From this blog you can find some information's that related to computer ,media,electronics,movies,songs,interesting news,worlds current facts,medical,sports news and so on.
সোমবার, ৮ অক্টোবর, ২০১২
AJAX কী ও AJAX এর ব্যবহার
ওয়েবে, ওয়েব ডেভেলপার থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবহারকারি পর্যন্ত, সবার
কাছে গত ৩ বছর ধরে যে শব্দটি গুঞ্জনে পরিণত হয়েছে তা হচ্ছে AJAX . হাজারো
ওয়েব application তৈরি হয়েছে ও হচ্ছে এই প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে।
কিন্তু কী এই AJAX ?
Ajax = পুরোন প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার
Ajax এর পুরো অর্থ হচ্ছে Asynchronous JavaScript and XML. Ajax কোন প্রোগামিং ল্যাংগুয়েজ নয় বরং এটি একটি প্রযুক্তি। একটি প্রযুক্তি বলা ভুল হবে বরং ওয়েব ডেডেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয় এমন কতগুলো প্রযুক্তির সমষ্টি মাত্র। XHTML, CSS, DOM , XML, JavaScript এই প্রযুক্তি গুলো ওয়েব ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে এমনিতেই ব্যবহৃত হয়। আর Ajax হচ্ছে এই প্রযুক্তি গুলো মিলিয়ে তৈরি একটি নতুন প্রযুক্তি।
AJAX এর নাম করণ
জেসি জেমস গ্যারেট, ২০০৫ সালের ১৮ অক্টোবরে তার প্রকাশিত লেখা Ajax: A New Approach to Web Applications মাধ্যমে সর্বপ্রথম Ajax এর নামকরণ করেন। অর্থাৎ এজাক্স শুধু নামেই নতুন, এজাক্স -এই শব্দটি ওয়েবে আসার আগেই গুগল ম্যাপ, গুগল সাজেস্ট অ্যাপলিকেশন গুলো তৈরি হয়। গ্যারেটের নাম করণের মাধ্যমে AJAX তার একটি নিজেস্ব নাম পায়। যে সব টেকনোলজি নিয়ে এজাক্স গঠিত সেগুলো ওয়েবে আগেই ব্যবহৃত হত এবং এখনও ব্যবহৃত হয়।
সিলিকনভেলির ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফার্মের ডাইরেক্টর গ্যারেট তার লেখায় বলেন যে, এজাক্স মূলত পাঁচটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত। আসুন দেখি গ্যারেট তার লেখায় Ajax কে কী ভাবে বর্ণনা করেছেন।
XHTML ও CSS:
এজেক্স এ XHTML ও CSS দিয়ে অ্যাপলিকেশনের Interface তৈরি করা হয়। XHTML হচ্ছে HTML এর Latest ভাসর্ন এতে কিছু নতুন Specification ( HTML কোড লেখার নিয়মনীতির ) পরিবর্তন ও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে মূল HTML এর আমূল কোন পরিবর্তন নয়। আর CSS হচ্ছে Style Sheet যার মাধ্যমে HTML এর বিভিন্ন উপাদানকে নিয়ন্ত্রন করা হয় এবং Style প্রদান করা হয়।
DOM বা Document Object Model:
User Interface -এর যে কোন স্থান বা অংশ যখন পরিবর্তন করা হয় বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় যেমন নতুন কোন Block যুক্ত করা বা নির্দিষ্ট কোন অংশে ( DIV -এ ) নতুন কোন information বা element যুক্ত করা, গ্যারেট এর লেখা অনুযায়ী এর পরিবর্তন করার জন্য Ajax এ ব্যবহৃত হয় DOM বা Document Object Model. DOM বা Document Object Model হচ্ছে এমন একটি Application Interface যা বেশির ভাগ ব্রাউজার সাপোর্ট করে এবং যার মাধ্যমে ব্রাউজারে – এ visible এমন উপাদান গুলোকে পরিবর্তনের মাধ্যমে User Interface পরিবর্তন করা যায়।
XML বা Extensible Markup Language:
গ্যারেটের মতে Ajax প্রযুক্তিতে সার্ভার ও ব্রাউজারের মধ্যে সকল ডেটা আদান প্রদান করে XML format -এ। XML হচ্ছে HTML এর মত একটি Markup Language. HTML -এ এর Markup গুলো নির্দিষ্ট করা যেমন <p>, <a>, <span> ইত্যাদি। HTML লেখতে হলে আপনাকে এই নির্দিষ্ট tag গুলোই ব্যবহার করতে হবে। আর XML -এর আপনি আপনার নিজের ইচ্ছা মতো tag তৈরি ও ব্যবহার করতে পারবেন যেমন <product>, <id>, <item> তবে HTMLও XML কিন্তু একে অন্যের replacement নয়। HTML এর কাজ Information Display করা আর XML এর কাজ হচ্ছে data বা information carry করা। দুটোর উদ্দেশ্য আলাদা আলাদা।
XMLHttp:
উপরে যা বুঝেছিলেন তা এখন কাজে লাগান। সাধারণ ভাবে ওয়েব সার্ভারে কোন Request পাঠানো হলে সেই response এর result দেখাতে পুরো ওয়েব পেইজটি refresh হওয়ার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ পুরো interface টি hypered হয় বা বলতে পারেন লাফ দেয়। Ajax প্রযুক্তি মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে hyped Interface থেকে মুক্তি দেওয়া, অর্থাৎ পুরো UI ( User Interface ) এর কোন রকম পরিবর্তন না ঘটিয়ে সম্পূর্ণ background -এ বা asynchronously browser থেকে server এ request পাঠানো এবং ব্রাউজের পাঠানো request process করে response পাঠানো। Asynchronous মানে হচ্ছে ব্রাউজার কর্তৃক পাঠানো কোন request এর respond এর জন্য অপেক্ষা না করে তা background -এ সম্পন্ন করা। আর এ কাজের জন্য ব্যবহা করা হয় XMLHttp.XMLHttp হচ্ছে বেশিরভাগ ব্রাউজার সাপোর্ট করে এমন একটি object (যদিও IE6 করে না)। যার মাধ্যমে browser, server -এর process জন্য যে কোন request পাঠিয়ে তার responce পেতে পারে।
Javascripts:
Javascript এই সব কিছুকে এক সাথে বেঁধে ফেলে। ছবিটি দেখে মিলিয়ে মিলিয়ে পড়ুন তাহলে বুঝতে সুবিধাহবে।
(১) Javascript user এর interaction ( click, submit, keypress ) monitor করে। যেমন কোন ক্লিক হল কিনা, কোন ফর্ম সাবমিট বা keypress হল কিনা।(২) হলে, Javascript, serverএর সাথে communicate করার জন্য XMLHttp request তৈরি ও সক্রিয় করে। (৩) এরপর Javascript, ব্রাউজার কতৃক পাঠানো প্রয়োজনীয় information, XML format এ পাঠানোর জন্য এক সাথে package করে সার্ভারে পাঠায় । (৪) Javascript XHTML ও CSS দিয়ে তৈরি করা ইন্টারফেসের প্রয়োজনীয় অংশ DOM Access এর মাধ্যমে পরিবর্তন করে (৫) user কে জানান দেয় যে request সফল হয়েছে কি হয় নি।
কিন্তু কী এই AJAX ?
Ajax = পুরোন প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার
Ajax এর পুরো অর্থ হচ্ছে Asynchronous JavaScript and XML. Ajax কোন প্রোগামিং ল্যাংগুয়েজ নয় বরং এটি একটি প্রযুক্তি। একটি প্রযুক্তি বলা ভুল হবে বরং ওয়েব ডেডেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয় এমন কতগুলো প্রযুক্তির সমষ্টি মাত্র। XHTML, CSS, DOM , XML, JavaScript এই প্রযুক্তি গুলো ওয়েব ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে এমনিতেই ব্যবহৃত হয়। আর Ajax হচ্ছে এই প্রযুক্তি গুলো মিলিয়ে তৈরি একটি নতুন প্রযুক্তি।
AJAX এর নাম করণ
জেসি জেমস গ্যারেট, ২০০৫ সালের ১৮ অক্টোবরে তার প্রকাশিত লেখা Ajax: A New Approach to Web Applications মাধ্যমে সর্বপ্রথম Ajax এর নামকরণ করেন। অর্থাৎ এজাক্স শুধু নামেই নতুন, এজাক্স -এই শব্দটি ওয়েবে আসার আগেই গুগল ম্যাপ, গুগল সাজেস্ট অ্যাপলিকেশন গুলো তৈরি হয়। গ্যারেটের নাম করণের মাধ্যমে AJAX তার একটি নিজেস্ব নাম পায়। যে সব টেকনোলজি নিয়ে এজাক্স গঠিত সেগুলো ওয়েবে আগেই ব্যবহৃত হত এবং এখনও ব্যবহৃত হয়।
