From this blog you can find some information's that related to computer ,media,electronics,movies,songs,interesting news,worlds current facts,medical,sports news and so on.
সোমবার, ৮ অক্টোবর, ২০১২
AJAX কী ও AJAX এর ব্যবহার
ওয়েবে, ওয়েব ডেভেলপার থেকে শুরু করে সাধারণ ব্যবহারকারি পর্যন্ত, সবার
কাছে গত ৩ বছর ধরে যে শব্দটি গুঞ্জনে পরিণত হয়েছে তা হচ্ছে AJAX . হাজারো
ওয়েব application তৈরি হয়েছে ও হচ্ছে এই প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে।
কিন্তু কী এই AJAX ?
Ajax = পুরোন প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার
Ajax এর পুরো অর্থ হচ্ছে Asynchronous JavaScript and XML. Ajax কোন প্রোগামিং ল্যাংগুয়েজ নয় বরং এটি একটি প্রযুক্তি। একটি প্রযুক্তি বলা ভুল হবে বরং ওয়েব ডেডেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয় এমন কতগুলো প্রযুক্তির সমষ্টি মাত্র। XHTML, CSS, DOM , XML, JavaScript এই প্রযুক্তি গুলো ওয়েব ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে এমনিতেই ব্যবহৃত হয়। আর Ajax হচ্ছে এই প্রযুক্তি গুলো মিলিয়ে তৈরি একটি নতুন প্রযুক্তি।
AJAX এর নাম করণ
জেসি জেমস গ্যারেট, ২০০৫ সালের ১৮ অক্টোবরে তার প্রকাশিত লেখা Ajax: A New Approach to Web Applications মাধ্যমে সর্বপ্রথম Ajax এর নামকরণ করেন। অর্থাৎ এজাক্স শুধু নামেই নতুন, এজাক্স -এই শব্দটি ওয়েবে আসার আগেই গুগল ম্যাপ, গুগল সাজেস্ট অ্যাপলিকেশন গুলো তৈরি হয়। গ্যারেটের নাম করণের মাধ্যমে AJAX তার একটি নিজেস্ব নাম পায়। যে সব টেকনোলজি নিয়ে এজাক্স গঠিত সেগুলো ওয়েবে আগেই ব্যবহৃত হত এবং এখনও ব্যবহৃত হয়।
সিলিকনভেলির ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফার্মের ডাইরেক্টর গ্যারেট তার লেখায় বলেন যে, এজাক্স মূলত পাঁচটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত। আসুন দেখি গ্যারেট তার লেখায় Ajax কে কী ভাবে বর্ণনা করেছেন।
XHTML ও CSS:
এজেক্স এ XHTML ও CSS দিয়ে অ্যাপলিকেশনের Interface তৈরি করা হয়। XHTML হচ্ছে HTML এর Latest ভাসর্ন এতে কিছু নতুন Specification ( HTML কোড লেখার নিয়মনীতির ) পরিবর্তন ও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে মূল HTML এর আমূল কোন পরিবর্তন নয়। আর CSS হচ্ছে Style Sheet যার মাধ্যমে HTML এর বিভিন্ন উপাদানকে নিয়ন্ত্রন করা হয় এবং Style প্রদান করা হয়।
DOM বা Document Object Model:
User Interface -এর যে কোন স্থান বা অংশ যখন পরিবর্তন করা হয় বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় যেমন নতুন কোন Block যুক্ত করা বা নির্দিষ্ট কোন অংশে ( DIV -এ ) নতুন কোন information বা element যুক্ত করা, গ্যারেট এর লেখা অনুযায়ী এর পরিবর্তন করার জন্য Ajax এ ব্যবহৃত হয় DOM বা Document Object Model. DOM বা Document Object Model হচ্ছে এমন একটি Application Interface যা বেশির ভাগ ব্রাউজার সাপোর্ট করে এবং যার মাধ্যমে ব্রাউজারে – এ visible এমন উপাদান গুলোকে পরিবর্তনের মাধ্যমে User Interface পরিবর্তন করা যায়।
XML বা Extensible Markup Language:
