অনেক সময় পেনড্রাইভে ভাইরাস থাকলেও তা শনাক্ত করা যায় না। তবে চাইলে সহজেই পেনড্রাইভের ভাইরাস শনাক্ত করা যায়। এ জন্য আপনার ইউএসবি পোর্টে পেনড্রাইভটি যুক্ত করুন। এখন Start/run-এ গিয়ে cmd লিখে কমান্ড অপশন খুলুন। এবার মাই কম্পিউটারে ঢুকে আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটার কোনটি তা জেনে নিন। যেমন ড্রাইভ লেটার যদি L হয়, তবে কমান্ড অপশনে L: লিখে এন্টার করুন। এরপর dir/w/o/a/p কমান্ডটি হুবহু লিখে এন্টার করুন। এখন পেনড্রাইভে থাকা ফাইলের তালিকা দেখা যাবে। তালিকায় Bha.vbs , Iexplore.vbs, RVHost.exe, Ravmon.exe, New_Folder.exe, Autorun.inf ইত্যাদি নামের কোনো ফাইল বা *.exe কোনো ফাইল আছে কি না, দেখুন। যদি এ রকম কোনো ফাইল দেখতে পান, তাহলে attrib -h -r -s -a *.* লিখে এন্টার করুন। এখন del filename কমান্ড লিখে আবার এন্টার করুন। filename-এর জায়গায় ওই ফাইলের নাম হুবহু লিখতে হবে। যদি Autorun.inf ফাইলটি মুছতে চান, তাহলে del Autorun.inf লিখে এন্টার চাপুন। এভাবে আপনি পেনড্রাইভের সন্দেহজনক ফাইলগুলো মুছে ফেলতে পারেন। এ ছাড়া, সম্ভব হলে সর্বোচ্চ সুরক্ষার জন্য নিয়মিত হালনাগাদ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার পেনড্রাইভ সম্পূর্ণ স্ক্যান করুন।
From this blog you can find some information's that related to computer ,media,electronics,movies,songs,interesting news,worlds current facts,medical,sports news and so on.
রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
কিছু ছোট সফটওয়্যার ,আপনার কাজে আসবে ৯৯% (বিশ্বাস না হলে একবার পোস্টটি দেখুন)
ছবি+ফাইল (সাইজঃ ৩০৭ কেবি)
আগেও হয়েসে , সেটা “jpg image এর ভিতর কিভাবে প্রয়োজনীয় ফাইল লুকিয়ে রাখবেন’’ এই নামে
কিন্তু সেটা সফটওয়্যার ছাড়া, আর আমি দেখাব সফটওয়্যার দিয়ে...
১) প্রথমে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করুন এখানে ক্লিক করুন
২) এবার আপনার ছবি(jpg) নিবাচিত করুন৩) এবার যে ফাইলটি ছবির ভিতর লুকিয়ে রাখবেন সেটি রার (rar) ফরম্যাট এ কম্পপ্রেস করুন
এবং নিবাচিত করুন
৫) ওকে প্রেস করুন......কাজ শেষ
৬) ফাইল টি তে ক্লিক করলে ছবি ওপেন হবে
৭) আর ছবিটি কে ওপেন উইথ winrar/7zip দিলে আপনার লুকান ফাইল দেখতে পারবেন...।
[এখানে ক্লিক করবেন না]
উইন্ডোজ এর startup সাউন্ড পরিৱতন করুন (size:2.60 mb)
২) এবার আপনার পছন্দের মিউজিক ফাইল টি সিলেক্ট করুন ফাইল টি wmv
ফরম্যাট এর হতে হবে। ডাউনলোড করা ফোল্ডার এ কিছু সাউন্ড ফাইল পাবেন

৩)play তে ক্লিক করুন। আপনার দেয়া ফাইল টি প্লে হলে কাজ শেষ
উইন্ডোজ ৭ এর মত এক্সপি তে ওয়াল পেপার চেঞ্জার (size:326 kb)
১) প্রথমত আপনাকে যে কোন ড্রাইভে গিয়ে একটি ফোল্ডার তৈরি করতে হবে-এবার আপনার পচ্ছন্দের ছবি গুলো ঐ ফোল্ডারে যোগ করবেন।

২) এবার সফট ওয়্যারটি ওপেন করে Add বাটনে ক্লিক করে আপনার তৈরি করা ফোল্ডারটি দেখিয়ে দিন। যে ড্রাইভটা আসবে সেখানে টিক মার্ক দিন। (যেমন উপরের ছবিতে-D:/Bitmap)