সিলিকনভেলির ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফার্মের ডাইরেক্টর গ্যারেট তার লেখায় বলেন যে, এজাক্স মূলত পাঁচটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত। আসুন দেখি গ্যারেট তার লেখায় Ajax কে কী ভাবে বর্ণনা করেছেন।
তার আগে বুঝে নিন
ওয়েব পেইজে আমার যখন কোন লিংককে ক্লিক বা কোন ফরম সাবমিট করি তখন আপনার browser টি server কে বলে আমাকে অমুক পেইজটি দাও বা অমুক কাজটি কর এই প্রক্রিয়াটিকে বলে request পাঠানো। আর ওয়েব সার্ভার আপনার browser এই request গ্রহন করে উত্তর সরূপ আপনাকে পাঠায় আপনার কাঙ্ক্ষিত পেইজ। একে বলে response দেওয়া। অর্থাৎ browser, server কে request পাঠায় আর সার্ভার তা process করে তার response আবার Browser কে পাঠায়। তবে উল্টোও ঘটতে পারে। শুধু এতটুকু বুঝে নিন যে browser request পাঠায় আর server পাঠায় response।Ajax -এ যে যে প্রযুক্তি যে জন্য ব্যবহৃত হয়
XHTML ও CSS:
এজেক্স এ XHTML ও CSS দিয়ে অ্যাপলিকেশনের Interface তৈরি করা হয়। XHTML হচ্ছে HTML এর Latest ভাসর্ন এতে কিছু নতুন Specification ( HTML কোড লেখার নিয়মনীতির ) পরিবর্তন ও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে মূল HTML এর আমূল কোন পরিবর্তন নয়। আর CSS হচ্ছে Style Sheet যার মাধ্যমে HTML এর বিভিন্ন উপাদানকে নিয়ন্ত্রন করা হয় এবং Style প্রদান করা হয়।
DOM বা Document Object Model:
User Interface -এর যে কোন স্থান বা অংশ যখন পরিবর্তন করা হয় বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় যেমন নতুন কোন Block যুক্ত করা বা নির্দিষ্ট কোন অংশে ( DIV -এ ) নতুন কোন information বা element যুক্ত করা, গ্যারেট এর লেখা অনুযায়ী এর পরিবর্তন করার জন্য Ajax এ ব্যবহৃত হয় DOM বা Document Object Model. DOM বা Document Object Model হচ্ছে এমন একটি Application Interface যা বেশির ভাগ ব্রাউজার সাপোর্ট করে এবং যার মাধ্যমে ব্রাউজারে – এ visible এমন উপাদান গুলোকে পরিবর্তনের মাধ্যমে User Interface পরিবর্তন করা যায়।
XML বা Extensible Markup Language:
গ্যারেটের মতে Ajax প্রযুক্তিতে সার্ভার ও ব্রাউজারের মধ্যে সকল ডেটা আদান প্রদান করে XML format -এ। XML হচ্ছে HTML এর মত একটি Markup Language. HTML -এ এর Markup গুলো নির্দিষ্ট করা যেমন <p>, <a>, <span> ইত্যাদি। HTML লেখতে হলে আপনাকে এই নির্দিষ্ট tag গুলোই ব্যবহার করতে হবে। আর XML -এর আপনি আপনার নিজের ইচ্ছা মতো tag তৈরি ও ব্যবহার করতে পারবেন যেমন <product>, <id>, <item> তবে HTMLও XML কিন্তু একে অন্যের replacement নয়। HTML এর কাজ Information Display করা আর XML এর কাজ হচ্ছে data বা information carry করা। দুটোর উদ্দেশ্য আলাদা আলাদা।
XMLHttp:
উপরে যা বুঝেছিলেন তা এখন কাজে লাগান। সাধারণ ভাবে ওয়েব সার্ভারে কোন Request পাঠানো হলে সেই response এর result দেখাতে পুরো ওয়েব পেইজটি refresh হওয়ার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ পুরো interface টি hypered হয় বা বলতে পারেন লাফ দেয়। Ajax প্রযুক্তি মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে hyped Interface থেকে মুক্তি দেওয়া, অর্থাৎ পুরো UI ( User Interface ) এর কোন রকম পরিবর্তন না ঘটিয়ে সম্পূর্ণ background -এ বা asynchronously browser থেকে server এ request পাঠানো এবং ব্রাউজের পাঠানো request process করে response পাঠানো। Asynchronous মানে হচ্ছে ব্রাউজার কর্তৃক পাঠানো কোন request এর respond এর জন্য অপেক্ষা না করে তা background -এ সম্পন্ন করা। আর এ কাজের জন্য ব্যবহা করা হয় XMLHttp.XMLHttp হচ্ছে বেশিরভাগ ব্রাউজার সাপোর্ট করে এমন একটি object (যদিও IE6 করে না)। যার মাধ্যমে browser, server -এর process জন্য যে কোন request পাঠিয়ে তার responce পেতে পারে।
Javascripts:
Javascript এই সব কিছুকে এক সাথে বেঁধে ফেলে। ছবিটি দেখে মিলিয়ে মিলিয়ে পড়ুন তাহলে বুঝতে সুবিধাহবে।
(১) Javascript user এর interaction ( click, submit, keypress ) monitor করে। যেমন কোন ক্লিক হল কিনা, কোন ফর্ম সাবমিট বা keypress হল কিনা।(২) হলে, Javascript, serverএর সাথে communicate করার জন্য XMLHttp request তৈরি ও সক্রিয় করে। (৩) এরপর Javascript, ব্রাউজার কতৃক পাঠানো প্রয়োজনীয় information, XML format এ পাঠানোর জন্য এক সাথে package করে সার্ভারে পাঠায় । (৪) Javascript XHTML ও CSS দিয়ে তৈরি করা ইন্টারফেসের প্রয়োজনীয় অংশ DOM Access এর মাধ্যমে পরিবর্তন করে (৫) user কে জানান দেয় যে request সফল হয়েছে কি হয় নি।
আপনার বিজয় দিয়ে লেখা কে রুপান্তর করুন অভ্রতে ।
Avro Converter হল উইন্ডোজ এর জন্য
সর্বপ্রথম free একের ভিতর সব Unicode বাংলা ডকুমেন্ট কনভার্টার . এখন আর
প্লেইন টেক্সট কনভার্টার এর জন্য কোন Web based কনভার্টার এর দরকার নেই।
অফলাইন এ থেকেই আপনি আপনার টেক্সট সম্পুর্ন হুবহু রুপান্তর করতে পারবেন
ইউনিকোড এ।
যে সকল সুবিধা রয়েছেঃ
Bijoy to Unicode
Supports Bijoy 2000, Bijoy 200 Pro, Bijoy 2003, Bijoy 2003 Pro, Bijoy 2004 Pro, Bijoy Ekushey 2007 Classic
Supports Bijoy 2000, Bijoy 200 Pro, Bijoy 2003, Bijoy 2003 Pro, Bijoy 2004 Pro, Bijoy Ekushey 2007 Classic
Alpona Professional to Unicode
Both Alpona ANSI and Alpona Unicode (Private Range) versions are supported
Both Alpona ANSI and Alpona Unicode (Private Range) versions are supported
Proshika Shabda to Unicode
All Proshika Shabda versions are supported
All Proshika Shabda versions are supported
Proborton to Unicode
Both Proborton 2 and Proborton 2000 versions are supported
Both Proborton 2 and Proborton 2000 versions are supported
তাহলে এখনি সংগ্রহে রাখুন। ডাউনলোড করতে নিচে দেয়া লিঙ্কে ক্লিক করুন।
যেভাবে কাজ করবেনঃ
Avro Converter supports a variety range of
document conversion by OLE Automation method. So, in a rare number of
cases you will need to use Copy>Paste text conversion (which is also
supported). The current release supports-
Copy>Paste text conversion directly from clipboard
Plain text file (*.txt) conversion
Rich text file (*.rtf) conversion
Microsoft Word Document file (*.doc, *.docx) conversion
Microsoft Access Database (*.mdb) conversion
আমার দেখা স্ক্রীনশট নেওয়ার সবথেকে সুন্দর সফটওয়্যার “ফাস্ট স্টোন ক্যাপচার”
কাজের প্রয়োজনে বা টিউটোরিয়াল তৈরি করার জন্য কিংবা টিউনারপেজে টিউন
করার জন্য আমাদেরকে স্ক্রীনশট নিতে হয়। বিশেষ করে আমরা যারা নেট এ বিচরণ
করি। আর এ ক্ষেত্রে অসাধারন একটি সফটওয়্যার হচ্ছে “ফাস্ট স্টোন ক্যাপচার”।