গ্যারেটের মতে Ajax প্রযুক্তিতে সার্ভার ও ব্রাউজারের মধ্যে সকল ডেটা আদান প্রদান করে XML format -এ। XML হচ্ছে HTML এর মত একটি Markup Language. HTML -এ এর Markup গুলো নির্দিষ্ট করা যেমন <p>, <a>, <span> ইত্যাদি। HTML লেখতে হলে আপনাকে এই নির্দিষ্ট tag গুলোই ব্যবহার করতে হবে। আর XML -এর আপনি আপনার নিজের ইচ্ছা মতো tag তৈরি ও ব্যবহার করতে পারবেন যেমন <product>, <id>, <item> তবে HTMLও XML কিন্তু একে অন্যের replacement নয়। HTML এর কাজ Information Display করা আর XML এর কাজ হচ্ছে data বা information carry করা। দুটোর উদ্দেশ্য আলাদা আলাদা।
XMLHttp:
উপরে যা বুঝেছিলেন তা এখন কাজে লাগান। সাধারণ ভাবে ওয়েব সার্ভারে কোন Request পাঠানো হলে সেই response এর result দেখাতে পুরো ওয়েব পেইজটি refresh হওয়ার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ পুরো interface টি hypered হয় বা বলতে পারেন লাফ দেয়। Ajax প্রযুক্তি মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে hyped Interface থেকে মুক্তি দেওয়া, অর্থাৎ পুরো UI ( User Interface ) এর কোন রকম পরিবর্তন না ঘটিয়ে সম্পূর্ণ background -এ বা asynchronously browser থেকে server এ request পাঠানো এবং ব্রাউজের পাঠানো request process করে response পাঠানো। Asynchronous মানে হচ্ছে ব্রাউজার কর্তৃক পাঠানো কোন request এর respond এর জন্য অপেক্ষা না করে তা background -এ সম্পন্ন করা। আর এ কাজের জন্য ব্যবহা করা হয় XMLHttp.XMLHttp হচ্ছে বেশিরভাগ ব্রাউজার সাপোর্ট করে এমন একটি object (যদিও IE6 করে না)। যার মাধ্যমে browser, server -এর process জন্য যে কোন request পাঠিয়ে তার responce পেতে পারে।
Javascripts:
Javascript এই সব কিছুকে এক সাথে বেঁধে ফেলে। ছবিটি দেখে মিলিয়ে মিলিয়ে পড়ুন তাহলে বুঝতে সুবিধাহবে।
(১) Javascript user এর interaction ( click, submit, keypress ) monitor করে। যেমন কোন ক্লিক হল কিনা, কোন ফর্ম সাবমিট বা keypress হল কিনা।(২) হলে, Javascript, serverএর সাথে communicate করার জন্য XMLHttp request তৈরি ও সক্রিয় করে। (৩) এরপর Javascript, ব্রাউজার কতৃক পাঠানো প্রয়োজনীয় information, XML format এ পাঠানোর জন্য এক সাথে package করে সার্ভারে পাঠায় । (৪) Javascript XHTML ও CSS দিয়ে তৈরি করা ইন্টারফেসের প্রয়োজনীয় অংশ DOM Access এর মাধ্যমে পরিবর্তন করে (৫) user কে জানান দেয় যে request সফল হয়েছে কি হয় নি।
কিন্তু কী এই AJAX ?
Ajax = পুরোন প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার
Ajax এর পুরো অর্থ হচ্ছে Asynchronous JavaScript and XML. Ajax কোন প্রোগামিং ল্যাংগুয়েজ নয় বরং এটি একটি প্রযুক্তি। একটি প্রযুক্তি বলা ভুল হবে বরং ওয়েব ডেডেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয় এমন কতগুলো প্রযুক্তির সমষ্টি মাত্র। XHTML, CSS, DOM , XML, JavaScript এই প্রযুক্তি গুলো ওয়েব ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে এমনিতেই ব্যবহৃত হয়। আর Ajax হচ্ছে এই প্রযুক্তি গুলো মিলিয়ে তৈরি একটি নতুন প্রযুক্তি।
AJAX এর নাম করণ
জেসি জেমস গ্যারেট, ২০০৫ সালের ১৮ অক্টোবরে তার প্রকাশিত লেখা Ajax: A New Approach to Web Applications মাধ্যমে সর্বপ্রথম Ajax এর নামকরণ করেন। অর্থাৎ এজাক্স শুধু নামেই নতুন, এজাক্স -এই শব্দটি ওয়েবে আসার আগেই গুগল ম্যাপ, গুগল সাজেস্ট অ্যাপলিকেশন গুলো তৈরি হয়। গ্যারেটের নাম করণের মাধ্যমে AJAX তার একটি নিজেস্ব নাম পায়। যে সব টেকনোলজি নিয়ে এজাক্স গঠিত সেগুলো ওয়েবে আগেই ব্যবহৃত হত এবং এখনও ব্যবহৃত হয়।
