মঙ্গলবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

আসুন জানি ওয়ার্ডপ্রেস ও এটির কোম্পানি সম্পর্কে

বর্তমানে অনেকগুলো কনটেন্ট মেনেজমেন্ট সিস্টেমের মাঝে বহুল জনপ্রিয় হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস। এটি দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে অনেক কম সময় লাগে, কোনো কোডিং এর প্রয়োজন হয় না আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো এটি ফ্রী ও পরিচালনার জন্য কোডিং এর প্রয়োজন হয় না। এটির বিশাল সংগ্রহ জনপ্রিয়তার আর একটি অন্যতম কারণ। ওয়ার্ডপ্রেসের জনক হলেন MATT MULLENWEG তার তৈরি করা কোম্পানি Automattic বর্তমানে এই কোম্পানির দ্বারা ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।
Automattic কোম্পানিটি যে শুধু ওয়ার্ডপ্রেস তৈরি করে বসে আছে তা কিন্তু নয়। আমাদেরকে তারা আরো নতুন কিছু প্লাটফর্ম, প্লাগিন উপহার দিয়েছে যার বেশির ভাগই ফ্রী। উদাহরণস্বরূপ:
Jetpack: এটি হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেসের তাদের তৈরি করা প্লাগিন সমষ্টি। প্লাগিন সমষ্টি বলার কারণ হলো এতে অনেকগুলো প্লাগিন একত্রে একটি প্লাগিন তৈরি করা হয়েছে।
VaultPress: এটি ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যাকআপের জন্য একটি প্লাগিন।
Akismet: ওয়ার্ডপ্রেস স্প্যাম মুক্ত রাখতে এটি অদ্বিতীয়।
Polldaddy: এটি সার্ভে অথবা প্রশ্নোত্তর তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
VideoPress: নাম শুনেই বুঝতে পারছেন ইউটিউবের মত এটি ভিডিও আপলোড করার একটি সাইট।
Gravatar: আপনি যদি এই সাইটটিতে একটি একাউন্ট তৈরি করেন ও আপনার প্রোফাইলটি সম্পূর্ণ করেন (যেমন ছবি, আপনার ওয়েবসাইট, আপনার সোশ্যাল একাউন্ট যুক্ত করা, আপনার সম্পর্কে কিছু কথা, ইত্যাদি), তাহলে যে ইমেইল দিয়ে একাউন্টটি তৈরি করেছেন ঐ ইমেইল তাদের কোম্পানির তৈরি করা প্রতিটি সাইটে ব্যবহার করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার তথ্যগুলো যুক্ত হয়ে যাবে।
IntenseDebate: বিভিন্ন ব্লগ সাইটগুলোতে কমেন্ট করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।
After the Deadline: এটি ওয়েবসাইট কন্টেন্টের বানান ও ব্যাকরণ পরীক্ষা করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
Plinky: এটি প্রশ্নোত্তর দেওয়ার একটি সাইট।
Code Poet: এটি একটি ব্লগ সাইট।
WordPress VIP: এটি একটি হোস্টিং সাইট।
BuddyPress: আমরা জানি ব্লগ সাইট তৈরি করার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ছাড়া আর কোনো সহজ উপায় নেই। কিন্তু আপনি যদি ফেসবুকের মতো একটি সাইট তৈরি করতে চান? এটির সমাধান হচ্ছে এই প্লাগিন। এটিকে প্লাগিন বলবো নাকি আর একটি ওয়ার্ডপ্রেস বলবো বুঝতে পারছি না।
bbPress: ওয়ার্ডপ্রেসে যদি ফোরাম যুক্ত করতে চাই তবে এই প্লাগিনটি ব্যবহার করতে পারি।
GlotPress: এটি একটি ব্লগ সাইট। কিন্তু অনেকটা ফোরামের মতো।
P2 Theme: এটি একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার আর একটি সিস্টেম। কিন্তু অনেকটা ফোরামের মতো।
Ping-o-Matic: সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটিকে দ্রুত পাইয়ে দেওয়ার জন্য আমরা পিং করি। এই কাজটি করার জন্যই এই সাইটটি।
WP for iOS: আইফোন অপারেটিং এর জন্য এই সাইটটি।
WP for Android: এনড্রয়েডের জন্য এই সাইটটি।
WP for BlackBerry: ব্লাকবেরীর জন্য এই সাইটটি।
WP for Windows Phone: উইন্ডোজ ফোনের জন্য এই সাইটটি।
Word Camp SF: এটি একটি ব্লগ সাইট।
