বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১২

আপনার কম্প্উটারের গতি বাড়ানোর জন্য একবার দেখতে পারেন!!!


pc fresh 160x140 আপনার কম্প্উটারের গতি বাড়ানোর জন্য একবার দেখতে পারেন!!!
সকল টেক টিউনস পাটকদের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা । কেমন আছেন সবাই। আসলে আমরা সবাই চাই আমাদের কম্পিউটাটি বুলেটের মত গতি ময় হোক। কিন্তু তা কতজনই বা পারি। এবং তার জন্য দরকার হয় অনেক বড় বড় সফটওয়ার। অনেকে অনেকে ধরনের সফটওয়ার কম্পিউটার এর গতি বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন অনেকে সফলতা ও পেয়েছেন। এই সফটওয়ার টি ব্যবহার সম্পর্কে জানেন তাদের জন্য কিন্তু না। যারা জানেন না তাদের জন্য।  আজ আমি বেশি কিছু বলবনা কারন কাজেই তার পরিচয় প্রমান হবে। আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি যদি এই টি নিয়ে আগে কেউ টিউন করে থকেন। এই সফটওয়ার টি আসলেই কাজের সফটওয়ার  এর মেধ্য একটি । সহজে ইনস্টল করতে পারবেন।  ভাল লাগলে  বা কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন। গতি অনেক বাড়াবে Activation Key সহ Download HERE

ফ্রীতে ডাউনলোড করে নিন Glary Utility Pro – All-in-one PC Optimizing Soft



Glary Utilities PRO ফ্রীতে ডাউনলোড করে নিন Glary Utility Pro – All in one PC Optimizing Software
Features of Glary Utilities Pro:

***কম্পিউটার পরিচ্ছন্ন এবং গতি বৃদ্ধি করবে
***আপনার কম্পিউটারকে দিবে প্রতিরক্ষা,নিরাপত্তা এবং রক্ষা করবে গোপনীয়তা
***বন্ধ করবে spyware,trojans,adware প্রবেশ
***আপনার কম্পিউটারের অ্যাপ্লিকেশনের ক্রুটিগুলো মেরামত করবে
***ব্যবহারে সহজ এবং বন্ধু ভাবাপন্ন ইন্টারফেস
***অনেক অনেক বেশী ক্ষমতাসম্পন্ন ইউটিলিটি
***আরও অনেক কিছু যা ব্যবহার করলেই বুঝতে পারবেন।
এবার ডাউনলোড করার পালা।মিডিয়া ফায়ারে আপলোড করেছি মাত্র 5.71 মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি
DOWNLOAD LINK এখানে ।

আইইএলটিএস (IELTS) এর আদ্যোপ্রান্ত (এ টু জেড তথ্য রয়েছে)

‘আইইএলটিএস’ হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার সনদ, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। IELTS (The International English Language Testing System)। যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয় তাদের অনেক দেশে উচ্চশিক্ষা কিংবা ভিসার আবেদন করতে ভালো আইইএলটিএস স্কোর থাকতে হয়। আইইএলটিএস পরীক্ষাপদ্ধতি দুই ধরনের, ‘একাডেমিক’ ও ‘জেনারেল’। উচ্চশিক্ষায় বিদেশে যেতে ইচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের ‘একাডেমিক আইইএলটিএস’ টেস্টে অংশ নিতে হয়। যে কেউ এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। এ জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই।

গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বজুড়ে
ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ সূত্রে জানা যায়, ১৪ লাখের বেশি শিক্ষার্থী ও পেশাজীবী উচ্চশিক্ষা ও চাকরির লক্ষ্যে প্রতিবছর আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নেন। ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের এক্সামিনেশনস ডাইরেক্টর পিটার এশটন জানান, উচ্চশিক্ষা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ অনেক দেশে ইমিগ্রেশনের ক্ষেত্রে আইইএলটিএস স্কোর থাকা বাধ্যতামূলক। গ্রহণযোগ্যতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিকভাবে টোফেলের চেয়ে অনেক এগিয়ে আইইএলটিএস।

পরীক্ষা পরিচালনা
ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজ, ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে পরিচালনা করে আইইএলটিএস পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় নীতি নির্ধারক কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বিশ্বব্যাপরী পরীক্ষা পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কাছে তথ্য পৌছে দেওয়ার মূল ভূমিকা পালন করছে বিট্রিশ কাউন্সিল ও আইডিপি অস্ট্রেলিয়া। সারা বিশ্বে একই প্রশ্নপত্র ও অভিন্ন নিয়মে পরিচালিত হয়।

কিছু ভুল ধারণা
অনেকেই মনে করেন আইইএলটিএস অনেক কঠিন একটি পরীক্ষা। আসলে এটি ভুল ধারণা। ব্রিটিশ কাউন্সিল সূত্র মতে, ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষ হয়েও এ পরীক্ষায় ভালো স্কোর সম্ভব। যদিও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া কিংবা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যেভাবে আইইএলটিএস পরীক্ষা পরিচালিত হয় বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়।
পরীক্ষা পদ্ধতি
দুটি মডিউলে আইইএলটিএস পরীক্ষা দেওয়া যায়। একাডেমিক এবং জেনারেল ট্রেনিং। স্নাতক, স্নাতকোত্তর অথবা পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য একাডেমিক মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়। কোনো কারিগরি বিষয় বা প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হলে সাধারণত জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হয়। এ ছাড়া সেকেন্ডারি স্কুলে ভর্তি এবং ইমিগ্রেশনের জন্য জেনারেল ট্রেনিং মডিউলে পরীক্ষা দিতে হবে। আইইএলটিএস পরীক্ষায় বসার আগে জেনে নিন কোন মডিউলে আপনাকে পরীক্ষা দিতে হবে। দুটো পদ্ধতিতে পার্থক্য খুব সামান্য। আইইএলটিএস পরীক্ষায় দুই ধরনের মডিউলেই চারটি অংশ থাকে। Listening, Reading, Writing ও Speaking।

লিসেনিং (Listening)
কথোপকথন শুনে বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হয় এ অংশে। চারটি বিভাগে মোট ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। আপনাকে একটা প্যাসেজ ইংরেজিতে বাজিয়ে শোনানো হবে, আর সামনে থাকবে প্রশ্নপত্র, ঐ শোনার ভিত্তিতে আপনাকে উত্তর করতে হবে, কী বোঝানো হয়েছে ঐ অডিও টেপে। মোটামুটি ৩০ মিনিটের পরীক্ষা হয়। শেষ ১০ মিনিটে উত্তরপত্রে উত্তর লিখতে হয়। একটি বিষয় কেবল একবারই বাজিয়ে শোনানো হয়। কোনো অংশ শুনে না বুঝতে পারলে সেটা নিয়ে আর মাথা না ঘামানোই ভালো। কারণ, এতে পরবর্তী প্রশ্নগুলোর উত্তর বুঝতে না পারার ঝুঁকি থাকে। সঠিক উত্তর বেছে নেওয়া, সংক্ষিপ্ত উত্তর, বাক্য পূরণ ইত্যাদি নানা ধরনের প্রশ্ন থাকতে পারে।
রিডিং (Reading)
অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মতে IELTS এর সবগুলো পার্টের মধ্যে এটি কঠিন মনে হয়। এখানে তিনটি বিভাগে ৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। সময় এক ঘণ্টা। Reading-এ টেস্ট করা হয় একটা প্যাসেজ পড়ে বোঝার ক্ষমতা। আপনাকে বিশাল বিশাল তিন-চারটা প্যারাগ্রাফ দেয়া হবে, তার থেকে আপনাকে অত্যন্ত সিম্পল সিম্পল উত্তর দিতে হবে। কিন্তু ঐ সিম্পল সিম্পল উত্তরগুলো আপনি সহজে পারবেন না, যদি না আপনি প্যাসেজটা ঠিকমতো বুঝতে পারেন। প্যাসেজটা আপনি ঠিকমতো বুঝতে হলে আপনাকে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে, আর তাহলে বাকি প্যাসেজে সময় কমে আসবে। এভাবেই এই সহজ পরীক্ষাটা সব পরীক্ষার্থীর জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অর্থাৎ এই পরীক্ষায় আপনি যদি কিছু কৌশল রপ্ত না করে চলে যান, তাহলে সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পারবেন না, সে আপনি যতই কনফিডেন্ট হোন না কেন? ইংরেজি মিডিয়ামের শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারেন। এখানেও বাক্য পূরণ, সংক্ষিপ্ত উত্তর, সঠিক উত্তর খুঁজে বের করা ইত্যাদি প্রশ্ন থাকবে। পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোয় দাগ দিয়ে রাখুন। উত্তর খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।

