শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০১৩

দেখে নিন Window 8 এর কোন ভার্সন টা আপনার দরকার

বর্তমানে চারেদিকে  Window 8 এর জয়জয়কার। গ্রাহকের কথা মাথায় রেখে Microsoft Corporation Window 8 এর চারটি ভার্সন বাজারে ছেড়েছে। আসুন আজ আমরা দেখব Window 8 এর চারটি ভার্সন এর feature গুলো। এতে আপনার দরকার অনুযায়ী ভার্সন টি আপনার পিসি তে ইন্সটল করতে পারবেন বলে আশা করি। তার আগে বলে রাখি Window 8 এর System Requirement.
প্রসেসরঃ 1 gigahertz (GHz) or faster with support for PAE, NX, and SSE2
র‍্যামঃ 1 gigabyte (GB) (32-bit) or 2 GB (64-bit)
হার্ডডিক্সঃ 16 GB (32-bit) or 20 GB (64-bit)
গ্রাফিক্সঃ Microsoft DirectX 9 graphics device with WDDM driver
ভার্সন গুলোর তুলনামুলক Features গুলো নিচে দিলাম।
বৈশিষ্ট্যWindows RTWindows 8Windows 8 ProWindows 8 Enterprize
প্রাপ্যতাডিভাইসে ইন্সটল করা থাকেঅধিকাংশ চ্যানেলঅধিকাংশ চ্যানেল লাইসেন্স কিনতে হয়
আর্কিটেকচার৩২বিট৩২বিট, ৬৪বিট৩২বিট, ৬৪বিট৩২বিট, ৬৪বিট
সাপোর্টেড র‍্যাম ৩২বিট- ৪গিগা৬৪বিট-১২৮গিগা৩২বিট- ৪গিগা৬৪বিট-৫১২গিগা৩২বিট- ৪গিগা৬৪বিট-৫১২গিগা
ট্রাস্টেড বূট আছেআছেআছেআছে
ছবিযুক্ত পাসওয়ার্ডআছেআছেআছেআছে
স্টার্ট স্ক্রিনআছেআছেআছেআছে
টাচ, থাম্ব কীবোর্ডআছেআছেআছেআছে
ভাষা প্যাকেজআছেআছেআছেআছে
আপডেটেড ফাইল সার্চআছেআছেআছেআছে
স্ট্যান্ডার্ড অ্যাপসআছেআছেআছেআছে
ফাইল হিস্টোরিআছেআছেআছেআছে
রিফ্রেশ ও রিসেটআছেআছেআছেআছে
প্লে টুআছেআছেআছেআছে
উইন্ডোস আপডেটআছেআছেআছেআছে
উইন্ডোস ডিফেন্ডারআছেআছেআছেআছে
মাল্টি মনিটরআছেআছেআছেআছে
টাস্ক ম্যানেজারআছেআছেআছেআছে
ISO ইমেজ ও VHDআছেআছেআছেআছে
মোবাইল Broadbandআছেআছেআছেআছে
MS অ্যাকাউন্টআছেআছেআছেআছে
Internet Explorer 10আছেআছেআছেআছে
স্মার্ট স্ক্রিনআছেআছেআছেআছে
উইন্ডোস স্টোরআছেআছেআছেআছে
Xbox Liveআছেআছেআছেআছে
Exchange ActiveSyncআছেআছেআছেআছে
Snapআছেআছেআছেআছে
VPN কানেক্টআছেআছেআছেআছে
ডেক্সটপআংশিকআছেআছেআছে
Supported third-party appsWindows Store apps onlyWindows Store and desktopWindows Store and desktopWindows Store and desktop
ডেক্সটপ রিমোটশুধুমাত্র ক্লায়েন্টশুধুমাত্র ক্লায়েন্টক্লায়েন্ট ও হোস্টক্লায়েন্ট ও হোস্ট
Storage Spacesনাইআছেআছেআছে
Windows Media Playerনাইআছেআছেআছে
Encryption featuresDevice encryptionনাইBitLocker and EFSBitLocker and EFS
Sideload Windows Store appsআংশিকনাইআংশিকআংশিক
Boot from VHDনাইনাইআছেআছে
ডোমেইননাইনাইআছেআছে
গ্রুপ পলিসিনাইনাইআছেআছে
Windows Server VirtualizationনাইনাইOn 64-bit versions only with SLAT capable CPUOn 64-bit versions only with SLAT capable CPU
AppLockerনাইনাইনাইআছে
Windows To Goনাইনাইনাইআছে
DirectAccessনাইনাইনাইআছে
BranchCacheনাইনাইনাইআছে
ভার্চুয়ালাইজেশনরিমোট FXনাইনাইনাইআছে
Services for Network File Systemনাইনাইনাইআছে
Microsoft Office apps bundled with OSআছেনাইনাইনাই
Windows Media Centerনাইনাইভায়ানাই
এখন আপনারাই সিদ্ধান্ত নেন কোন ভার্সন টা আপনার জন্য দরকার।

বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৩

ছোট্ট টিপসঃ-কিভাবে ওয়ার্ড এর নিচে ডাবল আন্ডার লাইন দিবেন।।

প্রথমে এম এস ওয়ার্ডটি খুলে আপনার কাঙ্খিত লেখাটি টাইপ করুন।

এবার ঐ লেখার উপরে  ব্লক করুন।
লেখা ব্লক করবেন যেভাবেঃ-ctrl+a চাপুন তাহলে লেখা ব্লক হয়ে যাবে।
এবার ডাবল আন্ডার লাইন দিবেন যেভাবেঃctrl+shift+d এক সাথে চাপলে হয়ে যাবে।
ধন্যবাদ
নিচে চিত্রে দেখুন

***** মাত্র ২০ মেগাবাইট একটি সফটওয়্যার দিয়ে ওপেন করুন প্রায় সব ফরমেট এর ফাইল ***** সাথে রয়েছে মিনি টিউনঃ গুগল ক্রোম দিয়ে ওপেন করুন আপনার কম্পিউটারের pdf ও mp3 ফাইল *****

আমরা গান শোনা ,ছবি দেখা ,বিভিন্ন ফরম্যাটের ডকুমেন্ট ওপেন করার জন্য বিভিন্ন ধরণের সফটওয়্যার ইন্সটল করে থাকি । বেশী সফটওয়্যার ইন্সটল এর ফলে আমাদের কম্পিউটার অনেক সময় স্লো হয়ে যায় । কিন্তু কেমন হত যদি একটি সফটওয়্যার এর মাধম্যে আমরা সব ধরনের ফাইল ওপেন করতে পারতাম!!!!!!!
আজকে আমরা তাই দেখব । তবে দেখার আগে সফটওয়্যারটির একটু গুণকীর্তন করে নেই ............

আজকে আমাদের আলোচ্য সফটওয়্যার হল Free Opener

এটি বিশাল সংখ্যক এক্সটেন্সান সাপোর্ট করে ।

এর মাধ্যমে আমরা ৭৫+ ফরম্যাটের ফাইল ওপেন করতে পারি ।
উল্লেখযোগ্য ফরম্যাট গুলো নিচে দেওয়া হলো
PDF, DOC,AVI , DOCX, ZIP, RAR, XML, HTML, SWF, 7Z, PHP, XLSX,MKV , FLV,
XLS, JPEG, TXT, PSD, WMV, CR2, CRW, GIF, MSG, NEF, TIFF, JPG,
MOV, MP4, LOG, PNG, CS, INI, MPEG, MPG, CSS, MP3, CFG, HTM, BMP, JS, XLSM, WA, ICO, REG,
DNG, ARW, MID, ORF, RAF, PEF, RESX, CF2, ERF, MEF, MRW, SR2 ,X3F
এবার চলুন সফটওয়্যারটিকে একটু দর্শন করে আসি .......................
  • প্রথম এখান থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন ।
  • এবার সফটওয়্যারটি ওপেন করে ctrl+o চাপুন অথবা ফাইলে গিয়ে ওপেন বাটন ক্লিক করুন এবং আপনার ইচ্ছা মতন ফাইল ওপেন করুন