সফটওয়্যারটি দিয়ে চলমান উইন্ডো বা ওয়েবপেইজের নানা ধরণের স্ক্রীনশট নেয়া যাবে। পুরো স্ক্রীন ও স্ক্রীনের যে কোনো অংশের ইচ্ছানুযায়ী শট নিতে এটি বেশ কার্যকরী । এ ছাড়াও সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে ব্রাইটনেস,কনট্রাষ্ট,কালার প্যালেট,ইফেক্টসহ এই ইমেজের সব ধরনের কাজও করা যাবে। এ সফটওয়্যার এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি স্ক্রিনের যে কোন অংশের উইন্ডো, ফুল স্ক্রিন, চতুর্ভূজ এবং গোলাকার ইত্যাদি ভাবে স্ক্রীনশট নিতে পারবেন।“ফাস্ট স্টোন ক্যাপচার” আমার দেখা সকল স্ক্রিনশট নেওয়ার সফটওয়্যার থেকে বেস্ট।আসুন এর সুবিধা গুলো জেনে নেই:

ফাস্টস্টোন ক্যাপচার-এর সুবিধাসমূহ
সফটওয়্যারটির সাইজ মাত্র : ১.৮ মেগাবাইট । আর কী-জেন তো রয়েছেই। তাহলে আর দেরি কেন এখনি ডাউনলোড করে নিন।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

