শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৩

ফেসবুক সৃষ্টির ইতিহাস ও অনেক অজানা তথ্য

ফেসবুক ডট কম। কে না চিনে? যে ফেসবুক চিনে না সে কোনদিন এই লেখা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবেনা বলে আমার ধারনা।
যাই হোক, ফেসবুক হলো সোশিয়াল নেটওয়ার্ক জায়ান্ট। নয় গুগল পেজ র‍্যাঙ্ক নিয়ে এলেক্সা ডট কমের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্বের ২য় বৃহত্তম সাইট। মাঝ খান দিয়ে একবার অনেক দিন বিশ্বের এক নাম্বার সাইট ছিলো।
ফেসবুক প্রথম পাতাফেসবুক প্রথম পাতা
ফেবুকের ইতিহাস সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি জানি। তবে আজকে একটু গভীরভাবে জানবো।
১৯৮৪ সালে নিউ ইয়র্কে জন্ম নেওয়া কম্পিউটার প্রোগ্রামার মার্ক জুকারবার্গ ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেন ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে। ২০০৪ হলো ফেবুকের প্রতিষ্ঠা সাল। আমরা তার একটু আগে ফিরে যাবো।
মার্ক জুকারবার্গ ও ফেসবুক মার্ক জুকারবার্গ ও ফেসবুক
২০০৩ সালের ২৮ অক্টোবর মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ ফেসম্যাশ ডট কম নামে একটি সাইট প্রতিষ্ঠা করে। এই ফেসম্যাশ সাইটের কাজ খুব একটা ভালো কিছু ছিলোনা। এই সাইটে দুইটা ছবি পাশাপাশি রাখা হত। এই দুই ছবি থেকে ভিজিটররা কে “হট” আর কে “হট না/নট” তা তুলনা করতো।
এই রকমঃ
FaceMash-mark-zuckerberg
মার্ক জুকারবার্গ খুব ভালো কম্পিউটার প্রোগ্রামার স্কুল থেকেই ছিলেন, মানে আছেন এখনো। পরে তিনি হার্ভার্ড কলেজে ভর্তি হন। ফেসম্যাশ সেই সময়কার কথা। হার্ভার্ড কলেজের ডাটাবেজ হ্যাক করে স্টুডেন্টদের ছবি নিয়ে তা ফেসম্যাশে ব্যবহার করে ভিজিটরদের “হট” অথবা “নট” বের করার সুযোগ দেন।
পরে কলেজের স্টুডেন্টরা এই সাইট বন্ধ করতে তাকে বাধ্য করে। এ ব্যপারে মার্ক জুকারবার্গ বলেছিলো;
“ একটা ব্যপার পরিষ্কার এই সাইট বানানোর জন্য আমি একটা জার্ক! যাই হোক, কেউ না কেউ এটা এমনেই করতো। ”
হাউজসিস্টেম নামে হার্ভার্ড কলেজে একটা ওয়েব সার্ভিস ছিলো। এরপর ঐ বছরই  “দি ফেসবুক” কনসেপ্ট আসে এই হাউজ সিস্টেমের একটা নতুন ফিচার হিসেবে। ২০০৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এরন গ্রীন্সপ্যান নামে এক স্টুডেন্ট আনেন এটি।
জুকারবার্গ পরে হার্ভার্ড কানেকশন নামে একটা সাইটে তার কিছু বন্ধুর ( ক্যামেরুন, টেলর,ডিভিয়া ) জন্য কাজ করা শুরু করেন।
মার্ক জুকারবার্গ  ২০০৪ সালের ১১ই জানুয়ারী দিফেসবুক ডট কম ডোমেইন কিনে নেন।  দি ফেসবুক ডট কমের চেহারা অনেকটা এরকমঃ
এই সেই... দি ফেসবুক এই সেই... দি ফেসবুক