  • উইন্ডোজ এক্সপি তে সফটওয়্যারটির একটু bug আছে । All supported files থাকা অবস্থায় সব সাপোর্টেড ফাইল দেখায় না । সেক্ষেত্রে All files এ সিলেক্ট করুন

এখন চলুন কিছু ফাইল ওপেন করে দেখি

@@@@@@@@@1080p এর mkv ফাইল ওপেন করা হলো @@@@@@@@@@@

@@@@@@@@@@@ pdf ফাইল ওপেন করা হলো @@@@@@@@@@@@@

@@@@@@@@@@@@ picture ওপেন করা হলো  @@@@@@@@@@@@@@@

@@@@@@@@@@@  php ফাইল ওপেন করা হলো @@@@@@@@@@@@@

এবার আসি google chrome নিয়ে

আমরা google chrome এর মাধ্যমে খুব সহজেই pdf ফাইল পড়তে পরতে পারি ও গান শুনতে
পারি । চলুন দেখি আসি কিভাবে তা সম্ভব ।
  • প্রথমে এখান থেকে google chrome ডাউনলোড করে ইন্সটল করি ।
  • এবার google chrome ওপেন করি এবং আপনি যে ফাইল টা পরতে চান তা মাউস দিয়ে ধরে google chrome এর উপর
ছেড়ে দিন অর্থাৎ ড্রাগ এন্ড ড্রপ করুন এবং দেখুন মজা ।

#একই পদ্ধতিত অনুসরন করে গান শুনতে পারবেন ।

আপনার উইন্ডোস মিডিয়া প্লেয়ার এর শর্টকাট দেন আপনার ইচ্ছা মত…

গান বাজানো এবং ভিডিও দেখার জন্য উইন্ডোস মিডিয়া প্লেয়ার একটি অন্যতম জনপ্রিয় প্লেয়ার।এতে গান এর সাওন্ড কোয়ালিটি অনেক ভাল পাওয়া যায়।কিন্তু আমরা জানি এটাতে শর্টকাট বাটন খুবি জটিল।আমি আজকে গুগলে সার্চ দিয়ে বের করলাম খুবি দরকারি একটা সফটওয়্যার যা আপনার উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার এর শর্টকাট বাটন আপনার ইচ্ছামত দেয়ার ব্যবস্থা করে দিবে।এটা করার জন্য যা করতে হবে তা আমি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করছিঃ
১.প্রথমে আপনি ছোট এই ফাইলটি ডাউনলোড করে নিনঃ http://www.mediafire.com/?ldy47we8xusq6xa
২.ডাউনলোড করার পর ফাইলটি ইন্সটল করুন।
৩.এবার আপনি আপনার উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার ওপেন করুন।
৪.প্লেয়ারে মাওস রেখে ডানের বাটন ক্লিক করুন। More Option এ যান।


৫.এরপর যে উইন্ডো আসবে তা থেকে Plug-ins অপশন সিলেক্ট করুন।
৬.এরপর Category থেকে Background অপশন সিলেক্ট করুন।

৭.দেখবেন Background  মেনুতে Wmpkeys plugin নামের একটা Unchecked বক্স আসবে।এটাকে Checked করে ফেলুন।
৮.এখন Wmpkeys plugin এ মাউস ক্লিক করুন,নিচে দেখবেন Properties আসবে।
৯.Properties থেকে আপনি আপনার ইচ্ছা মত বাটন নির্বাচন করুন।

হয়ে গেল আপনার প্রিয় উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার আপনার মত।

কম্পিউটারের ফাঁকা ফোল্ডার ডিলিট করুন মাত্র ৩২ কিলোবাইট এর সফটওয়্যার দিয়ে !