সিলিকনভেলির ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ফার্মের ডাইরেক্টর গ্যারেট তার লেখায় বলেন যে, এজাক্স মূলত পাঁচটি প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত। আসুন দেখি গ্যারেট তার লেখায় Ajax কে কী ভাবে বর্ণনা করেছেন।
তার আগে বুঝে নিন
ওয়েব পেইজে আমার যখন কোন লিংককে ক্লিক বা কোন ফরম সাবমিট করি তখন আপনার browser টি server কে বলে আমাকে অমুক পেইজটি দাও বা অমুক কাজটি কর এই প্রক্রিয়াটিকে বলে request পাঠানো। আর ওয়েব সার্ভার আপনার browser এই request গ্রহন করে উত্তর সরূপ আপনাকে পাঠায় আপনার কাঙ্ক্ষিত পেইজ। একে বলে response দেওয়া। অর্থাৎ browser, server কে request পাঠায় আর সার্ভার তা process করে তার response আবার Browser কে পাঠায়। তবে উল্টোও ঘটতে পারে। শুধু এতটুকু বুঝে নিন যে browser request পাঠায় আর server পাঠায় response।Ajax -এ যে যে প্রযুক্তি যে জন্য ব্যবহৃত হয়
XHTML ও CSS:
এজেক্স এ XHTML ও CSS দিয়ে অ্যাপলিকেশনের Interface তৈরি করা হয়। XHTML হচ্ছে HTML এর Latest ভাসর্ন এতে কিছু নতুন Specification ( HTML কোড লেখার নিয়মনীতির ) পরিবর্তন ও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে মূল HTML এর আমূল কোন পরিবর্তন নয়। আর CSS হচ্ছে Style Sheet যার মাধ্যমে HTML এর বিভিন্ন উপাদানকে নিয়ন্ত্রন করা হয় এবং Style প্রদান করা হয়।
DOM বা Document Object Model:
User Interface -এর যে কোন স্থান বা অংশ যখন পরিবর্তন করা হয় বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় যেমন নতুন কোন Block যুক্ত করা বা নির্দিষ্ট কোন অংশে ( DIV -এ ) নতুন কোন information বা element যুক্ত করা, গ্যারেট এর লেখা অনুযায়ী এর পরিবর্তন করার জন্য Ajax এ ব্যবহৃত হয় DOM বা Document Object Model. DOM বা Document Object Model হচ্ছে এমন একটি Application Interface যা বেশির ভাগ ব্রাউজার সাপোর্ট করে এবং যার মাধ্যমে ব্রাউজারে – এ visible এমন উপাদান গুলোকে পরিবর্তনের মাধ্যমে User Interface পরিবর্তন করা যায়।
XML বা Extensible Markup Language:
গ্যারেটের মতে Ajax প্রযুক্তিতে সার্ভার ও ব্রাউজারের মধ্যে সকল ডেটা আদান প্রদান করে XML format -এ। XML হচ্ছে HTML এর মত একটি Markup Language. HTML -এ এর Markup গুলো নির্দিষ্ট করা যেমন <p>, <a>, <span> ইত্যাদি। HTML লেখতে হলে আপনাকে এই নির্দিষ্ট tag গুলোই ব্যবহার করতে হবে। আর XML -এর আপনি আপনার নিজের ইচ্ছা মতো tag তৈরি ও ব্যবহার করতে পারবেন যেমন <product>, <id>, <item> তবে HTMLও XML কিন্তু একে অন্যের replacement নয়। HTML এর কাজ Information Display করা আর XML এর কাজ হচ্ছে data বা information carry করা। দুটোর উদ্দেশ্য আলাদা আলাদা।
XMLHttp:
উপরে যা বুঝেছিলেন তা এখন কাজে লাগান। সাধারণ ভাবে ওয়েব সার্ভারে কোন Request পাঠানো হলে সেই response এর result দেখাতে পুরো ওয়েব পেইজটি refresh হওয়ার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ পুরো interface টি hypered হয় বা বলতে পারেন লাফ দেয়। Ajax প্রযুক্তি মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে hyped Interface থেকে মুক্তি দেওয়া, অর্থাৎ পুরো UI ( User Interface ) এর কোন রকম পরিবর্তন না ঘটিয়ে সম্পূর্ণ background -এ বা asynchronously browser থেকে server এ request পাঠানো এবং ব্রাউজের পাঠানো request process করে response পাঠানো। Asynchronous মানে হচ্ছে ব্রাউজার কর্তৃক পাঠানো কোন request এর respond এর জন্য অপেক্ষা না করে তা background -এ সম্পন্ন করা। আর এ কাজের জন্য ব্যবহা করা হয় XMLHttp.XMLHttp হচ্ছে বেশিরভাগ ব্রাউজার সাপোর্ট করে এমন একটি object (যদিও IE6 করে না)। যার মাধ্যমে browser, server -এর process জন্য যে কোন request পাঠিয়ে তার responce পেতে পারে।