রাইটিং (Writing)
এখানে যাচাই করা হয় আপনি কতটুকু কল্পনাশক্তি খাটাতে পারেন এবং একটা বিষয়ের উপরে লিখতে পারেন। এক ঘণ্টায় দুটি প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে। দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে প্রথম প্রশ্নের চেয়ে দ্বিগুণ নম্বর থাকে। এজন্য শুরুতেই দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর ভালোভাবে লিখতে পারেন। প্রথম প্রশ্নটিতে মোটামুটি ২০ মিনিট সময় দিতে পারেন। অন্তত ১৫০ শব্দের উত্তর লিখতে হবে। দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর দিতে ৪০ মিনিট নিতে পারেন। অন্তত ২৫০ শব্দ লিখতে হবে। শব্দসংখ্যা একটু বেশি হলে ক্ষতি নেই। কিন্তু কম হলে নম্বর কমে যাবে। প্রথম প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো চার্ট, ডায়াগ্রাম থাকে। এ থেকে নিজের কথায় বিশ্লেষণধর্মী উত্তর লিখতে হয়। দ্বিতীয় প্রশ্নটিতে সাধারণত কোনো বিষয়ের পক্ষে, বিপক্ষে মত বা যুক্তি উপস্থাপন করতে হয়।

স্পিকিং (Speaking)
এখানে কোনো লেখালেখী নেই। আপনাকে নির্দিষ্ট দিনে পরীক্ষাস্থলে (সাধারণত ব্রিটিশ কাউন্সিলে) যেতে হবে। সেখানে দু-তিনজন পরীক্ষকের সামনে আপনাকে বসতে হবে। তাঁরা আপনাকে বিভিন্নভাবে ইংরেজিতে প্রশ্ন করবেন, আপনি তাঁর উত্তর দিবেন। তিনটি অংশে মোটামুটি ১১ থেকে ১৪ মিনিটের পরীক্ষা হয়। প্রথম অংশে পরীক্ষার্থীকে কিছু সাধারণ প্রশ্ন করা হয়, যেমন – পরিবার, পড়াশোনা, কাজ, বন্ধু ইত্যাদি। চার থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে উত্তর দিতে হয়। দ্বিতীয় অংশে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে এবং দুই মিনিট কথা বলতে হয়। এর আগে চিন্তা করার জন্য এক মিনিট সময় দেওয়া হয়। তৃতীয় অংশে চার থেকে পাঁচ মিনিটের জন্য পরীক্ষকের সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে কথোপকথন চালাতে হয়।
উদাহরন: Suppose, you have visited a Pharmaceutical company. Now would you please explain what did you see there?

সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১২

কেন আমরা মেমোরি ডিভাইস (Memory Device) যেমন: হার্ডডিক্স (Hard disk), মেমোরি কার্ড( Memory card) এর সম্পূর্ণ স্পেইস ব্যবহার করতে পারি না?

আমরা অনেকে জানি 1024Byte=1kilo Byte, 1024 MB = 1 GB ; 1024 KB = 1MB.
যারা জানেন না তাদের জন্য বলি, এই MB (megabyte), GB(Gigabyte) এসব হচ্ছে মেমোরি ইউনিট বা একক। ভরের একক যেমন গ্রাম, দৈর্ঘ্যর একক যেমন মিটার তেমন।
এখন এই যে 1024 MB = 1 GB ; 1024 KB = 1MB, এটা শুধু Software Side এর জন্য প্রযোজ্য। অর্থাৎ আমাদের মোবাইলে অথবা কম্পিউটারে এটাকে এভাবে
হিসেব করা হয়।
কিন্তু যেসব manufacturer company এসব memory device তৈরি করে তাদের কাছে হিসাবটা একটু অন্যরকম। তাদের মতে,
1 KB = 1000 byte
1 MB = 1000 KB
1 GB = 1000 MB
1 TB(Terabyte) = 1000 GB
তাই আমরা যখন  320 GB Hard Disk এর কথা বলি এটি কিন্তু যারা তৈরি করেছে অর্থাৎ manufacturer company এর হিসেব।কিন্তু SOFTWARE  এটিকে হিসেব করে, 320*1000*1000*1000/1024/1024/1024 = 298.024 GB
ফলে ৩২০জিবি হার্ডডিক্সে আমরা Availabদe Memory দেখি ২৯৮ জিবি। একই ভাবে  500 GB Hard Disk এর মধ্যে ব্যবহার করতে পারি,
500*1000*1000*1000/1024/1024/1024 = 465.661 GB.

কম্পিউটারের কিছু সাধারণ সমস্যার পরিপূর্ন সমাধান ( নিজের সমস্যা নিজেই সমাধান করুন )

নিয়মিত ডাটাকে ব্যাকআপ রাখলে কোনো সমস্যায় নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন৷ ব্যাকআপ মানে হলো ডাটাকে অন্যকোথাও সেভ করে রাখা যার ফলে যে ফাইলটিতে আপনি কাজ করছেন তা মুছে গেলে, কোনোভাবে নষ্ট হলে অন্যত্র সেভকরে রাখা কপিটি আবার পুনরুদ্ধার করে কাজ করতে পারবেন৷ উইন্ডোজের নিজস্ব ব্যাকআপ টুলস রয়েছে যেটা ইন্সটল করে নিতে পারেন এ্যাড রিমুভ প্রোগামস, উইন্ডোজ সেটআপ, সিস্টেম টুলস থেকে ডিটেইলসে ক্লিক করুন৷ এবার ব্যাকআপ অন করে ওকে করলে সফটওয়্যারটি ইন্সটল হবে৷ ইন্সটল হওয়ার পর ব্যাকআপ টুলসটি পাবেন স্টার্মমেনু্যর প্রোগ্রামস>এক্সেসরিজ>সিস্টেম টুলসের ভেতর৷ এটির হেল্পে ডিটেইলস বলা আছে কিভাবে ধাপে ধাপে ব্যাকআপ করা যায়, এবং এটা বেশ সহজ৷ এটি দিয়ে ব্যাকআপ করাছাড়াও ম্যানুয়ালী যে ফাইলটিতে বর্তমানে কাজ করছেন সেটি অন্যত্র ফ্লপি বা হার্ডডিস্কের অন্য জায়গাও ডুপ্লিকেট কপি রাখতে পারেন যেটি পারেন দারুণ সাহায্য করবে মূল ফাইল করাপ্ট হলে৷
আমাদের দেশে ধুলাবালি একটু বেশি যে কারণে কম্পিউটারকে কাজ শেষেমনিটর, সিপিইউ ঠান্ডা হওয়ার পর শুকনো কোনো কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা ভালো৷ গরম অবস্থায় মনিটর বা সিপিইউ ঢাকা উচিত নয়৷ বেশি ধুলা যাতে কম্পিউটারে ঢোকার সুযোগ না পায় সেজন্য বাইরের জানালার পাশে মনিটর রাখা উচিত নয়৷ কোনো মতেই কম্পিউটার যেন আদ্রতা প্রবেশনা করতে পারে সেটাও নিশ্চিত করুন৷ এক মাস অন্তর অন্তর কী- বোর্ড, মাউস ইত্যাদি পরিষ্কার করতে পারেন৷ অন্যথায় অবশ্যই কেসিং খুলতে যাবেন না৷ ময়লা পরিষ্কার করতে কোনো ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করবেন না৷ শুকনো কাপড় ব্যবহার করুন৷ অথবা সামান্য ভিজিয়ে পুরো পানি নিংড়ে তারপর কী-বোর্ড বা মনিটরের কাভার পরিষ্কার করতে পারেন৷ কখনোই মনিটরের স্ক্রিনে পানি বা অন্যকোনো তরল লাগাতে যাবে না৷ এটি পরোক্ষভাবে সেটাকে ক্ষতি করে৷ আঙ্গুলের দাগ লাগলে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছতে পারেন৷

হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারের যত্ন অনেক নিলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়অনেক সময় আমাদের চোখ এড়িয়ে যায় যেটার কারণে অনেক সময়েই আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়৷ পাওয়ার সাপ্লাইটি ভালো হওয়া খুব জরুরী৷ আমাদের দেশে অনেক এলাকায়ই বিদু্যত্‍ খুব বেশি উঠানামা করে যেটি কম্পিউটারের জন্যখুবই ক্ষতিকর৷ এজন্য একটি ভালো স্ট্যাবিলাইজার থাকাটা জরুরি৷ তবে তারচেয়েও আরেকটি বিষয় জরুরি সেটা হলো আর্দিং রাখা৷ খুব সহজেই ইলেকট্রিশিয়ান ডেকে আপনার কম্পিউটার লাইনটির আর্দিং আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিতে পারে৷ আর্দিং না থাকার কারণে দেখা যায় অনেক সময় কোনো কোনো হার্ডওয়্যার সমস্যা হতে পারে, হার্ডডিস্ক বা মাদারবোর্ড ক্ষতিগ্রস্থও হতে পারে৷ প্রধান পাওয়া সোসর্সে ভালো সার্কিট ব্রেকার রাখুন যা অধিক ভোল্টেজ থেকে আপনার পিসি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ রক্ষা করবে৷ সার্কিট ব্রেকারের তার যেন বেশি মোটা (বা বেশি সরু)না হয় যেটা অনেক ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে যার ফলে বিদু্যত্‍ খুব বেশি বেড়ে গেলে সঠিকভাবে কাজ করে না৷



=> কেসিং-এর পাওয়ার সাপ্লাইটি চেক করুন এখানে সমস্যা থাকতে পারে৷
=>
কেসিংয়ের পাওয়ার সুইচের সাথে মাদারবোর্ডের যে সংযোগ সেটি ঠিক আছে কিনা চেক করুন৷
অনেক সময় বিদু্যত্‍ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে আবার ফিরে আসার পরে পাওয়ার আসে না৷ এর কারণ মাদারবোর্ডের পাওয়ার ক্যাপাসিটর ঠিকমতো ডিসচার্জ/নিউট্রাল না হওয়া৷ এজন্য আপনি পরবর্তীতে পাওয়ার অন করার পূর্বে পাওয়ার সাপ্লাই থেকে পাওয়ার কর্ডটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন করে নতুন করে সংযোগ দিন৷

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের এ ধরনের সমস্যায় প্রায়ই পড়তে হয়৷ বিভিন্ন কারণে কম্পিউটারে পাওয়ার দেওয়ার পর হার্ডডিস্ককে কম্পিউটার ডিটেক্ট করতে পারে না৷
সমস্যার সম্ভাব্য কারণসমূহ:
১. ভালোভাবে লক্ষ্য করুন হার্ডডিস্কের সাথে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাই থেকে আসা পাওয়ার কর্ডটি ঠিকমতো সংযুক্ত আছে কি-না৷
২. হার্ডডিস্কটির সাথে মাদার বোর্ডের আইডিই বাস ক্যাবল দ্বারা সঠিকভাবে সংযুক্ত আছে কি-না৷
৩. হার্ড ডিস্কের জাম্পার সেটিং ঠিক আছে কিনা ? এক্ষেত্রে হার্ডডিস্কের জাম্পার দুইভাবে সেট করা যায় একটি মাস্টার সেটিং অন্য স্লেভ সেটিং৷
৪. হার্ড ডিস্কটি মাদারবোর্ডের সাথে প্রাইমারি না সেকেন্ডারি হিসেবে সংযুক্ত নিশ্চিত হোন৷
৩ ও ৪ নং কনফিগারেশরনের জন্য যদি একই সেটিংসে একাধিক IDE Device (CD ROM, HDD) থাকে তবে তা পাওয়া নাও যেতে পারে- যেমন দেখা গেল যে একটি HDD ও একটি CD Rom উভয়েই Secondary master হিসেবে কনফিগার করা৷ এক্ষেত্রে দুটি Device-এর কোনো একটি নাও পাওয়া যেতে পারে৷
৫. BIOS-এ IDE অটো ডিটেক্ট অপশনটি ডিজেবল থাকলে তা ৪টি IDE ডিভাইসের জন্য এনাবল করতে হবে নতুবা ম্যানুয়ালি HDD কে ডিটেক্ট করিয়ে দিতে হবে৷

সাধারণ উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ২০০০ কিংবা এনটি উইন্ডোজ সমূহে এ সমস্যাটি হয়ে থাকে৷ এ সমস্যাটি একবার হয়ে গেলে নতুন করে উইন্ডোজ লোড দেয়া ছাড়া উপায় নেই৷ বরং হওয়ার আগেই একটি Boot Floppy তৈরি করে তাতে সিস্টেম ড্রাইভ হতে (যে ড্রাইভে উইন্ডোজ লোড থাকে) Folder option-এ গিয়ে Show all file option টি Enable এবং Hide protected file চেক বক্স হতে Check উঠিয়ে boot.ini; ntdetect.com; ntldr ফাইল তিনটি কপি করে boot floppy তে রেখে দিন৷ পরবর্তীতে সমস্যা হলে boot floopy দিয়ে মেশিন বুট করে সিস্টেম ড্রাইভে ফাইল তিনটি আবার কপি করে রাখুন৷
সাধারণত HDD তে Bad Sector থাকলে কিংবা সংযোগ ব্যবস্থা পরিবর্তন করলে কিংবা ভাইরাস জনিত কারণে এ সমস্যা হতে পারে৷

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ মোডে চালু হয়৷ সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ বলা যেতে পারে ‘বিপদকালীন‘ অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট করে দেখা যেতে পারে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয় কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷ কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ ২০০০/এক্সপি/২০০৩ চালু হওয়ার সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পরে৷ তবে আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷

শুরুতেই ‘One or more services failed to start এ ধরনের বার্তা :
সাধারণ উইন্ডোজ ২০০০ বা এক্সপি হতে এ ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়৷ এর কারণ হলো উইন্ডোজ লোডিং এর সময় বেশ কিছু Service কে Start করে৷ যদি কোনো Service start হওয়ার জন্য ঠিক মতো কনফিগার করা না থাকে তবেই এই মেসেজ দিতে পারে৷
করণীয় : এই সমস্যা সমাধানের জন্য আপনি কন্ট্রোল প্যানেলের এডমিনিস্ট্রেটিভ টুলস এর Service-এ যান এখানের অপ্রয়োজনীয় Service গুলো Stop অথবা manual করে দিন৷ তবে যদি এ সমন্ধে ধারণা না থাকে তবে তা পরিবর্তন না করাই ভালো৷ উল্লেখ্য Startup-এ প্রাপ্ত মেসেজটি OK করলেই চলে যায় এটি তেমন সমস্যা করে না৷ আরেকটি কারণে এ সমস্যা হতে পারে আর সেটি হলো যদি আপনার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ক কার্ড (LAN) থাকে এবং তাতে IP Configure করা থাকে কিন্তু LAN Card টি Disconnected থাকে৷ এক্ষেত্রে সে Network Service চালু করতে না পেরে এই মেসেজ দেয়৷ সেজন্য LAN Card টি Hub বা অন্য পিসি‘র সঙ্গে সঠিকভাবে কানেক্ট করে দিন৷
  
এসব ক্ষেত্রে যে সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের যে ভার্সনে কম্প্যাটিবল সেটি চালানো উচিত৷ সাপোর্ট করে না এমন সফটওয়্যার চালালে উইন্ডোজের ক্ষতি হতে পারে৷ সেক্ষেত্রে উইন্ডোজের জন্য Supported Version খুঁজে বের করে তা চালালেই চলবে৷ কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে কিছু কিছু গেম ও সফটওয়্যার Win98-এ চলছে কিন্তু Win2000-এ চলছে না৷ এক্ষেত্রে ঐ সফটওয়্যার ও গেমগুলোর ডস কম্প্যাবিলিটির কারণেই এই সমস্যা৷ ডস ছাড়া ঐগুলো চলবে না৷