৩) এবার Option এ- ক্লিক করে সেটিংস ঠিক করে দিন। Ok করুন। এবার উপভোগ করুন। ভূলেও আপডেট করবেন না। এই কাজটি এক্সপি সিস্টেমে করা হয়েছে আমি নিজেও ব্যবহার করছি।
আপনার কম্পিউটার ছেলে না মেয়ে(size:151 bytes)
২) ক্লিক করে ওপেন করুন
৩) ছেলে কণ্ঠ শুনতে পেলে আপনার কম্পিউটার ছেলে
আর মেয়ে কণ্ঠ শুনতে পেলে আপনার কম্পিউটার মেয়ে
[ভূত দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন]
সেভেন ও ভিস্তায় God Mode এক্টিভেট করুন এবং উপভোগ করুন সুপার কন্ট্রোল প্যানেলঃ
১. ডেক্সটপের যেকোনো খালি যায়গায় একটি নিউ ফোল্ডার (New Folder) খুলুন,
২. এবার এটি রিনেম করুন এই নামেঃ GodMode.{ED7BA470-8E54-465E-825C-99712043E01C}
৩. এন্টার প্রেস করুন।

ব্যাস গড মোড রেডি। এখন এটাকে নিজের মত ব্যবহার করতে পাবেন। এটি উইন্ডোজ সেভেন ও ভিস্তা তে কাজ করবে।
ফেসবুক স্ট্যাটাস
▀██▀─▄███▄─▀██─██▀██▀▀█
─██─███─███─██─██─██▄█
─██─▀██▄██▀─▀█▄█▀─██▀█
▄██▄▄█▀▀▀─────▀──▄██▄▄█ এরকম আর্ট চাইলে ক্লিক করুন
২) এরকম লিখতে চাইলে ক্লিক করুন
আপনার উইন্ডোজ ভাল না খারাপ জানতে, একটি ফোল্ডার খুলন এবং নাম দিন
Con যদি ফোল্ডার টির নাম con দিতে পারেন তাহলে আপনার উইন্ডোজ খারাপ আর যদি না
তাহলে আপনার উইন্ডোজ ভাল
[উপরের নিয়মটি শুধু ফ্যান করার জন্য, এর মাধ্যমে উইন্ডোজ যাচাই করা যায় না]
না জানা থাকলে জেনে নেই ফেসবুক এর ইতিহাস ও বর্তমান আবস্থা
ফেইসবুক( ইংরেজি):Facebook) বিশ্ব-সামাজিক
আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট, যা ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি ৪
তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটিতে ফ্রিতে সদস্য হওয়া যায়। এর মালিক হলো
ফেইসবুক ইনক। ব্যবহারকারীগণ বন্ধু সংযোজন, বার্তা প্রেরণ এবং তাদের
ব্যক্তিগত তথ্যাবলী হালনাগাদ ও আদান প্রদান করতে পারেন, সেই সাথে একজন
ব্যবহারকারী শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল-ভিক্তিক নেটওয়ার্কেও
যুক্ত হতে পারেন। শিক্ষাবর্ষের শুরুতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যকার উত্তম জানা
শোনাকে উপলক্ষ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক প্রদত্ত বইয়ের নাম থেকে
এই ওয়েবসাইটটির নামকরণ করা হয়েছে।
বরতমানে ফেসবুক আলেক্সা রাঙ্কিং ২ নম্বর এ আছে। মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেইসবুক নির্মাণ করেন। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরো পরে এটা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাই স্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
২০০৪: ফেসম্যাস হতে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০০৪ এর জানুয়ারিতে মার্ক তার নতুন সাইট এর কোড লেখা শুরু করেন এবং ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ডের ডরমিটরিতেদিফেসবুক এর (thefacebook.com) উদ্বোধন করেন। শিঘ্রই মার্ক জাকারবার্গ এর সাথে যোগ দেন ডাস্টিন মস্কোভিৎজ (প্রোগ্রামার), ক্রিস হুগেস ও এডোয়ার্ডো স্যাভেরিন (ব্যবসায়িক মুখপাত্রও) এবং অ্যান্ডরু ম্যাককলাম (গ্রাফিক্ আর্টিস্ট)। জুনে প্যালো আল্টোতে অফিস নেওয়া হয়। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখে পৌঁছায়।
২০০৫: আগস্টে ‘দ্য ফেসবুক ডটকম’ নাম পাল্টে কোম্পানির নাম রাখা হয় শুধু ‘ফেসবুক’। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৫ লাখ।
২০০৬: কৌশলগত কারণে আগস্টে ফেসবুকের সঙ্গে মাইক্রোসফট সম্পর্ক স্থাপন করে। সেপ্টেম্বর থেকে সর্বসাধারণের জন্য ফেসবুক উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আগে শুধু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই ছিলেন এর ব্যবহারকারী। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় এক কোটি ২০ লাখে।
২০০৭: ফেব্রুয়ারিতে ভার্চুয়াল গিফট শপ চালু হয়। এপ্রিলে ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছায় দুই কোটি।
২০০৮: কানাডা ও ব্রিটেনের পর ফেব্রুয়ারিতে ফ্রান্স ও স্পেনে ফেসবুকের ব্যবহার শুরু হয়। এপ্রিলে ফেসবুক চ্যাট চালু হয়। আগস্টে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ কোটিতে।
২০০৯: জানুয়ারিতে ব্যবহারকারী ১৫ কোটি। ডিসেম্বরে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৫ কোটিতে।
