায়ী ও Airlines  Company গুলোর বেশী ক্ষতি হয়।
  • ২০০৭ সালে “Storm WORM “  নামক WORM এর উৎপত্তি ঘটে। এটা E-mail এর মাধ্যমে ছড়াত। একটি E-mail আসতো, সেখানে একটি News থাকতো আর Film Download করার কথা জিজ্ঞাসা করতো। এই WORM টি ১৩ দিনের মধ্যে প্রায় ১.৩ মিলিয়ন কম্পিউটারের ক্ষতি করে।
  • ২০০৯ সালে “Conficker” নামক WORM ইন্টারনেট এর মাধ্যমে প্রায় ৯ মিলিয়ন Windows অপারেটিং সিস্টেমে চালিত কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে।

পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু উক্তি ।

পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু উক্তি যা আমাদের জীবনে প্রয়োগ করলে হয়তো আমাদের জীবন অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে।
  • যে যে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে সে সেই বিষয়ে শিক্ষিত, কাজেই সবাই শিক্ষিত – নেপোলিয়ান
  • যে দৃষ্টির সঙ্গে মনের যোগাযোগ নেই সে তো দেখা নয়, তাকানো – যাযাবর
  • সেই যথার্থ মানুষ যে জীবনের পরিবর্তন দেখেছে এবং পরিবর্তনের সাথে নিজেও পরিবর্তিত হয়েছে – বায়রন
  • অন্যকে বারবার ক্ষমা কর কিন্তু নিজেকে কখনোই ক্ষমা করিও না – সাইরাস
  • কান্নায় অনন্ত সুখ আছে তাইতো কাঁদতে এত ভালোবাসি – স্বামী বিবেকানান্দ
  • জ্ঞানের ন্যায় পবিত্র বস্তু জগতে আর কিছুই নেই – পবিত্র গীতা
  • যৌবন যার সৎ, সুন্দর ও কর্মময় তার বৃদ্ধ বয়সকে স্বর্ণযুগ বলা হয় – জর্জ গ্রসভিল
  • আমি চলে গেলে যদি কেউ না কাঁদে  তবে আমার অস্তিত্বের  কোন মূল্য নেই – সুইফট
  • বন্ধুর সাথে এমন ব্যাবহার কর যেন বিচারকের শরণাপন্ন হতে না হয় – প্লেটো
  • অসৎ ব্যক্তি সৎ ব্যক্তির কাজের মধ্যে কোন মহৎ উদ্দেশ্য খুঁজে পায় না – জন বেকার
  • সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ – হযরত আলী (রাঃ)
  • আগুন দিয়ে যেমন লোহা চেনা যায় তেমনি মেধা দিয়ে মানুষ চেনা যায় – জন এ শেড
  • সময় বেশি লাগিলেও ধৈর্য সহকারে কাজ কর, তাহলেই প্রতিষ্ঠা পাবে – ডব্লিউ এস ল্যান্ডের
  • একজন অলস মানুষ স্বভাবতই খারাপ মানুষ – এস টি কোলরিজ
  • সাহস নিয়ে বেঁচে থাকো না হয় মরে যাও – মেরিডিথ
  • সৎ লোক সাতবার বিপদে পড়লে আবার উঠে কিন্তু অসৎ লোক বিপদে পড়লে একবারে নৃপাত হয় – হযরত সুলায়মান
  • যদি তুমি কখনো অপমানিত বোধ কর তবে অপরকে সেটা বুঝতে দেবে না – জন বেকার
  • যে মন খুলে হাসতে পারে না সেই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসুখী – জন লিলি
  • ভালোবাসার জন্য যার পতন হয় সে বিধিতার কাছে আকাশের তারার মত উজ্জ্বল – জনসন
  • চিন্তা কর বেশী, বল কম, লেখো তার চেয়েও কম – জনরে
  • পরিপূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে কুড়ের থাকাও ভালো, অতৃপ্তি নিয়ে বিরাট অট্টালিকায় থাকার কোন সার্থকতা নেই – উলিয়ামস হেডস
  • প্রেমের আনন্দ থাকে স্বল্পক্ষণ কিন্তু বেদনা থাকে সারাটি জীবন – রবী ঠাকুর
  • সেই সত্যিকারের মানুষ যে অন্যের দোষত্রুতি নিজেকে দিয়ে বিবেচনা করতে পারে – লর্ড হ্যলি ফক্স
  • সবার সাথে যে তাল মিলিয়ে কথা বলে সে ব্যক্তিত্বহীন – মার্ক টোয়াইন
  • পুরুষের লক্ষ্য রাখা উচিত যত দিন বেশী তারা অবিবাহিত জীবনযাত্রা করতে পারে – জর্জ বানাডস
  • যে সহজ সরল জীবনযাপন করে সুখ তার জন্য অত্যন্ত সুলভ্য – আলেক জান্ডার
  • বন্ধু হচ্ছে দুটি হৃদয়ের একটি অভিন্ন মন – সক্রেটিস
  • যে সব দৃশ আমরা খুব মন লাগিয়ে দেখতে চাই সে সব দৃশ্য কখনো ভালভাবে দেখতে পারি না সেই সব দৃশ্য অতি দ্রুত চোখের সামনে দিয়ে চলে যায় – রবার্ট ফ্রস্ট
  • ভাগ্য বলে কিছুই নেই, প্রত্যেকের চেষ্টা ও যত্নের উপর তা গড়ে উঠে – স্কট
  • বিদ্ধানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে পবিত্র – আল হাদিস