দি ফেসবুক ডট কম চালুর ২৪ ঘন্টার মধ্যে জুকারবার্গ ১২০০ জন স্টুডেন্ট এর রেজিস্ট্রেশন দেখতে পান। এখানে তার সাথে কাজ করেন তার রুমমেট এডুয়ারড সারভেরিন,আন্ড্রো ম্যাক্কোলাম, ডাস্টিন মস্কভিটয।  মূলত হার্ভার্ড কানেশন ডট কমে কাজ করার সময়কার ফিচার এই দি ফেসবুক ডট কম। তাই জুকারবার্গ এর সেই বন্ধুরা ( ক্যামেরুন, টেলর,ডিভিয়া ) ছয় দিনের মাথায় তার বিরুদ্ধে আইডিয়া চুরির অভিযোগ আনে।
কিন্তু সে দিকে দেখে কে! ফেসবুকের ইউজার সংখ্যা খুব দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। ২ মাসের মাথায় হার্ভার্ড ছড়াও আরো বেশ কিছু কলেজে দি ফেসবুক পরিচিতি পায়।  জুন মাসের মধ্যে সাইটে প্রায় দেড় লাখ ( ১৫০,০০০ ) ইউজার প্রোফাইল খুলেছিলো। দি ফেসবুকের সম্ভাবনা দেখে ওই মাসেই পেপাল এর ফাউন্ডার ফেসবুকের ১০ দশমিক ২ পারসেন্ট এর শেয়ার কিনে নেয় পাঁচ লাখ ইউ এস ডলারে।
কিন্তু সেপ্টেম্বার মাসে এসে জেগে উঠে সেই পুরনো সমস্যা। ক্যামেরুন, টেলর ও ডিভিয়া মামলা করে বসে দি ফেসবুকের নামে।  যদিও সেই বছর ডিসেম্বারেই ১ মিলিয়ন ইউজার হয়ে যায় ফেসবুকে।
২০০৫ এর মে মাসে এক্সেল পারটনারস ১২ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করে দি ফেসবুক ডট কমে।
২০০৫ সালের অগাস্ট মাসে দি ফেসবুক ডট কম কিনে নেয় ফেসবুক ডটকম ডোমেইনটি। তবে সহজে নয়, এতে তাদের গুনতে হয়েছে দুই লাখ মার্কিন ডলার।
২০০৬ সালে দেখা যায় গতবছর অর্থাৎ ২০০৫ সালে ফেসবুক সাড়ে তিন মিলিয়ন ডলারের উপরে লস করে। এরপর ২০০৬ এর সেপ্টেম্বারে ১৩ বছর বয়সের উপরে সবার জন্য ফেসবুক ওপেন করে দেওয়া হয়।
২০০৭ সালে ফেসবুকে আরো বিশাল অঙ্কের দুটি ইনভেস্টমেন্ট দেখা যায়। হং কং এর এক লোক ষাট মিলিয়ন ডলার ও মাইক্রোসফট ২৪০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে ফেসবুকের এক দশমিক ছয় পারসেন্ট কিনে নেয়।
২০০৮ এ এসে ফেসবুক আইনগত সমস্যাগুলো সমাধান করে এবং প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানীতে রুপ নেয়। ২০০৯ এসে দেখা যায় মাই স্পেস ডট কমকে পেছনে ফেলে দিয়েছে ফেসবুক, এবং তারা ফেসবুক থেকে আয় শুরু করেছে।
এরপর ফেসবুককে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১২ সালে দেখা যায় মার্ক জুকারবার্গ এর সম্পত্তির পরিমান প্রায় সাড়ে নয় বিলিয়ন ডলার। জুকারবার্গ নিজ যোগ্যতায় হওয়া পৃথিবীর দ্বিতীয় কনিষ্ঠ বিলিনিয়র।
২০১১ তে এসে ফেসবুকে ১০০ বিলিয়নের বেশি ছবি আপলোড করেছে ইউজাররা। এরপর ওই বছরই ফেসবুক ভিডিও কল এর জন্য স্কাইপ ও হিরুকুর সাথে চুক্তি করে ফেসবুক এর এপ্স অন্য প্ল্যাটফর্ম এ নিয়ে কাজ করানোর জন্য।  ২০১১ এর শেষ দিকে ফেসবুকে যোগ হয় টাইমলাইন ফিচার।
অক্টোবর ২০১২ তে ফেসবুকে ১ বিলিয়ন ইউজার রেজিস্ট্রেশন করে। এবং ২০১২ তেই মার্ক জুকারবার্গ বিয়ে করেন প্রিসিলা চ্যানকে। ২০১০ সালে টাইম ম্যাগাজিনের পারসোন অব দি ইয়ার হন ফেসবুকের জনক মার্ক জুকারবার্গ!
তারা দুই জন :D
তারা দুই জন :D