এতক্ষণ ওয়ার্ডপ্রেসের আশেপাশে দিয়ে ঘুরছিলাম। কিন্তু ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে কিছু বলছিলাম না। এবার আর ওয়ার্ডপ্রেসের আশেপাশে দিয়ে ঘুরবো  না। আসুন জানি ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে। ওয়ার্ডপ্রেস এমন একটি কনটেন্ট মেনেজমেন্ট সিস্টেম যা দিয়ে যেকোনো ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। এমনকি ই-কমার্স ওয়েবসাইটও। দিন দিন ওয়ার্ডপ্রেসের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে। ওয়ার্ডপ্রেসের দুইটি ভার্সন রয়েছে: wordpress.com ও wordpress.org এই দুইটির মাঝে কিছু মূল পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
এটি তাদের নিজেদের সার্ভারে তৈরি করে ব্যবহার করতে হয় এবং তাদের দেওয়া সাব-ডোমেইন ব্যবহার করতে হয়। তবে আপনি চাইলে তাদের কাছ থেকে ডোমেইনও কিনতে পারেন অথবা আপনার ডোমেইন ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। আপনি আপনার নিজস্ব ডোমেইন, সাব-ডোমেইন ও সার্ভার ব্যবহার করতে পারবেন। এমনকি আপনি চাইলেও তাদের সার্ভার ব্যবহার করতে পারবেন না। মানে আপনাকে আপনার নিজস্ব ডোমেইন, সাব-ডোমেইন ও সার্ভার ব্যবহার করতে হবে।
এটিতে সীমিত থিম বা টেম্পলেট রয়েছে যা আপনি আপনার ইচ্ছা মত পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করতে পারবেন না। তবে এই সীমিত থিম বা টেম্পলেটের সংখ্যাও কম নয়। এটিতে অনেক থিম বা টেম্পলেট রয়েছে যা আপনি আপনার ইচ্ছা মত পরিবর্তন বা পরিবর্ধন করতে পারবেন। এমনকি আপনি আপনার পছন্দ মত থিম বা টেম্পলেট তৈরি করতে পারবেন।
এটি সম্পূর্ণ ফ্রী। এই কনটেন্ট মেনেজমেন্ট সিস্টেমটি ফ্রী। তবে ডোমেইন, হোস্টিং এর জন্য $$ দিতে হবে এবং আপনি যদি প্রিমিয়াম থিম বা টেম্পলেট অথবা প্লাগিন ব্যবহার করতে চান তবে অবশ্যই $$ লাগবে।
এটিতে আপনি বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন তবে তাদের নিয়ম মেনে। এটিতে আপনি আপনার ইচ্ছা মত বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন।
তাদের নিয়ম অনুসারে আপনাকে চলতে হবে। সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আপনি কখনই পাবেন না। এটি সম্পূর্ণ আপনার দুনিয়া। আপনি নিয়ম তৈরি করবেন, আপনিই ভাঙ্গবেন। কারো কিছু বলার নেই যদি এটি আপনারনিজস্ব ওয়েবসাইট হয়। কিন্তু যদি এইখানে অন্যান্য ইউজারের সম্পৃক্ততা থাকে তবে অবশ্যই কিছু নিয়ম তো থাকবেই, তাই না?
ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকবে, কিন্তু সাইটে তো নতুন কনটেন্ট আপনাকেই যুক্ত করতে হবে, তাই না? ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে থাকবে। আপনি যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন। সাইটে কোনো সমস্যা হলে তা আপনাকেই সমাধান করতে হবে।
এইখানে সম্পূর্ণরূপে নিজের ব্র্যান্ড ব্যবহার করতে পারবেন না। তাদের ওয়েবসাইটের নাম এবং লিঙ্ক থাকবে। এইখানে আপনার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। আপনি আপনার ওয়েবসাইটে কি রাখবেন, কি রাখবেন না এটি সম্পূর্ণ আপনার বিষয়।
হাতে গোনা কিছু প্লাগিন ব্যবহার করতে পারবেন যেগুলো তাদের সাইটে রয়েছে। নতুন করে কিছু যুক্ত করতে পারবেন না। অসংখ্য প্লাগিন ব্যবহার করতে পারবেন যেগুলো তাদের সাইটে রয়েছে। এমনকি নতুন করে তৈরি করতে পারবেন এবং তা আপনার সাইটে যুক্ত করতে পারবেন।
আপনার সাইটের ব্যাকআপ তারা নিয়ন্ত্রণ করবে। আপনার সাইটের ব্যাকআপ আপনি নিয়ন্ত্রণ করবেন।
SSL ও নিরাপত্তা তারা নিয়ন্ত্রণ করবে। SSL ও নিরাপত্তা আপনি নিয়ন্ত্রণ করবেন।

সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

ওয়ার্ডে স্মার্ট আর্টের ব্যবহার


অফিস-২০০৭-এ স্মার্ট আর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের চিত্র, লেখচিত্র বা গ্রাফ ও বৃত্ত আঁকা বা যুক্ত করা যায়। সেটা রঙিন করে তুলে ত্রিমাত্রিক লেখাসহ ব্যবহার করাও যাবে। 
দরকার অনুযায়ী স্মার্ট আর্টের মাধ্যমে যেকোনো প্রতিবেদন তৈরি করে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যায়। 

এ জন্য প্রথমে ওয়ার্ড ফাইল খুলুন। এবার Insert মেনুতে ক্লিক করে বিবিধ সাবমেনু থেকে SmartArt নিন। Choose a SmartArt Graphic নামে ডায়ালগ বক্স খুলবে। 
এখানে একটি তালিকায় Cycle, Matrix, Pyramid ইত্যাদি স্মার্ট আর্ট গ্রাফিক অপশন দেওয়া আছে। সবগুলোই আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। 

ধরুন, আমরা Cycle-এ ক্লিক করে বিভিন্ন সাব-সাইকেল থেকে Radial Cycle নির্বাচন করে Ok করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেডিয়াল সাইকেল ফাইলে যুক্ত হবে। এরপর দেখবেন Create Graphic, Layouts, SmartArt Style নামে অসংখ্য SmartArt Style আছে যেগুলোর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন রকমের ডিজাইন করা যাবে।
তারপর আমরা দেখতে পাব সংযুক্ত টি Flowchart Connector (Shape) গ্রাফ বা লেখচিত্র আকারে একটি রেডিয়াল সাইকেল গ্রাফ দেখা যাচ্ছে। 

গ্রাফের প্রত্যেকটি ঘরে (Shape) ক্লিক করে প্রয়োজনীয় টেক্সট টাইপ করা যাবে। রেডিয়াল সাইকেলটির বিভিন্ন ধরনের আকৃতি আছে যা আপনি অনায়াসেই স্মার্ট আর্ট স্টাইলে গিয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন এবং রেডিয়াল সাইকেলটির লেখাসহ বিভিন্ন রং দিয়ে সাজানোর জন্য Change Colors-এ ক্লিক করে অসংখ্য রং থেকে আপনার পছন্দের রং নিয়ে সাজাতে পারেন। 

তারপর Text Pane -এ ক্লিক করলে গ্রাফের সবগুলো টেক্সট ক্রমান্বয়ে আলাদা বক্স আকারে প্রদর্শিত হবে। আবার Add Shape-এ ক্লিক করে গ্রাফের শেপ বাড়াতে পারবেন এবং নতুন লেখা যুক্ত করতে পারবেন।