সফটওয়্যারটি দিয়ে চলমান উইন্ডো বা ওয়েবপেইজের নানা ধরণের স্ক্রীনশট নেয়া যাবে। পুরো স্ক্রীন ও স্ক্রীনের যে কোনো অংশের ইচ্ছানুযায়ী শট নিতে এটি বেশ কার্যকরী । এ ছাড়াও সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে ব্রাইটনেস,কনট্রাষ্ট,কালার প্যালেট,ইফেক্টসহ এই ইমেজের সব ধরনের কাজও করা যাবে। এ সফটওয়্যার এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি স্ক্রিনের যে কোন অংশের উইন্ডো, ফুল স্ক্রিন, চতুর্ভূজ এবং গোলাকার ইত্যাদি ভাবে স্ক্রীনশট নিতে পারবেন।“ফাস্ট স্টোন ক্যাপচার” আমার দেখা সকল স্ক্রিনশট নেওয়ার সফটওয়্যার থেকে বেস্ট।আসুন এর সুবিধা গুলো জেনে নেই:

ফাস্টস্টোন ক্যাপচার-এর সুবিধাসমূহ
- এর একটি ছোট ক্যাপচার প্যানেল: যা উইন্ডোর যেকোন স্থানে টেনে নেয়া যায় বা মিনিমাইজ করে রাখা যায়।
- খুব অল্প মেমোরী দখল করে, বিশেষ করে যখন উইন্ডোজ ট্রে এরিয়াতে মিনিমাইজ করে রাখা হয়।
- সুপরিচিত হট-কী: (যেটা দেখেই বুঝা যায় যে, এই কী দ্বারা কি কাজ হয়) এর দ্বারা যে কোন স্থানের যখন ইচ্ছা ছবি তোলা যায়।
- টুলবক্স: যার দ্বারা ইচ্ছেমতো ইমেজকে ফ্লোটিং, রিসাইজিং, ক্রপিং, ই-মেইল পাঠানো এবং স্ক্রিন ম্যাগনিফায়ার হিসেবে কাজ করা যায়।
- টেক্সট/এ্যারো লাইন/হাইলাইট ইত্যাদি আলাদা করে দেখায়।
- কমেন্ট এড করা যায়
- ইচ্ছেমতো রিসাইজ, ক্রপ, ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট ইত্যাদি বাড়ানো কমানো যায়।
সফটওয়্যারটির সাইজ মাত্র : ১.৮ মেগাবাইট । আর কী-জেন তো রয়েছেই। তাহলে আর দেরি কেন এখনি ডাউনলোড করে নিন।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
আদি কালের বেশ কিছু কম্পিউটার
ম্যাকিন্টোশ ক্লাসিক (Macintosh Classic)

ম্যাকিন্টোশ এল সি ৪৭৫ (Macintosh LC475)
এর
পরে যে কম্পিউটারটি নিয়ে আমি বলতে যাচ্ছি, সেটা হচ্ছে, ম্যাকিন্টোশ এল সি
৪৭৫। Motorola MC68LC040 প্রসেসরের ২৫ মেগা হার্জ ক্ষমতার এ কম্পিউটার টি ৪
মেগাবাইট র্যাম যার ১ মেগাবাইট শেয়ারড ছিল মেইন লজিক বোর্ড এর সাথে। লো
প্রোফাইল ডিজাইন সাথে এক্সটারনাল ভিডিও মনিটর এবং ৮০ মেগাবাইট এর ইন্টারনাল
হার্ড ড্রাইভ। এতে কোন প্রকার অপ্টিক্যাল ড্রাইভ না থাকলেও ১.৪ মেগাবাইট
এর ফ্লপি ড্রাইভ ছিল।

সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +( Sinclair Zx Spectrum+)

সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +১২৮ ( Sinclair Zx Spectrum+ 128)




ম্যাকিন্টোশ ক্লাসিক বা ফ্যাট ম্যাক (ফ্যাট
ম্যাক এর অফিসিয়াল নাম), প্রথম বের হয় জানুয়ারী ১৯৮৪ সালে। ম্যাকিন্টোশ
ক্লাসিক এর সাথে ইন্টারনাল মনিটর তো ছিলই, অনেকে একে দেখলে বলে কম্পিউটার
কথায়, এটাত একটা মনিটর। ৯ ইঞ্চি মোনক্রমের মনিটর। যাই হোক, ৮ মেগাহার্জের
Motorola MC68000 সাথে কম্পিউটার টিতে ১ মেগাবাইট র্যাম এবং ৫১২ কিলোবাইট
রম ছিল। এতে কোন প্রকার অপ্টিক্যাল ড্রাইভ বা হার্ড ড্রাইভ (ম্যাকিন্টোশ
ক্লাসিক ২ তে ৪০ মেগা হার্ড ড্রাইভ ছিল) না থাকলেও ৮০০ কিলোবাইট এর একটি
ফ্লপি ড্রাইভ ছিল।
ম্যাকিন্টোশ এল সি ৪৭৫ (Macintosh LC475)
এর
পরে যে কম্পিউটারটি নিয়ে আমি বলতে যাচ্ছি, সেটা হচ্ছে, ম্যাকিন্টোশ এল সি
৪৭৫। Motorola MC68LC040 প্রসেসরের ২৫ মেগা হার্জ ক্ষমতার এ কম্পিউটার টি ৪
মেগাবাইট র্যাম যার ১ মেগাবাইট শেয়ারড ছিল মেইন লজিক বোর্ড এর সাথে। লো
প্রোফাইল ডিজাইন সাথে এক্সটারনাল ভিডিও মনিটর এবং ৮০ মেগাবাইট এর ইন্টারনাল
হার্ড ড্রাইভ। এতে কোন প্রকার অপ্টিক্যাল ড্রাইভ না থাকলেও ১.৪ মেগাবাইট
এর ফ্লপি ড্রাইভ ছিল।
ম্যাকিন্টোশ পাওয়ার ৮৬০০/২০০ :

ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭ এ বের হওয়া এ পাওয়ার পিসি
টি ডটার কার্ড এ বসান ২০০ মেগাহার্জের পাওয়ার পিসি ৬০৪ ই প্রসেসর এ চলত।৪
মেগাবাইট রম এবং ৩২ মেগাবাইট র্যামের এ কম্পিউটার টিতে ২ মেগাবাইট ভিডিও
র্যামও সংযুক্ত ছিল। এর স্ট্যান্ডার্ড হার্ড ড্রাইভ টি ৮০ মেগাবাইট এর
হলেও চাইলেই অতিরিক্ত কিছু টাকা দিয়ে আপনি সে সময়কার ২ গিগাবাইট হার্ড
ড্রাইভ নিতে পারতেন।এতে ১২x স্পীডের সিডি রম এবং ১.৪৪ মেগাবাইটের ফ্লপি
ড্রাইভ ও ছিল।১৯৯৭ সালে এর দাম ছিল ৩২০০ ডলার।
সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +( Sinclair Zx Spectrum+)

এ কম্পিউটার টি ছিল, ৩.৫৪ মেগাহার্জ এর
যি-লগ যেড ৮০ এ প্রসেসর যুক্ত। সাথে ১৬ কিলোবাইট র্যাম। এর ডিসপ্লে ছিল,
৩২x২২ ক্যারেক্টার টেক্সট ডিসপ্লে, ২৫৬x১৯২ পিক্সেল রেজোলিউশান, ৮ কালার।
এর স্টোরেজ সিস্টেম ছিল এক্সটারনাল টেপ রেকর্ডার অথবা মাইক্রোড্রাইভ।
সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +১২৮ ( Sinclair Zx Spectrum+ 128)

সিনক্লিয়ার কম্পানি তাদের নতুন এবং আরও
ইম্প্রুভড যেড এক্স স্পেকট্রাম + ১২৮ , কোড নেমঃ ডারবি (Zx Spectrum+ 128K,
Code Name: Derby) যার প্রথম প্রদর্শন হয় ১৯৮৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এবং
যুক্তরাজ্যে বিক্রি শুরু করে ১৯৮৬ সালে, যার দাম ধরা হয়েছিল মাত্র ১৭৯.৯৫
পাউন্ড (এটা মাত্র !!!!!) সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম + এর থেকে অবশ্যই
নতুন কিছু আছে এতে… ১২৮ কিলোবাইট র্যাম, ৩২ কিলবাইট রম, এবং এক্সটারনাল
কী- বোর্ড। এছাড়াও ছিল, ১৬ বিট Address বাসের নতুন যেড ৮০ প্রসেসর।নতুন
সাউন্ড চিপ এবং মিডি আউট ছিল সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +১২৮ এর আরো
একটি চমক।
কমোডোর ৬৪ (Commodore 64)

জনপ্রিয় Personal Computer গুলোর মধ্যে
অন্যতম একটি নাম হচ্ছে, কমোডোর ৬৪, যার আগের ভার্সন টি ছিল কমোডোর ভি আই সি
– ২০ এবং পরের টি ছিল, কমোডোর ১২৮। কমোডোর ৬৪ বের হয়েছিল, অগাস্ট ১৯৮২ তে।
কমোডোর কারনেল / কমোডোর বেসিক ২.০ ছিল এর অপারেটিং সিস্টেম। এর প্রসেসর
ছিল মস টেকনোলজির ৬৫১০, যা ১.০২ মেগাহার্জ গতির (এন টি এস সি ভার্সন)।
নামেই বোঝা যায়, ৬৪ কিলোবাইট র্যাম ছিল এর ভেতরে। আর গ্রাফিক্স এর কথা
বলতে গেলে বলতে হবে, ৩২০x২০০ পিক্সেল এর ১৬ কালারে এর ডিসপ্লে দেখাত।
কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে ছিল, CIA Joysticks, Cartridge, RF, IEEE-488
Floppy/ Printer, Digital Tape ইত্যাদি।
আল-আলামিয়াহ এ এক্স ১৭০ (Al-ALamih AX170):

জাপানে প্রস্তুত এ Personal Computer টি
১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ এর মধ্যে কোন এক সময়ে তৈরি করা হয়েছিল। তবে এ কম্পিউটার টি
এরাবিক দেশগুলোতে খুবি চলেছিল , যার প্রধান কারন ছিল, এর এরাবিক কী
বোর্ড।যাইলগ যেড ৮০ প্রসেসরের এ কম্পিউটার টিতে ৬৪ কিলোবাইট র্যাম এবং ৩২
কিলোবাইট রম ছিল। এর ডিসপ্লেতে এটা ১৬ কালারের গ্রাফিক্স দেখাতে পারত।
বিঃদ্রঃ ইউরোপের রেটিং এ এই কম্পিউটার টি খুবি দুস্প্রাপ্য হিসেবে দেখানো আছে।
Memory Washer ছোট হলেও কাজের সফটওয়্যার।
এই সফটওয়্যার কম্পিউটার মেমরী পরিস্কার করে।এটি আপনার কম্পিউটারের গতি
বৃদ্ধি করবে।এই সফটওয়্যার কম্পিউটার সব অপ্রয়োজনীয় সব ময়লাও বলতে পারেন
যা মুছে ফেলে। এই সফটওয়্যার উইন্ডোজ এর মেনু, এবং অন্যান্য অনেক দরকারী
সেটিংস configurethe পারে।English এ বিস্তারিত অনেক বড় করে আসে তাই ওতো
লিখা সম্ভব নয় তাই বলছি । আর যারা এর সম্পরকে জানেন তাহলে তো ভাল।
বিস্তারিত এখানে।সফটওয়্যার
এর সাইজ মাত্র 2.1 MB।আর সব সময় বিস্তারিত দেখে ডাউনলোড করবেন।সফটওয়্যার
সম্পরকে না জেনে ডাউনলোড না করাই ভাল। তাই বিস্তারিত দেখে নিবেন।
সফটওয়্যার এর নামঃ Memory Washer 7.1.0 Portable।