উইন্ডোজ ৯৮-এ সাপোর্ট করে কিন্তু উইন্ডোজ ২০০০-এ চলছে না- এমন হার্ডওয়্যার :
এক্ষেত্রে মূল সমস্যা হলো ঐ হার্ডওয়্যারগুলোর ড্রাইভার সফটওয়্যার যা Win98-এর জন্য ডেভেলপ করা হয়েছে কিন্তু Windows 2000-এর জন্য নয়৷ এক্ষেত্রে অনলাইন হতে সঠিক ড্রাইভার সফটওয়্যারটি পাওয়া গেলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে৷

ড্রাইভার সাইনিং নিয়ে বিপত্তি :
Driver Signing-এর ব্যাপারটি হলো প্রতিটি Hardware-এর ই একটি Digital Signature থাকে যা প্রতিটি ওএস-এর জন্য ভিন্ন৷ এই ডিজিটাল সিগনেচার দ্বারা বোঝা যায় যে হার্ডওয়্যারটি পুরোপুরি ঐ ওএস সাপোর্টেড কিনা৷ Control panel-system-Hardware-এ Driver Signing Button-এ ক্লিক করলে তিন ধরনের অপশন পাওয়া যাবে৷ ১. Ignore, ২. Warn (Default) ও Block

গ্রাফিক্স কার্ড ট্রু কালার দেখাচ্ছে না :
গ্রাফিক্স কার্ডের কালার সেটিং অপশনটি আপনি ডেস্কটপে রাইট মাউস ক্লিক করে প্রোপার্টিজ-এর সেটিং ট্যাবে Color setting ও Screen area হতে নির্ধারণ করতে পারেন৷ কিন্তু যদি এখানে True Color অপশনটি না আসে তাহলে বুঝতে হবে যে আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের ড্রাইভারটি ঠিকমতো লোড হয়নি অথবা আপনার কম্পিউটারটি নরমাল মুডে চলছে না৷ যদি গ্রাফিক্স কার্ডটি ঠিকমতো ইনস্টল না হয় তবে Setting Tab-এর Advance Button-এ ক্লিক করুন৷ এবার Adapter Tab হতে Change বাটনে ক্লিক করে পুনরায় গ্রাফিক্স এর ড্রাইভারটি চিনিয়ে দিন- এক্ষেত্রে গ্রাফিক্স কার্ডের ড্রাইভারের সিডিটি প্রয়োজন হতে পারে৷


কম্পিউটারে পাওয়ার দেয়া মাত্র তা কিছু Indicating Beep দিয়ে থাকে যা দ্বারা বোঝা যায় কম্পিউটারের অবস্থা৷ নিচে এগুলো উল্লেখ করা হলো৷
Beep
সংখ্যা-১ : কেসিংয়ে অভ্যন্তরীন সমস্ত PCI, ISA (পেরিফেরাল), কী-বোর্ড, মাউস, র্যাম ও প্রসেসর মাদার বোর্ডের সহিত সঠিকভাবে সংযুক্ত আছে৷
কম্পিউটার চালু হতে কোনো সমস্যা হলে তা হলো HDD, Floppy, CD ROM Drive এবং মনিটরের সংযোগ সমস্যা হতে পারে৷ সেগুলো খেয়াল করুন৷
Beep
সংখ্যা ২, ৩ ও ৪ : রেম সঠিকভাবে রেম স্লটে সংযুক্ত হয়৷ রেমটি খুলে নতুন করে সংযোগের চেষ্টা করে দেখুন৷
Beep
সংখ্যা ৫ : সব কার্ড মাদার বোর্ডে ঠিকমতো লাগানো আছে কি-না দেখুন৷
Beep
সংখ্যা ৬ : মাদার বোর্ডে কী-বোর্ড সংযোগ স্থলে সমস্যা৷
Beep
সংখ্যা ৭ : প্রসেসর সমস্যাযুক্ত অথবা প্রসেসর সংযোগে সমস্যা৷
Beep
সংখ্যা ৮ : ভিডিও কার্ড কাজ করছে না অথবা সংযোগ সমস্যা৷
Beep
সংখ্যা ৯ : এটি খুব বিরল এবং ভয়ানক এটি নির্দেশ করে আপনার মাদার বোর্ডের বায়োসটি খারাপ হয়ে থাকতে পারে৷
Beep
সংখ্যা ১০ : এটিও পূর্বের মতো বিরল৷ এটি নির্দেশ করে যে আপনার মাদার বোর্ডের CMOS Chip টি নষ্ট যা বায়োস এর সেটআপকে সেভ রাখে৷

কী-বোর্ড যদি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত না থাকে তবে কম্পিউটারই চালু হবে না৷ এ ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে৷ কী-বোর্ডে আরেকটি সমস্যা হলো যে বাটনে যা আসার কথা তা না এসে বিচিত্র আচরণ করছে- এক্ষেত্রে আপনি কন্ট্রোল প্যানেলে কী-বোর্ড থেকে ল্যাঙ্গুয়েজ ট্যাবে যান৷ লে-আউট ইউনাইটেড স্টেট সিলেক্ট করুন যদি তা না থাকে তবে add এর মাধ্যমে united states (101) ইনস্টল করে নিন৷ মাউসের সমস্যাগুলোর মধ্যে প্রথমটিই হলো সংযোগ ঠিক থাকা সত্ত্বেও মাউস না পাওয়া৷ এক্ষেত্রে কী-বোর্ডের মাধ্যমে Start-Setting-Control Panel-এর মাধ্যমে সিস্টেম সিলেক্ট করে এন্টার প্রেস করুন৷ এখান থেকে Device manager/ Hardware ট্যাবে গিয়ে মাউস সিলেক্ট করে Properties-এ যান৷ এখান হতে update driver-এর মাধ্যমে Standard মাউসটি লোড করুন৷ এরপর আপনার কম্পিউটারটি রিস্টার্ট দিন৷ এখানে জেনে রাখা ভালো যে, Serial এর মাউস কম্পিউটার চালু অবস্থায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পুন সংযোগ দিলে তা পাওয়া যায় কিন্তু PS2-এ মাউসে কম্পিউটার Restart দিতে হয়৷

মেমোরি ডাম্প এরর :
হার্ডওয়ারগত কারণে যদি র্যামে সমস্যা হয় তবে উইন্ডোজ লোড হতে প্রয়োজনীয় মেমোরি স্পেস পায় না, যে কারণে Memory Dump সমস্যাটি দেখায়৷ কিন্তু উইন্ডোজ ২০০০-এ সমস্যাটির আধিক্য দেখা যায়৷ এর কারণ উইন্ডোজ ২০০০ তার প্রতিটি Hardware Configuration-এর তথ্য নিয়ে সেই অনুযায়ী লোড হয় এক্ষেত্রে RAM পরিবর্তন হলে বা উইন্ডোজের সমস্যার কারণে RAM Read করতে না পারলে এই সমস্যাটি দেখা যায়৷ উইন্ডোজ ২০০০ হলে এক্ষেত্রে তা নতুন করে ইনস্টল করাই শ্রেয়৷

বিভিন্ন কারণে এটি হতে পারে৷ যেমন-
১. RAM এ ত্রুটি
২. অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি
৩. ভাইরাসজনিত সমস্যা
এক্ষেত্রে ভাইরাস চেক করে নতুন করে OS লোড করুন৷ তাতেও সমাধান না হলে রেম চেঞ্জ করুন৷ তবে মাঝে মাঝে কোনো সফটওয়্যার সাপোর্ট না করলে তার মাধ্যমে কম্পিউটার অটোমেটিক্যালি রিবুট হয়৷ সেক্ষেত্রে সফটওয়্যারটি আনস্টল করে দিন৷

হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্ট সমস্যা :
এই সমস্যাটি হলে উইন্ডোজের শুরুতেই হয়৷ সাধারণত একাধিক হার্ডওয়্যার একই আইআরকিউ (IRQ) বা রিসোর্স ব্যবহার করলে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে৷ তবে একই আইকিউ ব্যবহার করলেই এমন সমস্যা অনিবার্য নয়৷ সাধারণ কোনো ডিভাইসের সমস্যার কারণে সেটি অন্য ডিভাইসকে কিছুটা প্রভাবিত করায় এই সমস্যা দেখা দেয়৷ কিংবা কোনো হার্ডওয়্যারের ড্রাইভার সফটওয়্যারটি পুরোপুরি আনইনস্টল না করে সেই হার্ডওয়্যারটি অপসারণ করে সেই স্লটে নতুন হার্ডওয়্যার স্থাপন৷ কিংবা ভিন্ন স্লটে স্থাপিত দুটি হার্ডওয়্যারের ড্রাইভার ইনস্টলের সময় তাদেরকে একই স্লট লোকেট করে দেয়ার জন্য অথবা প্রিন্টার সংযোগ একপোর্টে আর প্রিন্টারের ড্রাইভার অন্য পোর্টে ইন্সটল করলে হার্ডওয়্যার কনফ্লিক্ট হতে পারে৷ এজন্য হার্ডওয়্যার সংযোগ ব্যবস্থা খেয়াল করে সেই অনুযায়ী ড্রাইভার লোড করা উচিত৷ অবশ্য বর্তমানে Plug & Play হার্ডওয়্যারগুলোতে এই সমস্যা বিরল৷

অনেকক্ষণ সিডি ড্রাইভে সিডি রান করলে পিসি উত্তপ্ত হতে পারে৷ সাধারণত টানা ২-৩ ঘন্টা হার্ডডিস্ক চললে তা এমনিতেই উত্তপ্ত হয়৷ মনিটর আধা ঘন্টায় প্রচুর উত্তপ্ত হয়৷ এগুলো সাধারণ ঘটনা৷ এজন্য একই রুূমে অনেক পিসি চললে রুমটি এয়ার কন্ডিশড হওয়া বাঞ্চনীয়৷ এ ব্যাতিরেকেও যদি পিসি‘র কোনো একটি ডিভাইস অস্বাভাবিক উত্তপ্ত হয় তাহলে বুঝতে হবে সেটিতে বিশেষ সমস্যা আছে৷ সেটি বদলে ফেলুন অথবা কম্পিউটার প্রফেশনালের সাহায্য নিন৷ অনেকেই পুরাতন পিসিতে প্রসেসরের কুলিং ফ্যানটি পরিবর্তন করে বড় এবং নতুন ফ্যান লাগিয়ে থাকেন৷ বিষয়টি মন্দ নয়৷

উইন্ডোজ ৯৮-এ পেনড্রাইভ চালাতে সমস্যা :
সাধারণ মাদার বোর্ডের সাথে সংযুক্ত ইউএসবি পোর্টগুলোর ড্রাইভার উইন্ডোজ ৯৮-এ লোড হয় না বা আমরা মাদার বোর্ডের এজিপি ও সাউন্ড ছাড়া অন্য কোনো ডিভাইস লোড করি না৷ এজন্য ইউএসবি প্রিন্টার, স্ক্যানার ও পেন ড্রাইভ অটো ডিটেক্ট করে না৷ এ সমস্যা সমাধানের জন্য উইন্ডোজ ৯৮ লোড করার সাথে সাথে মাদারবোর্ডের সিডি হতে ইউএসবি পোর্টও লোড করে দিতে হবে৷
  
প্রথমে ডিভাইস ম্যানেজার থেকে নিশ্চিতভাবে সাউন্ড কার্ডের জন্য কোনো ড্রাইভার লোড করা আছে কি-না ? যদি সঠিক ড্রাইভার লোড করা থাকে তবে সাউন্ড আসার কথা৷ এ ক্ষেত্রে Control panel-এর Sound & Multimedia option হতে audio-তে গিয়ে দেখুন Volume mute করা কি-না৷ থাকলে তা উঠিয়ে দিন৷ এতেও যদি সাউন্ড না আসে তবে ড্রাইভার ভার্সনটি সঠিক নয়৷ কিংবা সাউন্ড কার্ড নষ্ট৷ এক্ষেত্রে সঠিক ড্রাইভার লোড করুন কিংবা সাউন্ড কার্ড পরিবর্তন করুন৷ কিন্তু আপনি যদি নিশ্চিত হন যে, ড্রাইভার ভার্সন এবং সাউন্ড কার্ড ঠিকই আছে সেক্ষেত্রে মাদাবোর্ডে ভিন্ন স্লটে সাউন্ড কার্ডটি সংযোগ করে দেখতে পারেন৷ এরপর দেখুন সাউন্ড কার্ডের সঠিক পোর্টে স্পিকার লাগানো আছে কি-না৷ আজকাল বেশিরভাগ মাদারবোর্ডেই সাউন্ড বিল্টইন থাকে৷ অনেকে ভালো
পারফরমেন্সের জন্য পিসিআই স্লটে উন্নত সাউন্ডকার্ড লাগিয়ে নেন৷ এতে লক্ষ রাখতে হবে মাদারবোর্ড কোনটি ব্যবহারের অপশন নির্বাচন করা হয়েছে৷ উইন্ডোজ ২০০৩ সার্ভারে বাই ডিফল্ট সাউন্ড অফ থাকে৷ শুরুতেই তা চালু করে নেয়া যেতে পারে৷ এজন্য কন্ট্রোল প্যানেল থেকে সাউন্ড অপশনটি সিলেক্ট করুন৷

অনেক গেইমই আপনার গ্রাফিক্স কার্ডকে সমর্থন করে না :
গ্রাফিক্স কার্ড কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোনো কোনো গেম চালাতে দেয় না৷ এক্ষেত্রে যে সমস্যাটি হয় তাহলো গ্রাফিক্স কার্ডের কালার সেটিং ও স্ক্রিন রেজুলেশন-এর সঙ্গে গেম-এর সেটিং খাপ খায় না৷ এক্ষেত্রে তা পরিবর্তন করে দেখতে পারেন৷ DirectX লোডিং এর মাধ্যমে DirectX Supported গেম খেলতে পারেন৷ কিন্তু আপনার গেমটি থ্রিডি হয় এবং আপনার গ্রাফিক্স কার্ড থ্রি ডি সাপোর্ট না করে সেক্ষেত্রে আপনি গেমসটি খেলতে পারবেন না৷ এখন বাজারে মোটামুটি সব গ্রাফিক্স কার্ডই থ্রি ডি সাপোর্টেড৷

হার্ডডিস্কে সাধারণত দুই ধরনের বেড সেক্টর পড়তে পারে৷ একটি Logical bad sector অন্যটি Physical bad sector৷ যদি হার্ড ডিক্স রীতিমতো স্ক্যান ও ডিফ্রাগমেনিক করা না হয় তবে হার্ডডিস্কের সিলিন্ডারের সেক্টর সমূহ পরস্পরের মধ্যকার লিংক হারিয়ে ফেলে৷ এতে করে ডাটা উদ্ধার অত্যনত্ম জটিল হয়ে পড়ে এবং ডাটা সেন্ডিং স্পিড কমে যায়- এক কথায় বলতে গেলে সেক্টর এড্রেসগুলো এলোমেলো হয়ে যায়৷ এ অবস্থাকে বলে Fragmentation৷ এ অবস্থায় আরো বেশি দিন চললে হার্ডডিস্কে লজিক্যাল ব্যাড সেক্টর পড়তে পারে এমনকি Hard disk Crash ও করতে পারে৷ নিয়মিত Scandisk, defragmenter চালানোর মাধ্যমে হার্ডডিস্ককে logical bad sector হতে রক্ষা করা যায়৷ এমনকি logical bad sector পড়লে Hard disk-এর ঐ ড্রাইভকে ফরম্যাট করলে logical bad sector দুর হবে৷ আর চলতে চলতে হঠাত্‍ বন্ধ বা পাওয়ার অফ হলে Read write head টি হঠাত্‍ ঘূর্ণায়মান সিলিন্ডারে উপর পড়ে ডিস্ক এ স্ক্যাচ ফেলতে পারে কিংবা অতিরিক্ত নাড়া চাড়া কিংবা পরিবহনের সময় ঝাঁকুনি হার্ডডিস্কের সিলিন্ডার আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারে বা হার্ডডিক্স পড়ে গেলে সিলিন্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে৷ এভাবে সিলিন্ডারে ফিজিক্যালি বেড সেক্টর পড়তে পারে৷ হার্ডডিস্ক কে সাবধানে হ্যান্ডেলিং করার মাধ্যমে একমাত্র
এটিকে রোধ করা সম্ভব৷ অসাবধানতা বশত যদি বেড সেক্টর পড়েই যায় তাহলে তা কোন অংশে পড়েছে স্ক্যানডিস্কের মাধ্যমে অনুমান সেই অংশটুকু করে Partition magic সফটওয়্যারের মাধ্যমে সেই অংশটুকু unallocated রেখে বাকি অংশ পার্টিশন করুন৷ তবে ঐ অংশে Bad sector আর বাড়বে না ও বিরক্তও করবে না৷