Javascripts:
Javascript এই সব কিছুকে এক সাথে বেঁধে ফেলে। ছবিটি দেখে মিলিয়ে মিলিয়ে পড়ুন তাহলে বুঝতে সুবিধাহবে।
(১) Javascript user এর interaction ( click, submit, keypress ) monitor করে। যেমন কোন ক্লিক হল কিনা, কোন ফর্ম সাবমিট বা keypress হল কিনা।(২) হলে, Javascript, serverএর সাথে communicate করার জন্য XMLHttp request তৈরি ও সক্রিয় করে। (৩) এরপর Javascript, ব্রাউজার কতৃক পাঠানো প্রয়োজনীয় information, XML format এ পাঠানোর জন্য এক সাথে package করে সার্ভারে পাঠায় । (৪) Javascript XHTML ও CSS দিয়ে তৈরি করা ইন্টারফেসের প্রয়োজনীয় অংশ DOM Access এর মাধ্যমে পরিবর্তন করে (৫) user কে জানান দেয় যে request সফল হয়েছে কি হয় নি।
আপনার বিজয় দিয়ে লেখা কে রুপান্তর করুন অভ্রতে ।
Avro Converter হল উইন্ডোজ এর জন্য
সর্বপ্রথম free একের ভিতর সব Unicode বাংলা ডকুমেন্ট কনভার্টার . এখন আর
প্লেইন টেক্সট কনভার্টার এর জন্য কোন Web based কনভার্টার এর দরকার নেই।
অফলাইন এ থেকেই আপনি আপনার টেক্সট সম্পুর্ন হুবহু রুপান্তর করতে পারবেন
ইউনিকোড এ।
যে সকল সুবিধা রয়েছেঃ
Bijoy to Unicode
Supports Bijoy 2000, Bijoy 200 Pro, Bijoy 2003, Bijoy 2003 Pro, Bijoy 2004 Pro, Bijoy Ekushey 2007 Classic
Supports Bijoy 2000, Bijoy 200 Pro, Bijoy 2003, Bijoy 2003 Pro, Bijoy 2004 Pro, Bijoy Ekushey 2007 Classic
Alpona Professional to Unicode
Both Alpona ANSI and Alpona Unicode (Private Range) versions are supported
Both Alpona ANSI and Alpona Unicode (Private Range) versions are supported
Proshika Shabda to Unicode
All Proshika Shabda versions are supported
All Proshika Shabda versions are supported
Proborton to Unicode
Both Proborton 2 and Proborton 2000 versions are supported
Both Proborton 2 and Proborton 2000 versions are supported
তাহলে এখনি সংগ্রহে রাখুন। ডাউনলোড করতে নিচে দেয়া লিঙ্কে ক্লিক করুন।
যেভাবে কাজ করবেনঃ
Avro Converter supports a variety range of
document conversion by OLE Automation method. So, in a rare number of
cases you will need to use Copy>Paste text conversion (which is also
supported). The current release supports-
Copy>Paste text conversion directly from clipboard
Plain text file (*.txt) conversion
Rich text file (*.rtf) conversion
Microsoft Word Document file (*.doc, *.docx) conversion
Microsoft Access Database (*.mdb) conversion
আমার দেখা স্ক্রীনশট নেওয়ার সবথেকে সুন্দর সফটওয়্যার “ফাস্ট স্টোন ক্যাপচার”
কাজের প্রয়োজনে বা টিউটোরিয়াল তৈরি করার জন্য কিংবা টিউনারপেজে টিউন
করার জন্য আমাদেরকে স্ক্রীনশট নিতে হয়। বিশেষ করে আমরা যারা নেট এ বিচরণ
করি। আর এ ক্ষেত্রে অসাধারন একটি সফটওয়্যার হচ্ছে “ফাস্ট স্টোন ক্যাপচার”।