SpeedyFox– Boost Firefox Speed Up To 3 Times

আমরা সবাই firefox ব্রাউজারের কথা জানি...এটাও জানি firefox অনেক দ্রুতগতির ১টি ব্রাউজার...কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আপনার ব্রাউজারটি অনেক ধীরগতির হয়ে যায়...এটা মূলত profile databases এর খণ্ডনের কারনে হয়...এধরনের সমস্যা দূর করতে এসেছে একটি freeware টুল SpeedyFox...এটির কার্যপদ্ধতি ১০০% নিরাপদ...অর্থাৎ আপনার বুকমার্ক এবং পাসওয়ার্ডে কোন এফেক্ট করবেনা...আপনার firefox ব্রাউজারটি হয়ে যাবে অনেক দ্রুত গতির...


এক নজরে দেখে নিই SpeedyFox এর ফিচারগুলো
Features:
  • Boost Firefox startup in up to 3 times!
  • Speed-up browsing history
  • Quicker operation with cookies
Download SpeedyFox

সংগ্রহে রাখুন বাংলাদেশ এর সকল সরকারী ওয়েব সাইট এর ঠিকানা (সবার কাজে লাগবে)

আজ আপনাদের সাথে কিছু ওয়েব সাইট নিয়ে কথা বলব কারন এই ওয়েবসাইট গুলো যেকুন সময় যে কারো দরকার হতে পারে ।এখন  আপনাদের কাছে বাংলাদেশ এর সকল সরকারী ওয়েব সাইট এর লিংক শেয়ার করব। আমরা বিভিন্ন কাজে , বিভিন্ন কিছু করতে ,বিভিন্ন কাগজ পত্র এর মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবসা বা কাজ করার জন্য অনুমোদন প্রয়োজন, বিভিন্ন ইনফর্মেশন, ইত্যাদি কাজ করার জন্য এই ওয়েব সাইট মোটা মোটি সকল তথ্য দেওয়া আছে । না থাকলে এই ওয়েব সাইট এ তাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বাবস্থা আছে ।আসলে সব  সময় নিজে কোন সমস্যার কারনে সরাসরি না যেতে পারলে এই পদ্ধতিটা আপনার কাজে লাগবে বলেই আমার মনে হয়।আপনারা লিঙ্কে গিয়ে সরাসরি যেতে পারবেন আপনার দরকারি ওয়েবসাইটে। তো চলুন দেখে নিই ওয়েবসাইট গুলো
http://www.bangladesh.gov.bd/
http://www.hrexport-baira.org/
http://www.bangladesh-bank.org/
http://www.banbeis.org/index-1.html
http://www.bangladesh.gov.bd/mos/bcsa/index.htm
http://www.bccbd.org/
http://www.epzbangladesh.org.bd/
http://www.bangladesh.gov.bd/mofl/fri/index.htm
http://www.bforest.gov.bd/
http://www.bfri.gov.bd/
http://www.bangladesh.gov.bd/
http://www.bdhajjinfo.org/
http://www.bangladesh.gov.bd/bjri/index.htm
http://www.bangladeshmuseum.org/
http://www.petrobangla.org/
http://www.boesl.org.bd/
http://www.parjatan.org/
http://www.bd-energysector-bpi.org/
http://www.bpatc.org/
http://www.bangladesh.gov.bd/bpscs/index.htm
http://www.railway.gov.bd/
http://www.brta.gov.bd/
http://www.brtc.gov.bd/
http://www.sparrso.ohttp:/
http://www.boibd.org/
Ministry of Food and Disaster Management
Ministry of Foreign Affairs
Ministry of Information
Ministry of Textiles and Jute
Ministry of Women and Children Affairs (MWCA)
National Board of Revenue (NBR)
National Data Bank
Parliament Secretariat
Power Development Board
President’s Office
Prime Minister’s Office
Free Online TV