সাধারণ হার্ডডিস্ক ক্র্যাশ করলে ডাটা উদ্ধার সম্ভব হয় না৷ তার উপর হার্ডডিস্কে না বুঝে কোনো অপারেশন চালালে তা আরও ক্ষতির কারণ হতে পারে৷ এজন্য কোনো প্রফেশনালের সাহায্য নেয়াই ভালো৷ তারপরও যদি কিছু উদ্ধার করা যায় তাতে মন্দ কি ? তবে খেয়াল রাখবেন ক্রাস হওয়া হার্ডডিস্ক ভুলেও ফরমেট/পার্টিশন এর চেষ্টা করবেন না৷ যদি ডাটা উদ্ধার করতে চান৷ দু‘ভাবে হার্ডডিস্ক ক্রাস করতে পারে একটি সিলিন্ডার ক্র্যাস, অন্যটি সার্কিট ক্র্যাশ৷ যদি সিলিন্ডার ক্রাস করে তবে বুঝতে হবে এর মাস্টার বুট রেকর্ড এ কোনো সমস্যা আছে তা ঠিক করতে হবে৷ মাস্টার বুট রেকর্ড নিয়ে ফিচারের পরবর্তী অংশে আলোচনা রয়েছে৷ কিন্তু সার্কিট ক্রাস করলে সমমানের অন্য নষ্ট হার্ডডিস্ক থেকে একই সিরিয়াল সার্কিট খুঁজে বের করে তা রিপ্লেসের মাধ্যমে হার্ডডিস্কের সার্কিট ক্রাস রিপেয়ার সম্ভব৷ কিছু সফটওয়্যার যেমন Easy recovery pro একাজে সাহায্য করতে পারে৷

প্রিন্টার যখন ইউএসবি পোর্টের :
আমরা ফিচারের শুরুতে আলোচনা করেছি যে, ইউএসবি পোর্টে কোনো ডিভাইস সংযুক্ত করতে হলে মাদারবোর্ডের ড্রাইভার সিডি হতে ইউএসবি পোর্টে ইন্সটল করতে হবে৷ এরপর প্রিন্টারটি ইনস্টলের সময় পোর্ট হিসেবে ইউএসবি virtual printer port চিনিয়ে দিতে হবে৷
যদি আপনার কার্টিজ বা টোনারটি অনেক দিনের পুরাতন হয়, তবে কালি শেষ হয়ে গিয়েছে অথবা শুকিয়ে গিয়েছে৷ এক্ষেত্রে তা পরিবর্তন করুন৷ আর যদি তা নতুন হয়ে থাকে তবে প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডে ময়লা জমেছে, এক্ষেত্রে আপনি কন্ট্রোল প্যানেলে প্রিন্টারে প্রবেশ করে আপনার প্রিন্টারটি সিলেক্ট করুন এবং তার প্রোপ্রারটিজ হতে maintenance ট্যাবে গিয়ে ক্লিনিং অপারেশনগুলো সম্পন্ন করুন৷ এজন্য প্রিন্টার কিছু ডিফল্ট মেইনটেনেন্স পেজ প্রিন্টিং করবে৷ তাই প্রিন্টারে কাগজ দিন৷

