শনিবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০১৩

কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর ৫ উপায়

কম্পিউটারটির কাজের গতি কমে গেলে সেটি মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু সহজেই এড়ানো যায় এই সমস্যা।
গতি বাড়িয়ে নিন স্টার্টআপের
বেশিরভাগ সময় কম্পিউটারের গতি কমে আসার কারণ, কম্পিউটারটি চালু হবার সঙ্গে সঙ্গে একাধিক সফটওয়্যার বা টাস্ক চালু হয়ে যাওয়া। Autoruns-এর মতো টুল ডাউনলোড করে সফটওয়্যারগুলো স্টার্টআপের সময় চালু হয়ে যায়। তবে সবসময় প্রয়োজন পড়েনা এমন সফটওয়্যারগুলো ডিসএবল করে রাখতে পারেন। অথবা ব্যবহার করা যেতে পারে উইন্ডোজের বিল্ট ইন ইউটিলিটি MSConfig। স্টার্টআপ ট্যাবে গিয়ে সার্চ বা রানে টাইপ করুন MSConfig। এরপর আইটিউনস, অব্যবহৃত মেসেঞ্জার বা প্রিন্টারের মতো যে সফটওয়্যারগুলো পিসি চালু হবার সঙ্গে সঙ্গেই প্রয়োজন হয়না, টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন সেগুলোর ওপর থেকে। এরপর পিসি রিস্টার্ট করলে সেগুলো নিজে নিজে চালু হবে না। ফলে কিছুটা বাড়বে এর গতি।
বেছে নিন প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
ইন্টারনেট সার্ফিং যদি খুব ধীরগতির হয়, কয়েকটি সহজ পরিবর্তন এ সমস্যার সমাধান করতে পারে। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করলে তার বদলে গুগল ক্রোম ব্যবহার করুন। দ্রুত গতির সার্ফিং সুবিধার কারণে জনপ্রিয়তা পেয়েছে গুগলের ব্রাউজারটি। ক্রোম সেটিংস থেকে ‘ক্লিয়ার ব্রাউজিং ডেটা’য় যান এবং কুকি, ক্যাশ, ব্রাউজিং হিস্ট্রি এবং ডাউনলোড হিস্ট্রির মতো টেম্পোরারি ইন্টারনেট ফাইলগুলোর ওপর টিক দিন।
এছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন পিরিফর্মের সফটওয়্যার CCleaner। সফটওয়্যারটি ব্রাউজার, উইন্ডোজ এবং রেজিস্ট্রির সব টেম্পোরারি ফাইল মুছে ফেলে গতি বাড়িয়ে দেবে আপনার কম্পিউটারের।
আনইনস্টল করুন অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
অব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলো আনইনস্টল করলে চাপ কমবে আপনার পিসির ওপর। উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারের মতো সফটওয়্যারগুলো চালাতে প্রয়োজন হয় অনেক বেশি কম্পিউটিং ক্ষমতার। এ ধরনের সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার না করলে আনইনস্টল করে দিতে পারেন। বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন বিভিন্ন ওপেন সোর্স ফ্রি অ্যাপ্লিকেশন, যা কম্পিউটারের র‌্যামের ওপর কম চাপ সৃষ্টি করে।
ব্যবহার করা যেতে পারে ভিএলসি মিডিয়া প্লেয়ার। ওপেন সোর্স মিডিয়া প্লেয়ারটি ডিভিডি রিপ করে এবং প্রায় সব ফরম্যাটের মিডিয়া ফাইল চালাতে পারে। অ্যাডোবি রিডারের বদলে ব্যবহার করতে পারেন FoxIt Reader যা অ্যাডোবি রিডারের তুলনায় কম র‌্যাম ব্যবহার করে। মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ওপর সোর্স ওয়ার্ড প্রসেসর AbiWord এবং অ্যাপাচির Open Office।
চালু করে দিন অটোম্যাটিক আপডেট
সফটওয়্যার আপডেট নোটিফিকেশন সামনে আসলেই আলসেমি করে ‘রিমাইন্ড মি লেটার’ ক্লিক করা যেনো একরকম অভ্যাসেই পরিণত হয়েছে আমাদের। রিমাইন্ড মি লেটারে চাপতে চাপতে কম্পিউটারের গতি এতোটাই কমে আসে যে, শেষ পর্যন্ত পুরো একটি দিনই পার করতে হয় সফটওয়্যার আপডেট করতে গিয়ে। পুরো একদিন সফটওয়্যার আপডেট করে কাটানো এড়াবার সহজ উপায় হচ্ছে সফটওয়্যার আপডেটগুলো অটোম্যাটিক করে দেয়া।
মাই কম্পিউটারের প্রপার্টিজ থেকে চলে যান অটোম্যাটিক আপডেট অপশনে। নিশ্চিত করুন প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারের আপডেটগুলো যেনো অটোম্যাটিক ডাউনলোড হয়ে ইনস্টল হয়ে যায়। কোনো সফটওয়্যার ম্যানুয়ালি আপডেট করার প্রয়োজন আছে কিনা তা জানতে FileHippo.com থেকে Update Checker সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটার স্ক্যান করে কোনো সফটওয়্যারের আপডেট অনলাইনে আছে কিনা তা জানিয়ে দেবে মুহ‚র্তের মধ্যে।
প্রয়োজনে আপগ্রেড করুন হার্ডওয়্যার
কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর কার্যকর উপায়গুলোর একটি হচ্ছে গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার। আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড কিনে মাদারবোর্ডে ব্যবহার একটু জটিল হলেও গতি বাড়ানোর উপায়গুলোর একটি এটি। কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর আরেকটি কার্যকর উপায় হচ্ছে র‌্যাম বাড়িয়ে নেয়া। র‌্যান্ডম অ্যাকসেস মেমোরি বা র‌্যামের ক্ষমতা বাড়ালে গতি বাড়বে আপনার কম্পিউটারের।
সফটওয়্যার ডাউনলোডের জন্য সবসময় ডাউনলোড ডটকমhttp://download.cnet.com বা এ ধরনের নির্ভরযোগ্য সাইট ব্যবহার করুন।

আপনি কি জানেন আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন কি না?