সফটওয়্যারটি দিয়ে চলমান উইন্ডো বা ওয়েবপেইজের নানা ধরণের স্ক্রীনশট নেয়া যাবে। পুরো স্ক্রীন ও স্ক্রীনের যে কোনো অংশের ইচ্ছানুযায়ী শট নিতে এটি বেশ কার্যকরী । এ ছাড়াও সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে ব্রাইটনেস,কনট্রাষ্ট,কালার প্যালেট,ইফেক্টসহ এই ইমেজের সব ধরনের কাজও করা যাবে। এ সফটওয়্যার এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি স্ক্রিনের যে কোন অংশের উইন্ডো, ফুল স্ক্রিন, চতুর্ভূজ এবং গোলাকার ইত্যাদি ভাবে স্ক্রীনশট নিতে পারবেন।“ফাস্ট স্টোন ক্যাপচার” আমার দেখা সকল স্ক্রিনশট নেওয়ার সফটওয়্যার থেকে বেস্ট।আসুন এর সুবিধা গুলো জেনে নেই:

ফাস্টস্টোন ক্যাপচার-এর সুবিধাসমূহ
সফটওয়্যারটির সাইজ মাত্র : ১.৮ মেগাবাইট । আর কী-জেন তো রয়েছেই। তাহলে আর দেরি কেন এখনি ডাউনলোড করে নিন।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।