নেটওয়ার্ক ব্রাউজিং এ বাধ সাধছে ফায়ারওয়াল ও এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার :
অতিরিক্ত ফায়ারওয়াল ও এন্টিভাইরাসের নিরাপত্তার কারণে অনেক সময় নেটওয়ার্ক ব্রাউজিং দুরূহ হয়ে পড়ে৷ যেমন অন্য কম্পিউটারের শেয়ার পাওয়া যায় না, প্রিন্টিং করা যায় না?, ইন্টারনেট ব্রাউজিং-এ অতিরিক্ত সিকিউরিটি এলার্ট আসে৷ কোনো কোনো পেজ ওপেনই হয় না৷ এক্ষেত্রে ফায়ারওয়ালের কনফিগারেশন ডিফল্ট ভাবে হাই, মিডিয়াম বা লো যাই থাকুক না কেন তার কোনোটাই সিলেক্ট না করে বুঝে শুনে নিজের প্রয়োজন মতো কাস্টমাইজ কনফিগার করলে এ সমস্যা হতে রেহাই পাওয়া যাবে৷
কম্পিউটার ব্যবহারে হোন সচেতন৷ ব্যবহার করুন কিছু প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার :
ধরুন আপনার কম্পিউটারে রেমটি ঠিকমতো কাজ করছে কি-না কিংবা হার্ডডিস্ক ঠিক আছে কি-না এ ব্যাপারে নিশ্চিত হবেন কি করে ? :
Tuffest pro নামক সফটওয়্যারটি ব্যবহার করুন৷ সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি বুট ফ্লপিতৈরি করে মেশিন বুটিং এর মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার কম্পিউটারের র্যাম, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি ডিভাইস পরীক্ষা করতে পারবেন৷
এক্ষেত্রে যে বিষয়টি লক্ষণীয় এমবিআর সমস্যা হলে কোনোভাবেই হার্ডডিস্কের অন্যান্য পার্টিশন রিড করা যাবে না৷ fdisk/ Partition  magic সফটওয়্যার এক্ষেত্রে কোনো উপকার দিবে না৷ এক্ষেত্রে আপনার বন্ধু হলো উইন্ডোজ ২০০০-এর Bootable CD৷ সিডিটি রান করুন- এক পর্যায়ে সে আপনার হার্ডডিস্কটি শো করবে৷ তখন Existing সমস্ত Partition মুছে F3 দিয়ে বের হোন এবং উইন্ডোজ ২০০০-এ বুট সিডিটি বের করে আনুন৷ এবার উইন্ডোজ ৯৮-এর Bootable CD টি প্রবেশ করিয়ে A:> প্রম্পট বুট করুন৷ A:> প্রম্পট পেলে সেখানে নিম্নোক্ত কমান্ডটি লিখুন fdisk./mbr৷ ব্যাস, আপনার হার্ডডিস্ক হতে নতুন করে mbr লোড হবে৷ এবার নতুন করে মনের মতো পার্টিশন করে নিন৷
‘কিছুদিন পরপর পিসি স্লো হয়ে যায়‘ :
হঁ্যা, পিসি স্লো হবার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ সঠিকভাবে ব্যবহার না করা৷ পিসি‘র গতি এর হার্ডওয়্যার কনফিগারেশনের ওপর যেমন নির্ভর করে, তেমনি এর সফটওয়্যার কনফিগারেশনও মেনটেন্সেও প্রভাবিত করে এর গতিকে৷ পিসি‘র পারফরমেন্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপরেও নির্ভরশীল৷ সাধারণত দেখা যায়, নতুন উইন্ডোজ ইন্সটল করার পরে পিসি‘র গতি সর্বোচ্চ থাকে৷ এরপর ধীরে ধীরে গতি অপেক্ষাকৃত শ্লো হয়ে যায়৷ এর কারণ প্রয়োজনের বেশি সফটওয়্যার ইন্সটল করা৷ প্রয়োজন না হলে বেশি সফটওয়্যার ইন্সটল করে মেমোরির ওপর চাপ বাড়ানো নিষপ্রয়োজন৷ অনেক সফটওয়্যার আছে যেগুলো সরাসরি সামনাসামনি না চললেও নেপথ্যে বিভিন্ন সার্ভিস চালু করে রাখে৷ এ প্রসঙ্গে বিভিন্ন ডাটা বেইজ সার্ভার, এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম ইত্যাদির কথা বলা যেতে পারে৷ এগুলো পিসি‘র গতিকে অনেকাংশে ধীর করে দেয়৷
=> প্রতিদিন একবার স্ক্যান ডিস্ক চালান এবং সপ্তাহে একবার ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করুন৷ যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনস্টল করছেন তার আকার কমপক্ষে ৩ গিগাবাইট রাখুন এটি শুধু সিস্টেম বুট ড্রাইভ হিসেবে কাজ করবে৷
=>
উইন্ডোজ ব্যাতীত কোনো সফটওয়্যার, ব্যাকআপ, গেম, গান ইত্যাদি সিস্টেম ড্রাইভে না রাখাই ভালো৷ অনেকেই ওয়ালপেপার আইকন ইত্যাদির ব্যাপারে বেশ সৌখিন৷ ওয়ালপেপার ঘন ঘন পরিবর্তনের জন্য সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন অনেকে৷ এগুলো পিসির গতিকে প্রভাবিত করে৷ ডেস্কটপে বেশি আইকন না রাখাই ভালো৷
=>
সিস্টেম ড্রাইভে সফটওয়্যার ইন্সটল না করে অন্য একটি ড্রাইভে করুন এতে পিসির গতি ভালো থাকবে৷ এজন্য একটি পৃথক ড্রাইভতৈরি করে নিতে পারেন৷
=>
উইন ২০০০/এক্সপি-এর জন্য কিছুদিন পরপর অপ্রয়োজনীয় ইউজার প্রোফাইল মুছে দিন৷ এজন্য কন্ট্রোল প্যানেল থেকে সিস্টেমে গিয়ে উইন্ডোজ ২০০০ এর প্রোপাইল ট্যাব ও উইন এক্সপি এর জন্য এডভান্স ট্যাব হতে ইউজার প্রোপাইলে গিয়ে ইউজারটি সিলেক্ট করে মুছে দিন৷ তার আগে মাই ডকুমেন্টে ও ডেস্কটপ হতে প্রয়োজনীয় ফাইল অন্যত্র সরিয়ে ব্যাকআপ করুন৷
=>
বায়োস ও বুট প্রোপ্রাটিজ-এ সিস্টেম ড্রাইভকে সব সময় প্রথমে রাখুন৷ যে-কোনো সফটওয়্যারের আপডেট ও ফুল ভার্সন ব্যবহার করুন৷ কোনো ক্রমেই বেটা ভার্সন ব্যবহার করবেন না৷ সফটওয়ারের ক্র্যাক ভার্সন অনলাইনে বিভিন্ন ক্র্যাক সাইট হতে ডাউন লোড করতে পারবেন৷ নতুবা অরিজিনাল রেজিস্টার্ড ভার্সন ব্যবহার করতে হবে৷ নিয়মিত উইন্ডোজ আপডেট করুন৷ উইন্ডোজের সার্ভিস রেক ব্যবহার করুন৷
=>
যারা বাসায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন তাদের অবশ্যই এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত৷ সফটওয়্যারটি কোন ভার্সন তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এর ভাইরাস ডেফিনেশন ফাইলটি আপটুডেট কিনা৷ ইন্টারনেট থেকে নিয়মিত আপডেট ডাউনলোড করুন৷ ইন্টারনেট ব্যবহারে সংযত হওয়া উচিত৷ অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার একদিকে যেমন সময়ের অপচয় তেমনি অন্যদিকে কম্পিউটারের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে৷ সাধারণত পর্নো সাইটগুলো ভাইরাসের আখড়া যা শুধু আপনার কম্পিউটারেই নয়, নেটওয়ার্কের মধ্যে ছড়িয়ে গিয়ে পুরো সিস্টেমকেই বিকল করে দিতে পারে৷
পিসি মেইনটেনেন্স ও ভাইরাস প্রোটেকশনের জন্য অনেক সফটওয়্যার রয়েছে৷ তবে নাম না জানা সফটওয়্যার ব্যবহার না করাই ভালো৷ কেননা মেইনটেনেন্স সফটওয়্যারগুলো সিস্টেম লেভেলে কাজ করে৷ কাজেই উন্নতমানের সফটওয়্যার না হলে তা ভালোর চেয়ে খারাপই করতে পারে৷ নর্টনের এন্টিভাইরাস ও পিসি মেইনটেনেন্স সফটওয়্যারগুলোর খ্যাতি একাজে সুবিদিত৷
=>
বৈদু্যতিক সমস্যা : বৈদু্যতিক সমস্যা অনেক সময় কম্পিউটারের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়৷ হঠাত্‍ ভোল্টেজ ফ্লাকচুয়েশন হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টরের কারণ হতে পারে৷ ভোল্টেজ আপডাউনের সমস্যা থাকলে অবশ্যই ইউপিএস ব্যবহার করুন৷
>
হারিয়ে যাওয়া ডাটা পুনরায় ইজি রিকভারি সফটওয়্যারটি ব্যবহার করুন৷
>
এন্টিভাইরাস হিসেবে ম্যাকফি, নরটন কিংবা পিসিসিলন ব্যবহার করুন৷
>
ফায়ারওয়াল হিসেবে ম্যাকাফি, নরটন কিংবা সিগেট ব্যবহার করতে পারেন৷
>
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের জন্য Flash Player 7, Acrobat, ACDsee, Microsoft word, Excel, real player, avi code সফটওয়্যারগুলো ইনস্টল করুন৷
> Taskbar, System tray
ও Startup-এ যতটুকু সম্ভব কম সফটয়্যার রাখুন৷

ইন্টারনেট হতে সংগ্রহীত ……।

কম্পিউটার শুরুতে বীপ শব্দ করছে

কম্পিউটারে পাওয়ার দেয়া মাত্র তা কিছু Indicating Beep দিয়ে থাকে যা দ্বারা বোঝা যায় কম্পিউটারের অবস্থা৷ নিচে এগুলো উল্লেখ করা হলো৷
Beep
সংখ্যা-১ : কেসিংয়ে অভ্যন্তরীন সমস্ত PCI, ISA (পেরিফেরাল), কী-বোর্ড, মাউস, র্যাম ও প্রসেসর মাদার বোর্ডের সহিত সঠিকভাবে সংযুক্ত আছে৷
কম্পিউটার চালু হতে কোনো সমস্যা হলে তা হলো HDD, Floppy, CD ROM Drive এবং মনিটরের সংযোগ সমস্যা হতে পারে৷ সেগুলো খেয়াল করুন৷
Beep
সংখ্যা ২, ৩ ও ৪ : রেম সঠিকভাবে রেম স্লটে সংযুক্ত হয়৷ রেমটি খুলে নতুন করে সংযোগের চেষ্টা করে দেখুন৷
Beep
সংখ্যা ৫ : সব কার্ড মাদার বোর্ডে ঠিকমতো লাগানো আছে কি-না দেখুন৷
Beep
সংখ্যা ৬ : মাদার বোর্ডে কী-বোর্ড সংযোগ স্থলে সমস্যা৷
Beep
সংখ্যা ৭ : প্রসেসর সমস্যাযুক্ত অথবা প্রসেসর সংযোগে সমস্যা৷
Beep
সংখ্যা ৮ : ভিডিও কার্ড কাজ করছে না অথবা সংযোগ সমস্যা৷
Beep
সংখ্যা ৯ : এটি খুব বিরল এবং ভয়ানক এটি নির্দেশ করে আপনার মাদার বোর্ডের বায়োসটি খারাপ হয়ে থাকতে পারে৷
Beep
সংখ্যা ১০ : এটিও পূর্বের মতো বিরল৷ এটি নির্দেশ করে যে আপনার মাদার বোর্ডের CMOS Chip টি নষ্ট যা বায়োস এর সেটআপকে সেভ রাখে৷

আপনার কম্পিউটারকে Apple Mac এর মত করে ফেলুন খুব কম সময়ে।

নামঃ Glass Skin Pack 1.0 for Windows 7 x86/x64 ।
Screenshot:
 আপনার কম্পিউটারকে Apple Mac এর মত করে ফেলুন খুব কম সময়ে।
 আপনার কম্পিউটারকে Apple Mac এর মত করে ফেলুন খুব কম সময়ে।
ডাউনলোড ৩২ বিট
ডাউনলোড ৬৪ বিট

শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১২

বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন?