২০১০: ফেব্রুয়ারিতে যে সংখ্যা ছিল ৪০ কোটি, জুলাইয়ে সেই সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। আর ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ৫৫ কোটি।
দেশ আনুযাহি বাবহার কারি
বরতমানে ফেসবুক আলেক্সা রাঙ্কিং ২ নম্বর এ আছে। মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন তার কক্ষনিবাসী ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্স এবং ক্রিস হিউজেসের যৌথ প্রচেষ্টায় ফেইসবুক নির্মাণ করেন। ওয়েবসাইটটির সদস্য প্রাথমিকভাবে হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল, কিন্তু পরে সেটা বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। আরো পরে এটা সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, হাই স্কুল এবং ১৩ বছর বা ততোধিক বয়স্কদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
ইতিহাস
মার্ক জুকারবার্গ ,হার্ভার্ড এ তার ২য় বর্ষ চলাকালীন সময়ে, অক্টবার ২৮, ২০০৩ এ তৈরি করেন ফেসবুকের পূর্বসূরি সাইট ফেসম্যাস। এতে তিনি হার্ভার্ডের ৯ টি হাউস এর শিক্ষার্থীদের ছবি ব্যাবহার করেন। তিনি দুইটি করে ছবি পাশাপাশি দেখান এবং হার্ভার্ডের সব শিক্ষারথিদের ভোট দিতে বলেন। কোন ছবিটি হট আর কোনটি হট নয়। ' হট অর নট ' । এজন্য মার্ক জুকারবার্গ হার্ভার্ডের সংরক্ষিত তথ্য কেন্দ্রে অনুপ্রবেশ বা হ্যাঁক করেন। ফেসম্যাস সাইট এ মাত্র ৪ ঘণ্টায় ৪৫০ ভিজিটর ২২০০০ ছবিতে অন লাইন এর মাধ্যমে ভোট দেন।২০০৪: ফেসম্যাস হতে অনুপ্রাণিত হয়ে ২০০৪ এর জানুয়ারিতে মার্ক তার নতুন সাইট এর কোড লেখা শুরু করেন এবং ফেব্রুয়ারিতে হার্ভার্ডের ডরমিটরিতেদিফেসবুক এর (thefacebook.com) উদ্বোধন করেন। শিঘ্রই মার্ক জাকারবার্গ এর সাথে যোগ দেন ডাস্টিন মস্কোভিৎজ (প্রোগ্রামার), ক্রিস হুগেস ও এডোয়ার্ডো স্যাভেরিন (ব্যবসায়িক মুখপাত্রও) এবং অ্যান্ডরু ম্যাককলাম (গ্রাফিক্ আর্টিস্ট)। জুনে প্যালো আল্টোতে অফিস নেওয়া হয়। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১০ লাখে পৌঁছায়।
২০০৫: আগস্টে ‘দ্য ফেসবুক ডটকম’ নাম পাল্টে কোম্পানির নাম রাখা হয় শুধু ‘ফেসবুক’। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫৫ লাখ।
২০০৬: কৌশলগত কারণে আগস্টে ফেসবুকের সঙ্গে মাইক্রোসফট সম্পর্ক স্থাপন করে। সেপ্টেম্বর থেকে সর্বসাধারণের জন্য ফেসবুক উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আগে শুধু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই ছিলেন এর ব্যবহারকারী। ডিসেম্বরে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় এক কোটি ২০ লাখে।
২০০৭: ফেব্রুয়ারিতে ভার্চুয়াল গিফট শপ চালু হয়। এপ্রিলে ব্যবহারকারীর সংখ্যা পৌঁছায় দুই কোটি।
২০০৮: কানাডা ও ব্রিটেনের পর ফেব্রুয়ারিতে ফ্রান্স ও স্পেনে ফেসবুকের ব্যবহার শুরু হয়। এপ্রিলে ফেসবুক চ্যাট চালু হয়। আগস্টে ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ কোটিতে।
২০০৯: জানুয়ারিতে ব্যবহারকারী ১৫ কোটি। ডিসেম্বরে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৫ কোটিতে।
২০১০: ফেব্রুয়ারিতে যে সংখ্যা ছিল ৪০ কোটি, জুলাইয়ে সেই সংখ্যা ৫০ কোটি ছাড়িয়ে যায়। আর ডিসেম্বরে এ সংখ্যা ৫৫ কোটি।
কোম্পানি মালিকানা
মার্ক জুকারবার্গ - ২৪%, এক্সেল পার্টনার -১০%, ডিজিটাল স্কাই টেকনোলোজিস - ১০%, ডাস্টিন মস্কোভিৎজ - ৬%, এডোয়ার্ডো স্যাভেরিন - ৫%, শণ পার্কার - ৪%, মাইক্রোসফট - ১.৫%, কর্মচারী, বিভিন্ন তারকা (নাম অপ্রকাশিত) এবং বহির্ভূত মালিকানা ৩০%, অন্যান্য - ৯.৫% (বিস্তারিত ইংরেজি সংস্করণ এ)।দেশ আনুযাহি বাবহার কারি
Rank
|
Country
| Number of Users | Percentage |
| World | 1,000,000,000 | 14.50% | |
| 1 | United States | 163,071,460 | 52.56% |
| 2 | Brazil | 64,552,420 | 33.09% |
| 3 | India | 61,499,220 | 5.24% |
| 4 | Indonesia | 47,067,860 | 29.37% |
| 5 | Mexico | 39,854,100 | 35.44% |
| 6 | Turkey | 32,408,540 | 41.65% |
| 7 | United Kingdom | 32,175,460 | 51.61% |
| 8 | Philippines | 30,094,560 | 30.12% |
| 9 | France | 25,307,820 | 39.07% |
| 10 | Germany | 25,063,880 | 30.64% |
মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