আসলে অনলাইনে আয় করার জন্য কিছু যোগ্যতা অবশ্যই থাকতে হবে। কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে তা নিম্নে দেওয়া হল।
আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে।
কম্পিউটার সম্পকে অনেক ভাল ভাবে জানতে হবে।
আপনাকে ওয়েব ল্যাগুয়েজ সম্পর্কে জানতে হবে যেমনঃ পিএইচপি ,  এইচটিএমএল , মাইএসকিউএল , সিএসএস , ফ্লাশ , জাভা স্ক্রিপ্ট দক্ষ হতে হবে। তাছাড়া গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও , ওয়ার্ডপ্রেস ,,ফটোশপ , ফ্লাশ ,  আর্টিকেল লেখা , ডেটা এন্ট্রি , ইন্টারনেট মার্কেটিং সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
প্রচুর পরিমানে ধর্য্য থাকতে হবে, কারন এই সব কাজে সফলতা পেতে মাঝে মাঝে অনেক সময় লেগে যায়।
সাম্প্রতিক সময় ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
তবে আমি যেসব কথা বললাম তা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য অন্য দেশ এর থেকে আর বড় ধনের যোগ্যতার প্রয়োজন হতে পারে।
সেরা ৩টি উপায়:
সেরা তিনটি উপায় হল গুগল এডসেন্স, নিবন্ধ লিখে আয়, ফ্রিল্যান্সিং পেশা ।
গুগল এডসেন্স:
গুগল এডসেন্স অনলাইনে টাকায় আয় অনেক বড় ও বিশ্বাস একটা পথ। এথেকে অনেকে অনেক পরিমানে টাকা আয় করতেছে। গুগল এডসেন্স কিভাবে কাজ করে তা জানা দরকার তাই না , আপনারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়েব সাইট এ ভিজিট করেন , সে সময় দেখবেন বিভিন্ন পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড থাকে এবং তার নিচে লেখা থাকে এ্যাড বাই গুগল । আপনি বা অন্য কোন ভিজিটর ঐ  পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড ক্লিক করলে সাইট এর মালিক তার গুগল এডসেন্স একাউন্টে নিদির্ষ্ট পরিমান আয় জমা হয়ে যায় । আপনার একাউন্ট এ এক এডসেন্স $১০০ জমা হলে আপনি টাকা আনতে পারবেন । আর এটা চেক আর মাধ্যমে আনতে পারবে এবং যে কোন ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবেন। এডসেন্স প্রোগ্রাম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স । এদের পেমেন্ট ব্যবস্থাও অনেক ভাল এদের নামে এখন পযন্ত কোন খারাপ রিপোর্ট বেড় হয় নি । আসলে এটা সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল এর একটি প্রোগ্রাম । তাই খারাপ হয়ার কোন সুযোগ নেই ।
গুগল এডসেন্স আয় করতে হলে আপনা থাকতে হবে নিজের একটা ওয়েব সাইট/ব্লগ বা ব্লগ । এবং শুধু ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকলে যে সব হয়ে হয়ে গেল তা না , আপনার ওয়েব সাইট প্রচুর ভিজিটর থাকতে হবে । মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর থেকে এর উপরে , তাছাড়া ভাল আয় করা সম্ভব না । এখন আপনার ওয়েব সাইট / ব্লগ যাই থাক আপনাকে প্রতিদিন মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর রাখতে হবে । ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকুক না কে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ ভাল হতে হবে , কারন বিডভারটাইজার ও গুগল এডসেন্স বাংলা সাইট এ সাপোর্ট করে না তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট হবে সম্পুর্ন ইংলিশে । আপনাকে ওয়েব প্রোগ্রামিং [সিএসএস , পিএইচপি , এইচটিএমএল] সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে যাতে আপনি আপনার সাইট বা ব্লগ কে ভাল ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন । ব্লগে লেখার হাত ভাল হতে হবে । আপনার লেখার হাত যদি ভাল না হয় তবে আপনি অনলাইনে থেকে আয় করা সম্ভব হবে । ভাল মানের লেখা লিখতে হবে , এবং লেখা অবশ্যই ইউনিক হতে হবে , কোন জায়গা থেকে কপি পেস্ট করে কিছু করতে পারবেন না ।
নিবন্ধ লিখে আয়:
কিছু ব্লগ বা সাইট আছে যাতে আপনি পোস্ট দিয়ে আয় করতে পারেন। আসলে এটা এমন যে আপনি যখন আপনি যখন কোন পোস্ট দিবেন ঐ সাইটে তখন এই সাইটের যা আয় হবে তার নিদিস্ট একটা অংশ আপনাকে দিবে। এর মধ্যে সব জনপ্রিয় ২টি সাইট হল https://payperpost.com ও http://www.loudlaunch.com। এদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেক ভাল । তবে এগুলোতে পোস্ট দিতে হলে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে । পোস্ট কোয়ালিটি অনেক হাই হতে হবে। পোস্ট অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। আর ভাল ভাবে জানতে সাইট দুটি ভাল ভাবে ঘাটেন। আর আমি পরে এগুলো নিয়ে আর আলোচনা করবো।
ফ্রিল্যান্সিং পেশা:
আমাদের দেশে অনলাইন ভুবনের তরুণদের কাছে বহুল আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে অনলাইন আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং । ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন অনেকেই ৷পড়ালেখার পাশাপাশি বা পড়ালেখা শেষে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করে যে কেউ গড়ে নিতে পারেন আপনার নিজের ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার ।
যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি অনেক এগিয়ে । এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং করে গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে এবং তারা ভারত , পাকিস্থান এবং বাংলাদেশ কে বেশি কাজ দিতে চায় কারন তারা কম মুল্য কাজ় গূলো করিয়ে নিতে পারে। তবে আমাদের চেয়ে ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগ টিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে।