ভালোবাসার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা ।

ভালোবাসা সকল মানুষের কাছেই এক বিশাল আলোচিত বিষয়। কিন্তু কি এই ভালোবাসা ? তা কি আমরা একবারও গভীর মনে চিন্তা করে দেখিছি ? সম্ভবত ৯৮% মানুষ অজ্ঞ ভালোবাসা সংজ্ঞা নিয়ে।প্রেম ও ভালোবাসার অধ্যায় গুলো নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন পৃথিবীর নশ্বর বিজ্ঞানী ও মনোবিদরা। কিন্তু এ বিষয় সম্পর্কে শেষ কথাটি বলতে পারেনি আজও কেউ। তবে তাদের গবেষণা মতে, প্রেমে পড়লে মস্তিষ্ক থেকে বিপুল পরিমাণ নিঃসৃত হতে থাকে ফিনাইল ইথাইল অ্যামিন (Phenyl ethylamine) ও অ্যামফিটামিন (Amphetamine)জাতীয় রাসায়নিক।
যা স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে সমস্ত কোষে। যার ফলে ইউফোরিয়া (Euphoria) উৎপন্ন হয়। এ জন্যই প্রেমে পড়লে অকারণে প্রচণ্ড আনন্দ আর উত্তেজনা দেখা দেয়। তখন কাঠ ফাটা রৌদ্রের দুপুর বেলাও তার কাছে মনে হবে শরতের নির্জন দুপুর বেলা, ঘন অন্ধকার আমাবস্যায়ও মনে হবে আকাশে চাঁদ খেলা করছে যদি ভালোবাসার মানুষটি কাছে থাকে। এককথায় বলতে, মাদকীয় অনুভূতি অনুভূত হয় তার শরীরে। এই রাসায়নিক প্রক্রিয়াটা প্রথমে অনেক বেড়ে যায়। তার পর আস্তে আস্তে কমতে থাকে। এই রাসায়নিক প্রক্রিয়া কমে যাওয়া মানে প্রেমানুভূতির তীব্রতা কমে যাওয়া। যত দিন যাবে ধীরে ধীরে দুটিই কমতে থাকে। তাই ৯৮% প্রেমে প্রথমে ভালোবাসা অনেক বেশী থাকে তারপর যত দিন যায় তত ভালোবাসা কমে যায়। অধিকাংশের ক্ষেত্রে একবারেই শেষ হয়ে যায়।