বিনামূল্যে বানান নিজের ওয়েবসাইট


পেশাদার ওয়েবসাইট আর ডোমেইন নামের পেছনে ছুটতে গেলে আপনার বেশ কিছু অর্থ খরচ হতে পারে। তবে কোনো অর্থ খরচ না করেও আপনি নিজের জন্য ওয়েবসাইট বানিয়ে নিতে পারেন। নিজের ওয়েবসাইট তৈরি করতে আপনাকে প্রযুক্তিতে খুব বেশি দক্ষ হতে হবে না। নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরিতে আপনি বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের হোস্টকে।
বিনা মূল্যে আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরিতে সুযোগ দিচ্ছে এমন কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে, ‘অ্যাবাউট ডট মি’, ‘ফ্লেভারস ডট মি’, ‘ফ্লোর ডটকম’, ‘ডুইড ডটকম’, ‘উইবলি ডটকম’, ‘ইয়োলা ডটকম’, ‘জোহো’, ‘অক্টোমবি ডটকম’ প্রভৃতি।
ওয়েবসাইট তৈরির জন্য যেতে পারেন অ্যাবাউট ডট মি ওয়েব হোস্টিংয়ে। এখানে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করলে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার হোমপেজ দেখা যাবে। এ ওয়েবসাইটে আপনার জীবনী দেখাতে পারবেন, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোর সঙ্গে এ ওয়েবসাইটের সংযোগ দেখাতে পারবেন। এ ছাড়া আপনার পছন্দ অনুযায়ী এ ওয়েবসাইটটিকে সাজিয়ে নিতেও পারবেন। এ ওয়েবসাইট তৈরি করতে খুব বেশিক্ষণ সময়ও লাগবে না। আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইটে মন্তব্য করতে বা সরাসরি আপনাকে মেইল করতে পারবেন। এমনকি ওয়েবসাইটে আপনার ভিজিটরের সংখ্যার পরিসংখ্যানও জানতে পারবেন আপনি।
অ্যাবাউট ডট মির মতোই অন্যান্য ওয়েব হোস্টিংয়েও আপনি খুব সহজেই আপনার তথ্য দিয়ে বিনা মূল্যের ওয়েবসাইট পেতে পারেন। 
মোবাইল ফোনসেট ব্যবহারকারীদের জন্যও রয়েছে বিনা মূল্যে ওয়েবসাইট তৈরির সুযোগ।

দশ বছরে পা দিল ফেসবুক


সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুক ১০ বছরে পা দিল। ২০০৪ সালে ৪ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু হয় জনপ্রিয় এ সাইটটির। 
ছবি শেয়ার করা, বন্ধুত্ব করাসহ নানা ধরনের কাজে বর্তমানে জনপ্রিয় ফেসবুক। ২০০৩ সালের ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময়ে ফেসম্যাশ নামে প্রথম একটি সাইট চালু করেন মার্ক জাকারবার্গ। তখন ফেসবুকের এই প্রধান নির্বাহীর উদ্দেশ্য ছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মেলবন্ধন সৃষ্টি করা। নিজেদের ভাবনা আর ছবি যাতে সবাই ভাগাভাগি করতে পারে, সে জন্যই এ সাইটের শুরুটা করেন তিনি। 
পরবর্তীকালে বন্ধু এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিতস ও ক্রিস হিউজেসের সহযোগিতায় ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ফেসবুক। শুরুতে দ্য ফেসবুক নাম থাকলেও ২০০৫ সালে এটি পরিবর্তন করে শুধু ফেসবুক করা হয়। 
দারুণ জনপ্রিয়তা পাওয়া সাইটটির বর্তমানে সক্রিয় ব্যবহারকারী ১০০ কোটির বেশি। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফেসবুকে ব্যবহারকারীদের লাইকের সংখ্যা ১.১৩ ট্রিলিয়ন, আপলোড ছবির সংখ্য ২১৯ বিলিয়ন এবং ছবিসহ স্থান ট্যাগিংয়ের সংখ্যা ১৭ বিলিয়ন। আয়ের দিক দিয়েও দারুণভাবে এগিয়ে চলছে ফেসবুক। ফেসবুকের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগ সাইট চালু করলেও এখনো এককভাবে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। 
বর্তমানে কম্পিউটারের পাশাপাশি মোবাইল, ট্যাবলেটেও বেড়েই চলছে ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা। আর আয়ের বিষয়টিও তাই ভিন্ন ভিন্নভাবে আসছে। ফেসবুককে আরও লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে দক্ষ বাহিনী। যার নেতৃত্বে আছেন তরুণ বিলিয়নিয়ার মার্ক জাকারবার্গ নিজেই। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় ফেসবুক ব্যবহার করা যায়।

শনিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৩

কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর ৫ উপায়

কম্পিউটারটির কাজের গতি কমে গেলে সেটি মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সহজেই এড়ানো যায় এই সমস্যা।
গতি বাড়িয়ে নিন স্টার্টআপের
বেশিরভাগ সময় কম্পিউটারের গতি কমে আসার কারণ, কম্পিউটারটি চালু হবার সঙ্গে সঙ্গে একাধিক সফটওয়্যার বা টাস্ক চালু হয়ে যাওয়া। Autoruns-এর মতো টুল ডাউনলোড করে সফটওয়্যারগুলো স্টার্টআপের সময় চালু হয়ে যায়। তবে সবসময় প্রয়োজন পড়েনা এমন সফটওয়্যারগুলো ডিসএবল করে রাখতে পারেন। অথবা ব্যবহার করা যেতে পারে উইন্ডোজের বিল্ট ইন ইউটিলিটি MSConfig। স্টার্টআপ ট্যাবে গিয়ে সার্চ বা রানে টাইপ করুন MSConfig। এরপর আইটিউনস, অব্যবহৃত মেসেঞ্জার বা প্রিন্টারের মতো যে সফটওয়্যারগুলো পিসি চালু হবার সঙ্গে সঙ্গেই প্রয়োজন হয়না, টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন সেগুলোর ওপর থেকে। এরপর পিসি রিস্টার্ট করলে সেগুলো নিজে নিজে চালু হবে না। ফলে কিছুটা বাড়বে এর গতি।
বেছে নিন প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
ইন্টারনেট সার্ফিং যদি খুব ধীরগতির হয়, কয়েকটি সহজ পরিবর্তন এ সমস্যার সমাধান করতে পারে। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করলে তার বদলে গুগল ক্রোম ব্যবহার করুন। দ্রুত গতির সার্ফিং সুবিধার কারণে জনপ্রিয়তা পেয়েছে গুগলের ব্রাউজারটি। ক্রোম সেটিংস থেকে ‘ক্লিয়ার ব্রাউজিং ডেটা’য় যান এবং কুকি, ক্যাশ, ব্রাউজিং হিস্ট্রি এবং ডাউনলোড হিস্ট্রির মতো টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইলগুলোর ওপর টিক দিন।
এছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন পিরিফর্মের সফটওয়্যার CCleaner। সফটওয়্যারটি ব্রাউজার, উইন্ডোজ এবং রেজিস্ট্রির সব টেম্পোরারি ফাইল মুছে ফেলে গতি বাড়িয়ে দেবে আপনার কম্পিউটারের।
আনইনস্টল করুন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
অব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলো আনইনস্টল করলে চাপ কমবে আপনার পিসির ওপর। উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের মতো সফটওয়্যারগুলো চালাতে প্রয়োজন হয় অনেক বেশি কম্পিউটিং ক্ষমতার। এ ধরনের সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার না করলে আনইনস্টল করে দিতে পারেন। বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন ওপেন সোর্স ফ্রি অ্যাপ্লিকেশন, যা কম্পিউটারের র‌্যামের ওপর কম চাপ সৃষ্টি করে।
ব্যবহার করা যেতে পারে ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার। ওপেন সোর্স মিডিয়া প্লেয়ারটি ডিভিডি রিপ করে এবং প্রায় সব ফরম্যাটের মিডিয়া ফাইল চালাতে পারে। অ্যাডোবি রিডারের বদলে ব্যবহার করতে পারেন FoxIt Reader যা অ্যাডোবি রিডারের তুলনায় কম র‌্যাম ব্যবহার করে। মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ওপর সোর্স ওয়ার্ড প্রসেসর AbiWord এবং অ্যাপাচির Open Office।
চালু করে দিন অটোম্যাটিক আপডেট
সফটওয়্যার আপডেট নোটিফিকেশন সামনে আসলেই আলসেমি করে ‘রিমাইন্ড মি লেটার’ ক্লিক করা যেনো একরকম অভ্যাসেই পরিণত হয়েছে আমাদের। রিমাইন্ড মি লেটারে চাপতে চাপতে কম্পিউটারের গতি এতোটাই কমে আসে যে, শেষ পর্যন্ত পুরো একটি দিনই পার করতে হয় সফটওয়্যার আপডেট করতে গিয়ে। পুরো একদিন সফটওয়্যার আপডেট করে কাটানো এড়াবার সহজ উপায় হচ্ছে সফটওয়্যার আপডেটগুলো অটোম্যাটিক করে দেয়া।
মাই কম্পিউটারের প্রপার্টিজ থেকে চলে যান অটোম্যাটিক আপডেট অপশনে। নিশ্চিত করুন প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের আপডেটগুলো যেনো অটোম্যাটিক ডাউনলোড হয়ে ইনস্টল হয়ে যায়। কোনো সফটওয়্যার ম্যানুয়ালি আপডেট করার প্রয়োজন আছে কিনা তা জানতে FileHippo.com থেকে Update Checker সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটার স্ক্যান করে কোনো সফটওয়্যারের আপডেট অনলাইনে আছে কিনা তা জানিয়ে দেবে মুহ‚র্তের মধ্যে।
প্রয়োজনে আপগ্রেড করুন হার্ডওয়্যার
কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর কার্যকর উপায়গুলোর একটি হচ্ছে গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার। আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড কিনে মাদারবোর্ডে ব্যবহার একটু জটিল হলেও গতি বাড়ানোর উপায়গুলোর একটি এটি। কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর আরেকটি কার্যকর উপায় হচ্ছে র‌্যাম বাড়িয়ে নেয়া। র‌্যান্ডম অ্যাকসেস মেমোরি বা র‌্যামের ক্ষমতা বাড়ালে গতি বাড়বে আপনার কম্পিউটারের।
সফটওয়্যার ডাউনলোডের জন্য সবসময় ডাউনলোড ডটকমhttp://download.cnet.com বা এ ধরনের নির্ভরযোগ্য সাইট ব্যবহার করুন।