আপনার কম্পিউটার এ হাজার হাজার ফাঁকা ফোল্ডার ?
No চিন্তা !
মাত্র এক ক্লিক এই সব ফাঁকা ফোল্ডার ডিলিট করে ফেলুন ।

BdRulez
Empty Folder Remover
- এই সফটওয়্যার ব্যাবহার করে মাত্র এক ক্লিক এই সব ফাঁকা ফোল্ডার ডিলিট করে ফেলতে পারবেন ।
Download Link:  http://www.bdrulez.com/software-zone/BD-EFR/BdRulez-EFR.zip

কীভাবে কাজ করে ?

BdRulez-EFR
কম্পিউটারের ফাঁকা ফোল্ডার ডিলিট করুন মাত্র ৩২ কিলোবাইট এর সফটওয়্যার দিয়ে !
১. প্রথমে Select Drive অপশন থেকে আপনি যে ড্রাইভ এর ফাঁকা ফোল্ডার ডিলিট করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন ।
২. Select Drive এর নিচের বক্স এ আপনি যে Drive সিলেক্ট করেছেন সেই Drive এর ফোল্ডার গুলো দেখতে পাবেন ।
৩. এখান থেকে আপনি যে ফোল্ডার সিলেক্ট করবেন সেই ফোল্ডার এ যদি কোন ফাঁকা ফোল্ডার থাকে তাহলে সেই ফাঁকা ফোল্ডার গুলোর লিস্ট বাম পাশের বক্স এ দেখতে পাবেন ।
৪. এখন আপনি যে ফাঁকা ফোল্ডার গুলো ডিলিট করতে চান সেগুলোর পাশে টিক চিন্থ দিন অথবা Mark All অপশন ব্যাবহার করে সবগুলো ফাঁকা ফোল্ডার সিলেক্ট করুন ।
৫. এবার Delete বাটন এ ক্লিক করুন । ব্যস !
৬. মধ্যের বক্স এ যে ফাঁকা ফোল্ডার গুলো ডিলিট করলেন সেগুলোর লিস্ট দেখতে পাবেন ।
===============================================================
Download Link:  http://www.bdrulez.com/software-zone/BD-EFR/BdRulez-EFR.zip

আপনাদের জন্য কিছু টিপস, কিছু ট্রিকস এবং কিছু উপহার!!!

আসুন একটু অন্যভাবে Folder লুকাই

এই ট্রিক্সটি শুধুমাত্র উইন্ডোজ 7 এর জন্য।
প্রথমে যেখানে Hidden Folder রাখতে চান, সেখানে একটি  "new folder" create করুন। এবার এর ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে rename এ ক্লিক করুন।
এবার আপনার start menu থেকে "character map" লিখে সার্চ দিন। রেজাল্ট আসলে character map-এ ক্লিক করুন। ফাঁকা কোন স্থান নির্বাচন করুন। এবার এটা copy করে ঐ folder-এর নাম হিসেবে বসিয়ে enter দিন। ব্যস... নাম ছাড়া folder তৈরি করা হয়ে গেল।
এবার ঐ folder-এর ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে properties-এ যান। customize এ ক্লিক করে নিচে change icon-এ ক্লিক করুন। এবার আপনাকে icon ব্রাউজ করতে দিবে। ফাঁকা জায়গা select করুন, ok করুন।
হয়ে গেল আপনার অদৃশ্য ফোল্ডার।
উইন্ডোজ XP ও Vista-তে ফোল্ডার rename-এ ক্লিক করে alt+0160 বা alt+255 টাইপ করুন। এরপর ফাঁকা icon insert করুন।

জেনে নিন উইন্ডোজ-এর জরুরী কিছু শর্ট কী

ctrl+x           ফোল্ডার cut হবে।
ctrl+v           পেস্ট হবে।
ctrl+c           কপি হবে।
win+R           রান কমান্ড আসবে।
win+tab       3D view দেখতে পারবেন।
win+U+U    পিসি shut down হবে।
win+U+R    পিসি restart হবে।
space            স্ক্রল নিচে নামবে।