সারা জীবন ফ্রী ব্যবহার করুন মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ বা ২০০৭ অথবা ২০০৩

মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ বা ২০০৭ অথবা ২০০৩ এর যে কোন এডিশন ব্যবহার করুন সারা জীবন ফ্রি। আমরা মোটামুটি সবাই মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ ও ২০০৩ লাইফটাইম ফ্রি ব্যবহারের পদ্ধতি আয়ত্ব করে ফেলেছি।আপনারা ভাবছেন ২০১০ থাকতে আবার ২০০৭ বা ২০০৩ এর দরকার কি? আসলে একটিভেটর পদ্ধতিটা একই। যার যা প্রয়োজন তিনি সেটা ব্যবহার করবেন। মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ ইনষ্টল নিয়ে টেকটিউনসে অনেক অনেক টিউন থাকার পর ও লিখতে বসলাম। কারণ আজ ২০.০৭.১১ ইং পর্যন্ত মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ ইনষ্টল নিয়ে টিউন করা কোন টিউন-ই ঠিক ভাবে কাজ করে না। তার সাথে আছে অনেক জটিল পদ্ধতির ইনষ্টলেশন টেকনিক।
আমি টেকটিউনস থেকে এমন অনেক একটিভেটর ব্যবহার করার চেষ্টা করে গতকাল পর্যন্ত সফল হই নাই। আমার টা ও সব পিসি বা অপারেটিং সিষ্টেমে সফল হবে তার কোন গ্যারান্টি নাই, তবে সফল হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। ২০১০, ২০০৭, ২০০৩ সব ভার্সনে ইনষ্টলেশন পদ্ধতি ও একটিভেটর একহওয়ায় আমি শুধু ২০১০ ইনষ্টল নিয়ে আলোচনা করবো। আসুন আমরা একটা মাত্র একটিভেটর ব্যবহার করে সফল হওয়ার চেষ্টা করি।
আপনার পিসি বা সিডি/ডিভিডি তে যদি অফিস ২০১০ থেকে থাকে তবে তা পিসিতে ইনষ্টল করুন।
  • না থাকলে মাইক্রোসফট ওয়েব সাইট এর এই লিংক  [মাইক্রোসফট অফিস] এ প্রবেশ করুন।
  • মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ এর যে কোন এডিশনের ট্রাই ইট ফ্রি তে ক্লিক করুন।
  • তারপর ট্রাই ফ্রি ফর ৬০ ডেজ এ ক্লিক করুন। ভাষা সিলেক্ট করুন। ট্রাই নাউ এ ক্লিক করুন।
  • আপনার হটমেইল বা লাইভ এর মেইল আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করুন। হটমেইল বা লাইভ এর আইডি না থাকলে ক্রিয়েট করে প্রবেশ করুন।
  • মাইক্রোসফট অফিস অমুক এডিশন ট্রায়াল দেখাবে। সিরিয়াল নং পাবেন। সিরিয়াল নং কপি করে সংরক্ষণ করুন। যা ইনষ্টল এর সময় লাগবে।
  • ডাউনলোড নাউ এ ক্লিক করুন।
  • ডাউনলোড করা শেষ হলে ইনষ্টল করুন।
ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট এর যে কোনটা ওপেন করুন। ফাইল থেকে হেল্প এ ক্লিক করুন দ্বিতীয় কলামের উপরে মাইক্রোসফট অফিস লেখার নিচে আপনার অফিসটা ৬০ দিনের ট্রায়াল ভার্সন দেখবেন এবং টাস্ক প্যানেলেও দেখবেন মাইক্রোসট ওয়ার্ড বা অমুক ট্রায়াল।
  • এবার মিডিয়া ফায়ার এর এই লিংক [একটিভেটর ডাউনলোড লিংক] থেকে একটিভেটর টি ডাউনলোড করুন।
  • আপনার উইন্ডোজ যে ড্রাইভে ইনষ্টল করা সে ড্রাইভে প্রবেশ করুন।
  • ৬৪ বিট অপারেটিং সিষ্টেম ও অফিস ২০১০ সফটওয়্যার টি ৬৪ বিট এর হলে প্রোগ্রাম ফাইলস এ যান, অফিস ২০১০ সফটওয়্যার টি ৩২ বিট এর হলে প্রোগ্রাম ফাইলস (x86) এ যান। ৩২ বিট অপারেটিং সিষ্টেম ও অফিস ২০১০ সফটওয়্যার টি ৩২ বিট এর হলে প্রোগ্রাম ফাইলস এ যান।
  • মাইক্রোসফট অফিস এ যান ডাউনলোড করা একটিভেটর ফাইলটি এখানে পেষ্ট করুন।
  • একটিভেটর এর উপর দুই বার ক্লিক করুন। এক্সট্রাক্ট করুন।
  • দুইটি ফাইল পাবেন। এর মধ্যে অফিস ২০১০ টুলকিট এ দুই বার ক্লিক করুন। ইজেড-একটিভেটর এ ক্লিক করুন ও কিছু সময় অপেক্ষা করুন।
  • একটিভেটর সাকসেস লেখা আসবে, ক্লোজ করুন। ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট এর যে কোন একটি চালু করুন।
  • ফাইল থেকে হেল্প এ যান দ্বিতীয় কলামে মাইক্রোসফট অফিস এর নিচে লেখা আসবে প্রোডাক্ট এ্যাকটিভেটেড।
[ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ইনষ্টল করলে কোন রকম ঝামেলা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে]