সফটওয়্যারটি দিয়ে চলমান উইন্ডো বা ওয়েবপেইজের নানা ধরণের স্ক্রীনশট নেয়া যাবে। পুরো স্ক্রীন ও স্ক্রীনের যে কোনো অংশের ইচ্ছানুযায়ী শট নিতে এটি বেশ কার্যকরী । এ ছাড়াও সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে ব্রাইটনেস,কনট্রাষ্ট,কালার প্যালেট,ইফেক্টসহ এই ইমেজের সব ধরনের কাজও করা যাবে। এ সফটওয়্যার এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি স্ক্রিনের যে কোন অংশের উইন্ডো, ফুল স্ক্রিন, চতুর্ভূজ এবং গোলাকার ইত্যাদি ভাবে স্ক্রীনশট নিতে পারবেন।“ফাস্ট স্টোন ক্যাপচার” আমার দেখা সকল স্ক্রিনশট নেওয়ার সফটওয়্যার থেকে বেস্ট।আসুন এর সুবিধা গুলো জেনে নেই:

ফাস্টস্টোন ক্যাপচার-এর সুবিধাসমূহ
- এর একটি ছোট ক্যাপচার প্যানেল: যা উইন্ডোর যেকোন স্থানে টেনে নেয়া যায় বা মিনিমাইজ করে রাখা যায়।
- খুব অল্প মেমোরী দখল করে, বিশেষ করে যখন উইন্ডোজ ট্রে এরিয়াতে মিনিমাইজ করে রাখা হয়।
- সুপরিচিত হট-কী: (যেটা দেখেই বুঝা যায় যে, এই কী দ্বারা কি কাজ হয়) এর দ্বারা যে কোন স্থানের যখন ইচ্ছা ছবি তোলা যায়।
- টুলবক্স: যার দ্বারা ইচ্ছেমতো ইমেজকে ফ্লোটিং, রিসাইজিং, ক্রপিং, ই-মেইল পাঠানো এবং স্ক্রিন ম্যাগনিফায়ার হিসেবে কাজ করা যায়।
- টেক্সট/এ্যারো লাইন/হাইলাইট ইত্যাদি আলাদা করে দেখায়।
- কমেন্ট এড করা যায়
- ইচ্ছেমতো রিসাইজ, ক্রপ, ব্রাইটনেস, কনট্রাস্ট ইত্যাদি বাড়ানো কমানো যায়।
সফটওয়্যারটির সাইজ মাত্র : ১.৮ মেগাবাইট । আর কী-জেন তো রয়েছেই। তাহলে আর দেরি কেন এখনি ডাউনলোড করে নিন।
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।
আদি কালের বেশ কিছু কম্পিউটার
ম্যাকিন্টোশ ক্লাসিক (Macintosh Classic)