নিয়ে নিন USB Disk Security V 06.02 (Full Version)মাত্র 4.36MB

আজ আমি আপনাদের জন্যে একটা এন্টিভাইরাস এর ফুল ভারসন নিয়ে এসেছি,এটা এর আগে অনেক জায়গায় দেখেছেন,কিন্তূ হয়ত কোথাও সঠিক বা ফুল ভারসন পান্নি।তাই আমি আপনাদের জন্যে নিয়ে এসেছি  USB Disk Security V 06.02 (Full Version)।এই এন্টিভাইরাস এর মাধ্যমে আপনার খুব সহজে ইউ,এস,বি এর ভাইরাস গুল মারতে পারবেন,এবং এর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে লুকিয়ে থাকা Auto-run গুলও মারা যায়,এটি যদি আপনার কম্পিঊটার এ ইনেস্টল থাকে তাহলে ভাইরাস আপনার কম্পিউটারের ধারের কাছেও আসতে পারবেনা।সুতরাং আর দেরি না তবে এখনি ই নিয়ে নিন।আর কথা না,এবার কাজের কথায় আসা যাক।
নিচ থেকে করেDownload  নিন।

মাত্র 4.36MB

Click Here To Download This(Very Easily)

Click Here To Download Serial Key

খুব সহজেই আপনার পিসির system information জানুন!

১। প্রথমে উইন্ডোজ বাটনে (start) বাটনে ক্লিক করে রান (run) চাপুন।
২। তারপর লিখুন dxdiag এবং কি-বোর্ড থেকে এন্টার (enter) চাপুন।
৩। একটি পপ আপ উইন্ডো আসবে, তখন yes চাপুন।
৪। একটু পরেই নিচের মত একটি পর্দা দেখতে পাবেন।


(উপরের ছবিতে) ব্যস, কাজ শেষ হয়ে গেল! এখানে বিভিন্ন ট্যাব ক্লিক করে বিভিন্ন ডিভাইসের বিবরণ দেখতে পাবেন খুব সহজে।

ফ্রী হস্টিং নিবেন ? তাহলে এখানে নজর দিন … লুফে নিন হাই কুয়ালিটির ফ্রী হস্টিং

ফ্রী ওয়েব হস্টিং সেবা দিতে চালো হল  www.taudio.net  ওয়েব সাইটি থেকে বিনামুল্যে ১০ জিবি ওয়েব হস্টিং সাথে ১০০ জিবি ব্যান্ডউইড্থ বিনা মুল্যে পাওয়া যাবে । তাছারা জনপ্রিয় সিএমএস গুলো ইনস্টল করার জন্য রয়েছে অটো ইনস্টল সুবিধা ।
সাইন আপ করতে এখানে ক্লিক করুন

চলুল একনজরে বিস্তারিত দেখেনেইঃ

  • » ফ্রী ১০ জিবি ওয়েব হস্টিং
  • » ফ্রী ১০০ জিবি ব্যান্ডউইড্থ
  • » ফ্রী ই-মেইল একাউন্ট
  • » ফ্রী ওয়েব সাইট বিল্ডার
  • » অটো ইনস্টল
  • » কাস্টমাইজ   সি-প্যানেল
  • » PHP, ASP, CGI  সহ  অনেক কিছ………
  •  ফ্রী সাবডোমেইন সহ  অনেক কিছ………
বিস্তারিত জানতে এবং আপনার হস্টিং নিতে -  www.taudio.net
যারা নতুন ওয়েবে কাজ শিখতে চান এবং যারা নিজের একটা ব্লগ সাইট বানাতে ইচ্ছুক তারা ফ্রী তে হস্টিং নিয়ে কাজ করতে পারেন ।  তাছারা আপনারা ফ্রী ডোমেইন নিতে http://www.dot.tk বা  http://www.co.cc  ভিজিট করেন । তা হলে আর দেরি না করে ফ্রী ডোমেইন এবং ফ্রী হস্টিং নিয়ে এখনি আপনার ওয়েব সাইট বানিয়ে নেন ।

তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে ডিএনএতে!

তথ্য সংরক্ষণ করা যাবে ডিএনএতে!



প্রাণীর বংশগতির তথ্য ধারক ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিয়িক অ্যাসিড বা ডিএনএতেই সংরক্ষণ করা যাবে ডিজিটাল ডেটা। বার্তাসংস্থা বিবিসি জানিয়েছে, সম্প্রতি ডিএনএতে শেক্সপিয়ারের সনেট, একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিবেদন এবং মার্টিন লুথার কিংয়ের ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ ভাষণের অংশবিশেষ সংরক্ষণ করে দেখিয়েছেন যুক্তরাজ্যের একদল বিজ্ঞানী। ডিএনএতে সংরক্ষিত ওই ডেটাগুলোর ১০০ ভাগই পরে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীরা মার্টিন লুথার কিংয়ের কিংবদন্তীসম ‘আই হ্যাভ এ ড্রিম’ ভাষণের ২৬ সেকেন্ড, জেপিজি ফাইল ফরম্যাটের একটি ছবি, ক্রিক এবং ওয়াটসনের ১৯৫৩ সালের ডিএনএর ওপর গবেষণাপত্র এবং শেক্সপিয়ারের একটি সনেট ডিএনএতে এনকোড করতে সমর্থ হন। কম্পিউটার ড্রাইভের হিসেবে যা মোট ৭৬০ কিলোবাইট। আর এই ৭৬০ কিলোবাইট তথ্যবাহী ডিএনএটি আকারে একটি ধূলিকণার সমান।
গবেষকদলের দলের সদস্য নিক গোল্ডম্যান জানিয়েছেন, ডিজিটাল ডেটা সংরক্ষণের মাধ্যম হিসেবে ডিএনএ এতোই ঘন যে এক গ্রাম ডিএনএতে দুই পেটাবাইট ডেটা সংরক্ষণ করা সম্ভব, যা প্রায় ৩০ লাখ সিডির সমান।
আর ডিএনএতে ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, ডিএনএটি সংরক্ষণের জন্য বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন পড়বে না, প্রয়োজন নেই নিয়মিত দেখাশোনারও। অন্ধকার, শুষ্ক ও শীতল পরিবেশে দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারে ডিএনএ। এমন পরিবেশে থাকার কারণেই হাজার বছর পরেও অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায় ম্যামথের ডিএনএ।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও ঐতিহাসিক তথ্য উপাত্ত দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা সম্ভব। তবে খরচ অনেক বেশি হওয়ায় এখনই বড় পরিসরে এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হচ্ছে না। তবে নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে এর খরচ কমে আসবে এবং স্বল্প খরচে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

বুধবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১২

ইতালি আসতে চান? তাহলে অবশ্যই পড়ুন!!!


ইতালি কিভাবে আসা যায় এ নিয়ে অনেকের মনেই রয়েছে নানা রকমের কৌতূহল , আর এই তথ্য জানার জন্য অনেকেই আমাদের কাছে মেইল,কমেন্ট করে নানা রকম প্রশ্ন করে জানতে চাচ্ছে কিভাবে কি করা যায়। আর তাই আপনাদের কথা চিন্তা করেই আমাদের আজকের এই পোস্ট। এখানে আমরা ইতালীতে আসার জন্য যত রকম পদ্ধতি রয়েছে তা নিয়ে বিস্তারিত বোঝানোর চেষ্টা করবো যাতে করে আপনারা যারা ইতালি আসতে ইচ্ছুক তাদের সকল কৌতূহল দূর হয়ে যায়।
ইতালীর বর্তমান সমস্যা গুলোঃ
সবার আগেই একটা কথা না বললেই নয়, যে ইতালি এখন আর আগের মতো নেই। বিশ্ব মন্দার প্রভাব ইতালীতেও দেখা যাচ্ছে। তাই ইতালি আসতে পারলেই যে আপনি অনেক কিছু করে ফেলবেন সেই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ইতালীর বর্তমান অবস্তা এতই খারাপ যে যারা অনেক দিন ধরে ইটালি রয়েছে তারাই খুব কষ্টে জীবন যাপন করছে, আর নতুন যারা তাদের কথা না হয় বাদি দিলাম। বর্তমানে ইতালীতে যে যে সমস্যা গুলো বেশী দেখা যাচ্ছে তার মধ্যে প্রধান ১ম টি হোল এখানে এখন কাজের খুব অভাব… অনেকেই গত ২ বছর ধরে মনপ্রাণ চেষ্টা করেও কোন প্রকার কাজ যোগাড় করতে পারছে না। ২য় টি হোল ইতালিতে একসময় কাজ পাওয়া যেত কিন্তু কাজের লোক পাওয়া যেতোনা  তাই ইতালীয়ানরা যে কোন লোক পেলেই কাজে নিয়ে নিত… কিন্তু বর্তমানে কাজের লোক অনেক বেড়ে যাওয়ায় তারা এখন বাছাই করে লোক নিয়ে থাকে যেমনঃ আপনি কি ইতালীয়ান ভাষা পাড়েন? বা আপনার কি পূর্বে কাজের অভিজ্ঞতা আছে ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলো থাকার পর জানতে চাইবে আপনার ডকুমেন্ট ঠিক আছে তো? আপনি কত দিন ধরে ইতালি থাকেন। এরকম আরো অনেক সমস্যা রয়েছে। তাই আপনি এসবকিছু জানার পর আদৌও ইতালি আসবেন…… না আসবেন না  সেটা ভালো করে চিন্তা করে দেখুন।