এখন-ই একটা Heart Screensaver বানিয়ে ফেলুন

প্রথমে ডেক্সটপের ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে personalize -এ যান। এবার ডানে নিচে দেখুন screensaver আছে, সেখানে ক্লিক করুন।
এবার নতুন উইন্ডো চালু হবে, 3D Text নির্বাচন করুন। এবার settings এ গিয়ে font নির্বাচন করুন "wingdings" এবং text দিন Y.
এবার ok করে preview দেখুন!!
এভাবে আপনি আরও অনেক রকম screensaver তৈরি করতে পারবেন।

Graphics Card এর মেমরি সাইজ চেক করুন

এই ট্রিকটা উইন্ডোজ xp কেবলমাত্র support করবে (তাছাড়া আপনারা যারা অন্যান্য OS ব্যবহার করেন, তারা চেক করে দেখতেও পারেন-কারন আমার সব OS-এ চেক করার সুযোগ হয়নি)
১.প্রথমে ডেস্কটপের ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে properties এ যান।
২.এবার setting -এ ক্লিক করুন।
৩.এবার advance এ ক্লিক করুন।
৪.এবার adapter-এ ক্লিক করুন।
এখানে আপনার VGA card সম্পর্কে তথ্য দেখতে পারবেন।

Lock করে ফেলুন আপনার কাঙ্খিত ফোল্ডার

মনে করুন আপনি (E) drive-এ Games নামের কোন ফোল্ডার লক করবেন। তাহলে notepad-এ লিখুন
ren Games Games.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D}
এবং save করুন "hide.bat" নামে।
এবার ওটার ওপর ডাবল ক্লিক করলে আপনার Games নামের ফোল্ডারটি দেখা যাবে না।
আবার notepad-এ লিখুন
ren Games.{21EC2020-3AEA-1069-A2DD-08002B30309D} Games
এবং save করুন "unhide.bat" নামে।
এখানে ক্লিক করলে আপনার ফোল্ডারটি আবার দেখা যাবে।
বিঃদ্রঃ কাজটি সম্পূর্ণ আপনি নিজ দায়িত্বে করবেন, ফোল্ডার হাইড করে পরে ফিরিয়ে আনতে না পারলে আমি দায়ি থাকব না।
 




RAR ,ZIP ফাইলের পাসওয়ার্ড রিমুভ করুন অনলাইনে !!

RAR , ZIP এর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কি করম ভোগান্তি হয় , সেটা সবারই জানা । এক্ষেত্রে আমরা বিভিন্ন  PASSWORD RECOVERY সফটওয়ার ব্যবহার করি । কিন্তু এগুলোর পারফরমেন্স বড়ই হাস্যকর , প্রথমত এটি সামান্য কঠিন পাসওয়ার্ড হলে কিছুতেই তা ভাঙতে পারে না , আর যদি কোন ভাবে  ভাঙে তবে ১০ থেকে ১০৮ ঘন্টা সময় নেয় , কিংবা আরো বেশি  ।
কিন্তু আজকে আমি আপনাদের এমন একটি ট্রিক দেখবো যাতে আপনি মুহুর্তে RAR , ZIP ফাইলের পাসওয়ার্ড ভাঙতে পারবেন । তবে এখান ফাইলটা আপলোড করতে হয় তাই এটি আপনার নেটের স্পিডের ওপর নির্ভর করে ।
তো এবার শুরু করা যাক ।
১।প্রথমে এখানে যান   http://archive.online-convert.com/convert-to-zip
২।CHOOSE FILE ক্লিক করুন এবং আপনার কাংক্ষিত RAR , ZIP ফাইলটি SELECT করুন।
৩।এবার CONVERT FILE ক্লিক করুন।
৪।আপনার ফাইলটি এখন আপলোড হবে ,তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।
৫।আপলোড শেষ হলে একটি পেজ আসবে এবং আপনার ফাইলটি AUTOMATICLY ডাউনলোড শুরু হবে । খেয়াল করুন আপনার ফাইলেন সাইজও কিছুটা কমে যাবে।
৬।ডাউনলোড শেষ হলে ফাইলটি অপেন করে EXTRACT করার চেষ্টা করুন এবং দেখুন  কোন পাসওয়ার্ড চাবে না সুন্দর মতো EXTRACT হবে।

রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

ট্রেন এর টিকেট কীভাবে মোবাইল দিয়ে কাটবেন ?(A to Z)


প্রথম
১। প্রথমে আপনাকে আপনার মোবাই এর মেসেজ অপশন এ গিয়ে TKET টাইপ করে 1200 নম্বর এ পাঠিয়ে দিন।
২। আপনার মোবাইলে একটা SMS আসবে পিন নম্বর সহ।
৩। পিন নম্বর পরিবতন করুন । *777# yes আবার yes type 3 yes,তার পর আবার yes type 2 yes, enter old password(আপনার মোবাইলে এসএমএস আসা পিন নম্বরটি)yes type পিন yes, enter new password(যে কোন চারটি ডিজিট) yes type পিন yes, enter re-new password yes type পিন yes।
৪। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা আছে তাদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজন নেই।
আপনি দুই ভাবে মোবাইল দিয়ে টিকেট কাটতে পারেন। এক বুকিং দিয়ে অন্যটি হচ্ছে সরাসরি বা বুকিং ছাড়া।
ব্দিতীয়
টিকেট বুকিং এর জন্য যা যা করতে হবে।
১। আপনার মোবাই থেকে *131*1# ডায়াল করুন।
২।তার পর ভ্রমন তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন চাপুন।
৩।তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.dhaka, 2.sylhet, 3.khulna etc) এর বাম পাশের ডিজিটটি লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট type করে yes করুন।
৪।তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্যস্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি ইংরেজি আক্ষর type করে yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট yes তার পর type ডিজিট তার পর yes।
৫। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেইন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি, yes তার পর type ডিজিট yes।
৬।তার পর টিকেট class সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।
৭।তার পর আপনার টিকেট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।
৮।তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।
৯। ফিরতি এসএমএস এ আপনাকে একটি বুকিং কোড ও প্রয়োজনীয় টাকার পরিমান জানিয়ে দেয়া হবে।
টিকেট বুকিং দেয়ার পর যা যা করতে হবে।
১০। বুকিং কোড পাওয়ার ৩০ মিনিট এর মধ্যে আপনাকে এটি কনফাম করতে হবে ।কনফাম না করলে টিকেট বাতিল হয়ে যাবে। কনফাম করতে যা যা করতে হবে । আপনাকে জিপি কাস্টমার কেয়ার এ গিয়ে সঠিক পরিমান টাকা আপনার মোবাইল নম্বরে ‘মোবিক্যাশ’ করতে হবে।
১১। তার পর আপনার মোবাইল থেকে *131*2# type করে yes করুন।
১২। তার পর আপনাকে yes করে বুকিং কোডটি type করে yes করুন।
১৩। তার পর আপনাকে yes করে আপনার পিন নম্বরটি type করে yes করুন।
১৪। তার পর yes করে 0 type করে confirm করুন।
১৫। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকেট সংগ্রহ করবেন। তবে একটি কথা না বললে নয় আপনাকে ট্রেইনে ভ্রমন শুরু করার মিনিমাম এক ঘন্টা আগে টিকেট সংগ্রহ করতে হবে।
তৃতীয়
সরাসরি বা বুকিং ছাড়া টিকেট কিনতে যা যা লাগবে। তবে এইটার জন্য আপনাকে প্রথমে মোবাইলে সঠিক পরিমান টাকা ‘মোবিক্যাস’ করে নিতে হবে।
১। আপনার মোবাইল থেকে *131*3# টাইপ করে yes করুন।
২। তার পর yes করে পিন নম্বরটি টাইপ করে yes করুন।
৩। তার পর ভ্রমন তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন ।
৪। তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.dhaka, 2.sylhet, 3.khulna etc) এর বাম পাশের ডিজিটটি লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট type করে yes করুন।
৫। তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্যস্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি ইংরেজি আক্ষর yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট type তার পর yes।
৬। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেইন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি yes তার পর type ডিজিট yes।
৭। তার পর টিকেট class সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।
৮। তার পর আপনার টিকেট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।
৯। তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।
১০। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকেট সংগ্রহ করবেন।
 