ম্যাকিন্টোশ এল সি ৪৭৫ (Macintosh LC475)
এর
পরে যে কম্পিউটারটি নিয়ে আমি বলতে যাচ্ছি, সেটা হচ্ছে, ম্যাকিন্টোশ এল সি
৪৭৫। Motorola MC68LC040 প্রসেসরের ২৫ মেগা হার্জ ক্ষমতার এ কম্পিউটার টি ৪
মেগাবাইট র্যাম যার ১ মেগাবাইট শেয়ারড ছিল মেইন লজিক বোর্ড এর সাথে। লো
প্রোফাইল ডিজাইন সাথে এক্সটারনাল ভিডিও মনিটর এবং ৮০ মেগাবাইট এর ইন্টারনাল
হার্ড ড্রাইভ। এতে কোন প্রকার অপ্টিক্যাল ড্রাইভ না থাকলেও ১.৪ মেগাবাইট
এর ফ্লপি ড্রাইভ ছিল।

সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +( Sinclair Zx Spectrum+)

সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +১২৮ ( Sinclair Zx Spectrum+ 128)




ম্যাকিন্টোশ ক্লাসিক বা ফ্যাট ম্যাক (ফ্যাট
ম্যাক এর অফিসিয়াল নাম), প্রথম বের হয় জানুয়ারী ১৯৮৪ সালে। ম্যাকিন্টোশ
ক্লাসিক এর সাথে ইন্টারনাল মনিটর তো ছিলই, অনেকে একে দেখলে বলে কম্পিউটার
কথায়, এটাত একটা মনিটর। ৯ ইঞ্চি মোনক্রমের মনিটর। যাই হোক, ৮ মেগাহার্জের
Motorola MC68000 সাথে কম্পিউটার টিতে ১ মেগাবাইট র্যাম এবং ৫১২ কিলোবাইট
রম ছিল। এতে কোন প্রকার অপ্টিক্যাল ড্রাইভ বা হার্ড ড্রাইভ (ম্যাকিন্টোশ
ক্লাসিক ২ তে ৪০ মেগা হার্ড ড্রাইভ ছিল) না থাকলেও ৮০০ কিলোবাইট এর একটি
ফ্লপি ড্রাইভ ছিল।
ম্যাকিন্টোশ এল সি ৪৭৫ (Macintosh LC475)
এর
পরে যে কম্পিউটারটি নিয়ে আমি বলতে যাচ্ছি, সেটা হচ্ছে, ম্যাকিন্টোশ এল সি
৪৭৫। Motorola MC68LC040 প্রসেসরের ২৫ মেগা হার্জ ক্ষমতার এ কম্পিউটার টি ৪
মেগাবাইট র্যাম যার ১ মেগাবাইট শেয়ারড ছিল মেইন লজিক বোর্ড এর সাথে। লো
প্রোফাইল ডিজাইন সাথে এক্সটারনাল ভিডিও মনিটর এবং ৮০ মেগাবাইট এর ইন্টারনাল
হার্ড ড্রাইভ। এতে কোন প্রকার অপ্টিক্যাল ড্রাইভ না থাকলেও ১.৪ মেগাবাইট
এর ফ্লপি ড্রাইভ ছিল।
ম্যাকিন্টোশ পাওয়ার ৮৬০০/২০০ :

ফেব্রুয়ারি ১৯৯৭ এ বের হওয়া এ পাওয়ার পিসি
টি ডটার কার্ড এ বসান ২০০ মেগাহার্জের পাওয়ার পিসি ৬০৪ ই প্রসেসর এ চলত।৪
মেগাবাইট রম এবং ৩২ মেগাবাইট র্যামের এ কম্পিউটার টিতে ২ মেগাবাইট ভিডিও
র্যামও সংযুক্ত ছিল। এর স্ট্যান্ডার্ড হার্ড ড্রাইভ টি ৮০ মেগাবাইট এর
হলেও চাইলেই অতিরিক্ত কিছু টাকা দিয়ে আপনি সে সময়কার ২ গিগাবাইট হার্ড
ড্রাইভ নিতে পারতেন।এতে ১২x স্পীডের সিডি রম এবং ১.৪৪ মেগাবাইটের ফ্লপি
ড্রাইভ ও ছিল।১৯৯৭ সালে এর দাম ছিল ৩২০০ ডলার।
সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +( Sinclair Zx Spectrum+)

এ কম্পিউটার টি ছিল, ৩.৫৪ মেগাহার্জ এর
যি-লগ যেড ৮০ এ প্রসেসর যুক্ত। সাথে ১৬ কিলোবাইট র্যাম। এর ডিসপ্লে ছিল,
৩২x২২ ক্যারেক্টার টেক্সট ডিসপ্লে, ২৫৬x১৯২ পিক্সেল রেজোলিউশান, ৮ কালার।
এর স্টোরেজ সিস্টেম ছিল এক্সটারনাল টেপ রেকর্ডার অথবা মাইক্রোড্রাইভ।
সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +১২৮ ( Sinclair Zx Spectrum+ 128)

সিনক্লিয়ার কম্পানি তাদের নতুন এবং আরও
ইম্প্রুভড যেড এক্স স্পেকট্রাম + ১২৮ , কোড নেমঃ ডারবি (Zx Spectrum+ 128K,
Code Name: Derby) যার প্রথম প্রদর্শন হয় ১৯৮৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এবং
যুক্তরাজ্যে বিক্রি শুরু করে ১৯৮৬ সালে, যার দাম ধরা হয়েছিল মাত্র ১৭৯.৯৫
পাউন্ড (এটা মাত্র !!!!!) সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম + এর থেকে অবশ্যই
নতুন কিছু আছে এতে… ১২৮ কিলোবাইট র্যাম, ৩২ কিলবাইট রম, এবং এক্সটারনাল
কী- বোর্ড। এছাড়াও ছিল, ১৬ বিট Address বাসের নতুন যেড ৮০ প্রসেসর।নতুন
সাউন্ড চিপ এবং মিডি আউট ছিল সিনক্লিয়ার যেড এক্স স্পেকট্রাম +১২৮ এর আরো
একটি চমক।
কমোডোর ৬৪ (Commodore 64)