ইতালীতে লিগেল ভাবে আসার যে যে পদ্ধতি গুল রয়েছেঃ
একসময় ইতালি আসা অনেকের কাছে স্বপ্ন বাস্তবে রুপ নেয়ার মতো ছিল। লাখ লাখ টাকা খরচ করে নানান দেশের বর্ডার পাড়ি দিয়ে জীবনের রিক্স নিয়ে আসতে হোত ইতালীতে। অনেকের ইতালি আসতে গিয়ে নিজের প্রাণ পর্যন্ত বিসর্জন দিতে হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ইতালীর সরকার লিগেল ভাবে ইতালীতে প্রবেশ করার আইন পাস করার পর এটি খুব সহজ হয়ে গিয়েছে।
ইতালীর আইন অনুযায়ী ইতালীতে আসার পদ্ধতি দুইটি,
১- নরমাল কাজের স্পন্সরের  মাধ্যমে
২- মৌসুমি কাজ বা কৃষি কাজের স্পন্সর্ ।
নরমাল কাজের স্পন্সর্ঃ
নরমাল কাজের স্পন্সর্ বলতে আপনি ইতালি এসে যে কোন কাজ করতে পারবেন যেমনঃ বাসাবাড়ি, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, কলকারখানা ইত্যাদি ইত্যাদি। এবং আপনাকে ২ বছরের একটি ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া হবে যা প্রতি ২ বছর অন্তঃর অন্তঃর নবায়ন করাতে হবে। এটি করার নিয়মঃ ইতালীর সরকার থেকে নরমাল কাজের স্পন্সরের ঘোষণা দেওয়ায় পরেই এর জন্য অ্যাপ্লাই করা যায়। আর এটি হতে পারে প্রতিবছর  অথবা প্রতি ২-৩ বছর পর পর। ঘোষণা হওয়ার পর কি ভাবে এবং কারা পারবে এর জন্য অ্যাপ্লাই করতে?
নরমাল কাজের স্পন্সর্ ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথে সরকারী ভাবে এর নিয়ম কানন সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হয়। প্রতি ঘোষণায় তারা কিছু নিয়ম পরিবর্তন করে থাকে, তবে তেমন বড় কোন পরিবর্তন করে না ।
এটি ঘোষণা হলে যে কোন ইতালীয়ান মালিক অথবা প্রবাসীরা এর জন্য অ্যাপ্লাই করতে পারবে। তবে প্রবাসীদের জন্য তাদের নিজের অবশ্যই দীর্ঘ মেয়াদী ওয়ার্ক পারমিট থাকতে হবে। অ্যাপ্লাই করার জন্য মালিক বা প্রবাসীদের  বাৎসরিক আয় স্পন্সরের শর্ত সাপেক্ষে থাকতে হবে। যেমনঃ স্পন্সরের শর্তে রয়েছে জমা দিতে হলে তার বাৎসরিক আয় ২০ হাজার ইউরো হতে হবে, তো এখানে যদি কারো বাৎসরিক আয় ২০ হাজার ইউরোর নিচে হয় তাহলে সে আবেদন করতে পারবেনা। আবেদন করার জন্য মালিকের ডকুমেন্ট ও যার জন্য আবেদন করবে তার পাসপোর্ট এর বিস্তারিত লাগবে( শুধু পাসপোর্ট এর ফটোকপি )। উক্ত ডকুমেন্ট সংগ্রহ করার পর অনলাইনে এর জন্য ফর্ম পাওয়া যায় সেখানে ফর্ম পূরণ করে রাখতে হবে। উল্লেক্ষঃ স্পন্সর্ ঘোষণা হওয়ার পর থেকে সরকারী সাইট নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চালু রাখা হয় যাতে করে জমাদানকারী তাদের ফর্ম পূরণ করে রাখতে পারে। ফর্ম পুরনের ব্যাপারটা আপনাদের আরো ভালো ভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছি যেমনঃ স্পন্সর্ ঘোষণা হওয়ার পর থেকে সরকারী একটি অনলাইন সাইট রয়েছে, সেই সাইট নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খুলিয়া দেওয়া হয় যেমনঃ ১লা জানুয়ারী থেকে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, কাজেই ১লা জানুয়ারি থেকে সাইটে নিবন্ধন ও ফর্ম পূরণ করা যাবে এবং ফেব্রুয়ারী মাসের ১ তারিখে সকাল ৮ তার মধ্যে পূরণ করা ফর্ম জমা দেওয়া যাবে (এখানে যেনে রাখা ভালো যে, আপনি ১লা জানুয়ারী  থেকে ৩১শে মার্চ পর্যন্ত ফর্ম পূরণ করতে পারবেন কিন্তু জমা দিতে পারবেন না।) জমা দিতে হবে ১লা ফেব্রুয়ারী ঠিক সকাল ৮ ঘটিকায়। তাই ১লা ফেব্রুয়ারীর দিন ইতালীর সবগুলো ইন্টারনেট ক্যাফে থেকে শুরু করে সবাই যার যার কম্পিউটার নিয়ে ৮ টা বাজার আগে থেকে আপেক্ষা করতে থাকে কখন ৮ টা বাজবে আর সবাই ক্লিক করে পাঠিয়ে দিবে তাদের আবেদন ।কেননা যার আবেদন আগে জমা পড়বে তার ডাক সবার আগে আসবে এবং যার আবেদন দেরিতে পোঁছাবে তার আবেদন বাতিল বলে ঘোষণা করা হবে। তবে আপনি চাইলে এই ফর্ম পূরণ ও আবেদন ৩১শে মার্চ পর্যন্ত করতে পারবেন কিন্তু তা করে কোন লাভ হবে না । কেননা কে কে পাবে তা ১লা ফেব্রুয়ারীতেই নির্ধারণ হয়ে যায়। আবেদন পাঠানোর পর আপনি যদি ভাগ্যবান্ হন তাহলে আপনার বাসায় একটি চিঠি দিয়ে জানানো হবে, উক্ত চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হবে কবে এবং কখন আপনাকে আপনার জমা দেওয়া স্পন্সরের কাগজ বুঝিয়ে দেয়া হবে। স্পন্সার জমা দেওয়া থেকে হাতে পাওয়া পর্যন্ত টোটাল খরচ ১৫ ইউরো  যা বাংলাদেশী টাকায় ১,৫০০ একহাজার পাঁচশত টাকা মাত্র। কিন্তু অনেককেই দেখা যায় এই জমা দেওয়ার জন্য ২০ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার আবার কেউ কেউ লাখ খানিক টাকাও নিয়ে থাকে যারা ইটালি আসবে তাদের কাছ  থেকে। কাজেই এ ব্যাপারে আমার কিছু বলার নাই। এই হোল নরমাল কাজের স্পন্সর্ এর রহস্য।