আপনি কি জানেন আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন কি না?

আসলে অনলাইনে আয় করার জন্য কিছু যোগ্যতা অবশ্যই থাকতে হবে। কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে তা নিম্নে দেওয়া হল।
আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে।
কম্পিউটার সম্পকে অনেক ভাল ভাবে জানতে হবে।
আপনাকে ওয়েব ল্যাগুয়েজ সম্পর্কে জানতে হবে যেমনঃ পিএইচপি ,  এইচটিএমএল , মাইএসকিউএল , সিএসএস , ফ্লাশ , জাভা স্ক্রিপ্ট দক্ষ হতে হবে। তাছাড়া গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও , ওয়ার্ডপ্রেস ,,ফটোশপ , ফ্লাশ ,  আর্টিকেল লেখা , ডেটা এন্ট্রি , ইন্টারনেট মার্কেটিং সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
প্রচুর পরিমানে ধর্য্য থাকতে হবে, কারন এই সব কাজে সফলতা পেতে মাঝে মাঝে অনেক সময় লেগে যায়।
সাম্প্রতিক সময় ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
তবে আমি যেসব কথা বললাম তা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য অন্য দেশ এর থেকে আর বড় ধনের যোগ্যতার প্রয়োজন হতে পারে।
সেরা ৩টি উপায়:
সেরা তিনটি উপায় হল গুগল এডসেন্স, নিবন্ধ লিখে আয়, ফ্রিল্যান্সিং পেশা ।
গুগল এডসেন্স:
গুগল এডসেন্স অনলাইনে টাকায় আয় অনেক বড় ও বিশ্বাস একটা পথ। এথেকে অনেকে অনেক পরিমানে টাকা আয় করতেছে। গুগল এডসেন্স কিভাবে কাজ করে তা জানা দরকার তাই না , আপনারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়েব সাইট এ ভিজিট করেন , সে সময় দেখবেন বিভিন্ন পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড থাকে এবং তার নিচে লেখা থাকে এ্যাড বাই গুগল । আপনি বা অন্য কোন ভিজিটর ঐ  পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড ক্লিক করলে সাইট এর মালিক তার গুগল এডসেন্স একাউন্টে নিদির্ষ্ট পরিমান আয় জমা হয়ে যায় । আপনার একাউন্ট এ এক এডসেন্স $১০০ জমা হলে আপনি টাকা আনতে পারবেন । আর এটা চেক আর মাধ্যমে আনতে পারবে এবং যে কোন ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবেন। এডসেন্স প্রোগ্রাম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স । এদের পেমেন্ট ব্যবস্থাও অনেক ভাল এদের নামে এখন পযন্ত কোন খারাপ রিপোর্ট বেড় হয় নি । আসলে এটা সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল এর একটি প্রোগ্রাম । তাই খারাপ হয়ার কোন সুযোগ নেই ।
গুগল এডসেন্স আয় করতে হলে আপনা থাকতে হবে নিজের একটা ওয়েব সাইট/ব্লগ বা ব্লগ । এবং শুধু ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকলে যে সব হয়ে হয়ে গেল তা না , আপনার ওয়েব সাইট প্রচুর ভিজিটর থাকতে হবে । মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর থেকে এর উপরে , তাছাড়া ভাল আয় করা সম্ভব না । এখন আপনার ওয়েব সাইট / ব্লগ যাই থাক আপনাকে প্রতিদিন মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর রাখতে হবে । ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকুক না কে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ ভাল হতে হবে , কারন বিডভারটাইজার ও গুগল এডসেন্স বাংলা সাইট এ সাপোর্ট করে না তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট হবে সম্পুর্ন ইংলিশে । আপনাকে ওয়েব প্রোগ্রামিং [সিএসএস , পিএইচপি , এইচটিএমএল] সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে যাতে আপনি আপনার সাইট বা ব্লগ কে ভাল ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন । ব্লগে লেখার হাত ভাল হতে হবে । আপনার লেখার হাত যদি ভাল না হয় তবে আপনি অনলাইনে থেকে আয় করা সম্ভব হবে । ভাল মানের লেখা লিখতে হবে , এবং লেখা অবশ্যই ইউনিক হতে হবে , কোন জায়গা থেকে কপি পেস্ট করে কিছু করতে পারবেন না ।
নিবন্ধ লিখে আয়:
কিছু ব্লগ বা সাইট আছে যাতে আপনি পোস্ট দিয়ে আয় করতে পারেন। আসলে এটা এমন যে আপনি যখন আপনি যখন কোন পোস্ট দিবেন ঐ সাইটে তখন এই সাইটের যা আয় হবে তার নিদিস্ট একটা অংশ আপনাকে দিবে। এর মধ্যে সব জনপ্রিয় ২টি সাইট হল https://payperpost.com ও http://www.loudlaunch.com। এদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেক ভাল । তবে এগুলোতে পোস্ট দিতে হলে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে । পোস্ট কোয়ালিটি অনেক হাই হতে হবে। পোস্ট অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। আর ভাল ভাবে জানতে সাইট দুটি ভাল ভাবে ঘাটেন। আর আমি পরে এগুলো নিয়ে আর আলোচনা করবো।
ফ্রিল্যান্সিং পেশা:
আমাদের দেশে অনলাইন ভুবনের তরুণদের কাছে বহুল আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে অনলাইন আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং । ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন অনেকেই ৷পড়ালেখার পাশাপাশি বা পড়ালেখা শেষে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করে যে কেউ গড়ে নিতে পারেন আপনার নিজের ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার ।
যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি অনেক এগিয়ে । এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং করে গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে এবং তারা ভারত , পাকিস্থান এবং বাংলাদেশ কে বেশি কাজ দিতে চায় কারন তারা কম মুল্য কাজ় গূলো করিয়ে নিতে পারে। তবে আমাদের চেয়ে ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগ টিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে।