ডাউনলোড
সফটওয়্যার এর নামঃ Memory Washer 7.1.0 Portable।

ডাউনলোড
Apnar mobile er current package janar jonno plz dial:
Banglalink: *125#
Airtel: *121*1*1*1#
Robi: *140*14#(2.30tk
Teletalk:Type tar and send to 222 (0.58tk)
GrameenPhone: type P and send it to 4444
Apnar Mobile number janar jonno:
Airtel: *121*6*3#
Robi: *140*2*4#
GrameenPhone: *111*8*2#
Banglalink: *511#
Teletalk:Type tar and send to 222 (0.58tk)
Robi New Internet Policy
Attention robi internet subscribers (16th october,2011)
Internet bundle package kenar shomoy prothombar obossoy*8999*00# dial korte hobe. Tarpor apnar desired package onujaye package code (Ex:*8444* 80#) dial kore internet package kinte hobe.
# Package sesh hoye gele punoray ai package code dial kore package kinte hobe. active korte*8999*99# dial korte hobe.
New internet Policy for GP P7/P9 user :
Good News !!!
From now on Grameenphone P7 & P9subscribers can also avail BDT 0.01/10KB after expiration of the specified volume or 15 days (from the date ofactivation) which comes first
New Internet Policy For GrameenPhone :
From now on Grameenphone’s 3GB (P5) & 1GB (P6) Internet subscribers will be charged BDT 0.01/10KB if they use after the volume quota till the expirothoba PAY PER USE e date. This was a BTRC directive toall Mobile operators. So 1MB will cost 1Tk if use extra.
New Internet Policy of Banglalink:
Please be informed that if the allocated volume already used for P6 (1GB), P7 (15 MB) , P4 (200 MB) and P8 (50 MB) within validity then prepaid subscribers will be charged @ TK. 0.01 per 10KB for additional usage during validity period
New Process for Airtel user:
apni jekono internet package (10MB / 150MB / 1GB / 3GB / 5GB) kenar por jodi validity thaka obosthay apnar internet balance 1MB r nichey eshe jay, tahole apni chaile customer care a call (786) kore othoba email (customerservice@ bd.airtel.com) Kore apnar internet service 10KB @1 paisa Kore nite paren. ai facility apni apnar kena internet package er validity thaka porjonto applicable thakbe. validity expire houar por apni again 1KB @2 paisa rate paben.
শুক্রবার, ৫ অক্টোবর, ২০১২
মান বজায় রেখে বেশি সাইজের এর ছবিকে 300-350 MBতে কমিয়ে ফেলুন
Advanced Video Compressor হল এমন একটি যা মান বজায় রেখে বেশি সাইজের এর
ছবিকে 300-350 MBতে কমিয়ে আনতে পারে। এখন এর Latest Version হল Advanced
Video Compressor 2012।
1. প্রথমে Compress করা Fileটি Extract করুন। এখন Fileটি থেকে avc.exe মানে Softwareটি Open করুন।

2.এখন যে Movie বা File কে Compress করতে চান তা Browse করে দিন। একটি কথা Softwareটি .avi, .mpg, .mpeg4, .wmv, .mov, .3gp এবং .webm Format এর File Convert করতে পারে এবং এর Output Format হল .avi, .mp4, .3gp, .flv। আপনি যদি অন্য কোন Format এর Input দেন তাহলে Output ভাল পাবেন না। এরজন্য দরকার হলে ভাল Qualityতে .avi Format এ Convert করে এরপর Advanced Video Compressor দিয়ে জায়গা কমিয়ে ফেলুন।

3.Input শেষ হলে Output Format, Video Size, Video Codec, FPS/Sec, Video Bitrate, Audio Bitrate ইত্যাদি ঠিক করে দিন। যদি Input কৃত File এর Video Size 1280×720, 1920×1080, 1024×768 এই রকমের হয় তাহলে Video Bitrate বাড়িয়ে দিন তা না হলে Output ভাল পাবেন না। অথবা আমার মত Video Size কমিয়ে দিন ছবিতে যেভাবে দেখানো হয়েছে সে ভাবে।

4.এখন Compress Button এ Click করুন তাহলে Video Compress শুরু হবে। Compress অবস্থায় দরকার হলে Pause এবং Resume করতে পারবেন। Compress শেষ হলে Source Folder এ যান সেখানে Compress হওয়া Video Fileটি বা Output পাবেন।
Advanced Video Compressor 2012 Download করতে এই Link এ Click করুন।
1. প্রথমে Compress করা Fileটি Extract করুন। এখন Fileটি থেকে avc.exe মানে Softwareটি Open করুন।

2.এখন যে Movie বা File কে Compress করতে চান তা Browse করে দিন। একটি কথা Softwareটি .avi, .mpg, .mpeg4, .wmv, .mov, .3gp এবং .webm Format এর File Convert করতে পারে এবং এর Output Format হল .avi, .mp4, .3gp, .flv। আপনি যদি অন্য কোন Format এর Input দেন তাহলে Output ভাল পাবেন না। এরজন্য দরকার হলে ভাল Qualityতে .avi Format এ Convert করে এরপর Advanced Video Compressor দিয়ে জায়গা কমিয়ে ফেলুন।

3.Input শেষ হলে Output Format, Video Size, Video Codec, FPS/Sec, Video Bitrate, Audio Bitrate ইত্যাদি ঠিক করে দিন। যদি Input কৃত File এর Video Size 1280×720, 1920×1080, 1024×768 এই রকমের হয় তাহলে Video Bitrate বাড়িয়ে দিন তা না হলে Output ভাল পাবেন না। অথবা আমার মত Video Size কমিয়ে দিন ছবিতে যেভাবে দেখানো হয়েছে সে ভাবে।