ওয়ার্ড ২০০৭ হতে আপনার ব্লগ সাইটে সরাসরি পোস্ট করুন।

এ কাজটি করার জন্য অফিস বাটনে ক্লিক করে Publish হতে Blog এ ক্লিক করুন।এবার Manage Accounts এ ক্লিক করুন।

এবার New তে ক্লিক করুন। Bolg এর লিস্ট হতে wordpress সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করুন। Blog post URL এর <enter your blog URL here> এই আংশে আপানার ব্লগ সাইট এর এড্রেস টাইপ করুন। যেমন: microqatar.wordpress.com । এবার আপনার সাইট একাউন্ট এর লগইন ইউজার নেইম এবং পারওয়ার্ড দিন। OK বাটনে ক্লিক করুন।

এবার আপনি যা লিখতে চান তা টাইপ করুন। টাইটেল অংশে টাইটেল টাইপ করুন। insert Category তে ক্লিক করে ক্যাটাগরী ফিল্ড সংযোগ করুন। যে ক্যাটাগরীতে পোস্ট করতে চান সেটি নির্ধারন করুন।
এবার Publish বাটনে ক্লিক করুন।

ব্যাকআপ রাখুন Firefox এর Add-on গুলোর

কিছু দিন পর পর আসে Firefox এর নতুন নতুন ভারসন।আবার কম্পিউটার নতুন করে সেটাপ দিলেই প্রয়োজন হয় নতুন করে ব্রাউজার সেটআপ দেবার।আর নতুন করে সেটআপ দিলেই হারিয়া যায় পুরনো Add-on গুলো।কিন্ত এখন আপনি আপনার Add-on গুলোর ব্যাকআপ রাখতে পারবেন আর ব্রাউজার সেটআপ এর পর পরি ইন্সটল করে নিতে পারবেন Add-on গুলো।
ব্যাকআপ রাখার জন্য আপনাকে প্রথমে FEBE (Firefox Environment Backup Extension) নামের এক্সটেন্সন টা ডাউনলোড করতে হবে।ডাউনলড করুন নিচের লিঙ্ক থেকে।
https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/2109
Untitled
ডাউনলোড সেস হলে ব্রাউজার Restart করতে হবে।তারপর Tools মেনু থেকে FEBE অপশন এ যেতে হবে।FEBE option থেকে ঠিক করে দিতে হবে কোন ফোলডার এ ব্যাকআপ ফাইল গুলো জমা হবে।এরপর Perform Backup অপশন এ ক্লিক করলে FEBE ব্যাক আপ ফাইল তৈরী করবে।
১)Tools>FEBE>FEBE option
২)Tools>FEBE>Perform Backup
আপনার Select করে দেয়া ফোল্ডার চেক করে দেখুন Add-on গুলোর Backup ফাইল তৈরী হয়েছে।