 চতুথ
আপনাকে এই পব্ধিতিতে টিকেট কাটতে বা করতে কিছু শত, সুবিদা ও অসুবিদা আছে তা জেনে নিন।
১। আপনি ঢাকা (ধানমন্ডী,ফারমগেট,মতিঝিল,গুলশান,মিরপুর), আগ্রাবাদ চট্টোগ্রাম, নাটর রোড রাজশাহী, এয়ারপোট রোড আম্বরখানা সিলেট এই জিপি কাস্টমার সেন্টার ছাড়া তেমন কোন জায়গায় মোবিক্যাশ ও টিকেট প্রিন্ট করা যায় না।  তবে অন্য কোন জায়গায় গেলে জামেলার মধ্যে পরতে পারেন।
২। আপনি এই পদ্দিতি শুধু জিপি এর জন্য ।তবে অন্য অপারেটর প্রায় একই রকম।
৩। আপনি এক মাস এ একটি সিম দিয়ে সবোচ্ছ চারটি টিকেট কাটতে পারবেন ।
৪। আপনি যদি আপনার সিম এ বেসি মোবিক্যাশ বা যে মোবিক্যাশ করেছেন তা দিয়ে টিকেট না কাটতে পারলে । কোন চিন্তা করবেন না সেই টাকা আপনার আজীবন থাকবে বা আপনি সেই টাকা আপনার সেই সিম এ FlexiLoad করতে পারেন।
৫। আপনাকে প্রতিটি টিকেট এর জন্য এক্সট্রা বিশ টাকা সাভিস চাজ দিতে হবে।
৬। আপনি যাত্রার সবোচ্ছ দশ দিন আগে অগ্রীম টিকেট কাটতে পারবেন।
৭। আপনি টিকেট কাটার সময় এইটা অবশ্যই লক্ষ রাখবেন যে আপনার যাত্রার শুরুর স্থানটি বা স্টেশনটি যেন ট্রেনটির যাত্রার প্রথম ও শেষগন্তব্য স্থান বা স্টেশনটি হতে হবে।এবং আপনি আপনার যাত্রা শুরু জন্য ঐ স্থান বা স্টেশনটি ঠিক করার পর গন্তব্য স্থান বা স্টেশন যে কোনটি হতে পারে বা দিতে পারেন।
৮। আপনি ট্রেনটির যাত্রার প্রথম ও শেষগন্তব্য স্থান বা স্টেশনটি ছাড়া অন্য কোন স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করতে পারবেন না। তবে যে কোন স্থান বা স্টেশনে যাত্রা শেষ করতে পারবেন।
৯। আপনাকে টিকেট বুকিং দিতে হলে ট্রেইন যাত্রার সময় এর সবোনিন্ম বার ঘন্টা এবং সরাসরি টিকেট কিনতে চাইলে ছয় ঘন্টা পূবে টিকেট কাটতে হবে।
১০। এই পব্ধিতি ব্যবহার করে শুধু মাত্র আন্তনগর ট্রেন এর টিকেট কাটা যাবে।
অকে সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।
১১। আপনি টিকেট কাটার সময় প্রতিটি ষ্টেপ এর জন্য ত্রিশ সেকেন্ড করে সময় পাবেন।
১২। আপনি এই বিষয় কোন প্রবলে্মে পরলে যে কোন জিপি নম্বর থেকে 1200 তে কল করুন।