আর নয় এন্টিভাইরাস গত সমস্যা । নিয়ে নিন জেনুইন…।।।
এন্টিভাইরাস কম্পানি এভাস্ট নিয়ে এল এই অফারটি । আপনাকে প্রথমে এভাস্ট
ফ্রি এন্টিভাইরাস ইন্সটল দিতে হবে । তারপর এভাস্ট এর লিন্ক এ যেয়ে Sign up
করতে হবে । অতঃপর আপনি পাবেন আপনার রেফারেল লিন্ক । যদি ৭ / ১৪ / ২১ জন
আপনার লিন্ক থেকে এভাস্ট ফ্রি এন্টিভাইরাস ডাউনলোড করে ব্যবহার করে, আপনি
পেয়ে যাবেন যথাএমে ১/ ২ / ৩ বছরের ইন্টারনেট সিকিউরিটির লাইসেন্স ।
এভাস্ট ফ্রি এন্টিভাইরাসটির ডাউনলোড লিন্কঃ
”ডাউনলোড”
২০৩৮ সাল পর্যন্ত চলবে http://on.fb.me/Y9i1cf
এভাস্ট ফ্রি এন্টিভাইরাসটির ডাউনলোড লিন্কঃ
”ডাউনলোড”
২০৩৮ সাল পর্যন্ত চলবে http://on.fb.me/Y9i1cfকম্পিউটারের সামনে বসার সঠিক উপায়। প্রত্যেক কম্পিউটার ব্যাবহারকারীর অবশ্যই জানা উচিত।
আসসালামুয়ালাইকুম।আশা করি মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালই আছেন। কিছুদিন
আগে প্রথম আলোতে একটি আরটিকেল পড়লাম আজ সেটাই আপনাদের সাথে শেয়ার করব
যা প্রত্যেক কম্পিউটার ব্যাবহারকারীর অবশ্যই জানা উচিত বলে আমি মনে করি।
প্রতিদিন কম্পিউটারে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছেন যাঁরা তাঁদের নানা রকম শারীরিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন: কোমর, ঘাড় ও ঊরুতে ব্যথা, কাঁধ ও আঙুল অবশ হয়ে আসা, হাতের কবজি ব্যথা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ শুকনো বোধ করা ও মাথাব্যথা। তবে এসব সমস্যার বেশির ভাগই হয়ে থাকে অনুপযুক্ত চেয়ার-টেবিল ও দেহভঙ্গির কারণে।
কম্পিউটারের সামনে বসার ভঙ্গি কেমন হবে?
প্রতিদিন কম্পিউটারে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছেন যাঁরা তাঁদের নানা রকম শারীরিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যেমন: কোমর, ঘাড় ও ঊরুতে ব্যথা, কাঁধ ও আঙুল অবশ হয়ে আসা, হাতের কবজি ব্যথা, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ শুকনো বোধ করা ও মাথাব্যথা। তবে এসব সমস্যার বেশির ভাগই হয়ে থাকে অনুপযুক্ত চেয়ার-টেবিল ও দেহভঙ্গির কারণে।
কম্পিউটারের সামনে বসার ভঙ্গি কেমন হবে?
- এমন একটি চেয়ার ব্যবহার করুন, যা আপনার দেহের বাঁকগুলোর সঙ্গে মিশে যায়। চেয়ারে হেলান দিয়ে বসা ভালো।
- আপনার কোমর, ঊরু ও হাঁটু যেন একই সমান্তরালে থাকে।
- পায়ের পাতা দুটো আরাম করে মেঝেতে বিছিয়ে রাখতে হবে, ঝুলে থাকবে না।
- হাত দুটো কাজের ফাঁকে চেয়ারের হাতলে বিছিয়ে রাখা যাবে।চেয়ারটির গদি এমন হবে, যা খুব শক্ত নয়, আবার বেশি নরমও নয়।
- কম্পিউটারের মনিটর চোখ থেকে অন্তত ২০ থেকে ২৬ ইঞ্চি দূরে থাকবে।
- মনিটরের একেবারে ওপরের বিন্দুও যেন চোখের সমান্তরালে থাকে, জোর করে উঁচু হয়ে যেন দেখতে না হয়।
- কম্পিউটার টেবিলের নিচে পা দুটি যথেষ্ট আরাম করে জায়গা পাবে, গাদাগাদি করে থাকবে না।টেবিলের উচ্চতা হবে কনুইয়ের সমান্তরাল।
- কি-বোর্ড ও মাউসের জায়গাটি আপনার ঊরুর ১ থেকে ২ ইঞ্চি ওপরে থাকবে।
কবজি সোজা ও বাহু মেঝের ঠিক ৯০ ডিগ্রি কোণে থাকবে। - মনিটর এমন জায়গায় স্থাপন করুন, যেখানে অতিরিক্ত আলোর জন্য চোখে চাপ পড়বে না। যেমন জানালা থেকে একটু দূরে।
- একটানা বেশি সময় ধরে একই ভঙ্গিতে বসে কাজ করবেন না। কাজের মধ্যে বিশ্রাম নিন। অফিসে দু-এক পাক ঘুরে আসুন।
- ক্লান্ত
লাগলে দাঁড়িয়ে মাংসপেশিগুলো টান টান করে নিন। মাসল স্ট্রেচিংয়ের কিছু
নিয়ম আছে: দাঁড়িয়ে হাত মাথার ওপর নিয়ে টান টান করুন। মাথা এক দিকের
কাঁধের ওপর হেলে কিছুক্ষণ ধরে রাখুন, এবার উল্টো দিকেও তা করুন।
কাঁধ দুটোকে কানের কাছাকাছি উঁচু করে ধরুন, কিছুক্ষণ রেখে নামিয়ে নিন।
হাত দুটো মুঠো করে সামনে টান টান করে আড়মোড়া ভাঙার মতো করে সামনে-পেছনে আনুন। - মাঝে মাঝে মনিটর থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে বাইরে সবুজ কোনো দৃশ্যে চোখ রাখুন ও চোখের বিশ্রাম নিন।
নিয়ে নিন কিছু নকিয়া, কিছু চায়না, কিছু এনড্রয়েড মোবাইলের গোপন এবং গুরত্বপূর্ন কোড…….
***Nokia মোবাইল গোপন এবং গুরত্বপূর্ন কোড------
*#06# checking the
IMEI*#7780# reset to
factory
settings*#67705646#
clear the LCD display
*#0000# software
version.*#2820#
Bluetooth device
address.
*#746025625# Sim
clock allowed status.*#
7328748263373738#
resets security code.
*# 2640# Displays