মৌসুমি কাজ বা কৃষি কাজের স্পন্সর্ঃ
মৌসুমি কাজ বা কৃষি কাজের স্পন্সর্ এর জমা দেওয়ার কার্যক্রম পদ্ধতি সম্পূর্ণ  নরমাল কাজের স্পন্সরের মতো সব কিছুই এক। খালি এদের মধ্যে পার্থক্য হলে এই যে , আপনি মৌসুমি কাজের ভিসায় ইতালি আসলে আপনাকে ৬ মাসের একটি ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া হবে এবং এটি নবায়ন করা যাবে না ও শর্ত সাপেক্ষে আপনাকে উক্ত ৬ মাস পর আপনার দেশে ফিরে যেতে হবে। অবশ্য আপনি না যেতে চাইলে আপনাকে জোড় করে পাঠানো হবে না! তবে আপনাকে অবৈধ ভাবে থাকতে হবে। আর এই স্পন্সরে এসে আপনি কৃষি কাজ সহ আবাসিক হোটেলে কাজ করতে পারবেন, এই দুটি কাজ ছাড়া অন্য কোথাও কাজ করতে পারবেন না। কাজেই এখনো কি করবেন খুব ভালো ভালে ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিবেন।
নরমাল স্পন্সরে আসলে  আপনি কাজ পান বা নাই পান কিন্তু আপনি এখানে এসে কম করে হলেও ১-২ বছরের ওয়ার্ক পারমিট পাবেন  এবং সেটি দিয়ে আপনি চাইলে ইউরোপের অন্যান্য যে কোন দেশ ভ্রমন করতে পাড়বেন সাথে বাংলাদেশেও ঘুরে আসতে পাড়বেন।এবং আপনি এখানের স্কুলে ভর্তি হয়ে ইতালীয়ান ভাষা শিখে কাজ খুঁজার জন্য চেষ্টা করতে পাড়বেন  (যদিও বর্তমানে  নরমাল স্পন্সরে ইতালি আসাটাও মহামারী কিছু না।) তার মধ্যে যদি কেঊ  কৃষি কাজের স্পন্সরে আসে তাহলে তো তার কান্না আর আফসোস ছাড়া কিছুই করার থাকবে না . উনি এখানে এসে কোন কাজ পাবে না এবং তার কোন লিগেল ডকুমেন্ট থাকবেনা … সে চাইলেও দেশে যেতে পারবেনা… যদি যেতে চায় তাহলে একবারের জন্য চলে যেতে হবে। এবং আরো অনেক সমস্যায় পড়বে।
এগ্রিকালচার সিজনাল বা কৃষি ভিসা দালালরা দুই থেকে তিন লক্ষ টাকা দিয়ে ক্রয় করে এবং তা পাচঁ, ছয়, সাত ও আট ,দশ লক্ষে বিক্রি করে। ইতালীতে আসার আগে দালাল রা বলে মাসে বাংলার এক লক্ষ টাকা রোজগার আছে কিন্তু এখানে সবই ভুয়া, প্রধান সমস্যা এখানে বর্তমানে দুই তিন বৎসর ধরে কোন ধরনের কাজ ই পাওয়া যায়না তাই ইতালীতে এসে নিজের মুল্যবান জীবন ও সময় নষ্ট করবেন না, তার সাথে বলতে চাই এই সব দালাল রা দেশের শত্রু, জাতির শত্রু ,মানুষের শত্রু । বরং সাবধান হয়ে নিজে বাচুঁন ও আপনার বন্দুদেরকে ও বাচাঁন।
আসলে খুব খারাপ লাগে যখন এখানকার নিরুপায় ভাইদের সাথে কথা বলি। তারা অনেক স্বপ্ন নিয়ে এখানে আসে, আসারপর বুঝতে পারে যে জীবনের সবচাইতে বড় ভুল করে ফেলেছে যার থেকে পিছে ফিরে যাওয়ার কোন পথ খুঁজে পায়না। অনেকের কাছে শুনা যায় যে ইতালীতে আসার জন্য তাদের একমাত্র মাথা গুজার শেষ সম্বল ভিটে-বাড়ি পর্যন্ত বিক্রি করে এসেছে এই ইতালিতে … আর এখানে এসে হয়ে যাচ্ছে সম্পূর্ণ নিঃস্ব । না পারছে দেশে ফিরতে না পারছে এখানে কিছু করতে? কি যে এক ভয়াবহ অবস্তায় আছে তা একমাত্র তাদের সাথে কথা বোলেই বুঝা যায়। এতে কিছু সংখ্যক দালাল হয়ে যাচ্ছে লাখপতি আর অসহায়রা হারাচ্ছে সব। কাজেই আমরা একটু সচেতন হলেই পারি এই চক্রের হাত থেকে দেশ কে রক্ষা করতে। আর এটি আমাদের সবার দায়িত্ব।
এখানে আর একটি কথা না বললেই নই যে শুধু দালাল দের দোষ দিলে ভুল হবে কেননা এই স্পন্সরের মাধ্যমে ইতালির সরকার আমাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি ইউরো যা আমরা নরমাল জনগন বুজতে পারি না। যেমন ইতালিতে আগে মানুষ বাই পথে বর্ডার পারি দিয়ে জীবনের রিক্স নিয়ে আসতো , সরকার নানা ভাবে চেষ্টা করেও এটি বন্ধ করতে পারেনি। তাই তারা চুক্তি করে এই লিগেল ভাবে ইতালিতে জনগন আনার বেবস্তা করে ।এতে লুকায়িত আছে তাদের পরিকল্পিত চিন্তা যা নরমাল জনগন বুঝতে পারে না।
এতে ওদের যা যা লাভ হয়।
১- যখন কেউ লিগেল ভাবে ইতালিতে আসতে পারবে তখন কেও আর বর্ডার পারি দিয়ে আসবে না এতে করে তাদের আর এই ব্যাপার নিয়ে চিন্তা করতে হবে না বর্ডারে আর্মিরা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাবে।
- ইতালিতে ইতালিয়ানরা কর্মী দের দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় ঠিকি কিন্তু সরকারকে পরিপূর্ণ ট্যাক্স দিতো না , আর তাই তারা এই লিগেল ভাবে লোক আনার কথা চিন্তা করে এবং তারা সর্ত দিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ থেকে কাওকে আনতে হলে সম্পূর্ণ ট্যাক্স জমা দিতে হবে অন্যথায় আনতে পারবে না , কাজেই ইতালিয়ান মালিক দের দালাল সহ সবাই টাকার লোভ দিয়ে বলে তুমি আমার লোক এনে দাও যত ট্যাক্স হয় তা আমি দিব , এতে করে সরকার আমাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা যা আমরা বুঝেও বুঝতে পারছি না।
- ইতালিতে একসময় বাংলাদেশীদের আলাদা মূল্যায়ন ছিল কেননা লোক সংখ্যা কম তাই যথাযথ মুল্লে কাজ করে পারিশ্রমিক পাওয়া যেত, কিন্তু তারা চিন্তা করে দেখল যদি লিগেল ভাবে আরো  বিদেশী আনা যায় তাহলে আমাদের দেশের ইতালিয়ান মালিকরা তাদের ইচ্ছা মতো কম পরিশ্রমে লোক কাজে লাগাতে পারবে এতে লাভবান হচ্ছে তাদের দেশের ইতালিয়ান মালিক পক্ষ আর সমস্যায় পরছে অসহায় বাংলাদেশী নাগরিক।
- এই স্পন্সর্ জমা দেওয়া নিয়েও তারা করে যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ ইউরোর ধান্দা যেমনঃ ওরা প্রতি স্পন্সর্ ঘোষণা দেওয়ার সময় কোঠা উল্লেখ করে দেয় যে বাংলাদেশ থেকে ২০০০ হাজার লোক কে তারা কাগজ দিবে, কিন্তু এখানে আবেদন জমা পরছে ৫ লাখের ও বেশী। উল্লেক্ষঃ এই আবেদন জমা দিতে ১,৫০০ টাকা দিয়ে জমা দিতে হয় এবং এটি ফেরত যোগ্য নয় কাজেই যারা জমা দেই তারা চিন্তা করে যাক আমার না হয় ১৫০০ টাকায় যাবে, পেলে পাবো না পেলে নাই, কিন্তু আমরা এটা চিন্তা করি না যে এই ১৫০০ টাকা ৫ লক্ষ দিয়ে গুন করলে কত হয়।
- তারা খুব ভালো করে চিন্তা করেই এই কাজ গুলো করছে যেমন তারা মজা পেয়ে গেছে আর তাই তারা এখন প্রতি বছর এই স্পন্সর্ ও ইতালিতে থাকা অবৈধ লোকদের বৈধ করার জন্য আইন পাস করে যাচ্ছে কেননা ওরা জানে এতে করে এক সময় প্রচুর বিদেশী এসে জমা হবে এবং যখন তারা কাজ পাবেনা , খেতে পারবেনা এবং নানান সমস্যায় ভুগে নিজে থেকেই হয় তাদের দেশে ফিরে যাবে বা ইটালি ত্যাগ করবে আর এর জন্য তারা তাদের পুলিস প্রশাসনকে তৎপর করে দিয়েছে যাতে কেউ চাইলেও কোন অন্যায় কাজ করতে না পারে। এক কথায় ওরা খ্রিস্টানরা খুব সন্দন ভাবে বুদ্ধি খাটিয়ে এই কাজ গুলো করে যাচ্ছে কেননা এক সময় তারা জাতিসঙ্ঘের কাছেও ভালো থাকছে এ বলে যে দেখো আমরা কত মহৎ হৃদয়ের যে ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় একমাত্র আমরাই বিদেশীদের নিয়ে ভাবছি …… ও এখানে আর একটা কথা তো বলতে ভুলেই গিয়েছি … এই যে প্রতি বছর স্পন্সর্ ও লিগেল করার নাম নিয়ে ওরা যে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তা কোথা থেকে আসছে … এই টাকা আমাদের সম্পদ যা আমাদের প্রবাসী ভায়েরা নানন দেশ থেকে নিজের পায়ের ঘাম মাথায় ফেলে অর্জন করছে যা আমাদের দেশে ইন করার কথা কিন্তু দুঃখের বিষয় এই টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ওরা। কেননা যখনি কোন স্পন্সর্ বা লিগেল করার কোথা শুনা যায় তখনি আমরা আমাদের ভাই-বোন দের কাছে আপদার করে বসি ভাই যে ভাবেই হোক আমাকে ৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে না হলে আমি কাজগ পাবনা … আর আমাদের ভাই- বোনেরাও তাদের ভাইয়ের কথা ফেলতে না পেরে তারা ইংল্যান্ড,আমেরিকা সহ বিশ্বে যে  যেখানে আছে সে খান থেকে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছে… তাহলে কি দাঁড়ালো এভাবে ইতালীতে পুরো বিশ্ব থেকে টাকা তাদের ফান্ডে জমা হচ্ছে। তারা আরো অনেক ভাবে অত্যাচার করছে প্রবাসীদের প্রতি তাই আমার একটাই কথা জেগে উঠো বাংলাদেশ। নিজের বুদ্ধি কাজে লাগাও আর সবাই কে জানিয়ে দাউ আমিওপারি।এক কথায় জেগে উঠো বাংলাদেশ