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর সস্বাধীনতা লাভের পর কিছু সময় পাকিস্তানী ১, ৫ এবং ১০ রূপী ব্যবহৃত হয় যা পরের দিকে সরকার বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ প্রথম নোট চালু হয়। প্রথমে ১, ৫, ১০ এবং ১০০ টাকার নোট ছাপা হয়। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত যতগুলো নোট এবং কয়েন বাজারে ছাড়া হয়েছে তার সচিত্র ইতিহাস তুলে ধরা হলঃ
এক টাকাঃ
বাংলাদেশ   সস্বাধীনতা লাভের পর কিছু দিন পাকিস্তানী ১ রূপী প্রচলিত ছিলঃ
TUSHARZIA 1244479258 1 1971 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ বাংলাদেশী ১ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244479476 1 1972 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
১৯৭৩ সালের ২রা মার্চ প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক সম্বলিত ১ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244483736 1 1973.1 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
এরপর ১৯৭৩ সালের ১৮ই ডিসেম্বর পুনরায় আরেকটি ১ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244484018 1 1973.2 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর “রয়েল বেঙ্গল টাইগার”-এর জলছাপ সম্বলিত ১ টাকার নোট ইস্যু হয়। এরপর আর কোন ১ টাকার কাগুজে নোট ইস্যু হয়নিঃ
TUSHARZIA 1244484259 1 1979 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
মাঝে ১৯৭৫ সালে “নিকেল-কপার” দ্বারা তৈরী ১ টাকার কয়েন ইস্যু হয়েছিলঃ
TUSHARZIA 1244484570 1 C.1975 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
এরপর ১৯৯৩ সালের ৯ই মে পুনরায় ১ টাকার কয়েন ইস্যু হয়। পরবর্তীতে এর আকৃতি এবং রঙ ৩ বার পরিবর্তন করা হয়ঃ
 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
বিভিন্ন সময়ে ইস্যুকৃত ১ টাকার কয়েনঃ
TUSHARZIA 1244484940 2 C.ALL YER বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
দুই টাকাঃ
১৯৮৮ সালের ২৯ই ডিসেম্বর দ্বিতীয় “সরকারী নোট” ২ টাকা ইস্যু হয়। এরপর আর কোন ২ টাকার কাগুজে নোট ইস্যু হয়নিঃ
TUSHARZIA 1244485362 1 1988 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পরবর্তীতে ২০০৪ সালে “স্টীল”-এর তৈরী ২ টাকার কয়েন ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244485568 2 coin বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পাঁচ টাকাঃ
১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ প্রথম ৫ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244485868 1 1972 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালের ১লা সেপ্টেম্বর এবং ১৯৭৪ সালে “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান” – এর ছবি সম্বলিত আরো দু’টি নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244486210 1 1973 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
TUSHARZIA 1244486241 2 1974 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
১৯৭৬ সালের ১১ই অক্টোবর “তারা মসজিদ”-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244486447 1 1976 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
১৯৭৮ সালের ২রা মে “তারা মসজিদ”-এর পরিবর্তে “কুসুম বাগ মসজিদের মেহরাব”-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244486705 2 1978 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
২০০৬ সালের ৮ই অক্টোবর, ১৯৭৮ সালের নোটটি ইস্যু হয়। পার্থক্য হল নোটটিতে ৩মিমি চওড়া নিরাপত্তা সূতা ব্যবহার করা হয়ঃ
TUSHARZIA 1244487098 2 2006 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
মাঝে ১৯৯৩ সালের ১লা অক্টোবর ৫ টাকার কয়েন ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244487258 1 C.1993 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
দশ টাকা
১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ প্রথম ১০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244487558 1 1972.1 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ২রা জুন এবং ১৯৭৩ সালের ১৫ই অক্টোবর “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান” – এর ছবি সম্বলিত আরো দু’টি নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244487736 2 1972.2 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
TUSHARZIA 1244487777 3 1973 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
১৯৭৬ সালের ১১ই অক্টোবর “তারা মসজিদ”-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244487987 1 1976 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালের ৩রা আগস্ট এবং ১৯৮২ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর “আতিয়া জামে মসজিদ” -এর ছবি সম্বলিত ভিন্ন দু’টি নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244488314 1 1978 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
TUSHARZIA 1244488362 2 1982 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
১৯৯৭ সালের ১১ই ডিসেম্বর “লালবাগ কেল্লা মসজিদ”-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244488544 3 1997 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
২০০০ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়া থেকে ১০ টাকার পলিমার নোট তৈরী করে আনা হয় যা বাংলাদেশের জন্য ব্যবহারের অনুপযোগীঃ
TUSHARZIA 1244488791 2 2000 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
২০০২ সালের ৭ই জানুয়ারী ১০ টাকার আরেকটি নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244489044 1 2002 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২১ই সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা উপাদান বাড়িয়ে পুনরায় আগের নোটটি ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244489238 2 2006 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
বিশ টাকাঃ
১৯৭৯ সালের ২০ই আগস্ট প্রথম ২০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244489427 1 1979 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পরবর্তীতে হলগ্রাফিক নিরাপত্তা সংযুক্ত করে ২০০২ সালের ১৩ ই জুলাই পুনরায় আগের নোটটি ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244489660 1 2002 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পঞ্চাশ টাকা
১৯৭৬ সালের ১লা মার্চ প্রথম ৫০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244490122 1 1976 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
১৯৭৯ সালের ৪ঠা “তারা মসজিদ”-এর পরিবর্তে “ষাট গুম্বুজ মসজিদ”-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244490354 1 1979 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
১৯৮৭ সালের ২৪ই আগস্ট প্রথমবারের মত “স্মৃতিসৌধ”-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244490620 1 1987 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
এরপর ১৯৯৯ সালের ২২ই আগস্ট এবং ঈষৎ পরিবর্তন করে ২০০৩ সালের ১২ই মে একই নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244490881 1 1999 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
TUSHARZIA 1244490939 2 2003 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
একশ টাকাঃ
১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ প্রথম ১০০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244491195 1 1972.1 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
১৯৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান” – এর ছবি সম্বলিত এবং ১৯৭৬ সালের ১লা মার্চ “তারা মসজিদ”-এর ছবি সম্বলিত দু’টি একই ডিজাইনের নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244491509 1 1972.2 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
TUSHARZIA 1244491552 2 1976 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
১৯৭৭ সালের ১৫ই ডিসেম্বর সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইনের ১০০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244491797 1 1977 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
২০০১ সালের ১৫ই মার্চ optical variable ink (ovi) ব্যবহার করে নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244492077 1 2001 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
২০০২ সালের ৫ই জুন “স্মৃতিসৌধ”-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244492280 1 2002 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
২০০৫ সালের ২৮শে জুলাই পূর্বের ১০০টাকার “100″ শব্দটিকে সোনালী রঙে পরিবর্তন করা হয়ঃ
 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পাঁচশত টাকাঃ
১৯৭৬ সালের ১৫ই ডিসেম্বর প্রথম ৫০০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244492732 2 1976 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
পরবর্তীতে ডিজাইনে ব্যপক পরিবর্তন এনে ১৯৯৮ সালের ২রা জুলাই আরেকটি নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244492917 1 1998 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
২০০০ সালের ১০ই আগস্ট “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান” – এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244493058 2 2000 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
২০০২ সালের ১৭ই জুলাই “স্মৃতিসৌধ”-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ
TUSHARZIA 1244493256 2 2002 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !
২০০৪ সালের ২৪ই অক্টোবর পূর্বের নোটের “৫০০” এর পরিবর্তে “পাঁচশত টাকা” শব্দে optical variable ink (ovi) ব্যবহার করে নোট ইস্যু হয়ঃ
 বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস জানেন? না জানলে দেখতে পারেন !