security code in use.
*#30# Lets you see
the private
number.*#43# \"Call
Waiting\" *# 61# \"On
No Reply\" *#62#
\"DivertIf Unreachable
(no service)\"*#67#
\"On Busy Calls
\"*#67705646#
Removes operator logo
*#73# Reset phone
timers and game
scores. *# 7760#
Manufactures
code**21*number#
Turn on \"All Calls \"
**61*number# Turn on
\"No Reply \"
**67*number# Turn on
\"On Busy\
***চায়না মোবাইল সিকিউরিটি ও পিন আউট গোপন এবং গুরত্বপূর্ন কোড------
1.default user
code: 1122, 3344, 1234,
5678
2.Engineer mode: *#
110*01#
3.Factory mode: *#
987#
4.Enable COM port: *#
110*01#
->Device ->Set
UART ->PS Config -
>UART1/115200 KAJAL
1.Restore
factory settings: *#
987*99#
2.LCD contrast: *#369#
3. software
version:*#800#
4. software
version:*#900#
5.set default language:
*# 0000#
***এনড্রয়েড মোবাইলের গোপন এবং গুরত্বপূর্ন কোড------
(1) Shows Wi-Fi MAC address: (a) Just
Dial *#*#232338#*#*
(2) Bluetooth test: (a) Just Dial*#*#
232331#*#*
(3) Shows Bluetooth address: (a) Just
Dial *#*#232337#*#
(4) LCD test: (a) Just Dial*#*#0*#*#*
(5) Vibration & BackLight test: (a) Just
Dial *#*#0842#*#*
(6) Touch screen version: (a) Just Dial
*#*#2663#*#*
(7) Touch screen test: (a) Just Dial*#
*#2664#*#*
(8) Proximity sensor test: (a) Just Dial
*#*#0588#*#*
(9) RAM version: (a) Just Dial *#*#
3264#*#*
(10) Android Phone GTalk lanuch: (a)
Just Dial *#*#8255#*#*
(11) PDA, Phone, CSC, Build Time,
Change list number: (a) Just Dial*#*#
44336#*#*
(12) Android Phone Reset: (a) JustDial
*#*#7780#*#*
(13) Android Phone Backup: (a) Just
Dial *#*#273283*255* 663282*#*#*
(b) This code opens a file copy screen
where you can backup your media
files
(14)Android Phone Information: (a)
Just Dial *#*#4636#*#* (b) You can
use this code to get some information
about your phone and battery. (c) It
shows phone information, Battery
information, Battery history, & Usage
statistics.
(15) Android Phone Service mode:(a)
Just Dial *#*#197328640#* #* (b) You
can use this code to enter into Service
mode (c) You can run various tests
and change settings in the service
mode.
(16) Android Phone Camera
Information: (a) Just Dial *#*#
34971539#*#* (b) You can use this
code to get information about the
camera. (c) It shows following 4
menus. (d) Update camera firmware in
image, Update camera firmware in SD
card, Get camera firmware version
and Get firmware update count. (e)
WARNING: Never use the first option
(Update camera firmware in image)
otherwise your camera will stop
working and you’ll need to take your
phone to service center to reinstall
camera firmware
(17) Android Phone Factory Format:
(a) Just Dial *2767*3855# . (b) This
code is used for factory format, which
will delete all files and settings,
including the internal memory
storage. It’ll also reinstall the
firmware. (c) You can use this code to
reset your Android phone back to
factory data. (d) It’ll remove
following things: Google account
settings stored in your phone,
System and application data and
settings, Downloaded applications.
*#06# checking the
IMEI*#7780# reset to
factory
settings*#67705646#
clear the LCD display
*#0000# software
version.*#2820#
Bluetooth device
address.
*#746025625# Sim
clock allowed status.*#
7328748263373738#
resets security code.
*# 2640# Displays
security code in use.
*#30# Lets you see
the private
number.*#43# \"Call
Waiting\" *# 61# \"On
No Reply\" *#62#
\"DivertIf Unreachable
(no service)\"*#67#
\"On Busy Calls
\"*#67705646#
Removes operator logo
*#73# Reset phone
timers and game
scores. *# 7760#
Manufactures
code**21*number#
Turn on \"All Calls \"
**61*number# Turn on
\"No Reply \"