১০টি বিপজ্জনক কাজ ও ক্ষতিকারক কাজ থেকে বিরত থাকুন


বতর্মানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব লণীয়। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা প্রায়ই নিজের অজান্তে বিভিন্ন বিপজ্জনক কাজ করে থাকেন। আর যার ফলাফল ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার এটাক, স্প্যাম, প্রাইডেসি নষ্টসহ বিভিন্ন হুমকির সম্মুখীন হওয়া। যা ভয়ঙ্কর সব পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। এসব কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত যে কারও। 
এমনই কয়েকটি বিপজ্জনক কাজের উলেখ করা হল:
১। অপরিচিত মেইলের সঙ্গে আসা লিঙ্ক সাইটে প্রবেশ করা।
২। বিভিন্ন সাইট থেকে আনভেরিফাইড বা আন অথরাইজড সফটওয়্যার ইন্সটল করা।
৩। মেইলে লটারির মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের টাকা বিজয়ের কথা বলে সেই টাকা হস্তান্তরের জন্য খরচের টাকা পাঠানো বা কোন ফরম পূরণ করা।
৪। বিভিন্ন পর্ন বা ইলিগ্যাল সাইটে বারবার প্রবেশ করা।
৫। অযাচিত বিভিন্ন সাইটে লোভনীয় সব অফারে রেজিস্ট্রেশন ফরম পূরণ করা।
৬। ব্রাউজার, ম্যাসেঞ্জার কিংবা অন্য কোন মাধ্যমে পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত তথ্য ইত্যাদি প্রদান করা।
৭। বিভিন্ন হ্যাকিং সাইট, জুয়ার সাইটে চ্যাট করার ফাইল শেয়ার করা।
৮। না বুঝে এইচটিএমএল, পিএইচপি, জাভা বা অন্য কোন প্রোগ্রামিং ফাইল ওপেন করা।
৯। অনিরাপদ ওয়্যারলেস সংযোগের মাধ্যমে অনলাইনে যুক্ত হওয়া।
১০। অপিরিচিত মেইলের এটাচড ফাইল ওপেন করা। সেটা ইমেজ, ওয়ার্ড, মিউজিক বা পেইন টেক্সট ফাইলও হতে পারে। সিকিউরিটি টুলস বা ফায়ার ওয়্যাল ডিজেবল 