4.এখন Compress Button এ Click করুন তাহলে Video Compress শুরু হবে। Compress অবস্থায় দরকার হলে Pause এবং Resume করতে পারবেন। Compress শেষ হলে Source Folder এ যান সেখানে Compress হওয়া Video Fileটি বা Output পাবেন।
Advanced Video Compressor 2012 Download করতে এই Link এ Click করুন।
পেন ড্রাইভের সর্বোচ্চ জায়গা ব্যাবহার নিশ্চিত করুন
নানা কারনে আমরা পেনড্রাইভ ব্যাবহার করে থাকি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পেন্ড্রাইভ এর সর্বোচ্চ জায়গা ব্যাবহার নিশ্চিত হয়না। ইচ্ছা করলে আপনার পেন্ড্রাইভের সর্বোচ্চ সংখ্যক জায়গা ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য প্রথমেই আপনার পেনড্রাইভের সব ফাইল কপি করে পিসিতে রেখে দিন। এরপর মাই কম্পিউটার এ কার্সর রেখে ডান বাটন চাপুন Properties/System /Hardware /Device Manager/ অপশন এ যান। Disk Drive অপশন থেকে আপনার পেনড্রাইভের আইকনটি খুজে বের করুন। যদি পেনড্রাইভ শনাক্ত করতে না পারেন তাহলে প্রতিটি ড্রাইভে ডান ক্লিক করে Properties দেখুন। যে ড্রাইভের Properties উইন্ডোতে Device usage বক্সে Use this Device (Enable) লেখা দেখাবে সেটিই আপনার পেনড্রাইভ। পেনড্রাইভ শনাক্ত করার পর ডান ক্লিক করে তার Properties এ যান এরপর Policies অপশন এ যান Optimize for performance অপশনে যান অপশন নির্বাচিত করুন। ফরম্যাট উইন্ডো এলে File System হিসেবে ntfs এবং Allocation unit size 512 দিন এবং Enable Compression বক্সে এ ঠিক মার্ক দিয়ে Start নির্বাচন করুন। ব্যস হয়ে গেল এবার আপনি আগের তুলনায় বেশি ফাইল রাখতে পারবেন।
স্টিভ জবস ::: অ্যাপেল জগতের কিংবদন্তী
জন্মঃ ষ্টিভেন পল জবস ফেব্রুয়ারি ২৪, ১৯৫৫ (বয়স ৫৭) সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।স্টিভ জবস (পুরোনাম: স্টিভেন পল জবস) (ইংরেজি: Steven Paul “Steve” Jobs) (জন্ম ফেব্রুয়ারি ২৪, ১৯৫৫, মৃত্যু ৫ অক্টোবর ২০১১) যুক্তরাষ্ট্রের একজন উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবক। তাকে পার্সোনাল কম্পিউটার বিপ্লবের পথিকৃৎ বলা হয়। তিনি স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন-এর সাথে ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনি পিক্সার এ্যানিমেশন স্টুডিওস-এরও প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম ও সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। ১৯৮৫ সালে অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের বোর্ড অব ডিরেক্টর্সের সদস্যদের সাথে বিরোধে জড়িয়ে তিনি অ্যাপল ইনকর্পোরেশনের থেকে পদত্যাগ করেন এবং নেক্সট কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৯৬ সালে অ্যাপলকম্পিউটার নেক্সট কম্পিউটারকে কিনে নিলে তিনি অ্যাপলে ফিরে আসেন। তিনি ১৯৯৫ সালে টয় স্টোরি নামের অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।
মৃত্যুঃ অক্টোবর ৫, ২০১১ (৫৬ বছর) পালো অ্যালকো, ক্যালিফোর্নিয়া।
বাসস্থানঃ পালো অ্যালটো, ক্যালিফোর্নিয়া।
জাতীয়তাঃ মার্কিন
পেশাঃ Co-founder, Chairman and CEO,
Apple Inc.
Co-founder and CEO,
Pixar
Founder and CEO,
NeXT Inc.
মোট সম্পত্তিঃ $৮.৩ বিলিয়ন (২০১১)
বোর্ড সদস্যঃ The Walt Disney Company, Apple Inc.
ধর্মঃ বৌদ্ধ
দাম্পত্য সঙ্গীঃ লরেন পাওয়েল (১৯৯১-২০১১)
সন্তানঃ লিসা ব্রেন্নান-জবস, রিড জবস, এরিন জবস, ইভ জবস
আত্মীয়ঃ মোনা সিম্পসন (বোন)
ওয়েবসাইটঃ স্টিভ জবস
জীবনবৃত্তান্ত
জবস জন্মেছিলেন সান ফ্রান্সিস্কোতে এবং পরে পল ও ক্লারা জবস তাকে দত্তক হিসাবে গ্রহণ করেন এবং তাকে নামকরণ করা হয় স্টিভেন পল জবস। কিন্তু তার প্রকৃত পিতা-মাতা ছিলেন জোয়ান ক্যারোল এবং আব্দুল্লাহ ফাতাহ জান্দালি (সিরিয়া থেকে স্নাতকোত্তর ছাত্র ছিলেন।পরবর্তীতে রাস্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হয়েছিলেন)। যারা পরবর্তীতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন এবং তাদের ঘরে জবস-এর বোন সাহিত্যিক মোনা সিম্পসন জন্মান।জবস কুপারটিনো জুনিয়র হাই স্কুলে এবং হোমস্টিড হাই স্কুলে গিয়েছিলেন। তিনি প্রায়ই হিউলেট-প্যাকার্ড কোম্পানির লেকচারগুলোতে অংশগ্রহণ করতেন। যেখানে পরবর্তীতে তিনি গ্রীষ্মকালীন কর্মচারী হিসাবে স্টিভ ওজনিইয়াকের সাথে কাজ করেন। ১৯৭২ থ্রিস্টাব্দে তিনি হাই স্কুল শেষ করেন এবং রীড কলেজ়ে ভর্তি হন। যদিও তিনি পরবর্তীতে কলেজ ছেড়ে দেন তার পরেও তিনি ক্যালিগ্রাফীসহ আরো কিছু ক্লাসে যোগদান করেছিলেন। এই সম্পর্কে তার বক্তব্য ছিল “যদি আমি ওই কোর্সে না যেতাম তবে ম্যাকের কখনোই বিভিন্ন টাইপফেস বা সামঞ্জস্যপূর্ণ ফন্টগুলো থাকতো না।”