**67*number# Turn on
\"On Busy\
***চায়না মোবাইল সিকিউরিটি ও পিন আউট গোপন এবং গুরত্বপূর্ন কোড------
1.default user
code: 1122, 3344, 1234,
5678
2.Engineer mode: *#
110*01#
3.Factory mode: *#
987#
4.Enable COM port: *#
110*01#
->Device ->Set
UART ->PS Config -
>UART1/115200 KAJAL
1.Restore
factory settings: *#
987*99#
2.LCD contrast: *#369#
3. software
version:*#800#
4. software
version:*#900#
5.set default language:
*# 0000#
***এনড্রয়েড মোবাইলের গোপন এবং গুরত্বপূর্ন কোড------
(1) Shows Wi-Fi MAC address: (a) Just
Dial *#*#232338#*#*
(2) Bluetooth test: (a) Just Dial*#*#
232331#*#*
(3) Shows Bluetooth address: (a) Just
Dial *#*#232337#*#
(4) LCD test: (a) Just Dial*#*#0*#*#*
(5) Vibration & BackLight test: (a) Just
Dial *#*#0842#*#*
(6) Touch screen version: (a) Just Dial
*#*#2663#*#*
(7) Touch screen test: (a) Just Dial*#
*#2664#*#*
(8) Proximity sensor test: (a) Just Dial
*#*#0588#*#*
(9) RAM version: (a) Just Dial *#*#
3264#*#*
(10) Android Phone GTalk lanuch: (a)
Just Dial *#*#8255#*#*
(11) PDA, Phone, CSC, Build Time,
Change list number: (a) Just Dial*#*#
44336#*#*
(12) Android Phone Reset: (a) JustDial
*#*#7780#*#*
(13) Android Phone Backup: (a) Just
Dial *#*#273283*255* 663282*#*#*
(b) This code opens a file copy screen
where you can backup your media
files
(14)Android Phone Information: (a)
Just Dial *#*#4636#*#* (b) You can
use this code to get some information
about your phone and battery. (c) It
shows phone information, Battery
information, Battery history, & Usage
statistics.
(15) Android Phone Service mode:(a)
Just Dial *#*#197328640#* #* (b) You
can use this code to enter into Service
mode (c) You can run various tests
and change settings in the service
mode.
(16) Android Phone Camera
Information: (a) Just Dial *#*#
34971539#*#* (b) You can use this
code to get information about the
camera. (c) It shows following 4
menus. (d) Update camera firmware in
image, Update camera firmware in SD
card, Get camera firmware version
and Get firmware update count. (e)
WARNING: Never use the first option
(Update camera firmware in image)
otherwise your camera will stop
working and you’ll need to take your
phone to service center to reinstall
camera firmware
(17) Android Phone Factory Format:
(a) Just Dial *2767*3855# . (b) This
code is used for factory format, which
will delete all files and settings,
including the internal memory
storage. It’ll also reinstall the
firmware. (c) You can use this code to
reset your Android phone back to
factory data. (d) It’ll remove
following things: Google account
settings stored in your phone,
System and application data and
settings, Downloaded applications.
শুক্রবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩
আপনার কম্পিউটারের ডেস্কটপের আইকনের shortcut অ্যারো সরিয়ে ফেলুন খুব সহজেই
প্রথমে আপনার start menu তে run বাটনে click করুন,
তারপর লিখুন regedit তারপর Enter চাপুন
এরপর HKEY_CLASSES_ROOT এ ডাবল ক্লিক করুন
এরপর নিচে খুজে দেখুন lankfile কোথায় আছে lankfil এ ক্লিক করুন
দেখুন Is Shortcut আছে Is Shortcut টি delete করে দিন
তারপর লিখুন regedit তারপর Enter চাপুন
এরপর HKEY_CLASSES_ROOT এ ডাবল ক্লিক করুন
এরপর নিচে খুজে দেখুন lankfile কোথায় আছে lankfil এ ক্লিক করুন
দেখুন Is Shortcut আছে Is Shortcut টি delete করে দিন
তারপর আপনার পি সি restart দিন
মজিলা ফায়ারফক্স এর স্পীড নিয়ে চিন্তিত! এখনই এর স্পীড দ্বীগুন করে ফেলুন আতি সহজেই
আমরা মজিলা ফায়ারফক্স এর স্পীড নিয়ে অনেক সমস্যাতে পরছি আজকাল। আপনাদের
আজ এমন একটি উপায় বলে দিব যা আপনাদের মজিলা ফায়ারফক্স এর স্পীড দ্বীগুন
বাড়িয়ে দিবে।
১) প্রথমে ব্রাউজারটি খুলুন। তারপর এড্রেস বার এ লিখুন about:config আর এন্টার দিন। নিম্নরুপ:

২) নোটিফিকেশন টাতে ক্লিক করুন।
৩) তারপর একটি নতুন সারচ বক্স খুলবে এই সারচ বক্স এ network.http এটি লিখে এন্টার দিন। নিম্নরুপ:

৪) তারপর আপনি ডাবল ক্লিক করুন “‘network.http.pipelining” এইটি এবং ”network.http.proxy.pipelining” এই টির উপরে। দেখবে এদেরে স্টেটাস চেইন্জ হয়ে “True” হয়ে যাবে। নিম্নরুপ:


৫) এখন আপনি “network.http.pipelining.maxrequests” এই অপসান টির ভেলু মডিফাই করে 30 দিন।

৬) এখন খালি একটি জায়গাতে রাইট মাউস বাটন ক্লিক করুন এবং “New” সিলেক্ট করে “integer” সেলেক্ট করুন।

৭) তারপর nglayout.initialpaint.delay এটি লিখুন এবং OK চাপুন, তারপর 0 টাইপ করুন।


১) প্রথমে ব্রাউজারটি খুলুন। তারপর এড্রেস বার এ লিখুন about:config আর এন্টার দিন। নিম্নরুপ:

২) নোটিফিকেশন টাতে ক্লিক করুন।
৩) তারপর একটি নতুন সারচ বক্স খুলবে এই সারচ বক্স এ network.http এটি লিখে এন্টার দিন। নিম্নরুপ:

৪) তারপর আপনি ডাবল ক্লিক করুন “‘network.http.pipelining” এইটি এবং ”network.http.proxy.pipelining” এই টির উপরে। দেখবে এদেরে স্টেটাস চেইন্জ হয়ে “True” হয়ে যাবে। নিম্নরুপ:


৫) এখন আপনি “network.http.pipelining.maxrequests” এই অপসান টির ভেলু মডিফাই করে 30 দিন।

৬) এখন খালি একটি জায়গাতে রাইট মাউস বাটন ক্লিক করুন এবং “New” সিলেক্ট করে “integer” সেলেক্ট করুন।

৭) তারপর nglayout.initialpaint.delay এটি লিখুন এবং OK চাপুন, তারপর 0 টাইপ করুন।


১২টি আস্ত ডিকশনারি (Full Version) ইংলিশ টু বাংলা সহ
ডিকশনারি আমাদের একটি নিত্য প্রয়োজনীয় পাঠ্য পুস্তক। অনেক সময় আমাদের
বিভিন্ন শব্দের অর্থ জানার প্রয়োজন হয়, কিন্তু সবসময় এগুলো বহন করা
সম্ভব নয়। তবে সেটা যদি পকেটের স্থায়ী বাসিন্দা মোবাইলে নিয়ে ঘুরে
বেড়ানো যায় তাহলে মন্দ কি। আপনার মোবাইল ফোনে যদি ডিকশনারি থাকে তাহলে
প্রয়োজনের সময় চট করে যে কোন শব্দের অর্থ দেখে নিতে পারবেন।
আজ আমি আমার সংগ্রহে থাকা এরকম কিছু মোবাইলের ডিকশনারি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। এগুলো হচ্ছে ইংলিশ টু বাংলা ২টি, Oxford English Mini, Oxford Idioms, Oxford Business, Oxford Bible, English to English ২টি, English to Arabic ২টি এবং English to Hindi ২টি। ভাবছেন এতগুলো ডিকশনারির সাইজ নিশ্চয় অনেক বড়! চিন্তা করবেন না এই ১২টি ডিকশনারির সাইজ মাত্র ৭.০৪ MB। তাই এগুলো সহজেই জায়গা করে নিতে পারবে আপনার ফোনের Memory তে।
ডাউনলোড CLICK HARE...
ফাইল গুলো JAR ফরমেটের। তাই Java Enable যে কোন মোবাইলেই চলবে।
Install করার জন্য প্রথমে ফাইলটি আপনার PC তে ডাউনলোড করে Unzip করুন। এরপর প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো কপি করে আপনার মোবাইলের Memory তে অথবা Memory Card এ পেষ্ট করুন।
আজ আমি আমার সংগ্রহে থাকা এরকম কিছু মোবাইলের ডিকশনারি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। এগুলো হচ্ছে ইংলিশ টু বাংলা ২টি, Oxford English Mini, Oxford Idioms, Oxford Business, Oxford Bible, English to English ২টি, English to Arabic ২টি এবং English to Hindi ২টি। ভাবছেন এতগুলো ডিকশনারির সাইজ নিশ্চয় অনেক বড়! চিন্তা করবেন না এই ১২টি ডিকশনারির সাইজ মাত্র ৭.০৪ MB। তাই এগুলো সহজেই জায়গা করে নিতে পারবে আপনার ফোনের Memory তে।
ডাউনলোড CLICK HARE...
ফাইল গুলো JAR ফরমেটের। তাই Java Enable যে কোন মোবাইলেই চলবে।
Install করার জন্য প্রথমে ফাইলটি আপনার PC তে ডাউনলোড করে Unzip করুন। এরপর প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো কপি করে আপনার মোবাইলের Memory তে অথবা Memory Card এ পেষ্ট করুন।
মাইক্রোসফট ২০০৭ এর জন্য পিডিএফ কনভার্টার এডঅন
আজকে আপনাদের জন্য ছোট একটা এডঅন শেয়ার করব মাইক্রোসফট অফিস এর জন্য মাত্র ৯৩৫ কেবি।
আমরা মাইক্রোসফট অফিস এ কাজ করার সময় পিডিএফ এ কনভার্ট করার প্রয়োজন হয়, এই এডঅনটি দিয়ে সহজে পিডিএফ এ কনভার্ট করা যাবে এবং অন্য কোনো সফটওয়্যার এর সাহায্য লাগবে না। এইটা মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ এর জন্য কাজ করবে।

ডাউনলোড লিংক
আমরা মাইক্রোসফট অফিস এ কাজ করার সময় পিডিএফ এ কনভার্ট করার প্রয়োজন হয়, এই এডঅনটি দিয়ে সহজে পিডিএফ এ কনভার্ট করা যাবে এবং অন্য কোনো সফটওয়্যার এর সাহায্য লাগবে না। এইটা মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ এর জন্য কাজ করবে।

ডাউনলোড লিংক
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