নিয়ে নিন USB Disk Security V 06.02 (Full Version)মাত্র 4.36MB

আজ আমি আপনাদের জন্যে একটা এন্টিভাইরাস এর ফুল ভারসন নিয়ে এসেছি,এটা এর আগে অনেক জায়গায় দেখেছেন,কিন্তূ হয়ত কোথাও সঠিক বা ফুল ভারসন পান্নি।তাই আমি আপনাদের জন্যে নিয়ে এসেছি  USB Disk Security V 06.02 (Full Version)।এই এন্টিভাইরাস এর মাধ্যমে আপনার খুব সহজে ইউ,এস,বি এর ভাইরাস গুল মারতে পারবেন,এবং এর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে লুকিয়ে থাকা Auto-run গুলও মারা যায়,এটি যদি আপনার কম্পিঊটার এ ইনেস্টল থাকে তাহলে ভাইরাস আপনার কম্পিউটারের ধারের কাছেও আসতে পারবেনা।সুতরাং আর দেরি না তবে এখনি ই নিয়ে নিন।আর কথা না,এবার কাজের কথায় আসা যাক।
নিচ থেকে করেDownload  নিন।

মাত্র 4.36MB

Click Here To Download This(Very Easily)

Click Here To Download Serial Key

খুব সহজেই আপনার পিসির system information জানুন!

১। প্রথমে উইন্ডোজ বাটনে (start) বাটনে ক্লিক করে রান (run) চাপুন।
২। তারপর লিখুন dxdiag এবং কি-বোর্ড থেকে এন্টার (enter) চাপুন।
৩। একটি পপ আপ উইন্ডো আসবে, তখন yes চাপুন।
৪। একটু পরেই নিচের মত একটি পর্দা দেখতে পাবেন।


(উপরের ছবিতে) ব্যস, কাজ শেষ হয়ে গেল! এখানে বিভিন্ন ট্যাব ক্লিক করে বিভিন্ন ডিভাইসের বিবরণ দেখতে পাবেন খুব সহজে।