System Speed Booster 2.9.7.8! একদম নতুন ভার্সন (পিসি কে করুন একদম ঝামেলা মুক্ত নতুনের মত!)


System Speed Booster এই সফটওয়্যার টি আসলে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত ! আমার মনেহয় এই সফটওয়্যার সম্পর্কে তেমন কিছু আপনাদের বলতে হবে না :)
যারা বুঝতে পারছেন বাকি প্যচাল না দেখে ডাইরেক্ট নিচে যাইয়া ডাউনলোড লিংক থেকে ডাউনলোড করে ব্যাবহার স্টার্ট করে দিন! ;) আর পিসি কে করুন একদম ঝামেলা মুক্ত নতুনের মত !
এই সফটওয়্যার টির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৫০$ US ডলার !!
কিন্তু এখানে  আপনারা পাচ্ছেন একদন ফ্রী তে ! :P
——————————————————————————————————————–
যাদের System Speed Booster সম্পর্কে ধারণা নাই এক ঝলকে দেখে নিন System Speed Booster এর কাজ কাম↓↓

Highlights of System Speed Booster

  • Streamline Registry
    By scanning and removing all the obsolete registry entries, System Speed Booster will make your Windows registry compact and clean to speed up the running of your PC.
  • Optimize System
    Problems will be found in your system, with the help of System Speed Booster you can fix all the errors for an optimization of system.
  • Faster Work Efficiency
    From installing to running the app, the processes are smooth and fast. Just a few minutes, you will enjoy the best PC experience ever.
  • Free & Safe
    There is no doubt about it. The award-winning software is 100% free and no adware, no spyware, no virus at all.
  • Multi-functional
    Besides the Registry Fix functions, other built-in tools include Privacy Sweep, Junk Files Removal, System Optimization, etc. All these tasks can be settled in one go.
সহজ বাংলায় যদি বলি তাহলে সমস্যা আপনার পিসির কিন্তু সমাধান এর দায়িত্ব দিয়ে দিন  System Speed Booster উপর !
——————————————————————————————————————–
এখন আসুন ইন্সটল এর নিয়ম টা বলে দেই
প্রথমে সফটওয়্যার টি নিচের লিংক থেকে ডাউনলোড করে রার ফাইল টা ওপেন করুন ।রার ফাইল ওপেন করার পর দেখবেন (SystemSpeedBooster-2.9.7.8.Setup) এই সেটআপ ফাইল টা
নরমাল নিয়মে ইন্সটল করুন ।
ইন্সটল দেয়ার পর ২ নং ফাইল (Crack (BiM) ফাইল টা ওপেন করে Crack টা কপি করে C:\Program Files\SystemSpeedBooster এ পেস্ট করে দিন (replace) দেখাবে চিন্তার কোন কারন নাই বের হয়ে চলে আসুন।
এখন  ডেস্কটপ এ System Speed Booster এর আইকন এ ক্লিক করেন দেখবেন System Speed Booster ফুল ভার্সন হয়ে কাজ স্টার্ট করে দিছে ! এখন আরাম করে ব্যবহার করুন যতদিন ইচ্ছা তত দিন  Serial Key, Keygen, ঝামেলা ছাড়া ! :P
►এর পরেও যদি কারো বুঝতে কোন প্রবলেম হয় তাহলে নিচের কমেন্ট বক্স আপনার জন্য উন্মুক্ত ◄
►নিচে ২ টা ডাউনলোড লিংক দিলাম যেটা থেকে আপনার মন চায় ডাউনলোড করে নিন◄
সফটওয়্যার টি মাত্র (4.77 MB)
►ডাউনলোড করুন   এখান থেকে ◄

শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১২

ফটোশপের মাধ্যমে ছবি বানাবেন অথচ ছবির মাপ/সাইজ জানেন না এদিকে আসুন

  • Stamp Photo Size = (.8″×1″)
  • Passport Photo Size = (1.52″×1.9″)
  • 3R Photo Size = (3.5″×5″)
  • 4R Photo Size = (4″×6″)
  • 5R Photo Size = (5″×7″)
  • 6R Photo Size = (6″×8″)
  • 8R Photo Size = (8″×10″)
  • 8L Photo Size = (8″×12″)
  • 10R Photo Size = (10″×12″)
  • 10L Photo Size = (10″×15″)
  • 12R Photo Size = (12″×16″)
  • 12L Photo Size = (12″×18″)
  • 16R Photo Size = (16″×20″)
  • 20R Photo Size = (20″×24″)
  • 20L Photo Size = (20″×30″)

উক্ত মাপের ″ = ইঞ্চি, × = বাই। প্রথমে দৈর্ঘ্য তারপর প্রস্থের মাপ দেওয়া আছে। যেমন: (1.52″×1.9″) এখানে 1.52″ হচ্ছে ছবির দৈর্ঘ্যের মাপ আর 1.9″ হচ্ছে প্রস্থের মাপ, প্রত্যকটি মাপের ক্ষেত্রেও একই কাহিনী। এই মাপ গুলোর মধ্যে বেশি দরকার হয় Stamp, Passport, 3R, 4R, 5R, 8R, 10R, 12R সাইজের ছবি।