আপনার টুইটার একাউন্ট থেকে টুইটস গুলোর ব্যাকআপ নিতে পারেন।

ব্যাকআপ নিনঃ 
আমরা এই কাজটি সম্পূর্ণ করবো  twDocs দ্বারা। এবার http://twdocs.com/ যান।
twdocs-homepage

সাইটের হোমেপেজেই লিস্ট পাবেন সব কিছুর। আপনার যা প্রয়োজন তাতে সিলেক্ট করে দেইলেই হবে। আপনার শেষ টুইট, আপনার প্রিয় টুইট সবি আপনি ব্যাকআপ নিতে পারবেন।
আর হ্যাঁ নিচে লক্ষ্য করুন। দেখুন দেখাচ্ছে আপনার টুইটস গুলো আপনি কিভাবে ব্যাকআপ নিতে চাচ্ছেন? PDF,DOC,HTML নাকি অন্যভাবে? আপনার পছন্দনুযায়ী সিলেক্ট করে দিন। আমি PDF দিয়েছি ;)
twdocs-export-latest-tweets

এখানে আমি লাস্ট ২০০ টুইটস ব্যাকআপ নিয়েছি। আপনি ১ টিও নিতে পারেন। এবার নিচথেকে GO সিলেক্ট করে দিন।
twdocs-authorize

আপনাকে লগিন অপশন দিয়ে টুইটারে লগিন করতে বলা হবে। লগিন করার পর Authorize app এর মাঝে ক্লিক করুন।
twdocs-download

কিছু সময় প্রসেসের পর মূলত সার্ভার থেকেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যায়। যদি না হয়ে থাকে তবে “Click here” লিঙ্কে ক্লিক করুন ম্যানুয়ালি ডাউনলোড করার জন্য। এতে করে আপনার ডাউনলোড সফটওয়্যার (IDM) তা ক্যাচ করে ডাউনলোড করবে।
PDF Tweets

Pdf আকারে ব্যাকআপ করা আমার টুইটস :D । আমার টুইটস গুলো বাংলায়। তাই এরকম দেখাচ্ছে।

রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৩

এক ক্লিকে facebook সব স্ট্যাটাস ও কমেনটস লাইক মারুন

ফেইসবুক হোম পেইজে থাকা আপনার বন্ধুদের সব স্ট্যাটাস মাত্র এক ক্লিকে লাইক করতে পারলে কেমন হোত? নিশ্চয় দারুন!এর মাধ্যমে আপনাকে আর কষ্ট করে বেছে বেছে লাইক করতে হবে না কোন কিছু।তবে এজন্য আপনাকে বেশি কষ্ট করতে হবে না।এর জন্য একটি গ্রিজমাঙ্কি স্ক্রিপ্ট রয়েছে। এটার জন্য কম্পিউটার এ ফায়ারফক্স ইন্সটল করা থাকতে হবে। অনেকেই হয়তো আগে থেকেই গ্রীজমাঙ্কি প্লাগইনটি ব্যবহার করছেন। না করে থাকলে ফায়ারফক্স এ ঢুকে Greasemonkey (164 KB) Add-on টা ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন এবং ফায়ারফক্স restart করুন। এরপর এই এড্রেস টা তে যান। এর পর ডান পাশে কোণায় একটা “install”  লেখা দেখতে পাবেন। সেটাতে ক্লিক দিন…

“install” লেখাটাতে ক্লিক দেওয়ার পর একটা উইন্ডো ওপেন হবে। সেখানেও একটা “install” লেখা দেখতে পাবেন যেটা ২~৫ সেকেন্ডের ভিতরেই সক্রিয় হবে ।