ফ্রী হস্টিং নিবেন ? তাহলে এখানে নজর দিন … লুফে নিন হাই কুয়ালিটির ফ্রী হস্টিং

ফ্রী ওয়েব হস্টিং সেবা দিতে চালো হল  www.taudio.net  ওয়েব সাইটি থেকে বিনামুল্যে ১০ জিবি ওয়েব হস্টিং সাথে ১০০ জিবি ব্যান্ডউইড্থ বিনা মুল্যে পাওয়া যাবে । তাছারা জনপ্রিয় সিএমএস গুলো ইনস্টল করার জন্য রয়েছে অটো ইনস্টল সুবিধা ।
সাইন আপ করতে এখানে ক্লিক করুন

চলুল একনজরে বিস্তারিত দেখেনেইঃ

  • » ফ্রী ১০ জিবি ওয়েব হস্টিং
  • » ফ্রী ১০০ জিবি ব্যান্ডউইড্থ
  • » ফ্রী ই-মেইল একাউন্ট
  • » ফ্রী ওয়েব সাইট বিল্ডার
  • » অটো ইনস্টল
  • » কাস্টমাইজ   সি-প্যানেল
  • » PHP, ASP, CGI  সহ  অনেক কিছ………
  •  ফ্রী সাবডোমেইন সহ  অনেক কিছ………
বিস্তারিত জানতে এবং আপনার হস্টিং নিতে -  www.taudio.net
যারা নতুন ওয়েবে কাজ শিখতে চান এবং যারা নিজের একটা ব্লগ সাইট বানাতে ইচ্ছুক তারা ফ্রী তে হস্টিং নিয়ে কাজ করতে পারেন ।  তাছারা আপনারা ফ্রী ডোমেইন নিতে http://www.dot.tk বা  http://www.co.cc  ভিজিট করেন । তা হলে আর দেরি না করে ফ্রী ডোমেইন এবং ফ্রী হস্টিং নিয়ে এখনি আপনার ওয়েব সাইট বানিয়ে নেন ।

তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে ডিএনএতে!

তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে ডিএনএতে!



প্রাণীর বংশগতির তথ্য ধারক ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিয়িক অ্যাসিড বা ডিএনএতেই সংরক্ষণ করা যাবে ডিজিটাল ডেটা। বার্তাসংস্থা বিবিসি জানিয়েছে, সম্প্রতি ডিএনএতে শেক্সপিয়ারের সনেট, একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিবেদন এবং মার্টিন লুথার কিংয়ের ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ ভাষণের অংশবিশেষ সংরক্ষণ করে দেখিয়েছেন যুক্তরাজ্যের একদল বিজ্ঞানী। ডিএনএতে সংরক্ষিত ওই ডেটাগুলোর ১০০ ভাগই পরে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীরা মার্টিন লুথার কিংয়ের কিংবদন্তীসম ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ ভাষণের ২৬ সেকেন্ড, জেপিজি ফাইল ফরম্যাটের একটি ছবি, ক্রিক এবং ওয়াটসনের ১৯৫৩ সালের ডিএনএর ওপর গবেষণাপত্র এবং শেক্সপিয়ারের একটি সনেট ডিএনএতে এনকোড করতে সমর্থ হন। কম্পিউটার ড্রাইভের হিসেবে যা মোট ৭৬০ কিলোবাইট। আর এই ৭৬০ কিলোবাইট তথ্যবাহী ডিএনএটি আকারে একটি ধূলিকণার সমান।
গবেষকদলের দলের সদস্য নিক গোল্ডম্যান জানিয়েছেন, ডিজিটাল ডেটা সংরক্ষণের মাধ্যম হিসেবে ডিএনএ এতোই ঘন যে এক গ্রাম ডিএনএতে দুই পেটাবাইট ডেটা সংরক্ষণ করা সম্ভব, যা প্রায় ৩০ লাখ সিডির সমান।
আর ডিএনএতে ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, ডিএনএটি সংরক্ষণের জন্য বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন পড়বে না, প্রয়োজন নেই নিয়মিত দেখাশোনারও। অন্ধকার, শুষ্ক ও শীতল পরিবেশে দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে ডিএনএ। এমন পরিবেশে থাকার কারণেই হাজার বছর পরেও অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায় ম্যামথের ডিএনএ।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও ঐতিহাসিক তথ্য উপাত্ত দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব। তবে খরচ অনেক বেশি হওয়ায় এখনই বড় পরিসরে এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হচ্ছে না। তবে নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে এর খরচ কমে আসবে এবং স্বল্প খরচে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।