জনপ্রিয় Personal Computer গুলোর মধ্যে
অন্যতম একটি নাম হচ্ছে, কমোডোর ৬৪, যার আগের ভার্সন টি ছিল কমোডোর ভি আই সি
– ২০ এবং পরের টি ছিল, কমোডোর ১২৮। কমোডোর ৬৪ বের হয়েছিল, অগাস্ট ১৯৮২ তে।
কমোডোর কারনেল / কমোডোর বেসিক ২.০ ছিল এর অপারেটিং সিস্টেম। এর প্রসেসর
ছিল মস টেকনোলজির ৬৫১০, যা ১.০২ মেগাহার্জ গতির (এন টি এস সি ভার্সন)।
নামেই বোঝা যায়, ৬৪ কিলোবাইট র্যাম ছিল এর ভেতরে। আর গ্রাফিক্স এর কথা
বলতে গেলে বলতে হবে, ৩২০x২০০ পিক্সেল এর ১৬ কালারে এর ডিসপ্লে দেখাত।
কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে ছিল, CIA Joysticks, Cartridge, RF, IEEE-488
Floppy/ Printer, Digital Tape ইত্যাদি।
আল-আলামিয়াহ এ এক্স ১৭০ (Al-ALamih AX170):

জাপানে প্রস্তুত এ Personal Computer টি
১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ এর মধ্যে কোন এক সময়ে তৈরি করা হয়েছিল। তবে এ কম্পিউটার টি
এরাবিক দেশগুলোতে খুবি চলেছিল , যার প্রধান কারন ছিল, এর এরাবিক কী
বোর্ড।যাইলগ যেড ৮০ প্রসেসরের এ কম্পিউটার টিতে ৬৪ কিলোবাইট র্যাম এবং ৩২
কিলোবাইট রম ছিল। এর ডিসপ্লেতে এটা ১৬ কালারের গ্রাফিক্স দেখাতে পারত।
বিঃদ্রঃ ইউরোপের রেটিং এ এই কম্পিউটার টি খুবি দুস্প্রাপ্য হিসেবে দেখানো আছে।
Memory Washer ছোট হলেও কাজের সফটওয়্যার।
এই সফটওয়্যার কম্পিউটার মেমরী পরিস্কার করে।এটি আপনার কম্পিউটারের গতি
বৃদ্ধি করবে।এই সফটওয়্যার কম্পিউটার সব অপ্রয়োজনীয় সব ময়লাও বলতে পারেন
যা মুছে ফেলে। এই সফটওয়্যার উইন্ডোজ এর মেনু, এবং অন্যান্য অনেক দরকারী
সেটিংস configurethe পারে।English এ বিস্তারিত অনেক বড় করে আসে তাই ওতো
লিখা সম্ভব নয় তাই বলছি । আর যারা এর সম্পরকে জানেন তাহলে তো ভাল।
বিস্তারিত এখানে।সফটওয়্যার
এর সাইজ মাত্র 2.1 MB।আর সব সময় বিস্তারিত দেখে ডাউনলোড করবেন।সফটওয়্যার
সম্পরকে না জেনে ডাউনলোড না করাই ভাল। তাই বিস্তারিত দেখে নিবেন।
সফটওয়্যার এর নামঃ Memory Washer 7.1.0 Portable।

ডাউনলোড
সফটওয়্যার এর নামঃ Memory Washer 7.1.0 Portable।

ডাউনলোড