এখন সেই “install” লেখাটিতে ক্লিক দিন। ব্যাস, কাজ শেষ। আরেকবার ফায়ারফক্স থেকে বের হয়ে ঢুকুন। এরপর ফেইসবুক এ ঢুকলে হাতের বাম পাশে একটা মেনু দেখতে পাবেন ।

এরপর ফেসবুক এ লগিন করুন এবং উপভোগ করুন এক ক্লিক-এ একটা পেজ এর সব কিছুতে like দেওয়া…
এরপরও যদি কোন সমস্যা থাকে তাহলে অথবা কিছু বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে ওখানে আমার যোগাযোগ লিঙ্ক দেয়া আছে।যা জানতে চান মেসেজ দিয়ে জেনে নিতে পারেন।
NB: উপরের দেখানো “like all status” … না আসলে কম্পিউটার একবার Restart দিয়ে চালু করুন আর উপভোগ করুন, ১ ক্লিক এ সবকিছুতে Like দেওয়া…

Windows 8 এর কী-বোর্ড শর্টকাট গুলো জেনে নিন আপনার কাজে লাগবে ১০০%

Windows logo key+spacebar Switch input language and keyboard layout
Windows logo key+O Locks device orientation
Windows logo key+Y Temporarily peeks at the desktop
Windows logo key+V Cycles through toasts
Windows logo key+Shift+V Cycles through toasts in reverse order
Windows logo key+Enter Launches Narrator
Windows logo key+PgUp Moves Metro style apps to the monitor on the left
Windows logo key+PgDown Moves Metro style apps to the monitor on the right
Windows logo key+Shift+. Moves the gutter to the left (snaps an application)
Windows logo key+. Moves the gutter to the right (snaps an application)
Windows logo key+C Opens Charms bar
Windows logo key+I Opens Settings charm
Windows logo key+K Opens Connect charm
Windows logo key+H Opens Share charm
Windows logo key+Q Opens Search pane
Windows logo key+W Opens Settings Search app
Windows logo key+F Opens File Search app

ই-মেইল কিভাবে কাজ করে দেখুন!

বর্তমানে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ই-মেইল । প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা হাজার হাজার ই-মেইল ব্যবহার করছে । কারণ, ই-মেইল হচ্ছে অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন কমিউনিকেশন । তাই আমাদের জানা উচিত ই-মেইল কিভাবে কাজ করে । ইমেইল (E-Mail) এর পূর্ণনাম হচ্ছে ইলেক্ট্রনিকস মেইল (Electronics Mail) । ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম ই-মেইল এর যাত্রা শুরু হয় । 'টমলিনসন' নামে একজন ইঞ্জিনিয়ার প্রতিটি ই-মেইল ঠিকানা শনাক্তকরনের জন্য অ্যাট দ্যা রেট (@) চিহ্ন ব্যবহার করা হয় । একটি ই-মেইল সিস্টেম দুইটি সার্ভার মেশিনে চলে । এগুলো হচ্ছে SMTP সার্ভার এবং POP সার্ভার । STMP সার্ভার বলতে বোঝায় Simple Mail Transfer Protocol. যখন SMTP সার্ভারের মাধ্যমে একটি ই-মেইল পাঠান তখন আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেস টি SMTP সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করে । এরপর, SMTP সার্ভারটি আরেকটি SMTP সার্ভারের সাথে যোগাযোগ করে । সাধারনত, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে Simple Mail Transfer Protocol (SMTP) কাজ করে । POP বলতে বোঝায় Post Office Protocol. POP সার্ভার ব্যবহার করার জন্য প্রয়োজন হয় একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস এবং একটি পাসওয়ার্ড । যখন কোন ই-মেইল চেক করা হয় তখন আপনার ই-মেইল অ্যাড্রেসটি Post Office Protocol এ যুক্ত হয় । আপনি যখন লগ ইন করবেন POP3 সার্ভার তখন SMTP এর ফাইলগুলো এক্সেস করার জন্য কিছু কমান্ড ব্যবহার করে । সাধারনত, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে Post Office Protocol (POP) কাজ করে ।