১৯৭৪ সালে জবস ক্যালির্ফোনিয়াতে পুনরায় চলে আসেন। এ সময় তিনি নিয়মিত ওজনিয়াকের সাথে হোমব্রিউ কম্পিউটার ক্লাবের সভাগুলোতে উপস্থিত থাকেন। তিনি ভিডিও গেমস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আটারিতে টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ শুরু করেন। তিনি এসময় মূলত ভারতে যাবার জন্য অর্থ জমানোর চেষ্টা করছিলেন। জবস ভারতে নিম কারোলি বাবার কাইনিচি আশ্রমে তার বন্ধু ড্যানিয়েল কটকের সাথে ভ্রমন করেন। আধ্যত্মিক জ্ঞান অর্জনের জন্য তিনি ভারতে আসেন ও বৌদ্ধধর্মে ধর্মান্তরিত হন।
কর্মজীবন
অ্যাপল প্রতিষ্ঠা
১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। আমেরিকার উদ্যোক্তা মাইক মার্ককুলার প্রথম অ্যাপলে অর্থ বিনিয়োগ করেন। অ্যাপল প্রতিষ্ঠার আগে ১৯৭১ সালে ইলেকট্রনিক্স হ্যাকার ২১ বছরের ওজনিয়াকের সাথে জবসের পরিচয় হয়। জবসের তখন বয়স ছিল মাত্র ১৬। ১৯৭৬ সালে তারা অ্যাপল ১ নামের প্রথম কম্পিউটার অবমুক্ত করে।১৯৭৮ সালে মাইক স্কটকে প্রথম সিইও হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। পরবর্তীতে কোমল পানীয় পেপসির সাবেক কর্মকতা জন স্কালীকে সিইও হিসেবে নিয়োগ করেন জবস। আশির দশকের শুরুতে জবসের আগ্রহেই অ্যাপল লিসা নামের ৯,৯৯৫ ইউএস ডলার মূল্যের ডেক্সটপ কম্পিউটার বাজারজাত করা শুরু করে। কিন্তু অধিক মূল্যের কারনে লিসা বাজারে সুবিধা করতে পারে নাই।
১৯৮৩ সালের অক্টোবরে জবস নতুন ধরনের ডেক্সটপ ম্যাকিন্টশ নির্মানের ঘোষনা দেন। ১৯৮৪ সালের জানুয়ারিতে অ্যাপল ম্যাকিন্টশের বাজারজাতকরন শুরু হয়। ১৯৮৫ সালের মে মাসে জবসকে অ্যাপলের ম্যাকিন্টশ কম্পিউটারের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া হয়। অক্টোবরে জবস অ্যাপল থেকে পদত্যাগ করেন এবং নেক্সট কম্পিউটার নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
নেক্সট কম্পিউটার
অ্যাপল কম্পিউটার ছাড়ার পর জবস ১৯৮৫ সালে ৭ মিলিয়ন ইউএস ডলার দিয়ে নেক্সট(NeXT) কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। নেক্সট কম্পিউটার থেকে জবস ১৯৯০ সালে নেক্সটষ্টেশন নামের পিসি বাজারজাত করন শুরু করেন। এই ওয়ার্কষ্টেশন গুলোর দাম ছিল ৯,৯৯৯ মার্কিন ডলার।পিক্সার ও ডিজনী
১৯৮৬ সালে জবস পিক্সার, সাবেক নাম দ্য গ্রাফিক্স গ্রুপ, লুকাস ফিল্ম এর কাছ থেকে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে ক্রয় করেন। এই প্রতিষ্ঠান থেকেই জবস ডিজনীর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে কম্পিউটার অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র বানাতে শুরু করেন। ১৯৯৫ সালে মুক্ত পাওয়া টয় ষ্টোরি চলচ্চিত্রটি প্রথম চলচ্চিত্র যেখানে স্টিভ জবস এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জবস পিক্সারের ক্রিয়েটিভ প্রধান জন লেস্যেটার এর সাথে মিলে অনেকগুলো চলচ্চিত্র নির্মান করেন। কয়েকটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র হল: এ বাগস লাইফ (১৯৯৮), টয় ষ্টোরি ২ (১৯৯৯), ফাইন্ডিং নিমো (২০০৩), টয় ষ্টোরি ৩ (২০১০) প্রভৃতি।অ্যাপলে প্রত্যাগমন
১৯৯৬ সালে অ্যাপল ঘোষনা দেয় ৪২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে নেক্সট কম্পিউটার ক্রয়ের। জুলাই ১৯৯৭ সালের পরে স্টিভ জবস পুনরায় প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করলেও ২০০০ সালে প্রধান সিইও হিসেবে নিয়োগ পান। স্টিভ এ সময়ে কম্পিউটার যন্ত্রপাতি নির্মাণ ছাড়াও ডিজিটাল বিনোদনের নানা উপকরন নির্মাণে মনোযোগ দেন। তিনি ২৯ জুন ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারজাত করন শুরু করে। নান্দনিকতার সাথে আধুনিক প্রযুক্তির সংমিশ্রনে বিনোদনের জগতে স্টিভ জবস একে একে প্রবর্তন করেন আইপড, আইপ্যাড।পুনরায় অ্যাপল ত্যাগ
২০১১ সালের আগষ্টে জবস অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে পদত্যাগ করেন। কিন্তু তিনি কোম্পানির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে যান।ব্যবসায়িক জীবন
সম্পদ
জবস অ্যাপল কম্পিউটারের প্রধান নির্বাহী হিসেবে বছরে মাত্র ১ মাকিন ডলার বেতন গ্রহন করতেন।কিন্তু তার কাছে ছিল অ্যাপলের ৫.৪২৬ মিলিয়ন শেয়ার এবং ডিজনীর ছিল ১৩৮ মিলিয়ন শেয়ার। ২০১০ সালের ফরবেসের হিসেবে তিনি ৮.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিয়ে ৪৩তম মার্কিন ধনী নির্বাচিত হন।উদ্ভাবন
অক্টোবর ২০১১ পর্যন্ত স্টিভ জবসের নামে ৩৪২ টি আমেরিকান উদ্ভাবনের সত্ত্ব অধিকার রয়েছে।মৃত্যু
জবস অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারে ভুগে ২০১১ সালের ৫ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।সম্মাননা
স্টিভ জবস ১৯৮৫ সালে স্টিভ ওজনিয়াকের সাথে প্রথম ন্যাশনাল মেডেল অব টেকনোলজি লাভ করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন ২০১১ সালে ৩২ জনের নাম ‘পার্সন অফ দ্য ইয়ার’ হিসেবে মনোনীত করে। এ তালিকায় – আঙ্গেলা ম্যার্কেল, বারাক ওবামা, সিলভিও ব্যার্লুস্কোনি, লিওনেল মেসি প্রমূখ বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি তিনিও স্থান পেয়েছেন৷
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)

